The Daily Ittefaq
ঢাকা, মঙ্গলবার ৮ জুলাই ২০১৪, ২৪ আষাঢ় ১৪২১, ৯ রমজান ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ ফতুল্লায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ১৫ | খুলনায় চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ১৫ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত | বুধবার থেকে রাজশাহীতে অনির্দিষ্ট কালের পরিবহণ ধর্মঘটের ডাক | সমুদ্রসীমার রায়: সাড়ে ১৯ হাজার বর্গকিলোমিটার পেল বাংলাদেশ | সবকিছুর ঊর্ধ্বে দেশ: সাকিব

[বা জে ট ]

বাস্তবায়ন সক্ষমতার চ্যালেঞ্জ নিয়েই যাত্রা শুরু

ড. মিহির কুমার রায়

অগ্রগতির ধারা-বাহিকতার সম্ভাবনাময় আগামীর পথে বাংলাদেশ শিরোনাম দিয়ে অর্থমন্ত্রী ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরের জন্য ২,৫০,৫০৬ কোটি টাকার এক বিশাল বাজেট বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে পেশ করেছিলেন যা বিগত ২৯ জুন, ২০১৪ তারিখে সংসদে পাস হয়। বিগত পাঁচ বছরের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি পূরণ, নতুন সরকারের জনপ্রিয়তা অর্জন এবং বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশ হিসাবে গড়ে তুলতে সরকারের আকাঙ্ক্ষার চাপ পূরণ করতে বিশাল আকারের এই উচ্চাভিলাষী বাজেটের অনুমোদন দেয়া হয়। নতুন বাজেটে যে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে তা জিডিপির ১৮.৭ শতাংশ এবং অনুন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট খাতে মোট বরাদ্দ ১,৬০,২৭১ কোটি টাকা (জিডিপি এর ১১.৯৬%), উন্নয়ন বাজেট বরাদ্দ ৮৬,৩৪৫ কোটি টাকা (জিডিপির ৬.৪% ) এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দ ৮০,১৩৫ কোটি টাকা (জিডিপির ৬.২০%)। নতুন অর্থ বছরের বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মোট প্রাক্কলিত আয় ১,৮৯,৭৬০ কোটি টাকা যা জিডিপির ১৪.১২%। এই আয়ের মধ্যে মোট রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ১,৮২,৯৫৪ কোটি টাকা যা জিডিপির ১৩.৭% এবং এই রাজস্ব আয়ের ১,৫৫,২৯২ কোটি টাকা জিডিপির ১১.৫৯% আসবে কর রাজস্ব থেকে যার মধ্যে এনবিআর কর রাজস্ব ১,৪৯,৭২০ কোটি টাকা যা জিডিপির ১১.১৭ % আর কর বহির্ভূত খাত থেকে রাজস্ব আসবে ২৭,৬৬২ কোটি টাকা যা জিডিপির ২.০৬% অর্থ্যাত্ রাজস্ব আয়ের ৮৪.৮৮% আসবে কর রাজস্ব থেকে। আবার প্রস্তাবিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অর্থের যোগান হিসাবে দেশীয় মুদ্রায় থাকবে ৫২,৬১৫ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক সাহায্য হিসাবে থাকবে ২৭,৭০০ কোটি টাকা।

আমরা যদি ২০০৭ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত বাজেট বাস্তবায়নের গতিপথ বিশ্লেষণ করি তা হলে দেখা যায় যে ২০১০-১১ অর্থ বছরে সংশোধিত বাজেট (১,৩০,০১১ কোটি টাকা) এর বিপরীতে বাস্তবায়িত হয়েছিল ১,২৮,২৮৪ কোটি টাকা যা শতাংশ হারে ছিল ৯৮.৪৬। তার পরপরি আসে তত্ত্বাবধায়ক সরকার শাসনকাল (২০০৭-২০০৯) যখন সংশোধিত বাজেটের বিপরীতে বাস্তবায়িত বাজেটের হার ছিল শতকরা ৯৪-৯৬ শতাংশের মধ্যে। যেহেতু গত বছরের হিসাব এখনও চুড়ান্ত নয় ঠিক তার আগের অর্থ বছর (২০১২-২০১৩) এ বাস্তবায়িত বাজেটের হার ছিল শতকরা ৯২ ভাগ (উত্স:অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয় ঢাকা)। আবার আমরা যদি এখন পর্যন্ত উন্নয়ন বাজেটের বাস্তবায়ন বিশ্লেষণ করি তা হলে দেখা যায় যে, বিগত বছরের মধ্যে ২০৯৯-২০১০ অর্থ বছরে মোট বরাদ্দের ৯১ শতাংশ উন্নয়ন কাজে ব্যয়িত হয়েছে এবং বর্তমান বছর (২০১৩-২০১৪ ) এখন পর্যন্ত পরিকল্পনা মন্ত্রীর তথ্যানুসারে উন্নয়ন খাতে ব্যয়ের পরিমাণ মোট বরাদ্দের মাত্র ৬৭ শতাংশ হিসাব করা হয়েছে। সে যাই হোক না কেন উপরে উল্লেখিত তথ্য থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে এমন একটি বছর খুঁজে পাওয়া না যেখানে শত ভাগ বাজেট বাস্তবায়িত হয়েছে। তারপরও যা বাস্তবায়িত হয়েছে তা নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা পর্যালোচনা প্রতিনিয়তই ব্যক্তি তথা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে হয়ে থাকে। বিশেষত বাস্তবায়নের মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে এমনকি জাতীয় সংসদেও সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা তাদের নির্বাচনী এলাকার অসমাপ্ত প্রকল্প অর্থায়নের অপর্যাপ্ততা ও সময়মত প্রকল্প বাস্তবায়ন তা হওয়ার কারণ জানতে চেয়ে অনেক প্রশ্ন করে থাকেন অর্থমন্ত্রীর কাছে। এ কথা মন্ত্রীমহাদয় ভাল করেই জানেন। বাজেট কাঠামো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের কি সক্ষমতা আছে আর কি নেই এবং সরকারের ব্যয় নির্বাহের জন্য কর রাজস্ব আদায় এখন সরকারের সামনে যে একটা বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে তা মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ভাল করে জানেন। তারপরও কর আদায়ের একটা বিরাট ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে যা বিগত বছরেও এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি রয়েছে জাতীয় বাজস্ব বোর্ডের (এন.বি.আর) তথ্য মতে। এই অবস্থার একটি নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ দেখা যায় যে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এন.বি.আর) বর্তমান যে সাংগঠনিক কাঠামো রয়েছে তা যদি আধুনিকায়নসহ দক্ষ জনবল বাড়ানো না যায় তা হলে এই সনাতনী দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বত্সরান্তে রাজস্ব আদায়ের টার্গেটের বিপরীতে ঘাটতি পূরণ সম্ভব হবে বলে মনে হয় না। একটি তথ্যে দেখা যায় সরকারি ঘোষিত নীতিমালা অনুযায়ী আভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহের শতকরা ৩৮ ভাগ আসবে আয়কর থেকে আর শতকরা ৩৭ ভাগ আসবে মূল্য সংযোজন কর থেকে এবং বাকি শতকরা ২৫ ভাগ আদায় হবে কাস্টম-এর মাধ্যমে।

জাতীয় সংসদে প্রদত্ত অর্থমন্ত্রীর ভাষণ অনুযায়ী দেশে প্রত্যক্ষ করের আওতায় প্রায় ১৮ লক্ষ মানুষের টিন আছে এবং এদের মধ্যে মাত্র ১২ লক্ষ মানুষ কর দেয় যা আবার দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১ ভাগের কম। আবার বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে টিনধারী মানুষের সংখ্যা ৩০ লাখ যাদের মধ্যে আনুমানিক ১০ লাখ মানুষ কর দেয় এবং বাকিদের কোন হদিস পাওয়া যায় না। এখন টিনধারী লোকের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন জন বা সংস্থার মধ্যে যে বিভাজন তাতে সত্যিকার অর্থে টিনধারী লোকের প্রকৃত সংখ্যাটি কত তা নিয়ে অবশ্যি সন্দেহের অবকাশ থেকেই যায়। অথচ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের data base এ এর সঠিক তথ্যটি থাকার কথা এবং যদি না থাকে তাহলে ধরে নেয়া যায় এ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাটির তথ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা খুবি দুর্বল যা বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে অনায়াসেই কাটিয়ে তোলা যায়। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি আরও বলেছে যে, বাংলাদেশে আনুমানিক ৫০ জন ব্যক্তি বছরে ১ কোটি টাকা বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তি গত আয়কর প্রদান করেন। অথচ বছরে কমপক্ষে ১ কোটি টাকা বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তিগত আয়কর দেয়ার যোগ্য ব্যক্তির সংখ্যা এদেশে কমপক্ষে পঞ্চাশ হাজার জন অর্থাত্ এই সকল লোকদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত আয়কর হিসাবে বছরে কমপক্ষে ৫০ হাজার কোটি টাকা আহরণ সম্ভব হতে পারে। আমরা যদি নতুন অর্থ বছরের আয়কর ব্যবস্থাপনার দিক তা্কাই তা হলে দেখা যায় যে বাজেট ৫৬,৮৬০০ কোটি টাকা আয়কর বাবদ আদায়ের উল্লেখ রয়েছে যা বিগত বছর (২০১৪-১৫) থেকে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা বেশি। বিগত বছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৪,৩৭০ কোটি টাকা যা দশ মাসে আদায় হয়েছে ২৯,৬৭৫ কোটি টাকা অর্থ্যাত্ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৮,৬৯৫ কোটি টাকা কম। বাকি দু'মাসে কত কর আদায় হয়েছে সে হিসাবটি এখন পৌঁছায়নি এবং পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে এটা নিশ্চিত যে রাজস্ব আদায়ের টার্গেট পূরণ হবে না। অথচ এই ঘাটতির কারণে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ভীষণভাবে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে ক্রমাগতভাবে। এর কারণ হিসাবে পরোক্ষ করকে (মুশক ) দায়ী করাটা যৌক্তিক কারণ। বর্তমান ব্যবস্থায় কেবল মা্ত্র কিছু কর্পোরেট সংস্থা ছাড়া ভ্যাট আদায়ের যে প্রক্রিয়া তা অত্যন্ত ক্রটিপূর্ণ যা বিশেষ করে ব্যবসায়ী শ্রেণি (ক্ষুদ্র মাঝারি বৃহত্), ক্লিনিকের মালিক, চিকিত্সকদের প্রা্ইভেট প্রাকটিস, গার্মেন্টস মালিক, নির্মাণ শিল্প যেখানে লাখ লাখ টাকার ক্রয়-বিক্রয় সংগঠিত হয় তারা কর ফাঁকি দিয়ে যাচ্ছে কেবলমাত্র কিন্তু অসাধু কর কর্মকর্তা ও আয়কর উকিলের সহযোগিতায়। এই পরিস্থিতির উন্নতিকল্পে কর প্রশাসককে পুনঃগঠনের প্রয়োজন রয়েছে এবং দপ্তর উপজেলা পর্যন্ত বিস্তৃিত ঘটবে। শুধু তাই নয়, করের আওতা বাড়ানোর জন্য নিয়মিতভাবে এন.বি.আরের পক্ষ থেকে জেলা কেন্দ্র বিন্দু ধরে উপজেলায় সংগঠিত ব্যবসা বাণিজ্য, ক্লিনিক ব্যবসায়ীসহ যাদের বাত্সরিক আয় ২ লাখ ২০ হাজার টাকার ঊর্ধ্বে রয়েছে তাদেরকে টিন -এর আওতায় এনে কর প্রদানে উত্সাহিত অথবা বাধ্য করতে হবে। এ ব্যাপারে এনবিআর এর প্রেক্ষিত পরিকল্পনা থাকা উচিত এবং এর আওতায় টার্গেট নির্ধারণ করে তা পূরণে প্রশাসনিক ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি হয়ে দেখা দিয়েছে। নতুন আর্থিক বছরে করের আওতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনী প্রার্থীদের আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক করার পদক্ষেপ কার্যকর তথা আয়কর বৃদ্ধির সুযোগ অবশ্যি প্রশংসার দাবি রাখে। অপরদিকে টিনধারীরা যারা আয়কর রিটার্ন জমা দেন না তাদের বিরুদ্ধে আয়কর আইনে মামলা করার বিধান থাকলেও তা বাস্তবে কার্যকর নয় কাঠমোগত দুর্বলতার কারণে তাই আয়করের আইন-কানুন সহজভাবে বলবত্ করার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার সময়ের দাবি। সাথে সাথে আয়কর ব্যবস্থাকে কেটে ছেঁটে বাস্তবসম্মত করার উদ্যোগ নিতে হবে কারণ ব্যক্তি শ্রেণির আয়কর থেকে যে পরিমাণ টাকা পাওয়া যায় তা মোট চাহিদার তুলনায় খুবি কম। এক্ষেত্রে পরোক্ষ করের প্রসার ঘটানো যায় কিনা তা ভেবে দেখা যেতে পারে।

তবে সার্বিক বিবেচনায় মানব সম্পদ উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দক্ষ জনবল নিয়োগসহ কাঠামোগত বিন্যাসই কেবল সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাতে পারে। অপরদিকে কাস্টম এক্সাইজ দফতরের প্রতি প্রশাসনকে আরও বেশি সজাগ থাকতে হবে কারণ রেভিনিউ আদায়ে এই দফতরের অবদানও কম নয়। এতক্ষণ আলোচনা হলো সম্পদ আহরণের ব্যাপারে সক্ষমতা বৃদ্ধির কথা। কিন্তু পাশাপাশি ব্যয় দক্ষতার সক্ষমতা যদি বৃদ্ধি না হয় তবে উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হবে, কর্মসংস্থান স্থবির হয়ে যাবে এবং তার একটি প্রতিফলন জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে পড়বে। প্রতি বছরের বাজেটে উন্নয়ন খাতের বরাদ্দ (এডিপি) বেড়েই চলেছে কিন্তু এর বাস্তবায়নের সাথে সম্পৃক্ত সংস্থাসমূহের সক্ষমতা (যেমন প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়নকারী সংস্থা অর্থমন্ত্রণালয় পরিকল্পনা কমিশন আই.এম.ই.ডি) উন্নয়ন প্রকল্পকে বাস্তবায়নের পথ প্রদর্শক হবে। কিন্তু সার্বিকভাবে পরিকল্পনা কমিশনই প্রকল্পের অনুমোদন দিয়ে থাকে চূড়ান্তভাবে কিন্তু প্রক্রিয়ার জটিলতা ও কর্মকর্তাদের অসহযোগিতা প্রকল্প সময়মত অনুমোদন পায় না। আবার স্পিড মানি না দিলে ফাইল উঠানামা করে না। সে যাই হোক না কেন উন্নয়ন প্রকল্প প্রক্রিয়ার কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তার জন্য প্রকল্প বিশ্লেষণ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ একান্তভাবে জরুরি। কেবল প্রশিক্ষণই যথেষ্ট নয়, মনমানসিকতার পরিবর্তনসহ পরিকল্পনা কমিশনের কাঠামোগত পরিবর্তন না হলে এডিপির বরাদ্দ সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন কোনভাবেই সম্ভব হবে না। সমপ্রতি বিশ্ব ব্যাংক ঢাকা অফিস বাজেট বিষয়ক এক কর্মশালায় বলেছে যে এই বিশাল বাজেটের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো বাস্তবায়ন সক্ষমতা এবং প্রক্রিয়াটিতে সুশাসন ও জবাবদিহিতার অভাব থাকার বিষয়টি চিন্তার কারণ হিসাবে আবির্ভূত। তাই সুশাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, অনৈতিক কাজের থেকে বিরত থাকাসহ সার্বিক প্রশাসনিক সমর্থনই এই বাজেট বাস্তবায়নের নিরাময় হিসাবে কাজ করবে।

লেখক: অর্থনীতিবিদ ও ডিন, সিটি ইউনিভার্সিটি, ঢাকা

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
সাকিব আল হাসানকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন কি?
6 + 3 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
মার্চ - ৩০
ফজর৪:৩৭
যোহর১২:০৪
আসর৪:৩০
মাগরিব৬:১৭
এশা৭:৩০
সূর্যোদয় - ৫:৫৩সূর্যাস্ত - ০৬:১২
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :