The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৩, ১ বৈশাখ ১৪২০, ২ জমাদিউস সানি ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ ভেনেজুয়ালার নতুন প্রেসিডেন্ট মাদুরো | পদ্মায় নৌকাডুবি: তিন লাশ উদ্ধার | রাজশাহীর তিন জেলায় হরতাল পালন: ছাত্রলীগ কর্মীকে হত্যা, বিএনপি কার্যালয়ে ভাংচুর | সাংবাদিকদের অনশনে বিএনপির সংহতি | ঢাবিতে ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি: ১১ কর্মী বহিষ্কার | ক্ষমা চাইল প্রথম আলো ও হাসনাত আবদুল হাই | সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখবে সশস্ত্র বাহিনী: তিন বাহিনীর প্রধান | যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা পাচ্ছেন ড. ইউনূস | বিদেশে কর্মী পাঠাতে প্রতারণা করলে সাত বছরের কারাদণ্ড

রক্তলাগা বন ও নয়া সনের প্রার্থনা

পাভেল পার্থ

আমরা বছরে বেশ কয়েকবার প্রাকৃতিক বনভূমির জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে এক-আধটুকরা মায়াকান্না করি। এমনকি কোপেনগেহেন জলবায়ু সম্মেলনকে ঘিরে মায়াকান্নার রোল পড়েছিল। বিশ্ব পরিবেশ দিবস, বিশ্ব বন দিবস, বিশ্ব জলাভূমি দিবস, আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসগুলোতে এই বন বাঁচানোর মায়াকান্নার পানি ধরে রাখার জন্য আলাদা পাত্রের জোগাড় থাকলে আমরা মাপতে পারতাম বিগত পঞ্চাশ বছরে মায়াকান্না করে দেশের প্রাকৃতিক বনভূমি রক্ষায় আমরা কতটুকু চোখের জল ফেলেছি।

৭-১৮ ডিসেম্বর ২০০৯ কোপেনহেগেনে আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে মায়াকান্নাতীত জলবায়ু সন্ধি চুক্তিতেও বারবার প্রাকৃতিক বনভূমির প্রসঙ্গ রাখা হয়েছিল। কিন্তু যে মুহূর্তে কোপেনগেহেন সম্মেলন চলছিল তখনও দেশের প্রাকৃতিক বনভূমি ছিল অরক্ষিত, রক্তাক্ত এবং প্রশ্নহীনভাবে ক্ষতবিক্ষত। রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দেশের প্রাকৃতিক বনভূমিকে হত্যা ও ধর্ষণ করা হয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও বিশ্বব্যাংকের মতো বহুপাক্ষিক ব্যাংক এবং শেল-অক্সিডেন্টাল-ইউনোকল-শেভরনের মতো কর্পোরেট কোম্পানি, এমনকি মার্কিন দাতা সংস্থা ইউএসএইডের প্রকল্পের মাধ্যমেও। এসব কাহিনী এত বেশি আমরা জানি যে, এসব আমাদের গা-সওয়া হয়ে গেছে। ইউএসএইডের তথাকথিত 'নিসর্গ সহায়তা প্রকল্প' প্রশ্নহীন কায়দায় শেষ হতে না হতেই এর দ্বিতীয় পর্যায় দেশের লাউয়াছড়া, সাতছড়ি, কালেঙ্গা, কাপ্তাই, মধুপুর প্রাকৃতিক বনভূমিসমূহে ইউএসএইডেরই অর্থায়নে 'আইপ্যাক' নামের প্রশ্নহীন 'রক্ষিত বন সহব্যবস্থাপনা' কার্যক্রম হিসেবে শুরু হয়েছিল। জাতীয় উদ্যান, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের রাবার ও সামাজিক বাণিজ্যিক বনায়ন, 'ইকোপার্কের' পর 'আইপ্যাক কর্মসূচি' মধুপুর শালবনের ক্ষেত্রে বেশ বড় বাজেটের কর্মসূচি, যা এখনও সুন্দরবন কি মধুপুরের বননির্ভর জনগণের কাছে আইপ্যাক কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেনি। একটার পর একটা জাতীয় পরিবেশ সম্মেলন কি আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনগুলো চলাকালীনও লাউয়াছড়া কি মধুপুর শালবনের নিঃস্ব শীর্ণ বৃক্ষপ্রজাতি বন বিভাগ এবং আইপ্যাক কর্মসূচির তীব্র-বলিষ্ঠ পাহারার ভেতরেও সমানে কেটে নেয়া হয়েছে। বনজসম্পদের একতরফা লুটপাটকে ঢাকতে বন বিভাগ ও প্রশাসনের মাধ্যমে একটা জনপ্রিয় বিষয় চালু রেখেছে রাষ্ট্র। অধিকাংশ সময়ই বলা হয়ে থাকে 'গাছ চোরাকারবারি', 'অবৈধ গাছচোর' কি 'বনদস্যুদের' মাধ্যমে অবাধে লুটপাট ও ধ্বংস হচ্ছে বন। দেশে বিদ্যমান ক্ষয়িষ্ণু প্রাকৃতিক বনভূমির কোনো কোনো নির্দিষ্ট অংশকে জাতীয় উদ্যান, অভয়ারণ্য, গেম রিজার্ভ, রক্ষিত বন, সংরক্ষিত বন নাম দিয়ে এক ধরনের রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা তৈরির যেমন রেওয়াজ আছে, তেমনি প্রাকৃতিক বনভূমিতেই প্রশ্নহীনভাবে গড়ে তোলা হয় নানান সামরিক-বেসামরিক স্থাপনা, খনন ও প্রকল্প। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১০ অনুযায়ী 'জাতীয় উদ্যান' মানে হলো মনোরম ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যবিশিষ্ট অপেক্ষাকৃত বৃহত্তর এলাকা যার মুখ্য উদ্দেশ্য প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর চিত্রানুগ দৃশ্য, উদ্ভিদকুল রক্ষা এবং সংরক্ষণ করা এবং যেখানে বিনোদন, শিক্ষা এবং গবেষণার জন্য জনসাধারণের প্রবেশ অনুমতি দেয়ার ব্যবস্থা থাকে। ১৯৬২ সনেই টাঙ্গাইলের মধুপুর শালবনকে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা দেয়া হয়। এর আগে রাষ্ট্র জোর করে মধুপুর গড়ে মান্দিদের ঐতিহ্যগত প্রধান জীবিকা জুম চাষ বন্ধ করে দেয়। জুম চাষকালীন সময় মধুপুর শালবন স্থানীয় মান্দি-কোচ-বর্মণ আদিবাসীদের মাধ্যমে ঐতিহ্যগতভাবে সংরক্ষিত হতো। নানান বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদপ্রজাতি-শূকর-বানর-হনুমান-বাঘ-ময়ূর-কচ্ছপ থেকে শুরু করে প্রজাতির সংখ্যাগরিষ্ঠ বৈচিত্র্য কেবলমাত্র তখনি ছিল। পরবর্তীতে রাষ্ট্র যখন থেকে শালবন সংরক্ষণের দায়-দায়িত্ব নিল তখন থেকেই এই শালবন নিঃশেষ ও বিলীন হয়েছে। শালবনের প্রাণসম্পদ ডাকাতি ও লুট হয়েছে। কিন্তু শালবনের আদি বাসিন্দা মান্দি-কোচ-বর্মণ ও দরিদ্র বাঙালিরা বারবার শালবন এবং শালবনের প্রতিবেশ বৈচিত্র্য রক্ষায় রাষ্ট্রের জবরদস্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ালেও বন বিভাগ কখনোই তা পাত্তা দেয়নি। অথচ রাষ্ট্র নিজের দেশের বনের কোনো সুরক্ষা নিশ্চিত না করে নির্লজ্জ কায়দায় জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের বন বাঁচানোর সাফাই গাইছে বিশ্ব দরবারে। যেন বাংলাদেশের প্রাকৃতিক বনভূমি নিশ্চিহ্ন হয়েছে জলবায়ুগত পরিবর্তনের কারণে। মূলত বাংলাদেশের প্রাকৃতিক বনভূমি রাষ্ট্র-কর্পোরেট কোম্পানি-আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা-বহুপাক্ষিক ব্যাংকের ফলেই খুন ও জখম হয়েছে, যা জলবায়ুগত পরিবর্তনকেও আরো উসকে দিয়েছে ভয়াবহ কায়দায়। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ)(সংশোধন) আদেশ ১৯৭৪-এর ১ নং অনুচ্ছেদের ধারা বলে জাতীয় উদ্যানের ভেতর কোনো বিস্ফোরক পোঁতা এবং গর্ত খোঁড়া বা খনন নিষিদ্ধ। বন আইনের (১৯২৭) ২৬ নং ধারা অনুযায়ী বন বিপদাপন্ন হতে পারে এমন কিছু বনের ভেতর রেখে যাওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। একই ধারা বলে কোনো সংরক্ষিত বনের কোনো অংশ নতুনভাবে পরিষ্কার করাও আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। রাষ্ট্রীয় বন আইনকে অগ্রাহ্য করে মধুপুর শালবনের ভেতর তৈরি করা হয়েছে বিমান বাহিনীর ফায়ারিং ও বোম্বিং রেঞ্জ। 'মধুপুর জাতীয় উদ্যান উন্নয়ন প্রকল্পের (পরিবেশবাদীরা যাকে ইকোপার্ক হিসেবেই চিহ্নিত করেছেন)' মাধ্যমে শালবনের ভিন্ন ভিন্ন বাস্তুসংস্থানকে বিবেচনা না করে বনের ভেতর ৩০০০ একর কোর এলাকাকে ঘিরে তৈরি করা হয়েছে ৬১,০০০ ফুট ইটের দেয়াল, পাকা রাস্তা, ওয়াচ-টাওয়ার, বিনোদন কেন্দ্র। বুকে হাঁটা সরীসৃপ প্রাণী, বনের প্রথম স্তরের প্রাণবৈচিত্র্য এর ফলে বিচরণ এলাকা হারিয়ে উদ্বাস্তু হয়েছে। ফায়ারিং এবং বোম্বিং রেঞ্জের এলোপাতাড়ি বোমা ও গুলির শব্দ পাখি ও বনের প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরের প্রাণীদের প্রজনন এবং বিচরণে বিপর্যয় তৈরি করেছে। এসবের কোনোটাই কিন্তু জলবায়ুগত পরিবর্তনের প্রভাব নয়। একেবারে সোজাসাপটাভাবে প্রাকৃতিক বনের প্রতি দায়-দায়িত্বহীন রাষ্ট্রের উপর্যুপরি হামলায় এসব নিদারুণ প্রতিবেশগত বিশৃখংলতা তৈরি হয়েছে মধুপুরে।

যে বনভূমি লোভী ও ভোগবাদী কর্পোরেট দুনিয়ার মাত্রাতিরিক্ত কার্বন শোষণ করে নিজেকে জীর্ণ ও রক্তাক্ত করে বিশ্ব জলবায়ু সুরক্ষায় ভূমিকা রেখেছে চিরকাল, আজ সেই বনে আবারও প্রশ্নহীনভাবে আইপ্যাক কর্মসূচির মাধ্যমে মার্কিন খবরদারির ভিত তৈরি করে দিয়েছে রাষ্ট্র। অথচ আমরা জলবায়ু বিপর্যয়ের এই সময়ে সমানে প্রাকৃতিক বনভূমি সংরক্ষণের জন্য 'মায়াকান্নার' মাতম তুলছি। বালি, কোপেনগেহেন, ডারবান. দোহা থেকে মধুপুর সরকারি নথিপত্র কি প্রচার সর্বত্রই এই প্রশ্নহীন 'বন বাঁচানোর মায়াকান্নার' তোলপাড়। মধুপুর শালবনের বননির্ভর আদিবাসীরা ১৯৬২ সন থেকেই শালবন বাঁচাতে লড়াই করেছেন সকল রাষ্ট্রীয় ও কর্পোরেট বল প্রয়োগের বিরুদ্ধে। মধুপুর গড়ের মাটির লালাভ রঙ তৈরি হয়েছে নিম্নবর্গের বন বাঁচানোর এই ঐতিহাসিক দ্রোহ থেকেই। ২০০১ সালে টাঙ্গাইলের মধুপুর শালবনে বাঙালি ভূমি দখলদারির বিরুদ্ধে গীদিতা রেমা যখন বাজিয়েছিলেন তারুণ্যের আদুরি (মহিষের শিঙ-বাঁশ-দড়ি দিয়ে তৈরি মান্দিদের এক ধরনের বাদ্যযন্ত্র) তখন ভূমি দখলকারীরা ২০ মার্চ তারিখে গীদিতা রেমাকে হত্যা করলেও আদুরির দ্রোহ থামাতে পারেনি। পরবর্তীতে যখন রাষ্ট্র এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের টাকা খেয়ে মধুপুর শালবন উপড়ে রাবার বাগান বানায় বা বন বিভাগ মধুপুর বনে যখন ইকোপার্ক করার নামে পুরো বন দেয়াল দিয়ে ঘেরাও করার জন্য বন্দুক তাক করে তখনও বননির্ভর মান্দি-কোচ জনগণ রাষ্ট্রের বন্দুকের তলায় পেতে দিয়েছিলেন বন অধিকারের দ্রোহ। ২০০৩ সালের ৩ জানুয়ারি মধুপুরে আবারো বেজে উঠেছিল বনজীবনের আদুরি, রাষ্ট্রের হামলা থেকে শালবন বাঁচাতে বনবাসী তারুণ্য সাজিয়েছিল অধিকারের গ্রীকা (মান্দিদের বিদ্রোহী নৃত্য কৃত্য)। রাষ্ট্র সেই সাহসী গ্রীকার তারুণ্যকে অস্বীকার করতে পারেনি। তাই রাষ্ট্র তার ক্ষমতার 'সবেধন নীলমণি' কর্পোরেট অস্ত্র কোম্পানির বন্দুক দিয়ে (আমাদের মাথায় রাখা জরুরি রেথিয়ন, হেলিবার্টন, জেনারেল ডিনামিক্স কোম্পানির অস্ত্র বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতেই চলতি দুনিয়ায় রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বলতে বন্দুক বাহাদুরিকে বোঝানো হয়) হত্যা করে মান্দি বীর পীরেন স্নালকে, মেরুদণ্ড ঝাঁঝরা করে দেয় অষ্টম শ্রেণির কিশোর শিক্ষার্থী উত্পল নকরেকের। কিন্তু অবাধ্য রাষ্ট্রের জানা আছে কি না জানি না, উত্পল নকরেকদের মেরুদণ্ড ঝাঁঝরা করে দিলেও উত্পল নকরেকদের মেরুদণ্ডের সাহসী বিপ্লব থেমে যায় না। টাঙ্গাইলের মধুপুরের বেরীবাইদ গ্রামের উত্পল নকরেক এখনও হুইল চেয়ারে বসে থেকেই বন বিভাগের বন নিশ্চিহ্নকরণ প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করেন, এখনও প্রশ্নহীন ইকোপার্ক স্থাপনের আন্দোলনে শামিল রাখতে চান নিজেকে সমানভাবে। মধুপুরের মতো পত্রঝরা জটিল শালবন বাস্তুসংস্থান বাঁচাতে বীর শহীদ পীরেন স্নালের মৃত্যুর পর পীরেন স্নালের পিতা নেজেন নকরেক মধুপুর থানায় বাদী হয়ে বন বিভাগ এবং পুলিশের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছিলেন এবং পীরেন হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়েছিল পীরেনের পরিবারসহ ইকোপার্কবিরোধী আন্দোলনকারী সকলেই। কিন্তু দীর্ঘ ছয় বছরেও কেউ পীরেন হত্যার সেই তদন্ত প্রতিবেদন দেখতে পেল না। সকলের জন্য সুবিচার, আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক নাগরিক অধিকার বিষয়গুলো মধুপুর শালবনে যেন কেউ গুম করে অদৃশ্য করে রেখেছে। এখানে বনভূমি কি বনভূমিনির্ভর মানুষ কারোর জীবন এবং যাপনের কোনো নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নেই। পীরেন স্নালের শহীদ দিবসে আবারো প্রশ্ন জাগে মধুপুর শালবনের এই অদৃশ্য গুমকারী নিয়ন্ত্রক কে বা কারা। তারা কি জলবায়ু পরিবর্তনকারী ধনী-ভোগবিলাসী উত্তরের রাষ্ট্র? যদি হয় তবে তো গরিব ও দুর্ভোগ পোহানো রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশও তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে বিশ্ব দরবারে। নাকি মধুপুর শালবন নিশ্চিহ্নকরণের এই নিয়ন্ত্রক অন্য কেউ? প্রশ্ন জাগে, যে রাষ্ট্র উত্তরের ধনী দেশের সামনে দাঁড়িয়ে তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে সেই রাষ্ট্র কি 'এই অন্য কাউকে' থামাতে পারে না? মধুপুর শালবনের টগবগে প্রতিরোধী রক্তের দাগ বারবার টানটান জানায় জনগণই সকল অন্যায় নিয়ন্ত্রকদের থামাবে একদিন। স্বপ্ন দেখি নতুন বাংলা সনের নতুন ভোরে রাষ্ট্র বদলাবে তার বর্ণবাদী আচরণ, বনভূমিকে বুকের ভেতর আগলে নিয়ে রাষ্ট্র গাইবে জীবনজয়ী প্রাণ ও প্রকৃতির গান।

লেখক:পরিবেশ বিষয়ক গবেষক

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করবে সংসদীয় ঐকমত্য কমিটি। টিআইবির এ প্রস্তাবের সঙ্গে আপনি একমত?
1 + 7 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
সেপ্টেম্বর - ২২
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৪
মাগরিব৫:৫৮
এশা৭:১১
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫৩
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :