The Daily Ittefaq
ঢাকা, শনিবার ১ জুন ২০১৩, ১৮ জৈষ্ঠ্য ১৪২০, ২১ রজব ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ ওকলাহোমায় টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৫ | নওয়াজ তৃতীয়বারের মতো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী | রবিবার নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুরে শিবিরের অর্ধবেলা, সোমবার রংপুরে বিএনপির হরতাল | রবিবার ৩ পার্বত্য জেলায় বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল | মাগুরায় চলন্ত বাসে গৃহবধূর সন্তান প্রসব | আশুলিয়ায় ৩ কারখানায় বিক্ষোভ | হাজারীবাগে ছাদ থেকে পড়ে ঢাবি ছাত্রীর মৃত্যু | নেতাদের মুক্তির বিষয়টি আদালত বিবেচনা করবে: স্পিকার ড. শিরীন | শান্তিরক্ষা মিশনে শহিদ চার বাংলাদেশি জাতিসংঘ পদক পেলেন | আশা করি বিরোধী দল সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে: প্রধানমন্ত্রী

ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে নৌপথ

মোহাম্মদ আবু তালেব

 ৮০ বছরে ৩ হাজার দুর্ঘটনা

 সহস্রাধিক তদন্ত কমিটি, কার্যকর হয় না সুপারিশ

 ২০ হাজার মামলা, শাস্তি হয়নি কোনোটিতেই

 চলাচলের অযোগ্য লক্ষাধিক নৌযান

দেশের অভ্যন্তরীণ নৌ-পথে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে। ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে নৌপথ। প্রায় প্রতিবছর নৌ দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটে বিপুল সংখ্যক মানুষের। এরকম ক্ষেত্রে প্রতিবারই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে গঠিত হয় তদন্ত কমিটি। শুরু হয় ভবিষ্যত্ দুর্ঘটনা ঠেকাতে সাময়িক তোড়জোর। একইভাবে গণমাধ্যমগুলোতে তখন ফলাও করে প্রচার ও প্রকাশ করা হয় দুর্ঘটনা নিয়ে নানা বিশ্লেষণধর্মী খবর। ব্যাস, সে পর্যন্তই। দেখা গেছে, বিগত সময়ে গঠিত কোনো তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনই জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। খুব কম ক্ষেত্রেই দোষীদের বিরুদ্ধে নেয়া হয়েছে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা। ফল হিসেবে পুনরাবৃত্তি ঘটছে দুর্ঘটনার। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর সমীক্ষা থেকে জানা গেছে, ১৯৩০ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত ৪০ বছরে নৌ-দুর্ঘটনায় মারা গেছে ১৭ হাজার ৬২১ জন। আর ১৯৭১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ৪২ বছরে মারা গেছে ১০ হাজার ৩১৬ জন মানুষ। এর মধ্যে অন্তত শতাধিক বড় দুর্ঘটনায় বিপুল সংখ্যক প্রাণহানিতে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। স্বাধীনতার পর নৌ-দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ২০ হাজার মামলা হয়েছে। ২০০ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। একটি মামলায়ও দোষীদের শাস্তি হয়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে, দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দেয়া ও অভিযুক্তদের প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নমনীয় মনোভাবের কারণেই নৌ-রুটে দুর্ঘটনা বাড়ছে।

বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান ড. সামসুদ্দোহা খন্দকার ইত্তেফাককে বলেন, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, ফিটনেসবিহীন ও ত্রুটিপূর্ণ লঞ্চ চলাচল নদী পথকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে। এসব কারণে প্রতিবছরই নৌ-দুর্ঘটনা ঘটছে। তিনি বলেন, নৌ দুর্ঘটনা রোধে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ৫০০ টন উত্তোলন ক্ষমতা সম্পন্ন 'নির্ভিক' ও 'প্রত্যয়' নামে দুটি উদ্ধারকারী জাহাজ কেনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কয়েকদিন আগে জাহাজ দুটির উদ্বোধন করেছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চলাচলের অযোগ্য লঞ্চসহ লক্ষাধিক নৌযান চলছে সারাদেশের নৌপথে।

সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের জরিপ শাখার হিসাব মতে, ২০১২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ হাজার ২৭২টি লঞ্চকে ফিটনেস পরীক্ষার জন্য চিঠি দেয়া হয়। ২০৮২টি নৌযান পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কাগজপত্র জমা দিলে ১৩৫৪টি লঞ্চকে ত্রুটিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। একই সাথে এদের সার্ভে সনদ ও রুট পারমিট বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলে সুপারিশ পাঠালেও তা অজ্ঞাত কারণে কার্যকর হয়নি ।

২০০৫ সালে ৫২৬টি লঞ্চকে ত্রুটিপূর্ণ হিসাবে নোটিস দেয়া হয়। আগের বছর ত্রুটিপূর্ণ ২৭৭টি লঞ্চকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে ঘোষণা করা হয় আরো ৫৫৪টি লঞ্চকে। ২০১০ সালে ঝঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয় আরো ৫ শতাধিক লঞ্চকে। সব মিলিয়ে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যমতে প্রতিদিন ঢাকার নৌপথে সহস্রাধিক ঝুঁকিপূর্ণ লঞ্চ চলাচল করছে।

এদিকে চলাচলের অযোগ্য লঞ্চগুলোকে রং ও মেরামত করে হরহামেশাই নৌপথে নামানো হচ্ছে।

ডি-ক্যাটাগরির পাঁচ শতাধিক লঞ্চকে নৌপথে চলাচলের অযোগ্য ঘোষণা করা হলেও কোন সরকারের আমলেই এদের চলাচল বন্ধ করতে পারেনি কোন সংস্থা।

অতি মুনাফার লোভে মালিকরা অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের রীতিমতো প্রতিযোগিতায় নামে। তাদের সিন্ডিকেট রোটেশন পদ্ধতিতে প্রতিটি নদীবন্দর বা ঘাট থেকে লঞ্চ চলাচল নির্ধারণ করে।

অভিযোগ রয়েছে, ৯০ ভাগ ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট তদারকি সংস্থার কর্মকর্তারা সরেজমিনে তদন্ত না করেই মোটা অংকের উেকাচের বিনিময়ে সার্ভে সনদ দিয়ে থাকেন। যাদের সার্ভে সনদ নেই তারা টাকার বিনিময়ে মাসিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে টোকেন সংগ্রহ করে লঞ্চ পরিচালনা করেন।

স্বাধীনতার পর মেঘনা নদীতেই ঘটেছে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা। গত ৫ মে নোয়াখালীর হাতিয়ার কাছে মেঘনায় একটি সি-ট্রাক ডুবে নারী ও শিশুসহ ৮ জন প্রাণ হারায়। নিখোঁজ হন কমপক্ষে অর্ধশত মানুষ। গত বছর মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনায় লঞ্চডুবিতে প্রাণ হারিয়েছিল ১৪৭ জন।

পরিবেশ ও নাগরিক অধিকার বিষয়ক বেসরকারি সংগঠন গ্রিন ক্লাব অব বাংলাদেশ (জিসিবি)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে ২০০৩ সালে। ওই বছর তিনটি নৌ-দুর্ঘটনায় নিহত হয় এক হাজার ১০৫ জন। এ ছাড়া ২০০৯ সালে চারটি দুর্ঘটনায় ২৩২ জন, ২০১০ থেকে ২০১২ সালে ৮টি নৌ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান দেড় শতাধিক লোক। ২০০৮ সালে তিনটি দুর্ঘটনায় ১১২ জন, ২০০৭ সালে ১০টি দুর্ঘটনায় ২৫৩ জন, ২০০৪ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ১১টি দুর্ঘটনায় ৫০৩ জন, ২০০২ সালে তিনটি দুর্ঘটনায় ৬০ জন মারা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল অধ্যাদেশ (আইএসও) ১৯৭৬ অনুযায়ী যে কোন দুর্ঘটনার পরই সমুদ্র পরিবহন অধিদফতর অন্তত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। বড় দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং কোন কোন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষও (বিআইডব্লিউটিএ) আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করে থাকে। প্রতিটি কমিটি সরকারের কাছে কিছু সুপারিশ পেশ করে। কিন্তু এসব সুপারিশের বাস্তবায়ন হয় না।

কোস্ট ট্রাস্ট নামের একটি বেসরকারি সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাধীনতার পর ৪২ বছরে নৌ-দুর্ঘটনা নিয়ে ২০ হাজার মামলা হয়েছে। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে প্রায় ২০০ মামলা। কিন্তু কারও কোনো শাস্তি হয়নি। এসব দুর্ঘটনা নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন হলেও কোনোটিই আজ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি।

নৌ-দুর্ঘটনার ১০ কারণ

কোস্ট ট্রাস্ট তাদের প্রতিবেদনে নৌ দুর্ঘটনার ১০টি কারণ চিহ্নিত করেছে। এগুলো হলো- লঞ্চের নকশাজনিত ত্রুটি, চালকের অদক্ষতা, মাস্টার-সুকানির গাফিলতি, অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন, নিরাপত্তা আইন অমান্য, বাতি বা সার্চলাইট না থাকা, চলার পথে দুই লঞ্চের মধ্যে প্রতিযোগিতা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস সম্পর্কে না জানা, সতর্কতামূলক চিহ্ন ছাড়া নদীপথে মাছ ধরার জাল পেতে রাখা ইত্যাদি।

যেভাবে পার পেয়ে যায় দোষীরা

সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেক ত্রুটিপূর্ণ লঞ্চ পরীক্ষা করা যাচ্ছে না। তারা বলেন, কোনো কোনো রাজনৈতিক নেতা 'ওমুক লঞ্চ পরীক্ষা করার দরকার নেই' বলে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরকে বাধা দিচ্ছেন। এছাড়া দোষী লঞ্চের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলেই লঞ্চ মালিকরা ধর্মঘটের ডাক দেয়। অচল করে দেয় নৌপথ। এসব কারণেই এদের বিরুদ্ধে সচরাচর ব্যবস্থা নেয়া হয়ে ওঠে না। সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জোবায়ের রহমান বলেন, যে সব লঞ্চের এখনো জরিপ করা হয়নি সেগুলোর মালিককে চূড়ান্ত নোটিস পাঠানো হবে। এ ছাড়া প্রয়োজনে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ লঞ্চের ত্রুটি সারানোর জন্য কড়া নোটিস জারি করা হবে। মালিকদের সময়ও বেঁধে দেয়া হবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান ড. শামছুদ্দোহা খন্দকার বলেন, যাত্রী ও লঞ্চ মালিকদের সচেতন হতে হবে। সচেতনতা না বাড়লে নৈরাজ্য ঠেকানো সম্ভব নয়। লঞ্চ মালিকদের কাছে কর্তৃপক্ষ অসহায় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মোটেই নয়। কেউ অনিয়ম করলে মেরিন কোর্টে মামলা হচ্ছে। কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

লঞ্চ মালিকদের সমিতি অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী-পরিবহন) সংস্থার চেয়ারম্যান মো. মাহবুব উদ্দিন (বীর বিক্রম) বলেন, যারা লঞ্চ পরীক্ষার জন্য জমা দেননি, তাদের আমি অনুরোধ করব জমা দিতে। কোনো মালিকই চান না তার লঞ্চটি ডুবে যাক। তাই সবারই উচিত পরীক্ষা করে ত্রুটি সারানো।

তিনি লঞ্চে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত ও ছাদে যাত্রী বোঝাই না করার জন্য লঞ্চ মালিকদের প্রতি আহবান জানান।

বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান মজিবর রহমান বলেন, ৩৫ থেকে ৪২ মিটার দীর্ঘ লঞ্চগুলো তিন তলা হওয়া উচিত নয়। এতে ওপরের দিক ভারী হয়ে যায়। তলদেশে গভীরতা কম থাকলে লঞ্চ হয় ঝুঁকিপূর্ণ।

নাগরিক সংহতির সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান বলেন, লঞ্চের যে পরিমাণ অংশ পানিতে ডোবার কথা, সেই অংশ না ডুবলে লঞ্চের ভারসাম্য রক্ষা পায় না। ফলে লঞ্চ উল্টে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা থাকে।

বলছেন নৌ-মন্ত্রী

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান ইত্তেফাককে বলেন, নৌ-দুর্ঘটনারোধে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। দেশের ৫৩টি নদীর নাব্যতা সংরক্ষণে জন্য নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে একটি মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। প্রকল্পের আওতায় নাব্যতা সংরক্ষণের লক্ষ্যে ৬৫ টি নৌ-পথ খননের পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৩৫৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকায় 'নির্ভিক' ও 'প্রত্যয়' নামের দুটি উদ্ধার যান কেনা হয়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ দু'টি ফেরি রুট পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এবং মাওয়া-চরজানাজাত সারাবছর সচল ও নির্বিঘ্ন রাখতে বিআইডব্লিউটিএ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, 'নির্দলীয় অথবা দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হতে হবে। আপনি কি তার এই বক্তব্যের সাথে একমত?
8 + 8 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুলাই - ২০
ফজর৩:৫৭
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫০
এশা৮:১২
সূর্যোদয় - ৫:২২সূর্যাস্ত - ০৬:৪৫
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :