The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার, ৩১ মার্চ ২০১৩, ১৭ চৈত্র ১৪১৯, ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ মঙ্গলবার শিবিরের সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল | আড়াইহাজারে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩৫ | শপথ নিয়েছেন চার বিচারপতি | বিএনপি নেতাদের চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতার শুনানি ১৭ এপ্রিল | ইবিতে ছাত্রলীগ-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ২০ | ফেনির দাঁগনভুইয়া থেকে ৩৫টি ককটেল ও গান পাউডার উদ্ধার | রাজশাহীতে শিবিরের বোমা হামলায় তিন পুলিশ সদস্য আহত

শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে কি?

ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না

বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের পক্ষে নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব নয় । কারণ আমাদের দেশের নির্বাচন কমিশন এখনও সেই কাঙ্ক্ষিত নিরপেক্ষতা অর্জন করতে পারেনি। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনকে এখনো নানাভাবে নানাদিক থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়ে থাকে। নির্বাচনের সময় বিভাগ ও জেলাগুলোতে ডিসিসহ সরকারি কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বর্তমান সরকার এ সমস্ত পদে কি নিরপেক্ষ লোকদের বসাতে পেরেছে? অনেক অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে এসব পদে বিভিন্ন সময় পদোন্নতির খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে আমরা দেখতে পাচ্ছি। তাছাড়া নির্বাচন কিভাবে নিরপেক্ষ করা যায় এ ধরনের কোন কার্যকরী আলোচনা দেশের সকল রাজনৈতিক দলের সাথে নির্বাচন কমিশনের হয়েছে কিনা তা ভেবে দেখার বিষয়। নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে না। যদিও দেশের প্রধান বিরোধী দল জোর দাবি তুলেছিল সেনাবাহিনী মোতায়েনের । কিন্তু কেন সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে না এ নিয়ে জনমনে সন্দেহ রয়েছে। সেনাবাহিনী নিয়োগ করলে কি নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নষ্ট হতো ? সেনাবাহিনীর প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থা এখনো যতটা বেশি তার কিঞ্চিত্ পরিমাণ পুলিশ কিংবা র্যাবের প্রতি নেই। তবে কেন সেনাবহিনী মোতায়েন করা হবে না? এ প্রশ্নটি সৃষ্টির মাধ্যমে কি নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়নি? তাই আমি মনে করি, বাংলাদেশে শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের দ্বারা জাতীয় নির্বাচন নিরপেক্ষ হওয়ার সম্ভাবনা এখনো এদেশে সম্ভব নয়।

এম এইচ বাধন

আইন বিভাগ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে মানুষের মনে উত্কণ্ঠার রেশ চলছে

বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক অবস্থা একটি কঠিন সংকটময় সময় পার করছে । দিন যতই যাচ্ছে, দেশ ততই অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে । এই সংকটময় পরিস্থিতি থেকে জাতিকে উদ্ধারের জন্য কোন তাগিদই লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। যার ফলে লাগাতার হরতাল, খুন, বোমাবাজি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সংঘাতময় পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন দেশের আপামর জনতা। আর ক্ষতি হচ্ছে কোটি কোটি টাকার সম্পদ। খালি হচ্ছে অনেক মায়ের বুক। অবস্থা যখন এই সেখানে অভিজ্ঞমহল নয়, দেশের সকল স্তরের মানুষ আশা করছেন একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন কিভাবে সম্ভব। সত্, যোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলে আমার মনে হয় কারও কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকবে না। কিন্তু এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে নিয়ে চলছে নানা মতপার্থক্য। সরকার বলছে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে, অপরপক্ষে বিরোধীদলীয় বিভিন্ন জোট বলছে তত্ত্বাধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে । বর্তমানে দেশে যে রাজনৈতিক সহিংসতা চলছে ভবিষ্যতে তা হয়তো গৃহযুদ্ধের রূপ নিবে। কিন্তু এটা কারও কাম্য নয়। আমরা সবাই চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন।

মো. আব্দুল লতিফ

এমবিএ (৪র্থ সেমিস্টার)

দি পিপল'স ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

উত্তরা ক্যাম্পাস, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০

শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে জনমনে সংশয় রয়েছে

গণতান্ত্রিক দেশে ক্ষমতা লাভের প্রধান মাধ্যম হলো নির্বাচন। আগামী নির্বাচনের আর বেশি সময় হাতে নেই। এখনই হচ্ছে উপযুক্ত সময়। এই মুহূর্তে সরকার ও বিরোধী দলকে একসাথে মিলেমিশে আলোচনা করে এটি ঠিক করতে হবে যে, কোন পন্থা অবলম্বন করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। দেশে বর্তমান রাজনীতি এক জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে অস্থিরতা এবং অস্থিতিশীলতা। যতই দিন অতিবাহিত হচ্ছে ততই এ সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করছে। এ অবস্থা থেকে জাতি আজ মুক্ত হতে চায়। তার জন্য দেশের সাধারণ মানুষ, সুশীল সমাজ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, দাতাগোষ্ঠী এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হতে যত দ্রুত সম্ভব বিরোধী দলের সাথে সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে আসা। আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে ইতিবাচক সংলাপ প্রয়োজন। দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা অব্যাহত থাকায় গণতন্ত্র চর্চা সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে। তাই সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে খেলা বন্ধ করে অবিলম্বে প্রধান রাজনৈতিক দলসমূহকে আলোচনার টেবিলে বসে রাজনৈতিক সংকট সমাধানের পথ বের করার জোর আবেদন জানাচ্ছি। আমি আশা করি একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের। এটা তখনই পূর্ণতা পাবে যখন আমাদের রাজনৈতিক ব্যক্তি বা দল তাদের লাভের কথা চিন্তা না করে দেশের জন্য চিন্তা করবে; যদি দেশকে মনে-প্রাণে ভালোবাসে, যদি জনগণকে কিছু দেয়ার ইচ্ছে থাকে ঠিক তখনই শান্তি ফিরে আসবে, আর সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

মো. সফিউল আলম (টিপু)

বিএসএস, শেষ বর্ষ

পল্লবী ডিগ্রি কলেজ, ঢাকা

সংলাপ এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণের স্বার্থে সমঝোতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব

বর্তমানে দেশ এক অশান্ত, অরাজকতা এবং প্রতিহিংসার আগুনে দাউ দাউ করে জ্বলছে। দেশের সর্বস্তরের মানুষ সবসময় একটা আতঙ্কের মধ্যে দিন অতিবাহিত করছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হরতাল, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং প্রশাসনের নিষ্ঠুরতায় দেড় শতাধিক লোক জীবন হারিয়েছে। সরকারি দলের মাথা ছিটকানো কথা বিরোধী দলের হরতাল, সংঘর্ষ এহেন পরিস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের কথা যদিও কল্পনাতীত, তারপরও আমি মনে করি, যদি ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দল উভয়পক্ষ দেশ ও জনগণের কল্যাণের স্বার্থে তাদের তুচ্ছ স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে সংলাপে বসে, তাহলে দেশে আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং গ্রহণযোগ্য হতে বাধ্য। এক্ষেত্রে উভয়পক্ষকে উদার মানসিকতার অধিকারী হতে হবে। আর সকল ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, নির্বাচন কমিশন, পরিবহন সমিতিসহ সকল পেশাজীবী লোক যদি এ বিষয়টা মাথায় নিয়ে এগিয়ে আসেন তাহলে উভয়পক্ষের সমঝোতার মাধ্যমে একটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আশা করা যায়। যে দেশে এক নেত্রী অন্য নেত্রী থেকে বিমুখ ভূমিকা পালন করছেন, সেখানে সমঝোতা ছাড়া শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আশা করা যায় না।

এম এ মমিন

আল কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
আইন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য হারিয়ে সন্ত্রাসী দলে পরিণত হয়েছে বিএনপি। তার এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?
3 + 3 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জানুয়ারী - ১৭
ফজর৫:২৩
যোহর১২:০৯
আসর৩:৫৯
মাগরিব৫:৩৭
এশা৬:৫৪
সূর্যোদয় - ৬:৪২সূর্যাস্ত - ০৫:৩২
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :