The Daily Ittefaq
ঢাকা, শনিবার ১২ জুলাই ২০১৪, ২৮ আষাঢ় ১৪২১, ১৩ রমজান ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ গোল্ডেন বলের জন্য মনোনীত ১০ খেলোয়াড় | গাজায় ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত ১৬ | ঝিনাইদহে 'বন্দুকযুদ্ধে' ২ চরমপন্থি নিহত

[ অ র্থ নী তি ]

অর্থবিত্তের জাঁকজমক ও মধ্যবিত্তের অস্থিরতা

আনু মুহাম্মদ

জাতীয় রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং পুরনো রাষ্ট্রের ধারায় তার যাত্রা শুরুর পর বাংলাদেশের মধ্যবিত্তের সামনে বিত্ত ও ক্ষমতা অর্জনের অনেকগুলো সুযোগ উপস্থিত হয়, যেগুলোর জন্য তাদের কোন পূর্ব প্রস্তুতি বা পরিকল্পনা ছিল না। এগুলোর মধ্যে দ্রুত ধনী হবার প্রধান উত্স ছিল দুটো (১) রাষ্ট্রীয় সম্পদ এবং (২) কমিশন। সরকারি প্রশাসনের লাইসেন্স ইজারা রাষ্ট্রায়ত্ত খাত (শিল্প, ব্যাংক বীমা) লুণ্ঠন, খাস জমি সাধারণ সম্পত্তি দখল ইত্যাদির মাধ্যমে দ্রুত একটি মালিক ও কমিশনভোগী ধনিক গোষ্ঠীর আবির্ভাব ঘটলো। সামরিক শাসন আমলে এই লুণ্ঠন ও দখল প্রক্রিয়া প্রাতিষ্ঠানিককৃত হলো। 'বিদেশি সাহায্য' নির্ভর প্রকল্পগুলো আমলা ও শিক্ষিত মধ্যবিত্তের দ্রুত বিত্ত বানানোর একটি পথ হয়ে দাঁড়ালো।

এই প্রক্রিয়ায় স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সমাজে অনেক ভাংচুর হয়। দৃষ্টিগ্রাহ্য পরিবর্তনগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বিপুল সম্পদশালী একটি ক্ষুদে গোষ্ঠীর আবির্ভাব এবং নাগরিক মধ্যবিত্তের সম্প্রসারণ। এর আগে বাংলাদেশ সাধারণভাবে ক্ষুদে মালিক প্রধান একটি 'পেটিবুর্জোয়া' সমাজ ছিল। জাতীয় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তান প্রতিষ্ঠাকালের মতোই একটি আকস্মিক 'শ্রেণি উত্তরণ' ঘটলো, এবং প্রায় একই রকম অপ্রস্তুত অবস্থায়। বিনাপরিশ্রমে বিনাপ্রস্তুতিতে এবারও এই অংশের অনেকের হাতে এলো অভাবিত সম্পদ ও ক্ষমতা। বাঙালিদের মধ্যে যারা বিত্তবান শ্রেণিতে 'উন্নীত' হলেন সম্পদের মালিকানায় তাদের অবস্থান আগে ছিল 'মধ্য', আইনজীবী, ভূমিমালিক, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার প্রভৃতি। বৃহত্ বুর্জোয়া বা বিত্তবান এই সমাজে ছিল না। সে সময় ধনী বলতে কৃষি জোতদারকেই বোঝাতো। ব্যবসা বাণিজ্য বা শিল্প-কারখানায় দুই একটি ছাড়া কোন ধনী পরিবার ছিল না তাও ছিল প্রধানত পাকিস্তান কেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যের সহযোগী হিসেবেই। সুযোগ সন্ধানীদের যে অংশ রাষ্ট্রের সঙ্গে 'যোগাযোগ ও চুক্তির' সম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হলেন তাদের বিত্ত অবস্থানের পরিবর্তন ঘটলো স্থায়ীভাবে।

যে প্রক্রিয়ায় ৭০ দশক থেকে কোটিপতি বিত্তবান তৈরি শুরু হল তার প্রতিক্রিয়া সমগ্র সমাজেই পড়েছে। সে প্রতিক্রিয়ায় অনেককিছু ভেঙেছে, উদ্ভূত হয়েছে নতুন অনেক কিছু। এসব পথের ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ায় ৭০ দশকের মধ্যেই বাঙালি মধ্যবিত্তের মধ্যে একটি বড় মেরুকরণ ঘটে। একদিকে গড়ে উঠলো এক নতুন বিত্তবান শ্রেণি, অন্যদিকে একই প্রক্রিয়ার ধাক্কায় মধ্যবিত্তের বৃহত্ অংশ হাবুডুবু খেতে লাগলো। পেশাজীবী সীমিত আয়ের মানুষদের প্রকৃত আয়ে ধস নামলো। একদিকে দিশেহারা অন্যদিকে আকাঙ্ক্ষা তাদের নতুন নতুন পথ খুঁজবার দিকে তাড়িত করলো। এই প্রক্রিয়ায় অনেক পেশাজীবী তার কর্মসময় বাড়ালেন; নতুন কোন কাজ ধরলেন, আর অন্যদিকে পরিবারের একাধিক সদস্যকে আয় উপার্জনে নামতে হলো। বাড়ির বউ, মেয়ে, বোনকে কর্মজীবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে যে মানসিক বাধা ছিল তা এই চাপেই অনেক শিথিল হয়ে পড়ে। পরিবারে একাধিক আয়ের উত্স তৈরি হয়। টিকে থাকতে পারেন তারাই যারা নতুন উপার্জনের জায়গাগুলো সনাক্ত ও গ্রহণ করতে পারেন।

গত চার দশকে বাংলাদেশ বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে অনেক বেশি অঙ্গীকৃত হয়েছে, অনেক বেশি উন্মুক্ত হয়েছে অর্থাত্ আমদানি-রফতানি বেড়েছে অনেক। কিন্তু প্রান্তস্থ পুঁজিবাদের একটি ধরন হিসেবে এর উত্পাদনশীল ভিত্তি দৃঢ় ও টেকসই হয়নি। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাহেতু রফতানিমুখি শিল্প ও তত্পরতার অনেক বিস্তার ঘটেছে, তার প্রবৃদ্ধি বেড়েছে; কিন্তু রাষ্ট্রীয় বৈরিতা হেতু বৃহত্ রাষ্ট্রায়ত্ত খাতে নেমেছে ধস। উত্পাদনের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীনভাবে বিস্তার ঘটেছে শপিংমলের, প্রায় সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভর। অট্টালিকা বহুতল ভবন নির্মাণ বেড়েছে পারিপার্শ্বিকতার বিবেচনা ছাড়াই। দ্রুত টাকা বানানোর জন্য এই অস্থির সমাজ ও অর্থনীতি, দোকানদারি এবং দুর্বৃত্ত চেহারা নিয়েছে।

পুঁজির আদিম সংবর্ধন অর্থাত্ দুর্নীতি, লুণ্ঠন, দখল এখন মূল প্রবণতা। নদী-নালা, খালবিল, বন এমনকি তেলগ্যাস কয়লা সম্পদ ইত্যাদি সকল সাধারণ সম্পত্তি এখন লুণ্ঠনের আওতায়। এসবের মাধ্যমে অর্জিত চোরাই অর্থ এখন অর্থনীতি আর সমাজের শাসক শ্রেণির মূল শক্তি। আর এসব তত্পরতায় সহিংসতা, অস্থিরতা আর অনিশ্চয়তা বেড়েছে সর্বস্তরে। সামাজিক খাত বিকাশের বদলে বিপর্যস্ত। অন্যদিকে শিক্ষা স্বাস্থ্যসেবা সর্বত্র বাজার তত্পরতা প্রাধান্যে। ব্যয়বহুল স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ডায়াগনস্টিক সেন্টার ক্লিনিক হাসপাতাল বেড়েছে। বেড়েছে এনজিও সংখ্যা। পরিষেবা খাত অর্থাত্ বিপণন তত্পরতা প্রসার লাভ করেছে। মধ্যবিত্তের কর্মসংস্থান সুযোগ এসব ক্ষেত্রেই। ভোক্তা পর্যায়ে সবকিছুর ব্যয় বেড়েছে। কোটি টাকার গাড়ি আর ফুটপাতে মানুষ দুটোই বেড়েছে। নিপীড়ন নির্যাতনে এমনকি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে রাষ্ট্রীয় সক্রিয়তা বেড়েছে। একই কারণে শিক্ষা ও চিকিত্সায় জনগণের অধিকার নিশ্চিত করা, জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং নীতিমালা প্রণয়ন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের ভূমিকা বৈরী বা অথর্ব।

এগুলোই এদেশে বিশ্বায়নের চেহারা। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এখন প্রত্যক্ষ কর্তৃত্বে। তাদের পরিচালিত 'সংস্কার' কার্যক্রমের আসল অনুবাদ হল দেশের সম্পদ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিপূর্ণভাবে দেশি-বিদেশি, প্রধানত আন্তর্জাতিক বৃহত্ সংস্থার, কাছে উন্মুক্ত করবার জন্য দখল কার্যক্রমের সমপ্রসারণ। তাদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে সাধারণ সম্পত্তি বেদখল হয়েছে, পানি বাতাস দূষিত হয়েছে, জলাবদ্ধতা প্রকট হয়েছে, শিল্পখাতে ধস নেমেছে, শিক্ষা স্বাস্থ্যসহ সর্বজনের খাত বিপর্যস্ত হয়েছে। টাকা জমেছে বিদেশি কনসালট্যান্ট আর দেশি প্রভাবশালী একাংশের হাতে। সর্বনাশ হয়েছে সর্বজনের।

মধ্যবিত্ত এখন আগের যেকোন সময়ের চাইতে অনেক বেশি অস্থির, দ্বিধাগ্রস্ত, প্রতিযোগিতাক্লিষ্ট এবং বহির্মুখী। নির্বিবাদী পেশাজীবী জীবন এখন চলে না। টাকার অংকে বেতন বাড়লেও রাষ্ট্রীয় (সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত) প্রতিষ্ঠানে পেশাগত প্রকৃত আয় বাড়েনি, কিন্তু বেড়েছে ভোগ্যপণ্য চাহিদা। স্যাটেলাইট প্রযুক্তি মানুষকে এখনও দুনিয়ার সকল সুযোগ সম্ভাবনা কাছে পাওয়া নিশ্চিত করতে পারেনি, পারেনি দুনিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ঐক্যসূত্র তৈরি করতে। যা করেছে তা হল ভোগ্যপণ্য চাহিদার এক একক বৈশ্বিক চেহারা দান করতে। বিজ্ঞাপন এখন 'শিল্পচর্চার' প্রধান মাধ্যম। বিজ্ঞাপনী সংস্থার কাজ হল শিল্প প্রতিভার সৃজনশীল সব ক্ষমতাকে পণ্য চাহিদা সমপ্রসারণে নিয়োগ করা। সাধ ও চাহিদা জগতে এখন নতুন অনেক পণ্য যোগ হয়েছে, বেশিরভাগই আমদানিকৃত। তাছাড়া সমাজে এই পণ্য সমাহার সুলভ হয়েছে শপিংমলের বিস্তারের মধ্য দিয়ে। এগুলোর ক্রয় সবক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় না হলেও প্রতিযোগিতার কারণে কিনতে হয়, অনেকক্ষেত্রেই সামাজিক মর্যাদার প্রতীক।

মধ্যবিত্ত জগতের অনেক আকাঙ্ক্ষা এখন চোরাই অর্থের বিত্তবানদের জগতের ছায়ায় উত্পন্ন। তার মতো হবার বাসনা ঋণ বা দুর্নীতি বা উভয়কে নিকটবর্তী করে, এই পথে বেপরোয়া হতে প্ররোচিত করে। পরিবারের একাধিক সদস্যকে কাজ করতে হবেই, তারপরও কর্মঘণ্টা বাড়াতে হয়, আয়ের নানাপথের সন্ধানে থাকতে হয়। আমলারা তো বটেই বেশিরভাগ সাংবাদিক, শিক্ষক, লেখক, শিল্পীরাও বোধশক্তি আর সংবেদশীলতার ইন্দ্রিয়কাজ স্থগিত রেখেছেন। প্রবল প্রাইভেট সেক্টর দাপটে এখন সাংবাদিক, শিক্ষক, লেখক, শিল্পীরা স্বাধীনভাবে নিজ বিবেচনা দিয়ে কাজ করছেন তার দৃষ্টান্ত খুব কম। গবেষণা জগত্ আর এনজিও জগত্ কপটতা আর প্রতারণার নতুন দিগন্ত তৈরি করেছে। এদুটো জগত্ এখন অনেকের বাড়তি জীবিকা আর স্বাচ্ছন্দ্যের প্রধান উত্স। শিক্ষিত বেকারদের বিপুল যোগান এর উপর এনজিওগুলো দাঁড়িয়ে আছে। এখন ইসলামী এনজিও প্রবেশ করেছে দৃশ্যপটে।

ঢাকা মহানগরী এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি আলোকোজ্জ্বল। বহুতল ভবন, সুপারমার্কেট, ভবনে ভবনে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আর ক্লিনিক, দামি-দামি খাবার দোকান, ফ্যাশন সুন্দরের অবিরাম প্রদর্শনী, নতুন নতুন গাড়ি, মোবাইল, টিভি আর বিশাল বিলবোর্ডে আনন্দ উচ্ছ্বাস। চারিদিকে শুধু কেনার লোভনীয় আমন্ত্রণ। বেচা আর কেনা। কেনা আর বেচা। মানুষ তার নীচ দিয়ে চলে; মধ্যবিত্ত তার মধ্যে ঘোরে, বিষাদ আক্ষেপ আর অস্থিরতা নিয়ে। খেলার মাঠ বন নদী নালা খালবিল তেল গ্যাস সব দখল হতে থাকে, বহুতল ভবনে ভরে যায় খোলামাঠ জলাভূমি নদী। বিজ্ঞাপনে অস্থিরতা তৈরি হতে থাকে: টাকা নাই কিন্তু কেনো আরও কেনো নতুন নতুন জিনিশ। প্রয়োজনীয় খাদ্য নাই কিন্তু খাও আরও খাও আমেরিকান ইউরোপীয়ান ডিশ। নিয়মিত পোশাক নাই নতুন নতুন ফ্যাশনে এসো। বিশুদ্ধ পানি নাই, কোক আছে ভার্জিন আছে..। সন্তান পড়ানোর পয়সা নাই, প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান আছে লক্ষ টাকার। চিকিত্সার অভাবে হাজারো শিশু ও মার মৃত্যু হচ্ছে, আছে লক্ষ টাকার ক্লিনিক। ঘর নাই, ফুটপাত ভরে যায় মানুষে। আছে এপার্টমেন্ট, কিস্তি , ব্যাংক ঋণ! নারকীয় বৈপরীত্য আমাদের চারদিকে!!

এতসব ঝকমকে উন্নয়ন, রঙিন সিরিয়াল আর বড় বড় বিলবোর্ড দিয়েও তাই মধ্যবিত্ত সংখ্যাগরিষ্ঠের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটেনি। ঘটবার কথা নয়। না চাইলেও জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠের সাথেই তার এই অনিশ্চয়তা বাঁধা। আর সেই জনগোষ্ঠীর সঙ্গেই মধ্যবিত্তের নিয়ত বিরোধ, ঘরে রাস্তায় কর্মস্থলে মনোজগতে। যে বিত্তবান চোর ডাকাতদের কাছে তার অপমান তার প্রতিই মধ্যবিত্তের অপার ভক্তি। অস্থিরতায় অনিশ্চয়তায় ধর্ম অবলম্বন। ব্যক্তিক রাস্তায় সমাধান খোঁজার কয়েকটি পথ: বিদেশ, চোরাই টাকা আর ধর্ম। ব্যক্তিক সমাধানে বিদ্যমান অনিশ্চয়তার সংকট থেকে পার হয় কিছু লোক। বাকি সবাই প্রতিযোগিতায় অনিশ্চয়তায় অস্থির, দিশেহারা।

লেখক: অর্থনীতিবিদ

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় ঈদের আগে ৩ দিন এবং পরে ২ দিন মহাসড়কে পণ্যবাহী ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আপনি এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন কি?
6 + 1 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
এপ্রিল - ২০
ফজর৪:১৪
যোহর১১:৫৮
আসর৪:৩১
মাগরিব৬:২৫
এশা৭:৪১
সূর্যোদয় - ৫:৩৩সূর্যাস্ত - ০৬:২০
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :