The Daily Ittefaq
ঢাকা, শুক্রবার, ০৫ এপ্রিল ২০১৩, ২২ চৈত্র ১৪১৯, ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ | কাওড়াকান্দি-মাওয়া নৌ চলাচল বন্ধ | চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি হেফাজতের | সারা দেশ থেকে হেঁটে লংমার্চে যোগ দেয়ার আহবান হেফাজতে ইমলামের | লংমার্চে বাধা দিলে লাগাতার হরতাল:হেফাজতে ইসলাম | লংমার্চে পানি ও গাড়ি দিয়ে সহায়তা করছেন ফেনীর মেয়র | ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান নেবে গণজাগরণ মঞ্চ | বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে | সীতাকুণ্ডে বাস খাদে, নিহত ৩ | উত্তরের ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবেলায় দক্ষিণ কোরিয়ার যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন | ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে বৌদ্ধ-মুসলিম দাঙ্গায় নিহত ৮ | টেস্ট দলে ফিরলেন সাকিব নাফীস | মুম্বাইয়ে ভবন ধসে নিহত ৪১

মু খো মু খি

সবাই নিজের স্বার্থ নিয়েই কাজ করছে

জায়েদ খান। এ সময়ের অন্যতম ব্যস্ত চিত্রনায়ক। প্রায় এক ডজন চলচ্চিত্রে কাজ করছেন এখন তিনি। নিজের সাম্প্রতিক ব্যস্ততা এবং চলচ্চিত্র শিল্পের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিন-এর সাথে।

সাক্ষাত্কার নিয়েছেন অর্ক হাসান

আপনার বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বলুন?

এই মুহূর্তে র্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পারফর্ম করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আর অনেকগুলো চলচ্চিত্রের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত আছি। এর মধ্যে 'তোকে ভালোবাসতেই হবে' অর্ধেক কাজ শেষ। 'আগুনের চোখে প্রেম', 'তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি'-এরও শুটিং চলছে। 'পিওর লাভ', 'জটিল বন্ধন' ছবি দুটির শুটিং অল্প কিছু দিনের মধ্যেই শুরু হবে। 'দাবাঙ'-এর গানের শুটিং করলাম, মে মাসের মাঝামাঝিতে এর বাকি কাজগুলো হবে। এর পাশাপাশি আরও করছি 'বিয়ে হলো বাসর হলো না', 'রক্তাক্ত প্রেম', 'সবুজ কেন অপরাধী'। আসলে সব সময় মূল ধারার চলচ্চিত্রে কাজ করতে চাই, তাই এর বাইরের ফিল্মগুলোতে সাইন করছি না। বিকল্প ধারার চলচ্চিত্রে আমি বিশ্বাসী নই, এগুলো থেকে দূরে থাকতে চাই।

আপনি এখন যে ক'টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন, তার অধিকাংশই তো শাকিব খান ঘরানার চলচ্চিত্র, অর্থাত্ এক শ্রেণীর জন্য। দেশের সব শ্রেণীর জন্য কেন করা হচ্ছে না এসব ছবি?

না এমনটা নয়, 'তোকে ভালোবাসতেই হবে' ছবিটার সঙ্গে 'আগুনের চোখে প্রেম'-এর কোনো মিল নেই। মান্না ভাই মারা যাওয়ার পর এ দেশে অ্যাকশন ছবি ওইভাবে হয়নি। হাতে গোনা দুয়েকটি হয়েছে। আমি পুরোদস্তুর অ্যাকশনধর্মী ছবি করতে চাই। অ্যাকশন ছবি সবার জন্যই হয়, যেমন 'দাবাঙ', 'রাউডি রাঠোর'সহ আরও অনেক ছবি আছে, এগুলো কিন্তু সব শ্রেণীর জন্যই। আমার ভক্তরাও চায় যে, আমি অ্যাকশন ছবি করি।

এখন তো, নতুন ও পুরোনো মিলে অনেকেই চিত্রনায়ক হিসেবে ব্যস্ততার সঙ্গে কাজ করছে। এরই মধ্যে এ বছর ৩০টি ছবির কাজ শুরু হয়ে গেছে। এর ফলাফলটা কী হবে বলে মনে হয়?

যেহেতু অনেকগুলো ফিল্ম নির্মাণ হচ্ছে, তাই দর্শকরা যাচাইয়ের সুযোগ পাবে। দর্শকরাই সেখান থেকে যাচাই ও বাছাই করে তাদের পছন্দের নায়ককে হার্টথ্রব জায়গায় নিয়ে যাবে। এটাই কিন্তু যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে, আর এটাই হবে। এক ছবি দিয়ে জয় করার সম্ভাবনাটা এখন খুবই কম। এ বছর প্রায় ৩০টি চলচ্চিত্র শুরু হয়েছে, এটি আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য সুসংবাদ। কিন্তু ভাবছি এর মধ্যে কয়টা সিনেমা হলে আসবে। অনেক ছবিই তো রিলিজ হয় টিভিতে, আবার অনেক ছবি দুটি কি একটি হলে মুক্তি পায়। এই ৩০টির মধ্যেও এমন ছবি অনেক আছে। যা চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য বিষধর। আর ডিজিটাল ছবির নামে অধিকাংশ নির্মাতাই প্রতারণা করছে, এর ফলও তারা পাবে। রেজ্যুলেশনসহ অনেক বিষয় তারা জানে না, না জেনেই কাজ করছে। এতে কিন্তু আমাদের দর্শক প্রতারিত হচ্ছে। ক্ষতি হচ্ছে শিল্পের।

গত ৩ এপ্রিল জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস ছিল, সেদিন এফডিসিতে এক র্যালি বের হয়। সেখানে দুয়েক জন তারকার অংশগ্রহণ দেখা গেছে। এর বাইরে কেউ অংশ নেয়নি, এমনকি আপনিও না। এর কারণ কী?

আমার আসতে আসতে দেরি হয়ে যায়, পরে তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করি এবং সবাই একসঙ্গে দুপুরের খাবার খাই। তবে হ্যাঁ, একজন দুইজনকে দিয়ে তো আর ইন্ডাস্ট্রি হিসেব করা যায় না। ওই হিসেবে বলতে হবে কেউই আসেনি। আসলে এখানে সমন্বয়হীনতার অভাব, সবাই নিজের স্বার্থ নিয়েই কাজ করছে। একতা নেই কারও মধ্যে। সবাই একটা কথাই বলে যে, 'গিয়ে লাভ কি'। সবাই এখন শুধু নিজের লাভটাই খুঁজে। কারও মধ্যে মিল নেই। একজন যদি চিন্তা করে যে আমি ডানে যাব অন্যজন জোর করে বামে যাবে। এমনকি আমাদের শিল্পী সমিতির প্রেসিডেন্ট শাকিব খানও সেদিন উপস্থিত ছিলেন না।

বাংলাদেশ ও কলকাতার নির্মাতা, শিল্পী ও কলাকুশলীদের মিলেমিশে যৌথ উদ্যোগে কাজের ব্যাপারে আলোচনা হচ্ছে, তবে এখনও ফাইনাল কিছু হয়নি। এই আলোচনা শেষ হওয়ার আগেই অনেক তারকা কলকাতায় গিয়ে কাজ করছেন। এ বিষয়ে কী বলবেন?

একটা কথাই আবার বলব যে, সমন্বয়হীনতা। চলচ্চিত্রের প্রতি যে সম্মান ও ভালোবাসা এখন এটা কারও মধ্যেই নেই। রুহি নামের একটা মেয়ে কাজ করতে গেছে কলকাতায়। সে কিন্তু শিল্পী সমিতির সদস্যও না। এটা আমাদের সরকারের সমস্যা, সমিতির সমস্যা। কাজ করতে হলে সমিতির ছাড়পত্র লাগবে, সরকারি অনুমোদন লাগবে। কিন্তু এখন ব্যাপারটা এমন যে, যা ইচ্ছে তাই করলাম। আমার কথা হলো যে, কাজ করতে যাচ্ছেন এটা ভালো। তবে শুধু নিজের ইমেজটার কথা না ভেবে দেশের জন্যও কিছু ভাবেন। একটা শিল্পী অন্য দেশে যাবে সরকারের কোনো অনুমোদনের বালাই নেই। কোনো নিয়ম কানুন নেই। কিন্তু ওই দেশ থেকে আমরা যখন একজন শিল্পী আনতে যাই তখন কত নিয়মকানুন, ওই দেশের শিল্পীরাও কিন্তু সরকারি অনুমোদন নিয়ে তারপর আমাদের এখানে কাজ করতে আসে। একমাত্র পরিচালক সমিতি ছাড়া অন্য কোনো সমিতির অস্তিত্ব টের পাচ্ছি না, সবাই ঘুমন্ত অবস্থায় আছে। এসব বিষয়ে সরকারেরও কোনো গুরুত্ব নেই।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
রাশেদ খান মেনন বলেছেন, সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছে আবার হেফাজতের সঙ্গে আলোচনা করছে। এর ফলে সরকারের আমও যাবে ছালাও যাবে। তার বক্তব্যের সঙ্গে আপনি একমত?
4 + 5 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
সেপ্টেম্বর - ১৮
ফজর৪:২৯
যোহর১১:৫৩
আসর৪:১৭
মাগরিব৬:০৩
এশা৭:১৬
সূর্যোদয় - ৫:৪৫সূর্যাস্ত - ০৫:৫৮
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :