The Daily Ittefaq
ঢাকা, বুধবার, ২২ মে ২০১৩, ৮ জৈষ্ঠ্য ১৪২০, ১১ রজব ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ অবশেষে আটক ১২ বাম নেতা-কর্মীকে ছেড়ে দিল পুলিশ | জয়পুরহাটে বিজিবির গুলিতে দুইজন নিহত | রাজশাহীতে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা | আশুলিয়ার ৫ পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা | কিশোরগঞ্জ উপনির্বাচন ৩ জুলাই, গাজীপুর সিটি নির্বচন ৬ জুলাই | মানবতাবিরোধী অপরাধ: কায়সারের জামিন আবেদন নাকচ | সরকারি করা হলো ৮ কলেজ | মাহমুদুরের মা ও সংগ্রাম সম্পাদকের মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছে হাইকোর্ট | আটকে গেল দুই ডিসিসির নির্বাচন | রাজধানীতে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ২ | সাভার ভবন ধস: ১২১ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা প্রধান | ৫ পোশাক মালিক ও রানাকে যাবজ্জীবন সাজার সুপারিশ তদন্ত কমিটির

শাপলা চত্বরে যা ঘটে গেলো?

ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না

হেফাজতে ইসলাম কাদের কার্বন কপি, দেশবাসীও জানে বিশ্ববাসীরও অজানা নয়...

৫ মে হেফাজত যেভাবে সহিংস প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, যে ভাষায় বক্তৃতা দিয়েছে, যে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে, আগুন দিয়েছে ও লুটপাট করেছে তা নজিরবিহীন। হেফাজত নেতারা পুলিশকে গুলি না করার উপদেশ দিয়েছেন। কিন্তু তাদের কর্মীদেরকে ভাংচুর বন্ধ করতে, আগুন না দিতে উপদেশ দেননি। হেফাজত কর্মীরা পুলিশের উপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে, ধ্বংস করে, জ্বালিয়ে পুড়িয়ে,"শান্তিপূর্ণ" ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে— মরার পুলিশ কেন বাধা দেবে? হেফাজত কাদের কার্বন কপি তা স্বচ্ছ জলে মাটি দেখার মতো স্বচ্ছ। স্বাধীনতার এতো বছর পর তারা প্রযুক্তির খোঁজখবর রাখছে, ব্লগার চিনেছে। ১৯১৩ সালে এসে ১৩ দফা মনে পড়ল কেন? হেফাজতের মিথ্যে কালো নেকাব খুলে গেছে। তাই ওয়াদা ভঙ্গকারীদেরকে প্রশাসন দুধ-কলা দিয়ে আপ্যায়ন না করে যথাসময়ে বিতাড়িত করে আরো ধ্বংসযজ্ঞ থেকে দেশকে রক্ষা করেছে। গণহত্যা করেনি- যথার্থ দায়িত্ব পালন করেছে, দেশকে বাঁচিয়েছে অগ্নিগর্ভ থেকে।

রুহুল আমিন জীবন

সম্মান (৪র্থ) বর্ষ, বাংলা বিভাগ,

কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ঢাকা

এটি কি সত্যিই

গণহত্যা?

৫ মে দিবাগত রাত্রে শাপলা চত্বরের অভিযান নিয়ে নানারকম গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি গণমাধ্যমে ও ভিন্ন ভিন্নভাবে খবর প্রকাশিত হচ্ছে। গভীর রাতে হেফাজত কর্মীদের মাত্র দশ থেকে পনের মিনিটের মধ্যে কিভাবে তাড়ানো হলো, যেহেতু তারা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা ত্যাগ করবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে এবং তাদের সংখ্যা ছিল কয়েক লাখ। এই কয়েক লাখ লোক এত অল্প সময়ের মধ্যে কিভাবে বিতাড়িত হলো? আসলে কি ঘটেছিল এখানে? অনেকের ধারণা- বড় ধরনের মারণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল সেদিন। আর তাতে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটায় অতি দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন হেফাজত কর্মীরা। হেফাজত কর্মীরা দাবি করেছেন সরকার ঐদিন মধ্যরাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে নিরীহ ইসলাম-প্রিয় জনতাকে নির্বিচারে গণহত্যা করে স্বাধীন দেশের পবিত্র মাটিকে রক্তে রঞ্জিত করেছে। ইতিমধ্যে জানা গেল তাদের কতজন নিখোঁজ আছে আর কতজনকে হত্যা করা হয়েছে তার একটি তালিকাও করার চেষ্টা করছেন হেফাজত নেতারা। আমি চাই হেফাজতে ইসলাম যেহেতু এটাকে গণহত্যা বলছে তারা নিহতের তালিকা প্রকাশ করে গণহত্যা প্রমাণ করুক। আর ডি.এম.পি কমিশনারও বলেছেন- গণহত্যার ঘটনা মিথ্যা এবং সেদিন কোন মারণাস্ত্রও ব্যবহার হয়নি। সরকার আন্তর্জাতিক বা আন্তর্জাতিকমানের তদন্ত করে বস্তুনিষ্ঠ ও বিশ্বাসযোগ্য সংবাদটি প্রকাশ করবে এটাই কাম্য।

সোহেল হুসাইন

গুরুদয়াল সরকারি কলেজ,

শাপলা চত্বরে যা ঘটেছে তা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার

কিশোরগঞ্জ

গত ৫ মে ২০১৩, মধ্যরাত্রে শাপলা চত্বরে যে ধরনের পৈশাচিকতার কালো অধ্যায়ের জন্ম দেয়া হয়েছে, তা কোন স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য কাম্য নয়। ঐদিন তারা বিভিন্ন স্পটে অবস্থান নেয় এবং তারা জ্বালাও, পোড়াও, লুটপাট শুরু করে। এটাই কি ছিল তাহাদের ইচ্ছা, রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। যে কোন রাষ্ট্রে কোন কিছু করতে হলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অনুমতি লাগে। অনুমতি না দিলে জোর করে কোন কিছুই করা ঠিক নয়। পরে তারা সরকারের অনুমতি নিয়ে রাজধানীর শাপলা চত্বরে অবস্থান নেয়। শাপলা চত্বরে আসার পরে পল্টন, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, বায়তুল মোকাররম এবং আশপাশ এলাকায় তাদের বাধা দেয়া একপর্যায় সংঘর্ষে রূপ নেয়। কয়েকজন নিহত হয়। সর্বশেষ পৃথিবীতে যে কোন মিটিং-মিছিল হলে অভিভাবককে সচেতন হতে হবে ছেলে কোথায় যাবে, কিসের মিটিং, মিছিল এগুলো জানতে হবে। জানার পর অভিভাবক অনুমতি দিলে- ছেলেরা/সন্তান তারা যেতে পারে, নইলে এভাবে অনেক সন্তান প্রাণ হারাতে পারে। অনেক পুলিশ বাহিনীর সদস্যকে প্রাণ দিতে হয়েছে। আমরা তো সবাই রক্ত-মাংস দিয়ে গড়া মানুষ।

অমিতাভ

বিএসএস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ,

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

'৭৫-এর পর স্বাধীন বাংলার ইতিহাসে আরেক কালো রাত্রি

গণতান্ত্রিক সরকার গণতান্ত্রিকভাবে সব সমস্যার সমাধান করবে, নিজেদের স্বার্থে নয়, জনতার স্বার্থে যে কোন পদক্ষেপ নিবে এটাই সবার কাম্য। কেননা জনতা সরকারের জন্য নয়, সরকার জনতার জন্যে। হেফাজতে ইসলাম কর্তৃক উত্থাপিত দাবির বিরুদ্ধে সরকার গলার জোরে গলাবাজি করলো কিন্তু যুক্তি দ্বারা দাবিগুলো অন্যায্য ও কল্যাণ বিরোধী তা প্রমাণ করতে পারলো না। পারলে জনমনে দীর্ঘস্থায়ী গ্রহণযোগ্যতা পেত না দাবিগুলো। ৫ মে ঢাকায় জড়ো হতো না এতো মানুষ। এই নিরীহ নিরস্ত্র ধর্মপ্রাণ মানুষগুলো অচেনা ঢাকায় সরকারের সঙ্গে যুদ্ধ করতে আসেনি। এসেছিলো তাদেরই ভোটে নির্বাচিত সরকারের কাছে তাদের প্রাণের দাবি নিয়ে। যে দাবি করার অধিকার তাদের আছে বৈকি। সরকার যথাসম্ভব দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে তারা বাড়ি ফিরে যাবে এই ছিল তাদের আশা। কিন্তু সরকার জনতার আশা ভেঙ্গে চুরমার করে দিল। গণতন্ত্রের অপর নাম সহনশীলতা। সরকার সেই সহনশীলতার বিন্দুমাত্র পরিচয় দিল না। শান্তিপূর্ণ সমাবেশে ছুঁড়লো প্রাণনাশী গুলি। '৭৫-এর পর বাংলার ইতিহাসে সবচেয়ে ঘৃণ্য জঘন্য কালো রাত্রি। কিন্তু আমরা এতই হতভাগা যে আমাদের গণতান্ত্রিক সরকার ঘটালো এমন জঘন্য ঘটনা। যে সরকারের দায়িত্ব কিনা জনতার জান-মালের নিরাপত্তা দান!

মেহেদী হাসান লিখন

বিবিএস (সম্মান) ৩য় বর্ষ, ব্যবস্থাপনা বিভাগ,

শেরপুর সরকারি কলেজ

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
ড. আকবর আলি খান বলেছেন, সংসদ নির্বাচন পদ্ধতি নির্ধারণে গণভোট হতে পারে। তার এই বক্তব্য আপনি কি সমর্থন করেন?
8 + 5 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
মে - ২৫
ফজর৩:৪৭
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩৫
মাগরিব৬:৪১
এশা৮:০৩
সূর্যোদয় - ৫:১৩সূর্যাস্ত - ০৬:৩৬
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :