The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার, ৩১ মার্চ ২০১৩, ১৭ চৈত্র ১৪১৯, ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ মঙ্গলবার শিবিরের সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল | আড়াইহাজারে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩৫ | শপথ নিয়েছেন চার বিচারপতি | বিএনপি নেতাদের চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতার শুনানি ১৭ এপ্রিল | ইবিতে ছাত্রলীগ-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ২০ | ফেনির দাঁগনভুইয়া থেকে ৩৫টি ককটেল ও গান পাউডার উদ্ধার | রাজশাহীতে শিবিরের বোমা হামলায় তিন পুলিশ সদস্য আহত

[ রা জ নী তি ]

সংকটে দেশ :এ কিসের আলামত

মুহাম্মদ যাকারিয়া

আধুনিক রাষ্ট্রের শাসন বা পরিচালনব্যবস্থার আরাধ্য পদ্ধতি হচ্ছে গণতন্ত্র। শব্দগতভাবে গণের তন্ত্র বা ব্যবস্থা হচ্ছে গণতন্ত্র। এ শাসনব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্রাপ্ত বয়স্কদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে সংসদ বা আইনসভার গঠন এবং সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের পরিচালনায় দেশের শাসন। শাসনব্যবস্থার এই কাঠামোগত রূপ একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ব্যক্তি স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা—প্রভৃতি অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের মাধ্যমে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহের রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সংসদ বা পার্লামেন্টের প্রতিষ্ঠা ঘটে। এক-এগার পরবর্তী ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট বিপুল বিজয় অর্জনের মাধ্যমে সরকার গঠন করে। স্বাভাবিকভাবেই মহাজোট সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি। বিশেষ করে চারদলীয় জোট সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রতিফলিত গণরায়ের পর ধরেই নিয়েছিলাম আওয়ামী লীগ এ বিষয়ে সতর্ক থাকবে এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে চারদলীয় জোটের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেও পরবর্তীকালে ব্যাপক জনসমর্থন হারানোর পরিণতি থেকে শিক্ষা নিবে। কিন্তু গত ৬ জানুয়ারি মহাজোট সরকারের চার বছর পূর্তিতে দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পরিচালিত জনমত জরিপের ফল দেখে মনে হলো, এ দেশের রাজনীতিকরা বিরোধী দলে থাকলেই নীতিবাক্য শুনান, গালভরা বুলি আওড়ান। কিন্তু ক্ষমতায় গেলেই চাকচিক্য আর মোহে অন্ধ হয়ে তারা অতীত ইতিহাস, বর্তমান জনরোষ, ভবিষ্যত্ পরিণাম— সবকিছু বেমালুম ভুলে যান। জনমতগুলোতে একটা সাধারণ বার্তা ছিল যে, সরকার ভুল পথে চলছে, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। সরকার সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মানবাধিকারও লঙ্ঘিত হচ্ছে। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে শুরু হওয়া বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধের পরিবর্তে তা আরো বেড়ে চলেছে। যুক্ত হয়েছে গুম, অপহরণ ও গুপ্তহত্যা। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়নি। বিচার বিভাগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনে ঢালাওভাবে দলীয়করণ করা হয়েছে। দুর্নীতি ও ব্যর্থতার কারণে চার বছরে মন্ত্রিসভায় কয়েক দফা রদবদল হয়।

মার্কিন লেখক রিচার্ড ই বায়ার্ড বলেছিলেন: 'চিন্তার স্বাধীনতা থাকবে, কথা বলার স্বাধীনতা থাকবে, কর্মের স্বাধীনতা থাকবে এবং উপাসনার স্বাধীনতা থাকবে—এই চারের সংযোগে গণতন্ত্র মানবজাতির ইতিহাসে এক চরম প্রভাবশালী মতবাদ।' কিন্তু সত্যিকারের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আচার-আচরণ, রীতি-নীতি ও পরিবেশ বলতে যা বুঝায় তা নেই দেশে।

১৯৯১ সালে প্রথম নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় এ ব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্তির জন্য জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে তত্কালীন বিএনপি সরকার ১৯৯৬ সালে সংবিধানে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করে। দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পারস্পরিক আস্থাহীনতা, প্রতিহিংসা ও সহিংসতার বাস্তবতা প্রমাণ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ছাড়া কোন দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। কিন্তু ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে আপিল বিভাগ। আগামী নির্বাচন কোন ধরনের সরকারের অধীনে হবে সে বিষয়টি বিরোধী দলের সঙ্গে আগেভাগে ফয়সালা না করায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না বলেও বিএনপি ঘোষণা দিয়েছে এবং রাজপথে আন্দোলন করছে।

এটা ঠিক যে, দেশের প্রধান দুই দল— আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনা, কর্মতত্পরতা, নীতি-পরিকল্পনা—সবকিছুই ক্ষমতাকেন্দ্রিক। দেশে সরকারবিরোধী আন্দোলনের প্রচুর ইস্যু থাকলেও নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনীতিতে বিএনপির আন্দোলনে বরাবরই প্রধান দাবি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল। এ দাবিসহ আটক নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে দলটি এখন ঘনঘন হরতালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করছে। গত চার বছর সরকারের বিরুদ্ধে পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতি, হলমার্ক কেলেঙ্কারি, শেয়ারবাজারে ধস, ইলিয়াস আলী গুমসহ বহু ইস্যুতে বিএনপি সরকারকে ভাবিয়ে তোলার মতো তেমন কোনো আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। দলটির মহাসচিবকে দুই দফা গ্রেফতারের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত হলেও এ ব্যাপারে বিএনপির ভূমিকা এতোটাই প্রশ্নবিদ্ধ ছিল যে, বিরোধী দল হিসেবে বিএনপির অস্তিত্ব সংকট দেখা দিয়েছিল। অবশ্য এক্ষেত্রে মহাত্মা গান্ধীর একটি উক্তি উল্লেখ করতে হয়। তার মতে, 'গণতন্ত্র এবং হিংসা একসঙ্গে চলতে পারে না।' আর আমাদের দেশের পরিস্থিতি হচ্ছে এর সম্পূর্ণ বিপরীত—গণতন্ত্র এবং হিংসা এখানে হাত ধরে চলে। বর্তমানে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মসূচি তো দূরের কথা—কারণে-অকারণে মামলা দিয়ে, হামলা-নির্যাতন চালিয়ে এমন হিংসাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছে, যা সাধারণ গণতান্ত্রিক কোনো কর্মপরিবেশে চিন্তাও করা যায় না। এ পরিবেশে একটি নির্বাচনের আয়োজন করা হলেও সেখানে জনগণ অবাধ ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পাবে না—এ ধারণা অবান্তর হবে না। এ কারণে অবাধ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগের জন্য বিরোধী দলের দাবি হচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান। সেই দাবি পূরণের আর কোনো আশাই যখন থাকলো না এবং সরকার দমন-পীড়নের পথ বেছে নিল, তখন সরকার পতনের এক দফার ডাক দেন বিরোধীদলীয় নেতা। এই কর্মসূচির তাত্পর্য হলো, এখন কোনো পক্ষই আর আলোচনার পথে হাঁটবে না। বরং সরকার পক্ষ যে কোনো উপায়ে একটি নির্বাচন করার চেষ্টা করবে। মহাজোট সরকারের এ ধরনের মহাকীর্তি এবং তা ঠেকাতে বিরোধী দলের পাল্টা মারমুখী অবস্থানের ফলে অচিরেই এমন সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে, যা দেশকে মহাসংকটের দিকে নিয়ে যাবে।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, সাংবিধানিকভাবে আমাদের প্রধানমন্ত্রী অসম্ভব পরাক্রমশালী। আক্ষরিক অর্থে আমরা দেশে মাত্র একদিনের জন্য গণতন্ত্র দেখতে পাই। যেদিন ভোট হয়, সেদিন মানুষ তার পছন্দের ব্যক্তিকে ভোট দিয়ে থাকেন। ক্ষমতা এত বেশি কেন্দ্রীভূত যে, বাকি পাঁচ বছরে দেশে কোনো গণতন্ত্র থাকে না। জনগণ হয়ে যায় প্রজা। দেশে অনেক সমস্যার মূলে রয়েছে এই কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা বা ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা। গণতান্ত্রিক ছদ্মাবরণে একনায়কতান্ত্রিক কর্তৃত্বের অধিকারী সরকারপ্রধান চাননি বলেই হয়তো তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে সরকারি দলের তরফ থেকে সংলাপের কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ যখন সংলাপের কথা বললেন, ঠিক এর কয়েকদিন পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 'সন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটি'র ঘোষণা দিয়ে সংঘাতময় পরিস্থিতিতে 'জ্বলন্ত আগুনে ঘি' ঢালার ব্যবস্থা করেছেন বৈকি। যারা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালাবে, তাদের প্রতিরোধ এবং আইনের আওতায় আনা পুলিশ বাহিনীর কর্তব্য। বর্তমান সহিংসতার মূলে আছে রাজনৈতিক সংকট, তাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে দমন করার চেষ্টা শুভবুদ্ধির পরিচয় বহন করে না।

বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হ্যারল্ড ডি ল্যাসওয়েল বলেছেন, 'গণতন্ত্র হলো পারস্পরিক মর্যাদার এক তীর্থক্ষেত্র।' যেখানে জাতীয় কোনো ইস্যুতে দেশের প্রধান দুই দল ঐকমত্যে আসতে পারে না, দুই নেত্রী কেউ কারো মুখ দেখেন না, রাষ্ট্রপতির ইন্তেকালের পর শোকাবহ পরিবেশে বঙ্গভবনেও কথা হলো না—পারস্পরিক আস্থাহীনতা এতো বেশি— সেখানে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন কীভাবে কল্পনা করা যায়? মূলত সরকার ক্ষমতার মসনদকে দীর্ঘস্থায়ী করার ছক বাস্তবায়ন করতে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করেছে, তা সকলের কাছে দিবালোকের মতো পরিষ্কার। আরেকটি বিষয় হলো, ঐতিহাসিকভাবে পাকিস্তান আমলে— এমনকি স্বাধীনতার পর এরশাদের আমলেও হরতালকে রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। দেশের রাজনৈতিক বোধগম্যতাই এমন যে, সোজা আঙ্গুলে ঘি উঠে না—হরতাল-নৈরাজ্য না হলে সরকারের টনক নড়ে না। তাই বিরোধী দলও হরতালকে তাদের দাবি আদায়ের কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। একের পর এক হরতালের কারণে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, জনগণের প্রাণহানি ঘটছে, যা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। সব মিলিয়ে নির্বাচন নিয়ে দুই জোটের মধ্যে অনাস্থা ও অবিশ্বাসের কারণে যে সংকট ও হানাহানির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা দূর করার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে—এটিই হচ্ছে বাস্তবতা। আপাতত সংলাপের কোনো সম্ভাবনা ও পরিবেশ নেই। বিদ্যমান সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হলে এ মুহূর্তে একটি পথই খোলা আছে—তা হলো নির্দলীয় ও সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য কোনো ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচন করতে হবে। দলীয়ভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করলে বিরোধী দল তা কখনোই মানবে না। সেক্ষেত্রে সংলাপ হবে না, নির্বাচনও হবে না। এতে দেশের পরিস্থিতি যে কতটা ভয়াবহ হবে তা সহজেই অনুমেয়। আবার এমনও হতে পারে, আগামী নির্বাচনে বিরোধী দল জিততে পারে। সেক্ষেত্রে তারা সরকার গঠন করবে। সেই সরকারের সঙ্গে কাজ করতে হবে বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে। সুতরাং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলকে অংশ নিতে হবে এবং সরকারের উচিত হবে বিরোধী দলের সঙ্গে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, যে কোনো সঙ্কটকালে রাষ্ট্রপতি অতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন। এক-এগারোর আগে অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিনের মতো মানুষও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিলেন। আর এরপর তাকে দিয়ে জরুরি অবস্থা জারি এবং অন্য সব কাজ করিয়ে নেয়া হয়েছে। এসব ইতিহাস ও অভিজ্ঞতা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিবেচনায় আনতে হবে। এর পাশাপাশি আমাদের কেন্দ্রীভূত ও ভারসাম্যহীন শাসনকাঠামোতে সবার প্রত্যাশা থাকবে গ্রহণযোগ্য ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচন করা, যাতে দেশ ও জাতিকে এই মহাসংকটের হাত থেকে তুলে আনতে তিনি কার্যকর ও কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা পালন করতে পারেন। এখন দেখা যাক সরকার এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়?

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
আইন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য হারিয়ে সন্ত্রাসী দলে পরিণত হয়েছে বিএনপি। তার এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?
5 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুলাই - ১৪
ফজর৩:৫৩
যোহর১২:০৪
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১৯সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :