The Daily Ittefaq
ঢাকা, বুধবার, ০৩ জুলাই ২০১৩, ১৯ আষাঢ় ১৪২০ এবং ২৩ শাবান ১৪৩৪

চলছে বিশ্বকাপের তোড়জোড়

স্পোর্টস রিপোর্টার

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অফিসে কান পাতলেই এখন শোনা যায় ব্যস্ততার শব্দ। আকসু রিপোর্ট, নির্বাচন, প্রিমিয়ার লিগ— অনেক কিছু নিয়ে এই ব্যস্ততা থাকতে পারত; কিন্তু বিসিবি এখন সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলোকে আগামী মাসের পর্যবেক্ষণের আগেই সন্তোষজনক চেহারায় পৌঁছে দেয়ার জন্য। সে জন্য মিরপুর অফিসে বসে হাতে-কলমে তো কাজ করার উপায় নেই; কিন্তু এখান থেকেই সব ভেন্যুর, বিশেষ করে সিলেট ও কক্সবাজারের কাজ-কারবারের খোঁজ নিয়ে, বারবার তাগিদ দিয়ে কাজে আরো গতি আনতে চাইছেন বিসিবি কর্মকর্তারা।

কার্যত আগামী বছর বাংলাদেশে একইসঙ্গে দুইটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে। এর মধ্যে মেয়েদের অংশটি একটি ভেন্যুতেই হবে। আর ছেলেদের টুর্নামেন্টটি হবে তিন ভেন্যুতে। এর মধ্যে মিরপুর স্টেডিয়াম ও চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামের প্রস্তুতি নিয়ে কারো কোনো প্রশ্ন নেই; থাকার কথাও না; কিন্তু মেয়েদের জন্য প্রস্তাবিত কক্সবাজার স্টেডিয়াম এবং ছেলেদের তৃতীয় ভেন্যু সিলেট স্টেডিয়ামের সংস্কার নিয়েই বেঁধেছে গোল।

এই দুইটি কাজই মূলত সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের জন্য দেরিতে শুরু হয়েছে। ফলে সর্বশেষ পর্যবেক্ষণে এসে সন্তোষ প্রকাশ করতে পারেননি আইসিসির ভেন্যু পরামর্শক দল। আর তাদের রিপোর্টের ফলেই আইসিসিও সন্দেহে পড়ে গিয়েছিল, আদৌ বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পারবে কি না।

সোমবার লন্ডন থেকে ফিরে বিমানবন্দরেই বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন পরিষ্কার করেছেন, তারা আইসিসিকে যুক্তি দিয়েই বোঝাতে পেরেছেন, সময়মতো কাজ শেষ হবে, 'আমি বলেছি যে, এর একমাস আগে পরিদর্শকরা বলেছিলেন, ডিসেম্বরের আগেও কাজ শেষ হবে না। এবার পরিদর্শকরা বলেছেন, অক্টোবরের আগে হবে কি না, অনিশ্চিত। তার মানে এক মাসের ব্যবধানে পরিদর্শকরাই দুই মাসের উন্নতি দেখেছেন। সে ক্ষেত্রে কাজের গতিটা অনুমান করতে পারেন। এই গতিতে চললে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব ভেন্যু আমরা আইসিসিকে বুঝিয়ে দিতে পারবো।'

নতুন আইন অনুযায়ী বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের ছয় মাস আগে এখন ভেন্যু আইসিসিকে বুঝিয়ে দিতে হয়। আগে এই সময়টা ছিল টুর্নামেন্টের তিন মাস আগে; কিন্তু ২০১০ বিশ্বকাপের আগে ইডেন গার্ডেনস নিয়ে আইসিসির তিক্ত অভিজ্ঞতা এই আইনে বদল এনেছে। ফলে ভুগতে হচ্ছে এখন বাংলাদেশকে।

বাংলাদেশকে এখন আগস্টের বিশেষ পরিদর্শনে আইসিসির বিশেষজ্ঞ দলকে সন্তুষ্ট করতে হবে যে, অক্টোবরে কাজ শেষ করা সম্ভব। আর অগ্নি পরীক্ষাটা শেষ হবে গিয়ে অক্টোবরের চূড়ান্ত পর্যবেক্ষণে। এই সময়ই আইসিসির পূর্ণাঙ্গ পরিদর্শন কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী আইসিসি টি-টোয়েন্টির বিশ্বকাপ হিসেবে বাংলাদেশকে চূড়ান্তভাবে বরণ করে নেবে।

বিসিবি অবশ্য এখন নানামুখী বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি রেখেছে হাতে। ভেতরের সূত্র বলছে, কক্সবাজার স্টেডিয়াম না পেলে মেয়েদের খেলা পুরোপুরি সিলেটে পাঠিয়ে দেয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সিলেট স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজ যে গতিতে এগোচ্ছে, সেটা মেয়েদের বিশ্বকাপ আয়োজনের শর্তপূরণ করে ফেলতে পারবে অনায়াসে। তখন ছেলেদের আরেকটি ভেন্যু ফতুল্লায় নিয়ে আসা হবে।

ফতুল্লায় ছেলেদের আরেকটি ভেন্যু আনার একটা বড় সমস্যা ছিল আবাসন; কিন্তু রূপসী বাংলা হোটেল বিশ্বকাপের সময় পাওয়া যাবে, এই নিশ্চয়তায় ঢাকাতেই তিনটি ভেন্যুর ১২টি দলের আবাসনের ব্যবস্থা করার নিশ্চয়তা দিচ্ছে। আর এই বিকল্প পথগুলোই এখন স্বস্তিতে রেখেছে বিসিবিকে।

এর সঙ্গে মেয়েদের জন্য আরো একটি বিকল্প রয়েছে বিকেএসপির সংস্কার চলতে থাকা ভেন্যু। কক্সবাজার বা সিলেট— কোনো ভেন্যু তৈরি না হলেও পেছাবে না বিসিবি। তখন মেয়েদের বিশ্বকাপের খেলা চলে যাবে বিকেএসপিতে।

মোদ্দা কথা একটাই, আরো একবার বাংলাদেশের আয়োজন ক্ষমতা দেখিয়ে দেয়ার চ্যালেঞ্জটা ভালোমতোই নিয়েছে বিসিবি।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, 'গ্রামীণ ব্যাংকের কাঠামোগত পরিবর্তনের দরকার নেই।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
5 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুন - ২৪
ফজর৩:৪৪
যোহর১২:০১
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৫২
এশা৮:১৭
সূর্যোদয় - ৫:১২সূর্যাস্ত - ০৬:৪৭
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :