The Daily Ittefaq
ঢাকা, মঙ্গলবার ৮ জুলাই ২০১৪, ২৪ আষাঢ় ১৪২১, ৯ রমজান ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ ফতুল্লায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ১৫ | খুলনায় চিকিৎসকদের কর্মবিরতি ১৫ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত | বুধবার থেকে রাজশাহীতে অনির্দিষ্ট কালের পরিবহণ ধর্মঘটের ডাক | সমুদ্রসীমার রায়: সাড়ে ১৯ হাজার বর্গকিলোমিটার পেল বাংলাদেশ | সবকিছুর ঊর্ধ্বে দেশ: সাকিব

আত্মপরিচয় সংকটে বিরোধী দল

কোরাম সংকট কমেছে এই সংসদে  দলীয় প্রশংসা প্রতিপক্ষের সমালোচনা বেড়েছে  অশালীন ভাষা ব্যবহার বন্ধে স্পিকার নীরব  অধিবেশনে মিনিটে খরচ ৭৮ হাজার টাকা  রাজনৈতিক ঐতিহ্য হারাতে বসেছে সংসদ

শামছুদ্দীন আহমেদ

সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দলের যে মৌলিক চরিত্র হওয়া উচিত তা বর্তমান প্রধান বিরোধী দলের (জাতীয় পার্টি-জাপা) নেই। এখনকার বিরোধী দল একইসঙ্গে সরকারেও আছে, আবার বিরোধী দলেও রয়েছে। সেজন্য যে দলটিকে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, সেটি আত্মপরিচয় সংকটে রয়েছে। বাস্তবে বিরোধী দল বলতে যেটি বুঝায়, সেটির উপস্থিতি বর্তমান সংসদে নেই। হয় সোনার বাটি, না হয় পাথর বাটি হবে; দুটো একসঙ্গে হতে পারে না। এসব বিবেচনায় দশম জাতীয় সংসদ এক ব্যতিক্রমী রূপ ধারণ করেছে, যা অভূতপূর্ব।

'পার্লামেন্টওয়াচ' শিরোনামে দশম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ওপর ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) গবেষণা-পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে উপরোক্ত মন্তব্য করলেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। গতকাল সোমবার রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রসঙ্গত, দশম সংসদের প্রথম অধিবেশন গত ২৯ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৩৬ কার্যদিবসের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে টিআইবি'র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল হাসতে হাসতে বলেন, এবারের সংসদ পর্যবেক্ষণ খুব সহজ, কোনো জটিলতা নেই। কারণ এটা 'শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের সংসদ'। তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের বলা হয় আইন প্রণেতা, অথচ আইন প্রণয়নে তারা মাত্র দুই শতাংশ (প্রতিবেদন অনুযায়ী কার্যত ১.৮ শতাংশ) সময় ব্যয় করছেন। বাকিটা সময় ব্যয় করছেন নিজেদের স্বার্থে। নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সংসদকে দিয়ে তারা করিয়ে নিচ্ছেন। অথচ এই এমপিদের সমস্ত ব্যয়ভার বহন হচ্ছে জনগণের করের টাকায়।

সংবাদ সম্মেলনে গবেষণা প্রতিবেদনটির সারাংশ উপস্থাপন করেন টিআইবি'র গবেষণা ও পলিসি বিভাগের প্রোগ্রাম ম্যানেজার জুলিয়েট রোজেটি এবং ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোরশেদা আক্তার। প্রতিবেদনে নবম সংসদের প্রথম অধিবেশনের সঙ্গে দশম সংসদের প্রথম অধিবেশনের তুলনামূলক চিত্রও তুলে ধরা হয়।

'বিরোধী দল বর্জন করেনি বলে সংসদকে কার্যকর বলা যাবে না': প্রতিবেদনে বলা হয়, দশম সংসদের প্রথম অধিবেশনের ইতিবাচক দিক হল- বিরোধী দল সংসদ বর্জন করেনি। তারা একদিন ওয়াকআউট করেছে। তবে নিয়োগ ও বোর্ডের প্রশ্নপত্র ফাঁস, মুক্তিযুদ্ধের সম্মাননা ক্রেস্টের জালিয়াতি, উপঢৌকন নিয়ে চিফ হুইপের বক্তব্য, পৌর মেয়র পদে বহাল থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া, হলফনামায় দেয়া তথ্যের বাইরে অপ্রদর্শিত সম্পদ আহরণের অভিযোগ ইত্যাদি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংসদে বিরোধী দলকে গঠনমূলক আলোচনায় অংশ নিতে দেখা যায়নি। নবম সংসদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত তিনটি সংসদীয় কমিটির সভাপতি বিরোধী দল থেকে রাখা ছিল। এবার বিরোধী দল থেকে কাউকে সভাপতি করা হয়নি।

বর্তমান বিরোধী দলের ভূমিকা সম্পর্কে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এই বিরোধী দল জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ভূমিকা রাখতে পারছে না। তারা সুস্থ রাজনীতির ধারক-বাহকও নয়। তারা সংসদ বর্জন করেনি, এর মানে এই নয় যে, সংসদ কার্যকর হচ্ছে। জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে বিরোধী দল প্রশ্ন তোলেনি। তিনি আরো বলেন, সত্যিকারের বিরোধী দলের ভূমিকা রাখার জন্য নৈতিক ও রাজনৈতিক যে দৃঢ়তা প্রয়োজন, তা বর্তমান বিরোধী দলের নেই। এ নিয়ে দলটির ভেতরেই প্রশ্ন উঠছে।

দলীয় প্রশংসা ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা বেড়েছে: প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দশম সংসদের প্রথম অধিবেশনে দলীয় প্রশংসা হয়েছে ৮৫৬ বার। নবম সংসদের প্রথম অধিবেশনে এই প্রশংসা হয়েছিল ২৫১ বার। অর্থাত্ গতবারের তুলনায় এবার দলীয় প্রশংসা বৃদ্ধির হার তিনগুণেরও বেশি। আর নবমের চেয়ে দশম সংসদে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। নবম সংসদের প্রথম অধিবেশনে তখনকার প্রধান বিরোধী দলের (বিএনপি) সমালোচনা হয়েছে ৩৪২ বার। এবারের প্রথম অধিবেশনে ঐ দলটি (বিএনপি) সংসদে না থাকলেও তাদের নিয়েই সমালোচনা হয়েছে ৫৩১ বার।

কোরাম সংকট হরাস পাওয়ায় অপচয় কমেছে: দশম সংসদের প্রথম অধিবেশনে কোরাম-সংকট অষ্টম ও নবম সংসদের তুলনায় কমেছে। এবারের কোরাম-সংকট ছিল ১৭ ঘণ্টা সাত মিনিট। এর অর্থমূল্য প্রায় ৮ কোটি ১ লাখ টাকা। এবার গড় কোরাম সংকট ছিল ২৮ মিনিট। নবম সংসদের প্রথম অধিবেশনে গড় কোরাম সংকট ছিল ৩২ মিনিট। প্রতিবেদনে বলা হয়, সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করতে প্রতি মিনিটে গড়ে খরচ হয় প্রায় ৭৮ হাজার টাকা।

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে অসংসদীয় ভাষা চর্চা: প্রকাশিত প্রতিবেদনে 'রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা' সম্পর্কে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নেন সরকারি দলের ১৬৫, প্রধান বিরোধী দলের ৩০ ও অন্যান্য বিরোধী দলের ৩৩ জন সদস্য। তারা মোট ৫৯ ঘণ্টা ৩০ মিনিট (যা ঐ অধিবেশনের মোট সময়ের প্রায় ৫২.৩ শতাংশ) আলোচনা করেন। তাদের আলোচনায় নিজ নির্বাচনী এলাকা সংশ্লিষ্ট, নবম সংসদের বিরোধী দলের সমালোচনা ও নিজ দলের প্রশংসা প্রাধান্য পায়। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয় উপস্থাপন এবং একজন প্রয়াত (জিয়াউর রহমান) রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে অসাংবিধানিক ভাষার ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে। সংসদ নেতার বক্তব্যের বিষয় ছিল নবম সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের সমালোচনা এবং নিজ সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা। এছাড়া অনির্ধারিত আলোচনায় অসংসদীয় ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করে প্রাক্তন বিরোধী দলের সমালোচনা প্রাধান্য পেয়েছে এবারের প্রথম অধিবেশনে।

অসংসদীয় ভাষার ব্যবহার বন্ধে স্পিকার নীরব: প্রতিবেদনে 'স্পিকারের ভূমিকা' অংশে বলা হয়, প্রাক্তন বিরোধী দলের সদস্যদের প্রসঙ্গে সরকারি ও বর্তমান বিরোধী দলের সদস্যদের অসংসদীয় শব্দের ব্যবহারের প্রেক্ষিতে স্পিকার অনেক সময় নীরব থেকেছেন। অসংসদীয় আচরণ ও অশালীন ভাষার ব্যবহার বন্ধে তিনি কোনো রুলিং দেননি।

৩৬ কার্যদিবসের ৩২ দিনই উপস্থিত ছিলেন সংসদ নেতা : এবারের সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের গড় উপস্থিতি ছিল ৬৪ শতাংশ। এই অধিবেশনে মোট ৩৬ কার্যদিবসে সময় ব্যয় হয় ১১৩ ঘণ্টা ৫১ মিনিট। সংসদ নেতা উপস্থিত ছিলেন ৩২ দিন (৮৮.৮৮ শতাংশ)। বিরোধী দলীয় নেতার উপস্থিতি ১৪ দিন (৩৮.৮৮ শতাংশ)। আর মন্ত্রীদের উপস্থিতি ছিল ৫১ শতাংশ। বিরোধী দলীয় নেতার ৩৮ শতাংশ উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, তার এই উপস্থিতিতে প্রমাণ হয়, তিনি বিরোধী দলের সঠিক বার্তা দিতে পারেননি।

আইন প্রণয়নে ব্যয় মাত্র ১.৮ শতাংশ: প্রথম অধিবেশনে ১১৩ ঘণ্টা ৫১ মিনিট সময় ব্যয় হলেও আইন প্রণয়নে ব্যয় হয়েছে মাত্র ১.৮ শতাংশ। অথচ ভারতে ১৫তম লোকসভার প্রথম অধিবেশনে ভারতের লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয় হাউজে ৮ শতাংশ সময় আইন প্রণয়নে ব্যয় হয়।

সংসদীয় কমিটির কার্যক্রম: প্রতিবেদনে 'সংসদীয় কমিটির কার্যক্রম' অংশে বলা হয়, দশম সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সকল সংসদীয় (৫১টি) কমিটি গঠিত হলেও বিরোধী দলের কোনো সদস্যকে কমিটির সভাপতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ৪৩টি কমিটির মোট ৬৫টি বৈঠক হয়েছে, ৮টি কমিটির কোনো বৈঠক হয়নি। নবম সংসদের কয়েকজন মন্ত্রীকে দশম সংসদে একই মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির ফলে নবম সংসদের কোনো অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপন ও তদন্তের ক্ষেত্রে তাদের ব্যক্তিগত প্রভাব বিস্তার করার সম্ভাবনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই ধরনের সুযোগ বন্ধে সংশ্লিষ্ট বিধি সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে টিআইবি।

সংসদকে অধিকতর কার্যকর করতে সুপারিশ: প্রতিবেদনে সংসদীয় গণতন্ত্র সুদৃঢ় করা, সংসদকে অধিকতর কার্যকর করা, সর্বোপরি সংসদকে জবাবদিহিতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে সদস্যদের উপস্থিতি, তাদের গণতান্ত্রিক আচরণ ও অংশগ্রহণ, সংসদীয় কমিটি কার্যকর করা এবং তথ্য প্রকাশ সংক্রান্ত ১৮ দফা সুপারিশ করা হয়। উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহের মধ্যে রয়েছে- (১). সংসদ বর্জনের সংস্কৃতি প্রতিহত করতে আইন করে দলীয় বা জোটগতভাবে সংসদ বর্জন নিষিদ্ধ করতে হবে। এক্ষেত্রে সদস্যপদ বাতিলের বিধান করা যেতে পারে। (২). যে কোনো বিষয়ে সদস্যদের স্বাধীন, আত্মসমালোচনামূলক মতামত প্রকাশ ও ভোটদানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করতে হবে। (৩). অধিবেশনে সদস্যদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে অনুপস্থিত থাকার সর্বোচ্চ সময়সীমা উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে হবে (উদাহরণস্বরূপ ৩০ কার্যদিবস) (৪). অধিবেশন ভিত্তিক সর্বোচ্চ উপস্থিতির জন্য প্রথম দশজনকে স্বীকৃতি প্রদান এবং সর্বনিম্ন উপস্থিত দশজনের নাম প্রকাশ। (৫). যুক্তিসঙ্গত কারণ সাপেক্ষে স্পিকারের অনুমতি ছাড়া পুরো অধিবেশনে অনুপস্থিত সদস্যদের প্রাপ্ত ভাতা না দেয়ার জন্য বিধান প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন। (৬). নবম সংসদে উত্থাপিত 'সংসদ সদস্যদের আচরণবিধি বিল, ২০১০' নতুন করে সংসদে উত্থাপন ও পাস করা। (৭). অধিবেশনের কার্যদিবস কমপক্ষে ১৩০ দিন করা এবং প্রতিদিনের কার্যসময় ৬ ঘণ্টা করা।

'অস্বীকৃতি দেয়ার ও না দেখার ভান থাকবে': টিআইবির এই ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সংস্থাটির চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল বলেন, স্বচ্ছ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এবং নজরদারির জন্য এই পার্লামেন্টওয়াচ। সরকারের সমালোচনা করার জন্য নয়। সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের সবার যে নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে, সেই তাড়না থেকেই এটি করা। সরকার মনে করে তাদেরকে বিব্রত করার জন্য এটা, কিন্তু সেটি নয়। জনগণের পক্ষে নজরদারির জন্য আমরা এটা করছি। তিনি বলেন, এই প্রতিবেদনকে কারও কারও অস্বীকৃতি দেয়ার ও না দেখার ভান থাকবে। তবে মানুষ চোখ বন্ধ রাখলেই প্রলয় বন্ধ থাকে না। বরং চোখ-কান খোলা রাখলেই নেতিবাচক দিকগুলো থেকে উত্তরণ ঘটানো যায়। তা না হলে দুর্ভাগা জাতি হিসেবেই আমাদের জীবন পার করতে হবে। সুলতানা কামাল আরও বলেন, সংসদে আজ কারা? বিশেষ শ্রেণি ও সেক্টর দ্বারা সংসদ আজ দূষিত। ১৯৭৩ সালে সংসদে আইনজীবী ছিলেন ৩৩ শতাংশ আর ব্যবসায়ী ছিলেন ১৮ শতাংশ। এখন ব্যবসায়ী প্রায় ৬০ শতাংশ (প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ৫৯ শতাংশ) ও আইনজীবী ১৩ শতাংশ। এজন্য জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে সংসদে আলোচনা হয় না। বরং ব্যবসায়িক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যবসায়ীদের হার বৃদ্ধির বিষয়ে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিষয়টি উদ্বেগজনক। এভাবে চলার কারণে রাজনীতি নিজস্ব ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলতে বসেছে। টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন ও নির্বাহী পরিচালক দু'জনই বলেছেন, এই প্রতিবেদনে দশম সংসদের গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের কোনো বক্তব্য নেই। এই সংসদকে ধরে বা মেনে নিয়েই তারা গবেষণা কাজ চালাচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে টিআইবির উপ-নির্বাহী পরিচালক ড. সুমাইয়া খায়ের এবং গবেষণা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিক হাসান উপস্থিত ছিলেন।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
সাকিব আল হাসানকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন কি?
2 + 6 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
অক্টোবর - ১৮
ফজর৪:৪১
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫২
মাগরিব৫:৩৪
এশা৬:৪৫
সূর্যোদয় - ৫:৫৭সূর্যাস্ত - ০৫:২৯
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :