The Daily Ittefaq
ঢাকা, শনিবার, ৪ মে ২০১৩, ২১ বৈশাখ ১৪২০, ২২ জমাদিউস সানি ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নির্দলীয় সরকার ঘোষণা দেয়ার আল্টিমেটাম : মতিঝিলে ১৮ দলের সমাবেশে খালেদা জিয়া | প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অন্তসারশূন্য, অবরোধ হবেই: হেফাজত | দয়া করে আর মানুষ হত্যা করবেন না: খালেদা জিয়ার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে কি?

ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না

রাজনৈতিক হানাহানির কারণে বাংলাদেশ গভীর অন্ধকারাচ্ছন্ন

সত্যি সমগ্র বাংলাদেশ আজ রাজনৈতিক হানাহানির কারণে গভীর অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে গেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে সাধারণ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে জীবন ধারণ করতে পারছে না। যে পর্যন্ত না নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে কোন সরকার তার আসনে বসবে সেই পর্যন্ত এই অশান্তির কালো ছায়া বাংলার আকাশে সর্বদা বিরাজ করবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এই নির্বাচন কবে হবে? কোন সরকারের অধীনে হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকের মনে হতাশার চিহ্ন দেখা যায়। তবে দেশের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে উপরের সকল শ্রেণীর মানুষ শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা করে কিন্তু দেশের বড় দু'টি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কারণে সেই প্রত্যাশা অপ্রত্যাশিতভাবে রয়ে গেছে। যদিও সংলাপের জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছে তবে সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি হয়নি। বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না আর আওয়ামী লীগ চায় দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন। যদি দু'দল এরকম কঠোর সিদ্ধান্তে থাকে তবে কিভাবে সমঝোতা ও সংলাপ হবে? তাই তাদের কঠোর সিদ্ধান্ত পরিত্যাগ করে কিভাবে সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হয় সেই বিষয়ে আলোচনা করতে হবে।

মো. আব্দুর রহমান সুমন

সরকারি তোলারাম কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়

বিএসএস, বন্দর, নারায়ণগঞ্জ।

সরকার ও বিরোধীদলের সমঝোতায় আসা ছাড়া দেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে না

বাংলাদেশের প্রতিটি আসন্ন নির্বাচন নিয়ে দেশের জনগণ খুবই আতঙ্কিত। এবারের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আরো বেশি আতঙ্কগ্রস্ত। কারণ সরকার চাচ্ছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়াই নির্বাচন করবেন। আর বিরোধী দল চাচ্ছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমেই নির্বাচন হতে হবে। এনিয়ে সাম্প্রতিককালে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। দুটো দলই যদি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা করে এবং দেশের জনগণের জানমালের নিরাপত্তার কথা ভাবে, তাহলে তাদের উচিত নির্বাচনের জন্য একটি সমঝোতার চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়া। আর এটা না করলে স্পষ্ট যে আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে না।

মো. আবুবকর চৌধুরী

বিএ সম্মান, ১ম বর্ষ, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ,

সরকারি বাংলা কলেজ, ঢাকা

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাই পারে দেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন ব্যবস্থার নিশ্চয়তা দিতে

বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা দেশকে সংঘাতময় অন্ধকার পরিবেশের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। দেশের অভ্যন্তরে এই রকম রেষারেষির রাজনীতি চলতে থাকলে দেশ দিন দিন অর্থহীন, শিক্ষাহীন, এমনকি বেকারত্বে জর্জরিত হয়ে পড়বে। দেশের এই কলুষিত রাজনীতির বলী হচ্ছে সাধারণ জনগণ। আর ফায়দা লুটছে এক শ্রেণীর স্বার্থপর লোক। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে যে অস্থিরতা বিরাজ করছে তার অন্যতম কারণ হচ্ছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হবে। সরকার চায় দলীয় সরকারের অধীনে হোক। আর বিরোধী দল চায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হোক। সরকারি দল ও বিরোধীদল যে রকম অনড় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে তাতে দেশের অবস্থা দিন দিন জটিল আকার ধারণ করছে। দেশ অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে পা বাড়াচ্ছে। দেশের এই বিরাজমান অবস্থা থেকে সাধারণ মানুষ মুক্তি চায়। দু'টি দলকে দেশের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে সুষ্ঠু,নিরপেক্ষ ও সর্বস্তরের গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

মো. ফরহাদউদ্দিন,

দাওয়াহ্ এণ্ড ইসলামিক স্টাডিজ (তৃতীয় বর্ষ),

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

বর্তমান পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য

প্রতিবন্ধক

বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এক সংঘাতময় অগ্নিশিখার দিকে প্রবাহিত হচ্ছে। যা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রতিবন্ধক। বর্তমানে সংবিধান পরিবর্তন করে সেখান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করার ফলে সরকার দলীয় ও বিরোধী দলীয় এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে হওয়া বা না হওয়ার ব্যাপারে রাজনৈতিক উত্কণ্ঠা তীব্র থেকে তীব্র হচ্ছে। ফলে দেখা দিচ্ছে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন না হওয়ার সম্ভাবনা। সর্বশেষে প্রতীয়মান হয় যে, যতই সংলাপ, আলোচনা, সংবিধান পরিবর্তন হোক না কেন, সেখানে যদি ইনসাফের বহিঃপ্রকাশ না ঘটে তাহল শান্তিপূর্ণ নির্বাচন বর্তমান বা ভবিষ্যতে কোন সময়েও সম্ভব নয়।

এম. নাজমুল ইসলাম

বিবিএ (অনার্স), ব্যবস্থাপনা বিভাগ

প্রধান দুই দল গণতন্ত্রে পূর্ণ বিশ্বাসী হলেই কেবল শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব

সরকারি সিরাজগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, সিরাজগঞ্জ।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সমানে রেখে দেশ আজ চরম সংকটের মধ্যদিয়ে পার হচ্ছে। কিন্তু আর কতদিন এভাবে চলতে পারবে? আজ দেশের প্রধান দু'দল মুখোমুখি আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে একে অপরের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য সদা প্রস্তুত থাকে। একদিকে বিরোধী দল যেমন তাদের দাবিকেই পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য দাবি হিসাবে পাইকারি প্রচারে ব্যস্ত,অপরদিকে ক্ষমতাসীন দল নিজেদেরকে সবজান্তা শমসের ভেবে তাদের কর্মকাণ্ডকেই জোর করে চাপিয়ে দেয়ার অপচেষ্টায় সবসময় লিপ্ত। কিন্তু রাজনীতির এই খেলায় আমরা দেশের বড় বড় রাজনীতিবিদরা যতই বড় কথা বলি, যতই আশার বাণী শোনাই, বলির পাঁঠা কিন্তু দেশের নিরীহ জনগণ হচ্ছে ঠিকই।

তাই আমি মনে করি বিশেষ করে প্রধান দু'দলকে তাদের নিজ নিজ আদর্শে আদর্শিত হয়ে নয় বরং গণতন্ত্রের আদর্শে আদর্শিত হয়ে আসন্ন জাতীয় গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্যদিয়ে দেশকে চরম সংকটময় অবস্থা থেকে মুক্তি দিয়ে দেশের জনগণকে, দেশের শান্তিপ্রিয় মানুষকে শান্তিতে ঘুমাবার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করে দিবে।

মো. হাসান হাফিজুর রহমান

এলএলবি অনার্স, ২য় সেমিস্টার,

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি, (বিইউবিটি)।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
বিএনপি বলেছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিলে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনায় বসার আহ্বানে সাড়া দেবে। দলটির এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক বলে মনে করেন?
1 + 5 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
আগষ্ট - ৪
ফজর৪:০৭
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪২
মাগরিব৬:৪৩
এশা৮:০২
সূর্যোদয় - ৫:২৯সূর্যাস্ত - ০৬:৩৮
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :