The Daily Ittefaq
ঢাকা, শুক্রবার, ০৫ এপ্রিল ২০১৩, ২২ চৈত্র ১৪১৯, ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ | কাওড়াকান্দি-মাওয়া নৌ চলাচল বন্ধ | চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি হেফাজতের | সারা দেশ থেকে হেঁটে লংমার্চে যোগ দেয়ার আহবান হেফাজতে ইমলামের | লংমার্চে বাধা দিলে লাগাতার হরতাল:হেফাজতে ইসলাম | লংমার্চে পানি ও গাড়ি দিয়ে সহায়তা করছেন ফেনীর মেয়র | ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান নেবে গণজাগরণ মঞ্চ | বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে | সীতাকুণ্ডে বাস খাদে, নিহত ৩ | উত্তরের ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবেলায় দক্ষিণ কোরিয়ার যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন | ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে বৌদ্ধ-মুসলিম দাঙ্গায় নিহত ৮ | টেস্ট দলে ফিরলেন সাকিব নাফীস | মুম্বাইয়ে ভবন ধসে নিহত ৪১

টেলিফোনে পাঠকের মতামত হরতাল কেমন লাগছে

হরতাল হলে কার কী হয় জানি না। তবে একজন রিকশাওয়ালা হিসাবে হরতাল আমার ভালোই লাগে। কারণ আমি রিকশা চালিয়ে ভিআইপি রোড দিয়ে বুক ফুলিয়ে যেতে পারি। অন্য সময় যেতে চাইলে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হতে হয়। তাছাড়া হরতালে ইনকামও হয় ভালো তাই আমরা মনে প্রাণে চাই হরতাল হোক বেশি করে।

কেরামত আলী

মাণ্ডা, মুগদাপাড়া,

ঢাকা

দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে, অর্থনীতির স্বার্থে সর্বোপরি গণতন্ত্রের স্বার্থে উভয় বৃহত্ দলকে অবিলম্বে বিরোধপূর্ণ ও প্রতিহিংসার মনোভাব ত্যাগ করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা উচিত।

মানজিদা সুলতানা মন্জু

ধুপপুর, মাইজপাড়া,

চট্টগ্রাম

হরতাল আসলে একটি গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন ইস্যুতে যেসব হরতাল হচ্ছে তা আসলে জনসাধারণের জীবন-জীবিকার গণতান্ত্রিক অধিকারকে ভীষণভাবে খর্ব করছে।

মাসুম আহাম্মদ

যাত্রাবাড়ি, ঢাকা ১৩৬২

হরতাল আজ এক জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড। এতে করে দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবন জীবিকা জিম্মি হয়ে পড়ে। তাই আর হরতাল নয়। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা করা ভালো।

নীলুফা আক্তার

টোলার বাগ, মিরপুর, ঢাকা

শুধু মার্চ মাসেই হরতাল হয়েছে ৯ দিন। প্রধান বিরোধী দল বিএনপি তাদের আটক নেতা-কর্মীদের মুক্তি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ কয়েকটি দাবিতে করেছে এই হরতাল। তবে এতে দেশের সাধারণ মানুষের ক্ষতি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।

শিশির

আজিমপুর, ঢাকা

এফবিসিআইয়ের হিসেবে একদিনের হরতালে দেশের ক্ষতি হয় দুই হাজার কোটি টাকা। শুধু তৈরি পোশাক খাতেই একদিনে হরতালের ক্ষতির পরিমাণ ৩৬০ কোটি টাকা। যদি এমন হয় তাহলে দেশ বাঁচবে কী ভাবে? এভাবে ঘন ঘন হরতাল দিলে হরতালের গ্রহণযোগ্যতা শূন্যের কৌঠায় পৌঁছবে।

মো. মেজবাহউদ্দিন সেলিম

শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা

হরতালই সবচেয়ে সহজ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। এটা ডাক দিলেই হয়ে যায়। কেননা এর কারণে জনমনে নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়ে।

বিপ্লব আলম

উর্দু রোড, লালবাগ, ঢাকা

ইদানীং হরতাল আরো ভয়ংকর। যে বিষয়টি লক্ষণীয় হয়ে উঠেছে তা হলো হরতালের ঘোষিত তারিখের আগের দিন থেকেই ধ্বংসযজ্ঞ ও সহিংসতা শুরু হয় এটা সত্যি দুঃখজনক।

হোসনে আরা নীলু

এনায়েতগঞ্জ লেন, ঢাকা

রাজনৈতিক দলগুলোকে এখন অবশ্যই হরতালের বিকল্প শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিতে হবে।

রিফাত

এইচএসসি পরীক্ষার্থী, ঝিনাইদহ

আটক নেতা-কর্মীদের মুক্তি, সারাদেশে 'গণহত্যা' বন্ধ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পুনর্বহালের দাবিতে হরতাল চলছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের আহবানে। তাই এই মুহূর্তে সরকারপ্রধানকে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে সংলাপে বসতে হবে।

লাড্লা

পিলখানা, ঢাকা

এখন হরতালের আগের দিনই গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, গ্রেফতার, সংঘর্ষ ও ধাওয়া। পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। হরতাল হতে হবে শান্তিপূর্ণ।

সৈয়দা নাসরিন সুলতানা

স্যানি সাইড, নিউইয়র্ক

মহান স্বাধীনতার মাসে ২২ দিন কর্মহীন হয়ে থাকার ইতিহাস সৃষ্টি হয়ে গেছে। দিনের পর দিন হরতাল চলছে। সামনে আরো হবে। সুতরাং আমরা সাধারণ মানুষ চাই অহিংস, শান্তিপূর্ণ হরতাল।

সানজিদা

সিডনী, অস্ট্রেলিয়া

আজ থেকে দু যুগেরও আগে অর্থাত্ সেই ৮০-এর দশক থেকে এদেশে হরতাল নামক শব্দটির সঙ্গে এদেশের মানুষ বেশি পরিচিত হয়েছে। সেই সময় সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকা নিয়ে প্রতিবাদ ও পদত্যাগের দাবিতে তত্কালীন রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলন এবং হরতাল করে। আর এখন হরতাল হচ্ছে অন্যরকম। এতে করে ক্ষতি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি দিনমজুর ও ব্যবসায়ীদের। ক্ষতি হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদের। অন্যদিকে মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। সুতরাং এমন হরতাল না হওয়া ভালো।

মো. হানিফ মিয়া

ধানমন্ডি, ঢাকা

আমরা মনে করি বর্তমানে রাজনীতিতে যে সংকট চলছে তা নিরসনে বিরোধী দলের চেয়ে সরকারের দায় বেশি। সরকারকেই সংলাপ অনুষ্ঠানের ব্যাপারে সর্বান্তকরণে এগিয়ে আসতে হবে।

মোস্তানমিরুন

ধানমন্ডি, ঢাকা

হরতাল ডাকা যে কোনো রাজনৈতিক দলের মৌলিক অধিকার। তবে এখন হরতালের আগের দিন যেভাবে মারাত্মক সহিংসতা হয় তাতে করে সাধারণ মানুষের জীবন থমকে যায়। আমরা বলবো হরতাল হবে শান্তিপূর্ণভাবে।

এস কে মোহাম্মদ রমিজউদ্দিন

কাজীপাড়া, মিরপুর,

ঢাকা

হরতাল ভালোলাগার কোনো বিষয় হতে পারে না। দল মত ধর্ম বর্ণ শ্রেণির ঊর্ধ্বে কেউ হরতাল চায় না। সামান্য ইস্যুকে কেন্দ্র করে হরতাল করে রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অনেক বড় ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। অন্যদিকে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ লোককে কষ্ট পোহাতে হচ্ছে।

নাসির উদ্দিন ফোরকান

শিক্ষার্থী, সরকারি বাঙলা কলেজ মিরপুর, ঢাকা

দিনের পর দিন হরতাল হচ্ছে"এটা আমাদের কাছে অসহনীয় হয়ে উঠেছে। আমাদের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে হরতাল এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। হরতালে রাঘব-বোয়ালদের কিছুই ক্ষয়-ক্ষতি হয় না। তাঁরা নিরাপদেই থাকেন। তাঁরা নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য তৃণমূলদের ব্যবহার করেন মাত্র। অন্যের হাতের ক্রীড়নক হয়ে মানুষের জানমালের ক্ষতি করলে একদিন সেটাই বুমেরাং হয়ে আসবে, এটাই রাজনৈতিক তৃণমূলদের ভাবা উচিত।

সেলিনা রাহাত আরা

গুলশান, ঢাকা

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে হরতাল রাষ্ট্রের নীতির পরিপন্থি কাজ করে থাকে। হরতাল মানে এই নয় রেললাইনের ফিস প্লেট খুলে নিরীহ মানুষকে মৃত্যুর কূপে ফেলে দেওয়া। হরতালের মানে এই নয় যাত্রীবাসে আগুন দিয়ে নিরীহ মানুষকে হত্যা। হরতালের মানে এই নয় রাষ্ট্রের সম্পদ ধ্বংস করা। মানুষের অধিকারকে কেড়ে নেওয়া। হরতালের মানে এই নয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করা। হরতালের মানে এই নয় জ্বালাও পোড়াও। যারা এইসব নিয়ে হরতাল করে তাদের আর যাই হোক রাষ্ট্র ও জনগণের মঙ্গল বয়ে আনে না। হরতাল মানেই ধ্বংসযজ্ঞ। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এ ধরনের হরতাল কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়।

শাহ মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (হিরু)

কালিহাতি, টাঙ্গাইল

হরতাল গণতন্ত্রের একটা মডেল। কিন্তু হরতালে সাধারণ মানুষ অথবা দেশের সম্পদের যেন কোনো ক্ষতি না হয়। বর্তমানে যে হরতাল হচ্ছে সেটা তো সঠিক হরতাল নয়। এটা জনগণকে শাস্তি দেওয়া।

সৈয়দ হায়দার আলী,

মহাখালী, ঢাকা

হরতাল কি আসলে পিকেটিংয়ের জন্য? এদেশে নিরপেক্ষ শাসনব্যবস্থা আছে কি? নিরাপত্তা দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন হচ্ছে কি? যদি তাই হতো তাহলে প্রতিদনি টিভিতে এত বর্বরতা দেখতে হতো না। কষ্ট হয় আমাদের।

এ্যানি

রামপুরা, ঢাকা ১২১৯

হরতাল হচ্ছে গণতান্ত্রিক অধিকার। হরতালের জন্য জনগণ স্বতস্ফূর্ত ছুটে আসে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে যে হরতালগুলো দেওয়া হচ্ছে তাতে জনগণ স্বতস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসতে পারছে না। হরতালের আগের দিন বিক্ষিপ্তভাবে সহিংসতা শুরু হয়ে যায়। হরতালের কাছে আমরা জিম্মি হয়ে আছি। স্বাধীন দেশে কখনও এ ধরনের হরতাল আমরা চাই না। যারা হরতাল দিচ্ছে তারা জনগণের আস্থা হারাচ্ছে।

নীলা ইয়াসমিন খান

গ্রীন রোড, ঢাকা ১২০৫

আমি একটি কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি। হরতালের কারণে ঠিকমতো কাজ করতে পারি না। যার দরুন আমার বিক্রয় কম হয় ও বেতন কম পাই। নিয়মিত হরতালের ফলে আমার মতোই দেশবাসীর ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা।

মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম টিপু

সেনবাগ,

নোয়াখালী

বয়স আমার কম নয়। আমি জীবনে কোনোদিনই হরতাল সমর্থন করতাম না। সব সময়ই এর বিরোধিতা করতাম এই কারণে যে, ইচ্ছার বাইরেও এতে ক্ষতি ছাড়া লাভ কিছু হয় না। আমাদের বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রস্তাব: সুপ্রিমকোর্ট বার, হাইকোর্ট বার, জেনারেল ব্যবসায়ী গ্রুপ, তৈরি পোশাকশিল্প গ্রুপ। এই ৪ পক্ষ থেকে মোট ৮ জন একত্রিত হয়ে দীর্ঘমেয়াদি আলাপ-আলোচনা শেষে হরতাল, অবরোধ, জ্বালাও-পোড়াও, গুম, হত্যা, হামলা, মামলা, রিমান্ড ইত্যাদি বন্ধ করার উপায় বের করে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসে আগামী নির্বাচন যেন সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুন্দর ও সুষ্ঠু ভাবে শেষ হয় এবং আমাদের দেশবাসী ও বিশ্ববাসীর কাছে তা স্বীকৃতি লাভ করে। আর হ্যা আগামী দিনে আর যেন হরতাল করার সুযোগ না আসে সেজন্য কঠোর আইন নির্বাচনের আগে করতে হবে।

এম মতিউর রহমান

আমিনবাদ কলোনী,

সিদ্ধেশ্বরী, ঢাকা

হরতাল তাদের ভালো লাগে যারা বিরোধী দলের কর্মসূচিকে সমর্থন করেন। হরতাল তাদের ভালো লাগে যারা হরতাল করার সময় পিকেটিং করে টাকা পায় অথবা মিছিলে গিয়ে টাকা পায়। হরতাল তাদের ভালো লাগে যারা অলস সময় কাটাতে পছন্দ করে। অথচ জীবন কখনও থেমে থাকে না। জীবনের উন্নয়নে তথা দেশের উন্নয়নে সময় এবং কাজকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের ছোট্ট দেশটিতে ঘন ঘন হরতাল ডেকে জাতীয় উন্নয়ন ব্যাহত করা হচ্ছে। আজকে যারা সরকারে তারা হরতাল অপছন্দ করেন কিন্তু এঁরাই বিরোধী দলে বসলে হরতাল ভালোবাসবেন। আমরা মনে করি, এই মুহূর্তে হরতালের বিকল্প বের করা উচিত।

সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন নতুন প্রজন্ম হরতালকারীদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে। এ থেকে সরকারি দল ও বিরোধী দল কেউই রেহাই পাবে না। একটা অমোঘবাণী আছে" 'যদি আপনি কোনো বিষয়ে কাউকে না জানাতে চান সেটি কিছুদিনের জন্য সম্ভব। যদি আপনি কোনো ঘটনা কয়েকজনকে না জানাতে চান তাহলে অল্প দিনের জন্য সম্ভব। কিন্তু কোনো ঘটনা সমগ্র মানুষের জন্য সমগ্র সময়ের জন্য লুকানো কখনোই সম্ভব নয়। সত্য একদিন প্রকাশিত হবেই।'

ওয়াহিদ মুরাদ

স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর

যেইই বিরোধী দলে থাকে সেইই দাবি আদায়ের জন্য হরতালের মতো একটি মারাত্মক অস্ত্র ব্যবহার করে। তাতে ক্ষতি হলে হোক দেশের, দেশের মানুষের। বর্তমান সরকার এরূপ অবস্থা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়নি যাতে বিরোধী দল হরতাল দেওয়ার সুযোগ না পায়। সার্বিক বিবেচনায় সরকারের দায়ও নেহায়েত কম নয়। আমরা উন্নতি চাই, শান্তি চাই, স্বস্তি চাই। হরতালের মতো সহিংস কর্মসূচি আমাদের শান্তিকে বিনষ্ট করছে। চিত্কার করে বলতে ইচ্ছে হয় "আজকের এবং আগামী দিনের বিরোধী দল, আমাদেরকে চিরতরে হরতাল থেকে মুক্তি দিন, আপনারা যারা দেশের মা-বাপ, রাজনীতিবিদ সবাই শপথ করে বলুন, বাংলাদেশে আর কোনোদিন হরতাল হবে না।'

সুমন সিয়াধার

মোহনগঞ্জ,

নেত্রকোনা

হরতাল সমর্থকরা রেললাইনের স্লিপার তুলে ফেলায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি ট্রেনের ইঞ্জিনসহ ৭টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ফলে ২০ ব্যক্তি মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে। সৌভাগ্যের কারণে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন অনেকে। আমরা দেখছি, স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে রাজনৈতিক কর্মীরা মানুষের জীবনকে অতি তুচ্ছ মনে করছে, প্রাণ ঝরে যাক, তাদের স্বার্থ সিদ্ধি হলেই হলো। রাজনীতির এই নিষ্ঠুর খেলা আর কত দিন চলবে" কেউ বলতে পারছে না। তবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য যেহেতু চলমান থাকবে এবং বিরোধী দলের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নেওয়ার কোনো লক্ষণই যেহেতু দেখা যাচ্ছে না সরকারের মধ্যে, সেহেতু ধরে নেওয়া যায় জীবন হরণকারী সহিংস রাজনীতিও চলতেই থাকবে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকেও রাজনৈতিক হীন স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেবা খাতগুলোতে দুর্নীতি মহামারী আকার ধারণ করেছে। প্রতি বছর যে দুর্নীতি হয়, তাতে একটি করে পদ্মা সেতু হতে পারে।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতৃত্বকে বুঝতে হবে, রাজনীতিতে অনড় অবস্থান মানে তা এক ধরনের মৌলবাদ। আমরা ইসলামী মৌলবাদের বিরুদ্ধে কথা বলি অথচ নিজেরাই যে নিজ নিজ মৌলিক অবস্থান থেকে সরতে না চেয়ে নিজেদের মৌলবাদী হিসাবে উপস্থাপন করছি। তা আমরা ভেবে দেখছি না।

দেলোয়ার হোসেন দেলু

নিউ খানপুর, নারায়ণগঞ্জ

হরতাল যে কোনো দলের গণতান্ত্রিক অধিকার কিন্তু তা অবশ্যই নিয়মতান্ত্রিক হতে হবে। হরতালের এ সহিংসতা কোনো মানুষেরই কাম্য নয়। বর্তমান হরতালগুলোতে সহিংসতার মাত্রা এতটাই বেড়েছে যে, আমরা জনসাধারন রীতিমত শংকিত। আমরা এ অবস্থা থেকে যে কোনো মূল্যে মুক্তি চাই। এজন্য প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের সহনশীল হওয়া জরুরি। এক্ষেত্রে সরকারি দলই মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে। বিরোধীদলের দাবি অযৌক্তিক নয়। এটা সরকারিদলের বুঝতে হবে। উদ্দেশ্য হয় আর বিরোধীদল যদি নির্বাচনে অংশ না নেয় তাহলে নির্বাচন কেন? সরকারের উচিত বিরোধী দলের দাবি মেনে নিয়ে নিরপেক্ষ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়া। বর্তমান সরকারের উপলব্ধি করা উচিত এ দাবি শুধু বিরোধী দলের নয় প্রকারান্তরে জনগণেরও। জনগণ হিসাবে আমরা চাই সুষ্ঠু পরিবেশে সকল দলের অংশগ্রহণে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।

মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন

সারিয়াকান্দী, বগুড়া

যাঁরা ক্ষমতায় থাকছেন এবং যাঁরা ক্ষমতার বাইরে থাকছেন উভয়েরই রয়েছে দলান্ধ, মতান্ধ জনশক্তি বা জনবল, যে কারণে হরতাল সর্বজনীন শক্তিতে এগুতে পারছে না। এজন্য হরতালের ধার ও ভার অনেকটা ভোঁতা হয়ে পড়ছে। এই হলো বর্তমান হরতালের হালহকিকত। তবুও হরতাল হচ্ছে এবং আগামীতেও হবে, জনদুর্ভোগ যতই বাড়ুক। হরতাল নিয়ে উলটা অবস্থায় আছি। যেমন দিনের কাজ রাতে সারছি, শনিবারের কাজ শুক্রবারে করছি। সব মিলিয়ে আমাদের অভিমত হলো, ভোঁতা অস্ত্র দিয়ে যখন কাজ হচ্ছে না, তখন ইট দিয়ে মাথা থেতলানোর পথ পরিহার করে আরো সভ্য আচরণ দিয়ে দাবি আদায়ের পথ আবিষ্কার করতে হবে। সহিংসতাকে বিসর্জন দিতে সরকারকে কানে তুলো, পিঠে কুলো বেঁধে চলার বদঅভ্যাস বাদ দিতে হবে। গোঁয়ার্তুমি, অগণতান্ত্রিক চিন্তা-চেতনা দিয়ে আর যাই হোক জনদুর্ভোগ দূর করা সম্ভব নয়। সম্ভব নয় জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া। সর্বৈব সত্য যে, হরতাল এখন গোদের ওপর বিষফোঁড়া হয়ে দেখা দিয়েছে।

মুরাদ হোসেন

মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর

হরতাল একটি গণতান্ত্রিক হাতিয়ার সত্য। তবে সভ্য সমাজে ঐ হাতিয়ারকে সর্বশেষ হাতিয়ার হিসাবে গণ্য করা হয়। অথচ আমাদের দেশে কথায় কথায়, কারণে-অকারণে, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে, এমনকি দেশের প্রচলিত আইন ভঙ্গকারী জোট, মোর্চা, সংগঠনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে গেলেও হরতাল ডাকা হচ্ছে। এক কথায় হরতালের যথেচ্ছাচার প্রয়োগে আমরা পারঙ্গম হয়ে উঠেছি। তথাকথিত জনগণের কল্যাণে জনগণকে জিম্মি করেই হরতাল প্রয়োগ করা হচ্ছে। নিন্দুকেরা বলে বেড়ায়, হরতাল সর্বস্ব নেতা-নেত্রীদের কাছে তথাকথিত গণকল্যাণের নামে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা হলো, "The Government of the People, By the People and For the People" , ফলে তারা নির্দ্বিধায় যে কোনো সময় যে কোনো গণবিরোধী কাজ করতে অভ্যস্ত। মূলত এ যুগের হরতাল সামাজিক, আর্থিক, নৈতিক, মানবিক, শিক্ষা, শিল্প, চাকরি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, পেশা, মৌলিক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা বিরোধীসহ সকল ক্ষেত্রে চরম বিপর্যয়ের কারণ এবং অত্যন্ত ঘৃণিত ও আত্মঘাতী অস্ত্র। তাই হরতালের প্রবর্তক খোদ ভারতের কিছু কিছু রাজ্যের মহামান্য আদালত হরতালকে অবৈধ ঘোষণা করেছে।

হরতালের বিকল্প হিসাবে মাঠে ময়দানে বক্তৃতা-বিবৃতি প্রদান, স্মারকলিপি পেশ, সুশৃঙ্খল মৌন মিছিল, সাংবাদিক সম্মেলন, ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় বিতর্ক বা বিশেষ টক-শো-এর আশ্রয় নেওয়া যেতে পারে। পরিশেষে বলব, নিদেনপক্ষে অন্তত এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে এপ্রিল ও মে-এই দু'মাস হরতাল, অবরোধ এবং আবাসিক স্থান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে প্রকাশ্যে মিটিং, মিছিল, পিকেটিং ও বিক্ষোভ প্রদর্শন বন্ধ রেখে জাতির ভবিষ্যত্ কাণ্ডারীদের সহায়তায় এগিয়ে আসুন।

ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

চৌমুহনী, হাজীপুর, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী

হরতাল যে কোনো উপায়ে আইন করে বন্ধ করা উচিত। বর্তমান সময়ে আমরা কোনো বিদেশির সঙ্গে যুদ্ধ করছি না যে, হরতাল দিতে হবে। তবে সরকারের একগুয়েমি পরিহার করে বিরোধী দলের দাবি-দাওয়ার ব্যাপারে আরও সজাগ হতে হবে। আগামী নির্বাচন অবশ্যই নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে দিতে হবে। তাহলেই সকল সমস্যার সমাধান হবে।

শাহ আলম খান

স্বরণ, বাঁশখালি, চট্টগ্রাম

হরতালে খুবই খারাপ লাগছে। নিন্দা জানানোর ভাষা নেই।

আবাদ

টঙ্গী, গাজীপুর

আজ যাঁরা হরতালের পক্ষে বলছেন তাঁরা যেমন ঘৃণার যোগ্য, তেমনি যাঁরা বাধা দিচ্ছেন তাঁরাও একই। জাতি হরতাল-রাজনীতির চূড়ান্ত বিপক্ষে। যদি দেশের মানুষকে সুখী করবার ন্যূনতম ইচ্ছা থাকে তবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক হওয়া উচিত।

আমিনুল ইসলাম আমির

লালবাগ, ঢাকা

যে তার মাকে ভালোবাসে সে তার দেশকে ভালোবাসে। দেশকে ভালোবাসার অর্থ দেশে বসবাসরত প্রত্যেক নাগরিককে ভালোবাসা। দেশ আজ হরতালে বিপর্যস্ত। হরতালে নিরীহ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। স্কুলের ছেলেমেয়েরা স্কুলে যেতে পারছে না। অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। হরতাল ডেকে আর নৈরাজ্য সৃষ্টি করবেন না। দেশকে ভালোবাসুন, আর রক্ত দেখতে চাই না।

মো. আবু দাউদ তথর

বোয়ালমারি, ফরিদপুর

হরতাল খুব খারাপ লাগছে। এই হরতাল চলতে থাকলে দেশ অচল হয়ে যাবে।

মো. খায়রুল ইসলাম

ঘাটাইল, টাঙ্গাইল

এই দেশটি জনগণের। কারও এই দেশ নষ্ট করবার অধিকার নাই। গণতন্ত্রের ব্যবসায়ীদেরকে জনগণের স্বার্থে এই মুহূর্তে রুখতে হবে।

আবদুস সাত্তার

রাজবাড়ী

হরতাল হোক আর যাই হোক জনসাধারণেরই দৈন্যদশা।

মিল্টন অধিকারী

গোপালগঞ্জ

হরতাল কোনো শ্রেণি-পেশার মানুষেরই ভালো লাগার কথা নয়। ঘন ঘন হরতালের কারণে সর্বক্ষেত্রে দেশের যে নাজুক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তার জন্য বর্তমান সরকারই শতকরা আশি ভাগ দায়ী। যা সহজে সমাধানযোগ্য সেদিকে না গিয়ে তারা বরং অহেতুক জেদাজেদি করে পুলিশ, রাজনৈতিক কর্মী সর্বোপরি জনগণের জানমাল নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। তাই সরকারি দলকে বলবো —জেদাজেদি ছাড়ুন, সহজ, সরল পথে সবকিছু সমাধান করুন। প্রধান বিরোধী দলকে বলবো —ন্যায্য দাবিগুলো নিয়ে সংসদে যান। তীব্র আওয়াজ তুলুন। দাবি উপেক্ষিত হলে ক্ষতিকর হরতালের পথে না হেঁটে আট মাসের জন্য ধৈর্য ধরুন, গণসংযোগ করুন।

মো. লুত্ফুর রহমান

এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা

হরতাল ব্যবসায়ীদের ক্ষতি করছে। তবু বর্তমান পরিস্থিতিতে বিরোধী দল হরতাল দিচ্ছে। এজন্য সরকারই দায়ী।

ডাবলু দেব

পানছড়ি, খাগড়াছড়ি

হরতালের নামে নানা নাশকতার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। শিকার হচ্ছে মানুষ। এমন হরতাল আমাদের প্রত্যাশা নয়।

ফারুক আলম

মালিবাগ, ঢাকা

হরতাল কোনো মানুষের সঠিক চাওয়া-পাওয়া নয়। হরতালের মাধ্যমে কোনোকিছু আদায়ের একটা পথ হবে সেটাও এখন নেই। তাহলে হরতাল কেন? এতে করে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের এখন সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি হয়। তাই হরতালের পরিবর্তে অন্য কিছু কর্মসূচি দেয়া যায় কিনা সেটা ভাবতে হবে।

কাউছার আকন্দ

মতিঝিল, ঢাকা

পরপর হরতালে দেশ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। মানুষ নিরাশ হয়ে পড়ছে। এই অসহ্য যন্ত্রণার জন্য দায়ী একমাত্র হরতাল। নিরীহ মানুষ প্রাণ দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হচ্ছে। নব প্রজন্মকে ধ্বংস করে জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।

আশা এলিজাবেত গোমেজ

লক্ষীবাজার,

ঢাকা ১১০০

হরতাল গণতান্ত্রিক অধিকার। বর্তমান হরতাল জনজীবনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করছে। যেমন হরতাল দেবার অধিকার আছে তেমনি আমার গাড়ি চলার অধিকার আছে। যা হবে তা হলো অগণতান্ত্রিক পন্থায় হরতাল। এ হরতালকে আমরা মনেপ্রাণে ঘৃণা করি। আমরা হরতালের বিকল্প কিছু চাই। ব্যবসায় ক্ষতি হচ্ছে, ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে—এমন হরতাল আমরা চাই না।

হারুনুর রসিদ খান

পান্থপথ, ঢাকা

হরতালে ব্যবসা করা খুব কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ফিরে যাচ্ছে। এ সরকারের আর কতদিনই বা মেয়াদ আছে? এই অল্প সময়ের জন্য জ্বালাও-পোড়াও, ভাঙচুর সহিংসতা করার দরকার কী? এখন বিরোধীদলের দরকার সহনশীলতার পরিচয় দেওয়া। দেশে তো মনে হচ্ছে ত্রিমুখী সরকার চলছে। মনে হচ্ছে যেন কারও কথা সত্য নয়। জনগণের নাভিশ্বাস।

তাহমিনা আক্তার মিনু

ভাণ্ডারিয়া,

পিরোজপুর

উচ্চ, মধ্য ও নিম্নবিত্ত বিভিন্ন পেশার মানুষ, ছাত্রছাত্রী আজ হরতালের কারণে ভালো নেই। তারা ভীত ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে সেই সঙ্গে আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তবে তাঁরা নিশ্চয়ই ভালো আছেন যাঁরা হরতাল দিচ্ছেন।

সুফিয়া রহমান

মোহাম্মদী হাউজিং লিমিটেড

মোহাম্মদপুর,

ঢাকা ১২০৭

এখন চলছে এইচএসসি পরীক্ষা। আর এই পরীক্ষা সময়ে হরতালের কোনো মানেই হয় না। সব মিলিয়ে হরতাল দেশের জনগণের মঙ্গল বয়ে আনছে না। জনগণ আর হরতাল কামনা করছে না। আগামীতে হরতাল না আসাই ভালো হবে। হরতাল দিয়ে জনগণের মন জয় করা যায় না।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী

হরতাল দিলে দেশ পিছিয়ে পড়ে, মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই হরতালকারীদের প্রতি আমার অনুরোধ বিধ্বংসী হরতালকে বর্জন করে বিকল্প কোনো পথ অবলম্বন করুন।

নূরুন নাহার খান

মোহাম্মদপুর, ঢাকা

কিছুদিন পর পরই হরতাল। আমরা বাঙালি জাতি এমনিতেই অলস। এই হরতালে আরো অলস করে তুলছে আমাদের যা বেদনাদায়ক। হরতালে পিছিয়ে পড়ছে গোটা দেশ।

খায়রুল ইসলাম (ফুল)

আরানপুর, ঝিনাইদহ

হরতাল হলো তথাকথিত গণতান্ত্রিক অধিকার। রাজনৈতিক দলসমূহের এই অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে জনগণকে কত রকম ত্যাগ স্বীকার করতে হয় তা অবর্ণনীয়।

ডা. কে বরকত

ভাগলপুর, বাজিতপুর

হরতালে আমার খারাপ লাগতেছে না। সরকারি দল যা শুরু করেছে যদি হরতালের চেয়ে আরও বেশি কিছু দেয় তাহলেও রাজি আছি।

সৈয়দ কবির উদ্দিন আহমেদ

নিউ সার্কুলার রোড, ঢাকা

এখনকার হরতাল আর ভালো লাগার, ভালোবাসার বিষয় নয়। এখনকার হরতাল হচ্ছে আতংকের। জ্বালাও পোড়াও করে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সব। এখনকার হরতাল মানেই হতাশা। সুতরাং হরতালে কীভাবে ভালো লাগবে?

জাহাঙ্গীর খান বাবু

মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা

এখন হরতাল মানেই আতংক, সহিংসতা ও বিক্ষিপ্তভাবে পিকেটিং ও যাত্রীবাসে আগুন। এখন হরতাল মানেই দেশের সম্পদ ক্ষতি। এখন হরতাল মানেই দিন মজুরের কষ্ট ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি। এমন হরতাল তো ভালো লাগার নয়।

মো. মোজাহারুল ইসলাম

সাভার, ঢাকা

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
রাশেদ খান মেনন বলেছেন, সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছে আবার হেফাজতের সঙ্গে আলোচনা করছে। এর ফলে সরকারের আমও যাবে ছালাও যাবে। তার বক্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?
9 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
সেপ্টেম্বর - ২১
ফজর৪:৩১
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৫
মাগরিব৫:৫৯
এশা৭:১২
সূর্যোদয় - ৫:৪৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৪
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :