The Daily Ittefaq
ঢাকা, শুক্রবার ০২ আগস্ট ২০১৩, ১৮ শ্রাবণ ১৪২০ এবং ২৩ রামাযান ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করাকে সমর্থন করে না: মির্জা ফখরুল | অক্টোবরে লাগাতার হরতাল: মওদুদ | সিরিয়ায় গোলা-বারুদের গুদামে বিস্ফোরণ; নিহত ৪০ | দৌলতপুর সীমান্ত থেকে কৃষককে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

যশোরে প্রধান দুই দলেই যোগ্য প্রার্থীর সংকট

আহমেদ সাঈদ বুলবুল, যশোর অফিস

নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে যশোরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নির্বাচনের জন্য নিজেদের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তৃণমূলে সাংগঠনিক তত্পরতা জোরদার করেছে। বিএনপি আন্দোলন কিংবা নির্বাচন— দুটি বিষয়কেই সামনে রেখে ইফতার পার্টির মাধ্যমে দলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখছে। তবে নির্বাচনের আগে দু'দলকেই যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি ভোগাবে তা হল: দুই দলই যোগ্য প্রার্থীর সংকট অনুভব করবে। যদিও যশোরে নির্বাচন করতে ইচ্ছুক ব্যক্তির অভাব নেই। এই সুযোগে যশোরের ৬টি আসনের কোনো কোনোটিতে অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের হাতে নৌকা বা ধানের শীষের টিকিট চলে যেতে পারে বলে মনে করছেন— রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। নির্বাচন কমিশনের সামপ্রতিক নির্বাচনী সীমানা পুনর্বিন্যাসেও ভোটের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ দেখা গেছে মাঠপর্যায়ে।

এক কাতারে আসতে পারল না আওয়ামী লীগ :অন্তর্দ্বন্দ্বে লিপ্ত আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ মেয়াদে এসেও এক কাতারে মিলিত হতে পারেনি। সংরক্ষিত আসনের এমপিসহ ৭ জন এমপিকে সঙ্গে নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগ একটিবারের জন্যও একত্রে বসেনি। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর সরকারের বর্তমান মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র জনসভায় তারা একমঞ্চে হাজির ছিলেন। ২০০৪ সালের ২১ জানুয়ারি সম্মেলনে জেলা কমিটি গঠনের পর থেকেই দলটি সাংগঠনিক কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা সমবেতভাবে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশ নিলেও নির্বাচনের পরপরই অনৈক্য নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। ফলে নিয়মিত সাংগঠনিক কিংবা বর্ধিত সভায় বসে দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ভাটা পড়ে। গত ২৩ জুলাই অনুষ্ঠিত সর্বশেষ বর্ধিত সভায় একজন এমপিও অংশ নেননি।

সামপ্রতিক সময়ে সিটি নির্বাচনে দলের ভরাডুবিতেও হতাশায় নিমজ্জিত দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তবে সব সংশয়কে ঝেড়ে শোকের মাস আগস্টে আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক শক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করবে বলে জানিয়েছেন জেলা সাধারণ সম্পাদক ও যশোর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার। তার মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেলেও দলের আরেক গ্রুপের নেতা সভাপতি আলী রেজা রাজু এবং অপর গ্রুপ সদরের সংসদ সদস্য খালেদুর রহমান টিটোর সম্মেলনকেন্দ্রিক তত্পরতা লক্ষ্য করা যায়নি।

বিএনপির কাণ্ডারিই দলের বিপর্যয়ের নেপথ্য নায়ক!

যশোর তথা দক্ষিণবঙ্গে বিএনপির রাজনীতির একচেটিয়া কর্তৃত্ব দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের হাতে। তার একক নেতৃত্বের কারণেই দলের অভ্যন্তরে পাল্টা গ্রুপ তৈরি হয়নি। কিন্তু তার কারণেই নেতৃত্বের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলের একজন শীর্ষ নেতা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই নেতা ইত্তেফাককে বলেন, 'তরিকুল ইসলাম চাননি দলে তার পর্যায়ের কোনো নেতার উত্থান ঘটুক। তিনি যখন যাকে মনে করেছেন তাকে দূরে ঠেলে দিয়েছেন কিংবা 'সাইজ' করেছেন। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিশাল বিজয়কে পুঁজি করে বিএনপি অবশ্য ঘর গোছাতে ব্যস্ত। ওয়ার্ড পর্যায়ে সাংগঠনিক কর্মীসভা আর ইফতার পার্টি করে দলকে সুসংগঠিত করার কাজ চলছে বলে জানান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাবেরুল হক সাবু। তিনি জানান, আন্দোলন অথবা নির্বাচন দুই ধরনের প্রস্তুতি নিয়েই দলকে গোছানো হচ্ছে। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয়ের পর কর্মীরা মানসিক শক্তি ফিরে পেয়েছে এবং নিষ্ক্রিয় কর্মীরা সক্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করেছেন।

নির্বাচনী মাঠের হালচাল

যশোর-১ আসনটি সীমান্তঘেঁষা শার্শা উপজেলায়। এখানকার আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দীন আগামীবারও দলের মনোনয়নের প্রত্যাশায় গ্রামপর্যায় পর্যন্ত সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। তবে চোরাকারবারীদের সঙ্গে তার সখ্যতার অভিযোগ এনে দলের প্রতিপক্ষরা আফিলবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছেন। শার্শা উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মিন্নু এবং বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন মনোয়ন লড়াইয়ে শক্ত প্রতিপক্ষ হবেন— এমন আলোচনা পুরো এলাকা জুড়ে। গত নির্বাচনে ৪ দলীয় জোটের শরিক জামায়াত নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান এবার নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী হলেও এই আসনের মনোনয়ন প্রশ্নে অনড় থাকবে বিএনপি। তাদের দলীয় প্রার্থী হবেন সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শামসুর রহমান। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত কেন্দ ীয় সদস্য মফিকুল হাসান তৃপ্তি দলে ফিরে মনোনয়নের দাবিদার হবার কথাও চাউর রয়েছে দলের অভ্যন্তরে।

ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলা নিয়ে যশোর-২ সংসদীয় আসনের এমপি তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ এবং ১৯৯৬ সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম নৌকার দাবিদার। কিন্তু মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদের স্ত্রী মমতাজ ফারুকের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড মন্ত্রীর ইমেজকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। সাবেক এই কূটনীতিকের সাথে মাঠের যোগাযোগও সীমিত। রফিকুল ইসলাম সামপ্রতিককালে গণসংযোগ বাড়ালেও কর্মীদের মধ্যে আগে থেকেই তার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। সংস্কারপন্থী নেতা হিসেবে কেন্দে র সঙ্গে তার দূরত্ব আজও কাটেনি। আওয়ামী লীগের অপর দুই প্রার্থী দুই উপজেলা চেয়ারম্যান। এদের মধ্যে চৌগাছার এসএম হাবীবের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। অপেক্ষাকৃত ক্লিন ইমেজের ঝিকরগাছা চেয়ারম্যান অ্যাড মনিরুল ইসলাম মনির নানা কারণে এই আসনের শক্ত দাবিদার হবেন। এই আসনে বিএনপির 'ভালো প্রার্থী'র সংকট মারাত্মক। মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন নিহত নেতা নাজমুল ইসলামের স্ত্রী সাবেরা সুলতানা মুন্নী, চৌগাছা বিএনপি সভাপতি জহুরুল ইসলাম, জেলা বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মো. ইসহক ও অ্যাডভোকেট কাজী মনিরুল হুদা। সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম সদরের বাইরে এই আসন থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। গতবার জোটের প্রার্থী জামায়াত নেতা মোহাদ্দেস আবু সাঈদ এবং ডা. মিজানুর রহমানের নামও রয়েছে সম্ভাব্য তালিকায়।

জেলার সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ আসন যশোর-৩। সদর এ আসনে বিএনপির একক প্রার্থী দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম। তার প্রতিদ্বন্দ্বী তালিকায় রয়েছেন ৪ জন আওয়ামী লীগ নেতা। তারা হলেন বর্তমান এমপি খালেদুর রহমান টিটো, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার, সভাপতি আলী রেজা রাজু এবং কেন্দ্রীয় সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ। কিন্তু আলী রেজা রাজুর শারীরিক অসুস্থতা এবং কাজী নাবিল আহমেদের দল বিচ্ছিন্নতা তাদের দুজনকে পিছিয়ে রাখবে। এক্ষেত্রে বিপরীত মেরুর দুজন দুজনের চরম প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন— এমন ধারণা বিশ্লেষকদের। এই দুজনের বাইরে কনকর্ড গ্রুপের কর্ণধার কাজী কামাল আহমেদ মুজিব কোট গায়ে চাপিয়ে চমকে দিতে পারেন।

নির্বাচন কমিশনের সীমানা পুনর্বিন্যাসে পূর্ববর্তী অবস্থায় ভোটের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ হয়েছে যশোর ৪ ও ৬ আসনে। ২০০৮ সালের যশোর-৪ আসনের বাঘারপাড়া উপজেলার একক আসন পুনরায় যুক্ত হয়েছে অভয়নগর উপজেলা ও সদরের বসুন্দিয়া ইউনিয়নের সাথে।

আর যশোর-৬ আসনের কেশবপুর উপজেলা অভয়নগর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একক আসনের পূর্ববর্তী মর্যাদায় ফিরে গেছে। এক্ষেত্রে যশোর-৪ থেকে নির্বাচিত রনজিত রায় এবং যশোর-৬ থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদের হুইপ শেখ আব্দুল ওহাব দুজনই চাইবেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন। কিন্তু হুইপের সন্ত্রাসী বাহিনীর তত্পরতা, নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগে ক্ষুব্ধ নিজ এলাকারই মানুষ। একইভাবে নিয়োগ বাণিজ্যের লাগামহীন অভিযোগে রনজিত রায়ের উপরও বিরক্ত তার এলাকার সাধারণ মানুষ। সেক্ষেত্রে যোগ্য প্রার্থীর অভাবে ২০০৮ সাল থেকে শারীরিক কারণে নির্বাচনের বাইরে থাকা ওই এলাকার সাবেক এমপি জেলা পরিষদের প্রশাসক শাহ হাদীউজ্জামানের নাম আলোচনায় থাকলেও নির্বাচনে তার অনীহার কথা রয়েছে তার ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে। এরই মধ্যে অভয়নগর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মোল্লা, উপজেলা সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বাবুল এবং কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য আমজাদ হোসেন নিজেদের প্রার্থী পরিচয়ে শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চাইতে শুরু করেছেন। এর বাইরে তরুণ শিল্পপতি আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ নাসির উদ্দীনের নামও রয়েছে মনোনয়ন তালিকায়। এমন রটনাও আছে আওয়ামী লীগের না পেলে বিএনপির টিকিটে তিনি নির্বাচন করবেন। তবে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশায় ব্যাপক প্রচারণায় নেমেছেন পাশের ফুলতলা উপজেলার জামিরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লন্ডন প্রবাসী চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্ট ড. মামুন রহমান। লন্ডনের 'তারেক জিয়া কানেকশনে' তিনি টিকিট পেলে কপাল পুড়তে পারে বাঘারপাড়ায় দীর্ঘদিন নির্বাচনী প্রচারণায় থাকা বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য প্রকৌশলী টিএস আইয়ুবের।

মনিরামপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য খান টিপু সুলতানের বিরুদ্ধেও নিয়োগ বাণিজ্যের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান স্বপন ভট্টাচার্য এবং উপজেলা সভাপতি মাহমুদুল হাসান প্রার্থীর দাবিদার হলেও সংসদ নির্বাচনের বৈতরণী পার হবার মতো মুন্সিয়ানা তাদের নেই বলেই অনেকে মনে করেন। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির দুজন সহ-সম্পাদকের মধ্যে আব্দুল মজিদ বা কামরুল হাসান বারীর হাতে নৌকার টিকিট দেখা যেতে পারে। বিএনপি জোটে এখানে প্রার্থিতার মূল দাবিদার এরশাদের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী থেকে ইসলামী ঐক্যজোট হয়ে জমিয়াতুল ওলামা ইসলাম নামের দল গড়া মহাসচিব হেফাজত নেতা মুফতি ওয়াক্কাস। মনিরামপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও পৌর মেয়র শহীদ ইকবাল এবং জামায়াত নেতা গাজী এনামুল হকও রয়েছেন ৪ দলীয় জোটের প্রার্থী তালিকায়।

নতুন করে অখণ্ড সীমানা ফিরে পাওয়া যশোর-৬ এর কেশবপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর প্রধান দাবিদার সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এএসএইচকে সাদেকের স্ত্রী ইসমত আরা সাদেক। উপজেলা চেয়ারম্যান এইচএম আমির হোসেন এবং উপজেলা সভাপতি এসএস রুহুল আমীন প্রার্থী হতে মনোনয়ন চাইলেও উতরাতে পারবেন না বলেই গুঞ্জন আছে। এক্ষেত্রে সবাইকে চমকে দিতে পারেন আমেরিকা প্রবাসী চিত্রনায়িকা শাবানা। তিনি আওয়ামী লীগের কাছে চেয়ে না পেলে ধানের শীষে ভর করতে পারেন বলেও এলাকায় রটনা আছে।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
'ইউনিয়ন পর্যায়ে ডিজিটালাইজেশনের সুবাদে দেশে দুর্নীতি অনেকটাই কমেছে'। প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই বক্তব্যের সাথে আপনিও কি একমত?
8 + 5 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
এপ্রিল - ৮
ফজর৪:২৭
যোহর১২:০১
আসর৪:৩১
মাগরিব৬:২০
এশা৭:৩৪
সূর্যোদয় - ৫:৪৪সূর্যাস্ত - ০৬:১৫
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :