The Daily Ittefaq
ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৩, ১০ জৈষ্ঠ্য ১৪২০, ১৩ রজব ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ অচিরেই দেশে আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দেবেন তারেক : শামসুজ্জামান দুদু | ঢাকা-চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে অতিভারী বর্ষণের আশঙ্কা | আগামী রবিবার ১৮ দলের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল

[ রা জ নী তি ]

ক্যাম্পাসের রাজনীতিতে সংকীর্ণতা

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ

গল্প হচ্ছিল এক সিনিয়র সাংবাদিক বন্ধুর সঙ্গে। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত বলেই বোধহয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গ এসব আলোচনায় প্রাধান্য পায়। এবার আড্ডার সূচনায় চলে আসে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অঘটন প্রসঙ্গ। তিনি দুঃখ করে বললেন, রাজনীতিকরণের অসুস্থ সংস্কৃতির কারণে এখন নির্লোভ জ্ঞানতাপস শিক্ষাবিদদের আর তেমনভাবে ভিসি পদ অলঙ্কৃত করতে দেখা যায় না। সরকারগুলো রাজনৈতিক স্বার্থে উপাচার্যের পদটি বিবর্ণ করে দিচ্ছে। ইউজিসির তদন্ত প্রতিবেদনে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলেও সরকার তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে যৌক্তিক কারণেই আন্দোলন দানা বাঁধে। এখন যে বিস্ফোরণ ঘটেছে তার জন্য বন্ধুটি ভিসি মহোদয়কেই দায়ী করতে চান।

একই সূত্রে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা উঠে আসলো। বললেন আপনাদের সাবেক ভিসির বিরুদ্ধেও একইভাবে দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য, শিক্ষক ও সংস্কৃতি কর্মীদের উপর সন্ত্রাসী ছাত্রদের লেলিয়ে দেয়ার অভিযোগ ছিল। তখন সরকারের সিদ্ধান্তহীনতাকে আমরা অনেকেই সমালোচনা করেছিলাম। আপনাদের আন্দোলন সর্বাত্মক রূপ নেয়ার পর সরকারের টনক নড়ে। এবার বন্ধুটি সরাসরি প্রশ্ন করলেন, এখন আপনারা আবার ভিসি আনোয়ার সাহেবকে সরানোর আন্দোলন শুরু করলেন কেন? আমি বললাম, বিপাকে পড়া ক্রিকেট টিমের অধিনায়ক যেমন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেন 'নো কমেন্ট'। আমি সেভাবেই বলবো 'নো কমেন্ট'।

সাংবাদিক বলেই বোধহয় বন্ধুটি তথ্যসহ কথা বলেন। বললেন, এমন দুর্বল ইস্যু দাঁড় করিয়ে শিক্ষক সমিতির ব্যানারে একজন নির্বাচিত উপাচার্যকে পদত্যাগ করতে বলা কতটা সমীচীন হয়েছে তা আপনারা বলতে পারবেন। তবে আমাদের কাছে পুরো বিষয়টি একটি সংকীর্ণ রাজনীতির চর্চা বলেই মনে হচ্ছে। সাংবাদিক বন্ধুটির নিকটাত্মীয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তাঁর কাছ থেকে কিছু ধারণা পেয়েছেন তিনি। বললেন, এখন অনেকে রসিকতা করে বলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রধান কাজ উপাচার্য বিতাড়ন আন্দোলন করা। এ ব্যাপারে তিনি আমার মন্তব্য শুনতে চান। আমি বেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছি। আসলে এই আন্দোলনের মাথামুণ্ডু আমার কাছেও স্পষ্ট নয়। অগত্যা একটি টেকনিক্যাল হাসি দিলাম। জানি এ হাসি থেকে কোনো অর্থ বের করা যাবে না।

বন্ধুটি বললেন, তিনি জেনেছেন ভিসি বিরোধী আন্দোলনের ক্রীড়নক প্রাক্তন ভিসির অনুগতরা। তিনি তাঁর ক্ষমতাচ্যুতির প্রতিশোধ নিতে চান। এখন খুব কৌশলে তারা শিক্ষক সমিতির ব্যানার ব্যবহার করছেন। সাংবাদিক বন্ধুটি কিছুটা বিএনপি ঘেঁষা। তাই বোধহয় তার সকল ক্ষোভ আছড়ে পড়লো জাবির বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের ওপর। তিনি বললেন বিএনপিমনা সম্মানিত শিক্ষকরা কোন স্বার্থে এই সংকীর্ণতায় নিজেদের জড়ালেন তা আমাদের দুর্বল মেধায় বুঝতে পারি না।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং শিক্ষক এই দুই পরিচয়ই আমার রয়েছে। তাই শিক্ষক রাজনীতির সংকীর্ণদশা ও চিন্তার গ্রাম্যতা দেখে আমি ক্ষত-বিক্ষত হই। শিক্ষাঙ্গনে বিশেষ করে উচ্চশিক্ষাঙ্গনে ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতির বিষফোঁড়া ক্রমে ক্যান্সারে রূপ নিচ্ছে। কিন্তু রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারকগণ নিরাময়ের ব্যাপারে কোনো দায়িত্ব নিচ্ছেন না, বরঞ্চ খুঁচিয়ে রোগ বাড়িয়ে দিচ্ছেন। রোগাক্রান্ত পরিবেশ থেকে ফায়দা লোটার কুিসত কসরত করে যাচ্ছেন। কিন্তু এদেশের ক্যাম্পাস রাজনীতি কি এমন নেতিবাচক ছিল? পাকিস্তান শাসন-পর্বের সূচনালগ্ন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ছাত্র রাজনীতি জাতীয় আন্দোলনের চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়। আন্দোলনে আগুয়ান ছাত্রদের 'গাইড ও ফিলোসফার' হয়ে পথনির্দেশনা দিতেন সে সময়ের মেধা আর ব্যক্তিত্বে উজ্জ্বল শিক্ষকগণ। এসব কারণে রাজনীতিসংশ্লিষ্ট ছাত্র-শিক্ষকগণ সে সময়ে ছিলেন সকলের কাছে ভালবাসার, শ্রদ্ধার। তবে জাতীয় রাজনীতির সঙ্কটের সাথে সাথে ছাত্র রাজনীতিতেও অমানিশা নামে। গত শতকের ষাটের দশকের প্রথম দিকে রাজনৈতিক দলগুলোর নানা বিভক্তির প্রভাবে ছাত্র সংগঠনগুলোতেও বিভক্তি দেখা দেয়। জনসাধারণের কাছে রাজনীতিসংশ্লি¬ষ্ট ছাত্রদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছিল। স্বাধীনতা-উত্তরকালে ক্যাম্পাস রাজনীতিতে দূষিত বাতাস একটু একটু বইতে থাকে। কিন্তু তা মারাত্মক রূপ নেয়নি ততটা। অবশ্য এ ক্ষেত্রে সময়ের বাস্তবতার ভূমিকা ছিল। ধীরে ধীরে অবস্থা পাল্টাতে থাকে। ক্ষমতার রাজনীতি গ্রাস করে রাজনৈতিক দলগুলোকে। জাতীয় রাজনীতির দলীয় ঝগড়া ক্যাম্পাসেও ছড়িয়ে যায়। তা এতটা স্থূল হতে থাকে যে, মেধাবী মননশীল ছাত্ররা স্বাভাবকিভাবেই বলয় থেকে বেরিয়ে আসে। অথবা পেশীশক্তির অধিকারীদের দ্বারা পরিত্যাজ্য ঘোষিত হয়। ক্ষমতার সুবিধা দিয়ে বিএনপি তার ছাত্রদল সাজায়। তরুণ তুর্কিদের অস্ত্রসহ সব ধরনের শক্তিতে শক্তিমান করে তোলে। ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরিতে একইভাবে সক্রিয় হয় ছাত্রলীগও। জিয়াউর রহমানের কল্যাণে আর আওয়ামী রাজনীতির ব্যর্থতায় জামায়াত মাথাচাড়া দেয়। আরেক তরিকায় ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করতে থাকে ইসলামী ছাত্র শিবির। বীভত্স রগকাটা রাজনীতির জন্ম দেয়। চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের গ্রামগুলোতে নিজেদের প্রভাব বলয় তৈরি করে। সশস্ত্র হামলা চালিয়ে ক্যাম্পাসকে রণক্ষেত্রে পরিণত করে।

রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের ক্ষমতার রাজনীতির পথচলা নির্বিঘ্ন করার জন্য ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীদের লাঠিয়াল হিসাবে ব্যবহার করতে থাকে। সত্ এবং চারিত্রিক বলে বলীয়ান ছাত্রদের একান্ত বশংবদ লাঠিয়াল বানানো কঠিন বলে শুরুতেই এদের চরিত্র হনন করেছে। চাঁদাবাজির অলিখিত লাইসেন্স দিয়ে দিয়েছে। কালো টাকার পাশাপাশি ধারালো ও আগ্নেয়াস্ত্র চলে এসেছে তাদের হাতে। ফলে ছাত্র রাজনীতির আদর্শ রূপান্তরিত হয়েছে। ক্ষমতার চক্রে আবর্তিত দলগুলোর ক্যাম্পাসের তালেবে এলেমরা ছাত্রকল্যাণ বা ছাত্র অধিকারের দাবি নিয়ে মুখর হওয়ার সংস্কৃতি ভুলতে থাকে। তাদের শ্লোগানে তারা শেখ হাসিনা বা খালেদা জিয়ার সৈনিক বলেই নিজেদের পরিচিত করতে বেশি পছন্দ করে। এরশাদ ক্ষমতা দখলের পর ক্ষমতার মজা লুটিয়ে দিয়ে নিজ দলের ছাত্র সংগঠন গড়েন ক্যাম্পাসে। অস্ত্র আর অর্থ ছড়িয়ে আরেক পেটোয়া বাহিনী তৈরি করা হয়। এক পর্যায়ে বেকায়দা অবস্থায় পড়ে এরশাদকে তাঁর ছাত্র সংগঠন গুটিয়ে ফেলতে হয়।

ক্যাম্পাস রাজনীতিতে শিক্ষক রাজনীতির স্খলন আরও বেশি নেতিবাচক পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। গত প্রায় দু'দশকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক রাজনীতির চরিত্র ছাত্র রাজনীতিরই প্রতিচ্ছবি যেন। পার্থক্য শুধু ছাত্ররা চাঁদাবাজি করে আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষমতাসীন দলের শিক্ষক নেতারা দলীয় শিক্ষক তথা শিক্ষক নামে ভোটার নিয়োগ, নানা ধরনের সুবিধাজনক পদ গ্রাস করা এবং তরুণ শিক্ষকদের মধ্য মনস্তাত্ত্বিক ত্রাস তৈরি করে দলের প্রতি আনুগত্য আদায় করার কাজে ব্যস্ত থাকেন। এঁদের অনেকেরই শিক্ষাদান ও গবেষণা এখন গৌণ হয়ে পড়েছে। ছাত্রদের মতো পেশীশক্তির মহড়া হয়ত রাজনীতিক শিক্ষকরা দেন না। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনস্তাত্ত্বিক ত্রাসের সন্ত্রাস তো করেই থাকেন।

আমাদের দেশে গণতন্ত্রের অপূর্ণ ব্যবহার করতে গিয়ে যেমন গণতন্ত্র বিপন্ন হয় ক্যাম্পাসে তেমনি ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশের সুবিধাবাদী ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গরিমাকে অনেকটাই ম্ল¬¬ান করে দিয়েছে। এখন জ্ঞানসাধক শিক্ষকের চেয়ে দলীয় রাজনীতির ঘোরতর সাধক শিক্ষক উপাচার্য নিয়োগের তালিকায় উপরে থাকেন। মনোনীত উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত না হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত নানা কায়দায় ভোটার সংগ্রহ করতে থাকেন। যদিওবা কখনো রাজনীতি করা পণ্ডিত শিক্ষক উপাচার্যের টিকেট পান তবে অচিরেই তিনি পরিবেষ্টিত হয়ে যান রাজনীতির বণিক শিক্ষকদের দ্বারা। তাদের নিয়ন্ত্রণ ও পরামর্শেই উপাচার্য মহোদয়কে চলতে হয়। দলীয় শিক্ষক দলীয় ছাত্র সকলকেই সন্তুষ্ট রাখতে হয় তাঁকে। এই ধারার রাজনীতিকরণের কারণে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়েই এখন আর উপাচার্য, উপ-উপচার্য, ট্রেজারার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে দলনিরপেক্ষ যোগ্য প্রতিভাবান শিক্ষকদের জায়গা হচ্ছে না। এভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞানচর্চার উজ্জ্বল অবয়ব বিপন্ন হয়ে পড়ছে।

একমাত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া সর্বত্রই দলীয় আনুগত্যের অনির্বাচিত ভিসিরাই দায়িত্ব পালন করছেন। এ ধারার ভিসিদের নানা তরিকা ম্যানেজ করে চলতে হয় বলে স্বার্থবাদীরা মাছির মত চারপাশে ভন ভন করে। অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনেরও নিশ্চয় কোনো দলের প্রতি আনুগত্য রয়েছে। তবে কোনো রাজনৈতিক বলয় বা গ্রুপ তৈরি করে এ সবের শক্তিতে প্যানেল বিজয়ী হননি তিনি। নিজ যোগ্যতায় তিনি ভোটারের আস্থা কাড়তে পেরেছিলেন। এখন ভিসি হতে না পারার ক্ষোভ থেকে যদি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আস্ফাালন প্রদর্শিত হয় তবে এর কানাকড়ি মূল্য পাওয়া যাবে না।

উপাচার্য মহোদয়ের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে কোনো কোনো বলয়ের ক্ষোভের পেছনে সাংবাদিক বন্ধু তিনটি তথ্য যোগাড় করেছেন। আমি যেন বাগে পাওয়া বাঘ। আমাকে বেশ রসালো আমেজে শোনাতে লাগলেনঃ ১. উপাচার্য মহোদয় কেন ঘন ঘন গণজাগরণ মঞ্চে ছুটে যান? ২. মিডিয়াতে এবং নানা টকশোতে তিনি এত 'প্রচারিত' হন কেন? ৩. শিক্ষক লাঞ্ছনাকারী ছাত্রলীগ নেতার বিচার করতে এত বিলম্ব হচ্ছে কেন?

একই টেবিলে বসা একজন নন্দিত কলামিস্ট এতক্ষণ নিবিষ্ট শ্রোতার ভূমিকায় ছিলেন। এবার মুখ খুললেন। বললেন প্রথম দুটো স্রেফ ঈর্ষকাতরতার প্রকাশ। শেষটিতে আন্দোলন করার কিঞ্চিত্ ভিত্তি রয়েছে। এবার সাংবাদিক বন্ধুটি পরবর্তী তথ্য সংযোজন করলেন। এদেশেতো তদন্ত বছর গড়িয়ে যায়। আর জাহাঙ্গীরনগরের শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনাটি মাত্র মাসাধিক কাল আগের। তদন্ত কমিটি কাজ করছে। এ অবস্থায় দ্রুত তদন্ত শেষ করে বিচারের দাবি যেখানে উঠতে পারতো তার বদলে এত দুর্বল প্লাটফরমে দাঁড়িয়ে উপাচার্যের পদত্যাগ চাওয়া কেন? এটাকে কি আমরা সময়ের অনেক আগেই মনের সুপ্ত ইচ্ছার হঠাত্ প্রকাশ বলে মানবো?—এই পরিবেশে লা জবাব আমার পালিয়ে বাঁচার দশা।

দেশজুড়ে ক্যাম্পাসের নষ্ট রাজনীতির এটি একটি আংশিক উদাহরণ মাত্র। রাজনীতির এই অসুস্থ ধারা থেকে মুক্ত হতে না পারায় উচ্চশিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ক্রমেই বিপন্ন হচ্ছে। এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থীদের ওপর। মুক্তচিন্তার শিক্ষকরা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সম্মান না পেয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। তরুণ শিক্ষকরা অনেক ক্ষেত্রেই মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারছেন না।

যদিও অরণ্যে রোদন হবে, তবুও আমাদের রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের কাছে আবেদন থাকবে- দেশের ভবিষ্যতের কথা ভেবে আপনারা কিছুটা স্বার্থ ত্যাগ করে হলেও ক্যাম্পাসকে মুক্তচিন্তার তপবন বানাতে সাহায্য করুন। ছাত্র-শিক্ষক দলীয় রাজনীতি মুক্ত হতে না পারলে উচ্চশিক্ষাঙ্গনকে শিক্ষা ও গবেষণার জ্ঞানকেন্দ্রে পরিণত করা যাবে না। মানবিক মূল্যবোধও ক্রমে ক্ষয়ে যাবে।

লেখক :অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
স্থায়ী কমিটির বিবৃতিতে বিএনপি সরকারকে অনতিবিলম্বে সংলাপ আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে। আপনি কি মনে করেন সংলাপ দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে?
1 + 8 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
ফেব্রুয়ারী - ২৯
ফজর৫:০৫
যোহর১২:১২
আসর৪:২৩
মাগরিব৬:০৪
এশা৭:১৭
সূর্যোদয় - ৬:২১সূর্যাস্ত - ০৫:৫৯
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :