The Daily Ittefaq
ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০১৩, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০ এবং ৪ শাবান ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ শনিবার একযোগে চার সিটি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ | নোয়াখালীর চরে গণপিটুনিতে পাঁচ জলদস্যু নিহত | হোটেল থেকে ১০ বুয়েট শিক্ষার্থীসহ ২০ জন আটক | বরিশালে পুলিশ দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানির অভিযোগ | নির্বাচনে জালিয়াতি হলে সরকারের প্রতি অনাস্থা:মওদুদ | কেন্দ্রগুলোতে যাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম

[ রা জ নী তি ]

গণতন্ত্রের বিপন্ন ও বিষণ্ন দশা

এ কে এম শাহনাওয়াজ

সমন্বয়ের ভেতরও একটি বৈপরীত্যের অবস্থান বাংলার জনজীবন ও রাজনীতির সাথে ঐতিহ্যিকভাবেই মিশে আছে। তবে এই নষ্ট সময়ে সমন্বয়ের ধারণা কমে বৈপরীত্যই প্রবল হচ্ছে। এদেশের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য অনেক প্রাচীন। দীর্ঘ একশ' বছরের 'মাত্স্যন্যায়' নামের অরাজকতায় বিপন্ন বাঙালি আট শতকে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল গণতন্ত্র চর্চার মধ্যদিয়ে। সিংহাসনের জন্য দীর্ঘদিনের রক্তাক্ত লড়াই থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিল সে সময়ের প্রজন্ম। তারা ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচন করে গোপাল নামের প্রায় অচেনা এক নেতাকে। জনগণের নির্বাচিত নেতা গোপাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সুদৃঢ় পাল সাম্রাজ্য। এই ঐতিহ্যের ধারক আমরা এখন গণতন্ত্র চর্চাবিহীন রাজনীতির মাঠে 'বক্তৃতার গণতন্ত্রে' প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছি। কঠিন দলতান্ত্রিকতা আর নির্বাচন নির্বাচন খেলার ভেতর যেন আটকে আছে গণতন্ত্র। বিরোধী দল দলীয় স্বার্থ উদ্ধারের জন্য জনমতের মূল্য দিচ্ছে না। দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিরোধী নানা কর্মসূচি দিয়ে গণতন্ত্র রক্ষা করছে! আর সরকারি দল এতটাই গণতন্ত্রী যে নিজেদের কর্মকাণ্ডের কোনো সমালোচনাই সহ্য করতে চাইছে না।

আমার পরিচিতজন—অতি সাধারণ মানুষ তারা, তাদের কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই, সুবিধাবাদী আমলা বা ব্যবসায়ী নন; কানে তুলো আর চোখে ঠুলি পরা কোনো রাজনৈতিক দলের অন্ধ সমর্থকও নন। তাদের পরিচয় তারা দেশকে শর্তহীন ভালবাসেন। অসুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশের ভেতর বসত করে বিষণ্ন-বিধ্বস্ত তারা। তবু তারা আশাবাদী। অন্ধকার হাতড়ে চলেও নতুন ভোর দেখবেন বিশ্বাসে প্রতিদিনই আত্মপ্রত্যয়ী হতে চান। তারা একবুক আশা আর আনন্দ নিয়ে দিন বদলের মিছিলে মানসিকভাবে নিজেদের যুক্ত করেছিলেন। কিন্তু ছ'মাস ধৈর্য ধারণের পর মনে হলো, একই বৃত্তে যেন রাজনৈতিক সংস্কৃতি আবর্তিত হচ্ছে। ছ' মাস থেকে চার বছর পার করেও তেমনভাবে দিন বদল দেখতে পেলো না কেউ। তারপর থেকেই এই বন্ধুদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা আর ক্ষুব্ধতা লক্ষ্য করছি। এখানে দিন বদল আর সরকারের প্রশাসনিক সফলতা ও ব্যর্থতা এক নয়। এই সরকার গত সাড়ে চার বছরে কোনো কোনো ক্ষেত্রে লক্ষণীয় প্রশাসনিক সাফল্য দেখিয়েছে। বিদ্যুত্ ক্ষেত্রে উন্নয়ন এনেছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে সাফল্য এসেছে। জঙ্গিবাদ দমনে দৃঢ় ভূমিকা পালন করেছে। তবে এসব যেকোনো সরকারের করণীয় কর্তব্য। এই কর্তব্য পালনে কোনো সরকার সাফল্য দেখাতে পারে আবার কেউ ব্যর্থ হয়। অন্যদিকে 'দিন বদলে'র শ্লোগানটি আলাদা—অনেক বেশি গভীর।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অসাধুতা ও সরকারি অন্যায়ে বিপন্ন ও মরচে ধরা দিনগুলোকে বদলে একটি সতেজ শুভ্র ঝকঝকে সকাল উপহার দেয়ার ভেতরে ছিল দিন বদলের প্রত্যয়। রাজনীতিকদের কাছে বছরের পর বছর প্রতারিত মানুষ বিগত নির্বাচনের আগে মহাজোটের এই দিন বদলের শ্লোগান শুনে বড় লোভী হয়ে পড়েছিল। তারা বিশ্বাস করেছিল নানা ঘাত-প্রতিঘাত দেখে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট নতুনভাবে প্রত্যয়ী ও মার্জিত হবে। সমস্ত জরা মুক্ত হয়ে দিন বদলে ফেলার জন্য আন্তরিকভাবে ঝাঁপিয়ে পড়বে। বড় দাগে মানুষ যে রূপান্তর দেখতে চেয়েছে তা হচ্ছে ক. জনস্বার্থ বিস্মৃত হয়ে যোগ্য মানুষের সঠিক মূল্যায়ন না করে সংকীর্ণ দলীয়করণে ব্যস্ত হবে না, খ. প্রশাসনিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হবে, গ. শিক্ষাঙ্গন থেকে শুরু করে নানা অঙ্গনে অঙ্গ সংগঠনগুলোকে পরিশুদ্ধ করবে। চাঁদাবাজি, টেণ্ডারবাজি, দখল বাণিজ্য আর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা নেবে, গ. নিজ দল থেকে আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব দুর্নীতিবাজদের বিতাড়িত করবে, ঘ. সংকীর্ণ দলীয় রাজনীতির কাঠামো ভেঙ্গে জনগণের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার পথে হাঁটবে। কিন্তু এই সরকারের সাড়ে চার বছরে এসবের কতটুকু অর্জিত হয়েছে তা হতাশ মনে প্রতিদিনই মূল্যায়ন করছে দেশবাসী।

আমাদের ক্ষমতাবান সকল দলই গণতান্ত্রিক আচরণ থেকে যোজন দূরে সরে এসে 'গণতন্ত্র' শব্দটি নিয়ে যেন পুতুল খেলছে। বিরোধী দলে থাকলে বোধহয় আচরণটি এমনই হয়। তাই আচরণ যাই হোক, বিএনপির নেতানেত্রীদের জবানে গণতন্ত্র শব্দটি জড়িয়ে থাকে সবসময়। অথচ গণতন্ত্রের হন্তারকদের হাতেই দলটির সৃষ্টি। ক্ষমতার রাজনীতির কুটিল পথে হাঁটতে গিয়ে বার বার গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের পথে কাঁটা বিছিয়েছে। অন্যদিকে ঐতিহ্যিক কারণেই আওয়ামী লীগের হাতে গণতন্ত্র তার যোগ্য অবস্থানে পৌঁছে যাওয়ার কথা। কিন্তু একালের আত্মবিশ্বাস আর প্রত্যয়হীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব ক্ষমতার রাজনীতির চোরাবালিতে হাবুডুবু খেয়ে এখন বিভ্রান্ত। আর তাই দলটি প্রতিনিয়ত গণতান্ত্রিক চেতনা থেকে সরে যাচ্ছে যোজন যোজন দূরে।

তারপরও সত্য, বর্তমান বাস্তবতায় এ দেশের রাজনীতির হালধরা আর দাঁড় টানায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির এখনো বিকল্প তৈরি হয়নি। দেশ চালাতে হলে এই দুই দলকেই কখনো সরকারে কখনও বিরোধী দলে থাকতে হয়। অন্যদিকে নিজেদের যেভাবে জাতির কাছে উপস্থিত করেছে তাতে নানা নাম আর আকারের বাম দল, জামায়াতে ইসলামী এবং এরশাদের জাতীয় পার্টিকে বড় দুই দলের লেজুড় ধরে ক্ষমতার সুবাস মাঝে মাঝে নাকে নিতে হবে। সকলেরই উদ্দেশ্য মোটামুটি অভিন্ন। রাজনীতির লেবাস পড়ে জনগণ নয়—দলীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য রাজপথ রেখে অন্ধকার গলি পথে হাঁটা। এতসব সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আওয়ামী লীগ-বিএনপি যদি একটু মাটির কাছাকাছি থাকত তবে অতটা উদ্ভ্রান্ত হতে হতো না এই দুই দলের নেতানেত্রীদের। যেহেতু ঘুরে ফিরে ক্ষমতা তাদের হাতেই আসবে তাহলে পজেটিভ রাজনীতি করতে ক্ষতি কি? সাধারণ মানুষের কাছে নিজেদের আস্থাশীল করে তোলার জন্য কর্মভূমিকা রাখতে পারলে নির্বাচনে যেমন সুস্থ প্রতিযোগিতা হতো, তেমনি এই পথ ধরে গণতন্ত্র খুঁজে পেত তার এগিয়ে যাওয়ার স্বচ্ছন্দ গতি। কিন্তু না, সকল দলীয় রক্তে কেমন এক স্বৈরতন্ত্র যেন প্রবাহিত হয়। তাই ক্ষমতায় এসে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য নানা 'উপায় অন্বেষণ কর্মসূচি' নিয়ে যখন বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ে তখন গণতন্ত্রের বিপন্ন দশাটিই দৃশ্যমান হয়। আসলে এদের কোনো পক্ষই ক্ষমতার বাইরে থাকা একেবারেই পছন্দ করে না।

এক্ষেত্রে এককাঠি সরস বিএনপি। মনোজগতে গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ না থাকায় এবং দীর্ঘ সময় রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকায় 'সিংহাসনের' উপর অধিকার যেন মৌরুসিপাট্টা হয়ে গিয়েছিল। ফলে শেষ পর্বে ক্ষমতায় থেকে বেপরোয়া দুর্বিনীত হয়ে পড়ে। দুর্নীতির পথে কালো অর্থ সম্পদের স্বাদ নিতে গিয়ে খুনে বাঘের স্বভাব পেয়ে গিয়েছিল। তাই এই স্বর্গ থেকে নেমে আসার চিন্তাই করতে পারেনি। এ কারণে গণতন্ত্রকে পদতলে মাড়িয়ে মায়াবী গণতন্ত্রের জালে ক্ষমতা ভোগদখলের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। সময়ের অমোঘ শাসনে স্বর্গচ্যুতি হয় বিএনপির। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শাসনামলে নানা কলঙ্কের রোজনামচা ঢেকে রাখা যায়নি। এরপর নির্বাচনে ভরাডুবি। সুস্থ ভাবনার মানুষ স্বাভাবিকভাবেই এ দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিএনপির অপমৃত্যু চায় না, বরঞ্চ দলটিকে শক্ত অবস্থানে ফিরে আসা প্রত্যাশা করে। তাই সকলের বিশ্বাস ছিল, বিএনপি আত্মসমালোচনা করে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে ফিরে আসবে। দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকায় থেকে নিজের ঘর গোছাবে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সততায়। এমন সব শব্দচয়ন আর আচরণ করবে যাতে মানুষের আস্থায় ফিরে আসতে পারে। নির্বাচনে আসন কম পেলেও ভোটের ভাণ্ডার খুব কম ছিল না বিএনপির। তাই গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারলে সাধারণ মানুষের সহানুভূতির কাছে ফিরে আসতে পারত। তার বদলে ছেদো ইস্যুতে গতানুগতিক ধারায় সংসদ বর্জন চালিয়ে যেতে থাকল। বিএনপি নেতৃত্বের বোঝা উচিত ছিল তাদের নেতা-নেত্রীদের দুর্নীতি আর চৌর্যবৃত্তির মহাভারত শুনে মানুষের বিক্ষুব্ধ মনের ঘা এখনো শুকায়নি। নব্বই কার্যদিবস ফুরোনোর আগে বিএনপির এক ঝলক সংসদে আসা দলটিকে মানুষের চোখে অনেক বেশি দরিদ্র করে তুলছে। বিএনপি নেতাদের মাঠ গরম করা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাবনা সংসদে উত্থাপন করতে না চাওয়া দলটির রাজনৈতিক দৈন্য জনগণের সামনে আরো বেশি উন্মোচন করছে।

হতাশা থেকে বিএনপির এই দোলাচল না হয় বোঝা গেল। কিন্তু এত বিপুল বিজয়ের শক্তি নিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসেও কেন গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে কোনো দায়িত্ব নিলো না আওয়ামী লীগ? যে দলে গণতন্ত্রের চর্চা নেই সেখানে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জায়গা করে নেবে কী করে? ভুললে চলবে না সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে ঋণখেলাপি বিলখেলাপিদের ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন করার অধিকার সংসদে পাস করে সরকার ও সরকারি দলের 'সত্ পথে হাঁটা' নেতৃত্ব তাদের নির্বাচনী যাত্রা শুরু করেছিল। চাঁদাবাজি, টেণ্ডারবাজিতে ছাত্রলীগ-যুবলীগ, জমি দখল-নদী দখলে কোনো কোনো সাংসদ আর সরকার দলীয়দের সক্রিয় অবস্থান এবং তৃণমূল পর্যায়ে গতানুগতিক স্টাইলে নিজ দলীয় দুর্বৃত্তদের প্রশ্রয় দিয়ে আওয়ামী সরকার গণতন্ত্রের ভবিষ্যেকই প্রশ্নবিদ্ধ করে দিচ্ছে। 'রাজনৈতিক মামলা' নাম দিয়ে দলীয় অপরাধীদের মুক্ত করে আওয়ামী লীগ কীভাবে গণতন্ত্রের পথে হাঁটবে?

নির্বাচন সামনে রেখে এখনো নির্বাচনী ব্যবস্থা কী হবে তা নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছার জন্য এক চুল ছাড় দিতে রাজি নয় আওয়ামী লীগ বিএনপি কোনো পক্ষই। নির্বাচনের দিন ক্রমে ঘনিয়ে আসছে। বাড়ছে রাজনৈতিক নৈরাজ্য। গণতন্ত্র আরো বেশি বিপন্ন হচ্ছে। মানুষের মধ্যে বাড়ছে হতাশা। আমাদের সকল পক্ষের রাজনীতিকরা প্রায়োগিক ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের রাজনীতি করেন না বলে নিজেদের অচলায়তন ভেঙ্গে কেউ নেমে আসতে পারছেন না। বাস্তবতা হচ্ছে, রাজনীতিকদের তৈরি চোরাবালিতে পড়ে গণতন্ত্র এখন বিপন্ন। একটি দলের রাজনীতি তো দলগুলোর প্রধান নেত্রীদের জীবদ্দশা পর্যন্ত টিকে থাকার জন্য নয়। রাজনীতিকে টিকিয়ে রাখতে, দলকে ভবিষ্যতের পথে শক্তিশালী করতে ও এগিয়ে নিতে হলে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। এই সত্যকে বিশ্বাস করলে দলগুলোর ভেতর থেকেই সরব দাবি উত্থাপিত হওয়া উচিত। এমন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আর কালক্ষেপণ না করে তলিয়ে যাওয়ার আগে চোরাবালি থেকে উদ্ধার করা প্রয়োজন বিপন্ন ও বিষণ্ন গণতন্ত্রকে।

লেখক :অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
চার সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। আপনি কি মনে করেন এই দাবি যৌক্তিক?
2 + 9 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুন - ৬
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৭
আসর৪:৩৭
মাগরিব৬:৪৬
এশা৮:১০
সূর্যোদয় - ৫:১০সূর্যাস্ত - ০৬:৪১
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :