The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার ২৭ জুলাই ২০১৪, ১২ শ্রাবণ ১৪২১, ২৮ রমজান ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ দুই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ৩ সেপ্টেম্বর | বিএনপির সাথে কোন সংলাপ হবে না : নাসিম | খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা | হামাস ২৪ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতিতে রাজি | কুমিল্লার চান্দিনায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

শিকড়ের টানে যাত্রা: ঠাঁই নেই বাস-ট্রেন-লঞ্চে, ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়

সাইদুর রহমান

ঈদে স্বজনদের সান্নিধ্য পাওয়ার আশায় শেষ মুহূর্তে ঢাকা ছেড়েছেন লাখ লাখ ঘরমুখো মানুষ। বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন কিংবা লঞ্চঘাটে ছিল জনস্রোত। সকল দুর্ভোগ-বিপত্তি পেছনে ফেলে শিকড়ের টানে ফিরছে মানুষ। ঈদ যাত্রীদের মাত্রারিক্ত চাপে বাস, ট্রেন কিংবা নৌপথের লঞ্চ-স্টিমারে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। সঠিক সময়ে বাস-ট্রেন-লঞ্চ না আসা এবং চিরচেনা যানজটে দীর্ঘ সময়ে অপেক্ষার মধ্যে যাত্রীদের চোখে-মুখে ছিল ঈদের আনন্দ। তবে আগাম টিকিট সংগ্রহকারীরা স্বস্তিতে যেতে পারছেন। তবে বিপত্তি টিকিট না পাওয়া যাত্রীদের। এ ছাড়া, ঘরমুখো মানুষের জনস্রোতে মহাসড়কগুলোয় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ঘরে ফিরতে স্বস্তির পরিবর্তে পদে পদে ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাদের।

সরেজমিনে দেখা গেছে—ঘরমুখো মানুষের স্রোতে কমলাপুর রেলস্টেশন, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এবং গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনাল আজ রবিবার ভোর থেকেই হয়ে ওঠে লোকে লোকারণ্য। রাজধানীর লঞ্চ, ট্রেন ও বাস স্টেশনগুলো ছিল লোকে ঠাসা। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী মঙ্গল বা বুধবার হতে পারে ঈদ-উল-ফিতর। তবে গত বৃহস্পতিবার থেকে ঘরে ফেরা শুরু হলেও রবিবার শেষ কর্মদিবসে ছিল সর্বত্র উপচেপড়া ভিড়। আজ পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান ছুটি হওয়ায় যাত্রী উপস্থিতি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে এই ঈদেও বাড়ি যাওয়া নিয়ে ভোগান্তি পিছু ছাড়েনি। ঢাকা থেকে বের হবার প্রতিটি পথেই আজ ভোরে এবং সন্ধ্যার পর রীতিমতো জনস্রোত নামে। ঘরমুখো মানুষের চাপে ভোরে নগরীর বাস টার্মিনালের বহির্মুখী প্রতিটি সড়কে ছিল তীব্র যানজট। তবে সন্ধ্যার দিকে আবারও সদরঘাট এবং সায়েদাবাদ ও গাবতলীর রাস্তায় সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। বাস-ট্রেন ও লঞ্চের যাত্রা শুরুর নির্ধারিত সময়ের আগেই স্টেশনে পৌঁছলেও ভয়ঙ্কর নানা দুর্ভোগ পিছু ছাড়েনি কারোই। বাস টার্মিনাল, রেল স্টেশন, লঞ্চ টার্মিনালে গিয়ে দেখা গেছে অসংখ্য মানুষ, বাড়ি ফেরার আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে ভ্রমণ নিয়ে দুশ্চিন্তায়। ঘরমুখো মানুষের কারণে ঢাকা শহরের চিরচেনা রূপ পাল্টে গেছে। ঘনবসতি ঢাকা এখন অনেকটা ফাঁকা। নেই নাগরিক ভোগান্তি। তবে ঢাকার যন্ত্রণা মহাসড়ক পুষিয়ে দিচ্ছে। নিয়ন্ত্রণের বাইরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের যানজট। ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে, আশুলিয়ায় গাড়ির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আজ সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড থেকে রাজ ফুলবাড়িয়া পর্যন্ত প্রায় চার কিমি যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া নবীনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে ইপিজেড পর্যন্ত সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ১০ কিমি যানজটের। সকাল থেকে প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তরের কর্মকর্তা, থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ যানজট নিরসনে সর্বাত্মক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। ফলে দুপুরের পর থেকে যানজট তাদের নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে।

ঘরমুখো যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অফিস-আদালত, শিল্প-কারখানা একযোগে ছুটি হওয়ায় তীব্র এ যানজটের সৃৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। ঢাকা থেকে কুমিল্লার ১১৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সাধারণত আড়াই-তিন ঘণ্টা সময় লাগলেও এখন লাগছে ৬-৭ ঘণ্টা। দাউদকান্দির পর অন্তত ১২টি পয়েন্টে থেমে থেমে সৃষ্টি হয় যানজট। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কেও একই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

বাস কাউন্টারে প্রচণ্ড ভিড়:

ঘরে ফেরার জন্য গাবতলী-মহাখালী ও সায়েদাবাদের বাস কাউন্টারগুলোয় আজ ছিল প্রচণ্ড ভিড়। সবার লক্ষ্য—ঘরে ফেরা। কিন্তু টিকিটের জন্য এক কাউন্টার থেকে আরেক কাউন্টারে ঘুরেছেন যাত্রীরা। তবু টিকিট পাননি অনেকেই। গাবতলী, কল্যাণপুরের একাধিক পরিবহনকর্মী বলেছেন, রাস্তার অবস্থা খারাপ। তাই শেষ সময়ের টিকিট নেই বলা হচ্ছে। বাড়তি দামে টিকিট বিক্রি করার উদ্দেশ্যেই পরিবহনকর্মীরা আটকে রেখেছেন শেষ কয়েক দিনের টিকিট। কল্যাণপুরে আগমনী এক্সপ্রেসের কাউন্টারে গিয়ে রংপুরের টিকিট খুঁজছেন ইমরান হোসেন। তার দরকার ২৮ জুলাইয়ের টিকিট। কাউন্টার থেকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে, টিকিট নেই।

ইমরান হোসেন জানান, ২৫ জুলাই ব্যস্ততার কারণে টিকিট নিতে আসতে পারেননি। এখন পড়েছেন ঝামেলায়। চেষ্টা করছেন টিকিট পাওয়ার। তার বক্তব্য, এক শ টাকা বেশি দিতে রাজি, টিকিট পেলেই হয়।

তিনি জানান—আগমনী, এসআর ট্রাভেলস, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন কাউন্টারে ঘুরেছেন, কিন্তু টিকিট পাননি।

গাবতলী টার্মিনাল সূত্র জানায়—অনেক পরিবহন এখন আর টিকিট বিক্রি করছে না। বিশেষ করে ছোট পরিবহন কোম্পানিগুলো টিকিট বিক্রি করছে না। রাস্তার অবস্থা দেখে ঈদের দুই দিন দিন আগে উপস্থিত যাত্রীদের (রানিং) মাঝে টিকিট বিক্রি করবে।

টিকিট সংকটের ব্যাপারে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতা সালাউদ্দিন ইত্তেফাককে জানান, এবার অনেকটা স্বস্তিতে যাত্রীরা ঘরে ফিরতে পারছে। কিন্তু রবিবার থেকে জনস্রোত বেশি হওয়ায় পরিবহনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটে। মহসড়কেও ছিল তীব্র যানজট।

কমলাপুরে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়:

কমলাপুর ও বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, স্টেশনে যাত্রীদের তিল ধারণে ঠাঁই নেই। ট্রেন আসতেই হুড়হুড় করে যাত্রীরা উঠছেন। যাদের আসনকৃত সিট রয়েছে তারা বগিতে উঠছেন, সিটবিহীন যাত্রীরা বগিতে তথা ট্রেনের ছাদ, ইঞ্জিন ও দরজায় জানালায় ঝুঁলে বাড়ির পথে পাড়ি জমাচ্ছেন। জীবনে ঝুঁকি নিয়ে মহিলাদেরও ছাদে উঠতে দেখা গেছে।

সকাল থেকে একের পর এক ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়। নির্ধারিত সময়ে কমলাপুরে ট্রেন ফেরত না আসায় শিডিউল ঠিক থাকছে না ট্রেনের। আর এতে রেলস্টেশনে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে চট্টগ্রাম ও দিনাজপুরগামী যাত্রীরা। আজ সকাল থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৩০টি ট্রেন কমলাপুর ছেড়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীগামী ধূমকেতু ও চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী যথাক্রমে তিন ঘণ্টা এবং দেড় ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ে। কোনো কোনো ট্রেন ছাড়তে আধঘণ্টা, পৌনে এক ঘণ্টাও বিলম্ব হয়েছে। দুপুরের পর থেকেই মারাত্মক শিডিউল বিপর্যয় ঘটে রেলে। রাজশাহীগামী সিল্কসিটি দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ট্রেনটি বিকাল সাড়ে ৫টার পর কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছায়। এই ট্রেনের যাত্রীরা প্লাটফর্মে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন।

এ ব্যাপারে রেলে ঢাকা বিভাগীয় ব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম জানান, সিল্কসিটি ট্রেনটি গতকাল কমলাপুর থেকে দেড়ঘণ্টা বিলম্ব করে ছেড়ে যায়। আবার রাজশাহী থেকে বিলম্ব করে রওয়ানা হয়েছে। পথে পথে অতিরক্ত সময় যাত্রা বিরতির কারণে শিডিউল বিপর্যয় বলে জানান তিনি।

এত কষ্টের মধ্যে কি যে আনন্দ তা প্রকাশের ভাষা নেই জানিয়ে ট্রেনের ছাদে উঠা দুই মহিলা যাত্রী রোকশনা বেগম ও মিনুয়ারা বেগম জানান, তারা দুজনই রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুই অফিসারের বাসায় কাজ করেন। অফিসাররা গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে আজই চলে গেছেন। তারাও গ্রামের বাড়ি ঈদ করতে যাচ্ছেন ট্রেনের ছাদে চড়ে।

স্টেশনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের বেশ কয়েকজন জানান, স্টেশনের ভেতরে বাথরুম না থাকায় চরম অসুবিধা হচ্ছে যাত্রীদের। প্রথম শ্রেণি যাত্রীদের জন্য ভিআইপি রুমে বাথরুম থাকলেও সাধারণ যাত্রীরা তা ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছে না। স্টেশন মাস্টার ও ম্যানেজার কক্ষের বাথরুম দুটিতেও তালা দেয়া রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা ছাড়া কেউ তা ব্যবহার করতে পারছে না। পাবলিক টয়লেট স্টেশনের বাইর হওয়ায় যাত্রীরা তা ব্যবহার করতে পারছেন না।

স্টেশনের ভেতর সাধারণ যাত্রীদের পৃথক টয়লেট থাকা জরুরি স্বীকার করে ঢাকা রেলওয়ে বিভাগীয় কর্মকর্তা কামরুল হাসান জানান, সাধারণ যাত্রীদের জন্য পৃথক টয়লেট জরুরি, স্টেশনের ভেতর সাধারণ যাত্রীদের টয়লেট স্থাপন বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করবেন বলেও তিনি জানান। রেলওয়ে মহাপরিচালক তাফাজ্জল হোসেন জানান, ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের বাঁধা দেয়া হলেও ট্রেনের ছাদে ওঠা থেকে বিরত রাখা যাচ্ছে না।

সদরঘাটে জনজট, হয়রানী:

ঢাকা নদী বন্দর থেকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ৪১টি রুটে লঞ্চ যাতায়াত করে। কম ভাড়ায় আরামদায়ক ভ্রমণ করা যায় এ লঞ্চগুলোতে। কিন্তু ঈদে যাত্রী চাপ বেড়ে যাওয়ায় ভোগান্তির শিকার হয়েছে যাত্রীরা। ঈদ যাত্রায় টিকিটের নামে যাত্রীদের হয়রানি শুরু হয়েছে। বিভিন্ন লঞ্চ কাউন্টার থেকে যাত্রীদের বলা হচ্ছে, টিকিট শেষ হয়ে গেছে। লঞ্চের কেবিনের টিকিট নিয়েও চলছে লুকোচুরি। সদরঘাটের লঞ্চকর্মীরা দাবি করেছেন, অধিকাংশ লঞ্চের কেবিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে অনেক আগেই।

সদরঘাটে দেখা গেছে, রবিবার সকাল থেকেই যাত্রী সমাগম বেড়েছে। লঞ্চের ভেতরে যাত্রী ভরে টইটুম্বর। কোথা একটু ফাঁকা নেই। এমনকি পায়ে হাঁটার পথ, কেবিনের সামনের অংশ, রেলিংসহ সর্বত্র মানুষ আর মানুষ। অনেকেই জায়গা না পেয়ে যাত্রীরা লঞ্চের ছাদে উঠতে দেখা গেছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নারী ও শিশুরা।

আজ দুপুর পড়তে না পড়তেই সদরঘাটে উপচে পড়ছে ঘরমুখী মানুষের মিছিল। উপচে পড়া এই ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিতরা। নির্দিষ্ট লঞ্চ খুঁজে পেতে যাত্রীরা হিমশিশ খাচ্ছেন। এই যাত্রীদের অভিযোগ, তাদের সহযোগিতার দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছ থেকে কোনো সাহায্যই তারা পাচ্ছেন না।

দুপুর ১টা বাজতে না বাজতেই বরিশাল, বোরহানউদ্দিন, ভোলা, চাঁদপুর এসব রুটের লঞ্চগুলোতে মানুষ উঠতে শুরু করে। অল্পসময়ের মধ্যেই লঞ্চগুলো মানুষে ভর্তি হয়ে যায়। এরমধ্যে দুপুর পৌনে ১টার দিকে এমভি হাসান-হোসেন-১ নামে একটি লঞ্চকে সতর্ক করে দেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। তবে বিআইডব্লিউটিএ-এর এ সতর্কতাকে আমলে নিচ্ছে না অন্যান্য লঞ্চগুলো। দুপুরে সদরঘাট ছেড়ে যায় প্রিন্স অব বরিশাল, এমভি স্লোটিলা, এমভি সান, পাতারহাট ৫, সুন্দরবন ১। অধিকাংশ লঞ্চ ছেড়ে যায় সন্ধ্যার পর।

এ দিকে, ঈদের আগে শেষ মুহূর্তে ঘরমুখী মানুষগুলোকে জিম্মি করে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে। তবে এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ-এর যুগ্ম পরিচালক সাইফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, 'কোনো লঞ্চেই অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছে না। লঞ্চের ছাদে তো কিছু মানুষ যাবেই। তিনি বলেন, 'আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি কোনো লঞ্চ যাতে অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করতে পারে।'

ইঅ/চৌফে/শ১২৬৪/০৯:০৫পিএম

সর্বশেষ আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী বলেছেন, 'ভোটারবিহীন নির্বাচনে ক্ষমতায় এসে সরকার এখন অস্থিরতায় ভুগছে।' আপনিও কি তাই

মনে করেন?
5 + 7 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ১২
ফজর৪:৫৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৫:১২
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :