The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৩, ১ বৈশাখ ১৪২০, ২ জমাদিউস সানি ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ ভেনেজুয়ালার নতুন প্রেসিডেন্ট মাদুরো | পদ্মায় নৌকাডুবি: তিন লাশ উদ্ধার | রাজশাহীর তিন জেলায় হরতাল পালন: ছাত্রলীগ কর্মীকে হত্যা, বিএনপি কার্যালয়ে ভাংচুর | সাংবাদিকদের অনশনে বিএনপির সংহতি | ঢাবিতে ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি: ১১ কর্মী বহিষ্কার | ক্ষমা চাইল প্রথম আলো ও হাসনাত আবদুল হাই | সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখবে সশস্ত্র বাহিনী: তিন বাহিনীর প্রধান | যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা পাচ্ছেন ড. ইউনূস | বিদেশে কর্মী পাঠাতে প্রতারণা করলে সাত বছরের কারাদণ্ড

শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে কি?

ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না

০০০০০০০০০০০০০

শান্তিপূর্ণ নির্বাচন

হবে না, হবে না

বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যেভাবে গণতন্ত্রের চর্চা চলছে, দুই নেত্রীর যে রাজনৈতিক নোংরা আচরণ হচ্ছে, একজন আরেকজনকে যেভাবে অশালীনভাবে আক্রমণ করছে তাতে তাদের রাজনৈতিক মানসিকতাকে সুস্থ বলে রায় দেয়া যায় না। অসুস্থ রাজনৈতিক মানসিকতা নিয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব নয়। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা হল বর্তমানে শুধুই দুই নেত্রীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার চেষ্টা আর বিরোধী দল নিধন কর্মসূচি, দুই নেত্রী ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য লাশের পর লাশ ফেলে দিতে পারেন, আবার লাশের উপর দিয়ে হেঁটে গণভবনে যেতে পারেন।

দুই নেত্রীর গণতন্ত্র চর্চার আরো কিছু উদাহরণ হল: পরস্পরের চেহারা দেখাও মহাপাপ, আর একজন আরেকজনকে চোরের মা এবং সাপের সাথে তুলনা করেন। এই যখন অবস্থা গণতন্ত্রচর্চার তখন তাকে অসুস্থ রাজনৈতিক মানসিকতা ছাড়া আর কি বলা যায়? শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সংবিধান মানতে হবে। সংবিধানের অপব্যাখ্যা দেয়ার জন্যও সৃষ্টি হয় অশান্তি— যেটা অসুস্থ রাজনৈতিক মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।

ক্ষমতায় থাকাকালীন তারা এত অপকর্ম করেন যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনকে তারা অশান্তি মনে করেন, তাই বেছে নেন ষড়যন্ত্রের পথ, অসুস্থ মত। অসুস্থ রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন না হলে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অলীক কল্পনা।

মিকাইল হোসেন

বিএসসি (অনার্স) এমএসসি

সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

০০০০০০০০০০০

শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে চাই শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক

পরিবেশ

এই উপমহাদেশের জনগণ তথা বাঙালিরা শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রায় ২০০ বছর সোচ্চার ছিলো। ১৯৪৭ থেকে ৭১ পর্যন্ত পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে লড়েছিল ঐ একটু শান্তি পাবার আশায়। কিন্তু ১৯৭১ থেকে আজ পর্যন্ত শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ১৯৭১-এর রাজনীতি ছিলো দেশ ও দেশের মানুষের জন্য। বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে দলনীতি। অতীতে সরকার আইন প্রণয়ন করতো জনগণের স্বার্থে আর এখন নিজদল ও দলনেতাদের স্বার্থে আইন প্রণীত হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোনো সমঝোতামূলক আচরণ নেই। '৭১-পূর্ব রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিলো দেশ ও জনগণের স্বার্থে। বলতে বড় কষ্ট হয় বর্তমান রাজনৈতিক কর্মসূচি দলীয় নেতা-কর্মীদের ও দলের প্রয়োজনে দেয়া হয়। সরকার বা বিরোধীদল যখন যারাই ক্ষমতায় আসে দেশকে নিজের স্বার্থে এবং নিজেদের ইচ্ছামত শাসন করে। দেশের উন্নয়নের জন্য জনগণ যাদেরই নির্বাচিত করে ক্ষমতায় পাঠায় তারা নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়েন, আর যারাই তাদের বিরোধিতা করবে তাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়া হয় প্রশাসন। স্বভাবতই তাই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দেখা যায় দা-কুমড়া সম্পর্ক। সমঝোতা বা ছাড় দেয়ার পক্ষপাতিত্বে না সরকার, না বিরোধীদল।

এহেন পরিস্থিতিতে আগামী সংসদ নির্বাচন যদি ক্ষমতাসীন দলের অধীনে হয়! পরিস্থিতি আর যাই হোক কোনোক্রমেই শান্তিপূর্ণ হবে না। তাই আমি আমার অবস্থান থেকে সরকার ও বিরোধী দলগুলোকে বলবো, "অবশ্যই বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব নয়"। এ পরিস্থিতিতে বা পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে আমাদের মতো কিছু সাধারণ মানুষের প্রাণহানিই হবে বলে মনে করি। কি করলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে তা আপনারাই নির্ধারণ করবেন। তবে আমি বলবো, "প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের সদিচ্ছা ও ঐকমত্যেই হতে পারে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন।

মো. মনির হোসেন,

বিজ্ঞান বিভাগ, সরকারি বাংলা কলেজ,

মিরপুর, ঢাকা।

০০০০০০০০

শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য প্রধান দুই দলসহ সকল দলের সমঝোতা হওয়া চাই

বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। তাই এই গণতান্ত্রিক দেশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচন হওয়া চাই। বর্তমানে দেশে যে জটিলতা, অরাজকতা ও হরতাল চলছে তা সহজে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হওয়ার নয়। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হতে হলে প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ সকল দল একসাথে বসে কিভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন করা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা করতে হবে। বর্তমানে গণতান্ত্রিক দেশে রাজনৈতিক দলগুলো যা শুরু করছে তা জনগণের পক্ষে মেনে নেয়া সম্ভব নয়। কারণ মার্চ মাস মানেই স্বাধীনতার মাস। যে মাসে ২৬ই মার্চ হল স্বাধীনতা দিবস। অথচ সে দিনের পরদিন হরতাল ডেকেছে বর্তমান প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। তারা কী ভুলে গেছে সেই ত্রিশলক্ষ শহীদদের কথা। যাদের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা। প্রধান দুই দলকে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ক্ষমতার লোভ পরিহার করতে হবে। কারণ জনগণ যেভাবে নির্বাচন করতে চায় সেভাবে নির্বাচন হওয়া চাই। এজন্য আমরা রাজনৈতিক দলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পরিহার করে গণতান্ত্রিক দেশে গণতন্ত্র রক্ষার জন্য তত্ত্বাবধায়ক বা নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সঠিক পথ অবলম্বন করা উচিত।

এস.এম. জাফর

বি.এস.সি. (অনার্স) গণিত

সরকারি তিতুমীর কলেজ, মহাখালী, ঢাকা-১২১২।

০০০০০০০০০

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের

জন্য শান্তিপূর্ণ নির্বাচন

কাম্য

যে কোনো রাষ্ট্রের শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য জনগণই মূল চাবিকাঠি। যদি তাদের (জনগণের) মত প্রকাশের প্রাধান্যতা থাকে। কিন্তু আমাদের দেশে জনগণের মত প্রকাশ তো দূরের কথা, যে দলই ক্ষমতায় থাকুক না কেন জনগণকে বোকা বানিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম সম্পাদন করাই তাদের মূল মনস্তাত্ত্বিক ভাব হয়ে থাকে। তবে তাদের এটা বুঝতে হবে যে, জনগণ এখন আর বোকা নয়, তারা জনগণের সাথে যেরকম কার্য করে থাকবে, জনগণ তাদের শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে সে জবাব দিতে থাকবে। কিন্তু আদৌ আমাদের দেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে কী? তাই নিয়ে দেশ-বিদেশে সন্দেহ জেগে গেছে। হ্যাঁ, এরকম সন্দেহের কোন প্রশ্নই উঠে না বা উঠত না, যদি প্রধান দুটি বড় দল সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন নিয়ে পরিকল্পনা করত। আর কীভাবেই বা তারা সমঝোতা করবে, কেউ চায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন, অন্যদল চায় ফের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন। তবে বিভিন্ন মিডিয়া বলছে যে, আলোচনা বা সংলাপ করেও নাকি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব হতেও পারে , নাও হতে পারে।

এস.এম.শাহীন আলম

অনার্স, ১ম বর্ষ।

সরকারী তিতুমীর কলেজ, ঢাকা।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করবে সংসদীয় ঐকমত্য কমিটি। টিআইবির এ প্রস্তাবের সঙ্গে আপনি একমত?
7 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুন - ১৬
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৫০
এশা৮:১৫
সূর্যোদয় - ৫:১০সূর্যাস্ত - ০৬:৪৫
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :