The Daily Ittefaq
ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৩, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০ এবং ৪ শাবান ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ শনিবার একযোগে চার সিটি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ | নোয়াখালীর চরে গণপিটুনিতে পাঁচ জলদস্যু নিহত | হোটেল থেকে ১০ বুয়েট শিক্ষার্থীসহ ২০ জন আটক | বরিশালে পুলিশ দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানির অভিযোগ | নির্বাচনে জালিয়াতি হলে সরকারের প্রতি অনাস্থা:মওদুদ | কেন্দ্রগুলোতে যাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম

কেসিসিকে সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়তে প্রার্থীদের অঙ্গীকার

খুলনা অফিস

খুলনা সিটি করপোরেশনকে (কেসিসি) একটি আধুনিক, গতিশীল, পরিচ্ছন্ন ও দুর্নীতিমুক্ত গণ মানুষের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তুলতে চান তিন মেয়র প্রার্থী। নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত নাগরিক কমিটির মেয়র প্রার্থী সদ্য সাবেক মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিএনপি সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নাগরিক ফোরামের প্রার্থী সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি ও জাতীয় পার্টি (জাপা) সমর্থিত নাগরিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু নগরবাসীর সামনে এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

খুলনা মহানগরীর উন্নয়নে ৩১ দফা নির্বাচনী ইশতেহারে সম্মিলিত নাগরিক কমিটির মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, মেয়র হিসাবে পুনরায় নির্বাচিত হলে তিনি সিটি করপোরেশনকে একটি স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তুলতে 'সিটি গভর্মেন্ট' ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ, কেসিসিকে দুর্নীতিমুক্তকরণ, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, ওয়াসাকে পূর্ণাঙ্গরূপ দিতে সহায়তা প্রদান, ট্যাক্স না বাড়িয়ে নগরীতে আরো আধুনিক বিপণী কেন্দ্র ও মার্কেট তৈরি এবং বিনিয়োগ উত্সাহিত করে নতুন আয়ের উত্স সৃষ্টি, পূর্ণাঙ্গ আইটি ভিলেজ গঠন, নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য 'ওয়াইফাই জোন' ঘোষণা ও ইন্টারনেট ব্যবহারসহ বিনামূল্যে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি, গুরুত্ব বিবেচনা করে নগরীর সড়ক উন্নয়ন, পার্ক-উদ্যান নির্মাণ ও বনায়ন সৃষ্টি, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের উন্নয়ন ও বিকাশ ঘটানো, মেয়র পদক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা, ক্রীড়া ক্ষেত্রের উন্নয়নসহ ফুটবল ও ক্রিকেট মাঠ তৈরি এবং ফুটবল ও ক্রিকেট প্রতিযোগিতা প্রবর্তন, সোলার পার্ক আধুনিকায়ন, পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, ভাষা শহীদদের স্মরণে স্মৃতির মিনার নির্মাণ, বধ্যভূমিগুলোর স্মৃতি সংরক্ষণ, নগরবাসীর যাতায়াতের সুবিধার্থে টাউন সার্ভিস ও ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, নারী উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা প্রদান, সুইমিংপুল স্থাপন, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের সহায়তা প্রদান, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ, নগরীর সৌন্দর্য বর্ধনে আরো উদ্যোগ গ্রহণ, প্রস্তাবিত তিনটি থানা পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা, খালিশপুর ও রূপসা শিল্পাঞ্চলের উন্নয়ন, খুলনা মহানগরীর সম্প্রসারণে উদ্যোগ গ্রহণ এবং সিটিজেন চার্টার বা নাগরিক সনদ ব্যবস্থা জোরদারের মাধ্যমে কেসিসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ করবেন। ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি বলেন, বিগত পাঁচ বছর মেয়র হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে কেসিসির সামগ্রিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এসেছে এবং অনিয়ম ও দুর্নীতি অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হয়েছে। মেয়র হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মহাজোট সরকারের আমলে খুলনা সিটি করপোরেশনে এ যাবত্কালের মধ্যে সর্বাধিক ১ হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে ২৭৫ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে, যা ২০১৬ সালে শেষ হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, গত পাঁচ বছরে আমি খুলনা মহানগরীতে যে উন্নয়ন কাজ করেছি, তাতে বিগত নির্বাচনের চেয়ে এবার মানুষ তাকে দ্বিগুণ ভোটে নির্বাচিত করবে।

অপরদিকে, বিএনপি সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নাগরিক ফোরামের মেয়র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি তার ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছেন, তিনি নির্বাচিত হলে কেসিসিতে নাগরিক শাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিক পরিকল্পনার প্রবর্তন, নাগরিক মর্যাদা ও সম্মান সংরক্ষণ, গুণীজন সম্মাননা, সম্প্রদায়গত সম্প্রীতির ঐতিহ্য সংরক্ষণ, শিশু-বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সহায়ক পরিকল্পনা গ্রহণ, মাদকবিরোধী খুলনা গঠন, নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা প্রদান, নগরবাসীর স্বাস্থ্য উন্নয়ন, মহানগরীতে পার্ক, উদ্যান ও বৃক্ষ সংরক্ষণ, ক্রীড়া, বিনোদন ও শরীর চর্চার সুযোগ সৃষ্টি, ভেজালমুক্ত বিশুদ্ধ খাদ্য সরবরাহ, মহানগরীর সড়ক উন্নয়ন ও বর্জ্য-বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, খালিশপুর শিল্পাঞ্চল পুনরুজ্জীবনের পদক্ষেপ, শিল্প ও কলকারখানা স্থাপনে সহযোগিতা প্রদান, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের উন্নয়ন, বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন রক্ষায় ভূমিকা গ্রহণ, সিটি করপোরেশনের এলাকা সম্প্রসারণ ও ক্ষুদ্র যানবাহনের লাইসেন্স প্রদান করবেন। তার বিবিধ উন্নয়ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে নগরীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, সড়ক বাতির উন্নয়ন, সড়ক পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধনের জন্য বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ, নগরবাসীর সুপেয় পানির সংকট নিরসনে ওয়াসাকে সঠিক পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা দিয়ে এগিয়ে নেয়া, অভিজ্ঞ ও বিজ্ঞজনদের পরামর্শের ভিত্তিতে শিল্প, সাহিত্য, নাট্যকর্ম ও সঙ্গীতসহ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিকাশের জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ, নাগরিকদের সেবা বৃদ্ধি ও সিটি করপোরেশনের আয়ের উত্স বাড়াতে নতুন নতুন মার্কেট নির্মাণ, মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, কবরস্থান ও শ্মশানঘাটের উন্নয়নে ধর্মীয় নেতাদের সহযোগিতা ও পরামর্শে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণসহ ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ, খুলনার শিল্প বিকাশের স্বার্থে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সংযোগ দেয়ার জন্য সরকারি ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে যথাযথ ভূমিকা রাখা, সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কাঠামো ঢেলে সাজানো, কেসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাস্থ্যসম্মত আবাসন নির্মাণ ও নিয়মানুযায়ী তাদের মানসম্মত শিক্ষা-চিকিত্সার সু-ব্যবস্থাকরণ এবং কেসিসির মাস্টার রোল কর্মচারীদের পদসৃষ্টিসহ স্থায়ীকরণের লক্ষ্যে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ, কেসিসির তালিকাভুক্ত উন্নয়ন সহযোগী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানসমূহের সকল কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে যথাযথ বিধি-বিধান অনুসরণের মাধ্যমে অহেতুক জটিলতা ও হয়রানি বন্ধ, সিটি করপোরেশনের জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ। এছাড়া তিনি হকার, রিকশা-ভ্যান, ইজি বাইক ও বেবি ট্যাক্সি চালক এবং নির্মাণ শ্রমিক, মোটর শ্রমিক, শিল্প শ্রমিক, হোটেল কর্মচারী ও গৃহকর্মীসহ শ্রমজীবী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পেশাগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও তাদের ন্যায্য অধিকার বিষয়ক সকল কর্মকাণ্ডে ভূমিকা পালন, নগরীতে বিচরণকারী হতদরিদ্র, ছিন্নমূল, ভবঘুরে ও ভিখারীদের পুনর্বাসনে উদ্যোগ গ্রহণ এবং নিম্ন আয়ের মানুষ ও বস্তিবাসীদের উন্নয়ন ও তাদের চিকিত্সাসহ জীবন ধারণের সহায়ক কর্মপরিকল্পনায় যুক্ত স্বেচ্ছাসেবী, দাতব্য ও সরকারি-বেসরকারি সংগঠনগুলোর কার্যক্রমে আরো গতিশীলতা বাড়াতে ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে ঐক্যবদ্ধ নাগরিক ফোরামের মেয়র প্রার্থী মনিরুজ্জামান মনি বলেন, নাগরিকরা ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে মহাশক্তিধর দানবতুল্য মানুষকেও ক্ষমতা থেকে হটাতে পারে। পেশীশক্তি, ক্ষমতা ও অর্থবলের কাছে ভোটাররা পরাস্ত না হলে, এমন একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে, যেখানে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবে।

তার মতে, সংকীর্ণ গোষ্ঠীবাদী চিন্তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে শ্রেণী-পেশা, জাতি-ধর্ম, ধনী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ ভেদে সকল নগরবাসীর প্রাপ্যসেবা সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য আর এ লক্ষ্যে সিটি করপোরেশন পরিচালিত হতে পারলে সকল দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার ঊর্ধ্বে উঠে নগরবাসীকে 'একনিষ্ঠ সেবা' দানের শুভ উদ্দেশ্যে এ প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হতে পারবে। তিনি বলেন, আমার নিজের কোনো অর্থবিত্ত ও ক্ষমতা নেই; কিন্তু একজন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি- দেশের মানুষের ভালোবাসা ও তাদের সমর্থনই হলো সকল ক্ষমতার উত্স। আমি নির্বাচিত হলে আমার ক্ষমতা হবে খুলনা মহানগরীর জনগণ। জনগণের পক্ষ থেকে তাদেরই প্রতিনিধি হিসাবে আমি সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করব।

এছাড়া জাতীয় পার্টি (জাপা) সমর্থিত নাগরিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তার ১৫ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। তার নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশনকে সত্যিকারভাবে জনগণের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে তুলতে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, মহানগরীর উন্নয়নে পরিকল্পনা ও পরামর্শক কমিটি গঠন, সিটি করপোরেশনকে দুর্নীতিমুক্তকরণ, মাদকমুক্ত নগরী গঠন, নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা প্রদান, নগরবাসীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ, নগরীর রাস্তাঘাট ও কালভার্ট সংক্রান্ত সমস্যা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরসন এবং জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, সুইমিংপুল স্থাপন, খালিশপুর শিল্পাঞ্চল পুনরুজ্জীবন ও বেকারত্ব দূরীকরণে পদক্ষেপ গ্রহণ, নগরীর পার্ক, উদ্যান ও বৃক্ষ সংরক্ষণ, নতুন আয়ের উত্স সৃষ্টি, শিক্ষাবৃত্তি ও গুণীজন সম্মাননা, খেলাধুলার উন্নয়ন, ট্যাক্স না বাড়ানো ইত্যাদি।

শফিকুল ইসলাম মধু বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে ইশতেহারে সকল প্রতিশ্রুতি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করার জন্য সচেষ্ট থাকবেন।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
চার সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। আপনি কি মনে করেন এই দাবি যৌক্তিক?
6 + 1 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ১৫
ফজর৪:৫৪
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১২সূর্যাস্ত - ০৫:১১
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :