The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার ০৪ আগস্ট ২০১৩, ২০ শ্রাবণ ১৪২০ এবং ২৫ রামাযান ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ উন্মুক্ত হলো কুড়িল ফ্লাইওভার | পাবনায় গণপিটুনিতে নিহত ৩ | সেই আলোচিত পান্না ঢাকায় গ্রেফতার

অনেকে আমাকে অনুকরণটাও ঠিকভাবে করতে পারে না, মূল বিষয়টিকে নষ্ট করে ফেলে

হানিফ সংকেত বরেণ্য গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব। তার অনুষ্ঠান যেমন সবার চাইতে আলাদা, তেমনি তার জীবন, তার দর্শন সবকিছুই আলাদা। দেশের টিভি ইতিহাসের সবচাইতে জনপ্রিয় ও দীর্ঘমেয়াদি অনুষ্ঠান 'ইত্যাদি'র স্রষ্টা। তার ব্যক্তিত্বের আবর্তেই আবর্তিত হয় পুরো অনুষ্ঠান। মন্ত্রমুগ্ধের মতো উপভোগ করেন দর্শক। তার চিন্তা-চেতনার ফসল 'ইত্যাদি'কে বলা হয় শেকড় সন্ধানী 'ইত্যাদি'। কখনও মাটি ও মানুষের 'ইত্যাদি'। ইতিহাস, ঐতিহ্য সন্ধানী 'ইত্যাদি'। নিয়মিত অনিয়ম, অসংগতি, রাজনীতি, সমাজনীতি, আদর্শবাদের নামে আমাদের চারিদিকে লোক হাসানো যে বিনোদনের জন্ম হচ্ছে; তা নিয়ে 'ইত্যাদি'তে কটাক্ষপাতের পাশাপাশি থাকে মানুষকে সচেতন করার উদ্যোগ। প্রত্যন্ত অঞ্চলের সত্, সাহসী, সাদামনের মানুষদের তুলে এনে তাদের আদর্শে অন্যদের অনুপ্রাণিত করা 'ইত্যাদি'র বৈশিষ্ট্য। নিজগুণে হানিফ সংকেত আজ একটি প্রতিষ্ঠান। সামাজিক ক্ষেত্রে তার অবদানের জন্য পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় সম্মান। ঈদ উপলক্ষে ইত্তেফাক-এর পক্ষ থেকে মুখোমুখি হয়েছিলাম এই বরেণ্য নির্মাতার। লিখেছেন তানভীর তারেক

কেমন আছেন? আপনি এবারে কোথায় ঈদ করবেন?

ভালো। ঢাকায়।

আজকাল তো অনেকেই ঈদের সময় দেশের বাইরে চলে যান। ইদানীং শিল্পীরাও যাচ্ছেন। ঈদের সময় বাইরে যওয়ার এই কালচারটাকে কীভাবে দেখেন?

এটা এক ধরনের ফ্যাশন। সারাবছর দেশে থাকে আর ঈদের আনন্দের সময় আত্মীয়স্বজনকে ফেলে বিদেশে যায় আনন্দ করতে, এটা কেমন আনন্দ বুঝি না। তবে গত ২৫ বছরে আমি কখনোই ঈদের সময় দেশের বাইরে যাইনি। গিয়েছি ঈদের আগে না হয় ঈদের পরে। আমি সবসময় দর্শকদের সঙ্গে 'ইত্যাদি' দেখি। এটাও আমার ঈদের আরেকটি আনন্দ।

আপনি সব সময় 'ইত্যাদি'তে দেশের গান, লোক সংগীত কিংবা বিষয়ভিত্তিক গান করেন। প্রচলিত ধারার গান থাকে না। নাকি আপনি রাখতে চান না?

কথাটা ঠিক না। লোহানী ভাই একটা কথা বলতেন, 'দর্শকের কাছে আমরা যাব কেন? দর্শককে আমাদের কাছে আনতে হবে।' কিছু পাশ্চাত্য বাদ্যযন্ত্রের অতি ব্যবহার এবং যন্ত্র কৌশলে সংগীত হয়ে উঠেছে যন্ত্রণা সংগীত। আর এসব যন্ত্রণা সংগীতের যারা ভক্ত তাদের ফিরিয়ে আনতে হবে আমাদের সংস্কৃতির আঙ্গিনায়। আমার এই বিশ্বাস নিয়ে আমি একটি নাটকও করেছিলাম। নাম ছিল 'আয় ফিরে তোর প্রাণের বারান্দায়'।

এখন চারিদিকে তারকার ছড়াছড়ি। আপনার দৃষ্টিতে তারকার সংজ্ঞা কী?

দেখুন এসব নিয়ে আমি 'ইত্যাদি'তে প্রায়ই বিভিন্ন স্কিড করি। এই ধরনের তারকা নিয়ে একবার 'ইত্যাদি'তে বলেছিলাম, 'মিডিয়া জগতে 'তারা' বলতে কেউ আকাশের তারা বোঝেন না। যাদেরকে বোঝেন তাদের অনেকেরই দ্যুতি আবার দু'দিনের। 'তারা' নির্মাণের এই ধারা আমাদের শিল্পীহারা করে দিচ্ছে কি না সেটাই এখন চিন্তার। কারণ শিল্পী আর 'তারা'র গুণগত পার্থক্য বোঝেন না যারা, তারাই এই ধারার প্রবর্তক।

অনেকেই প্রতি সপ্তাহে, প্রতিদিন টেলিভিশনের পর্দায় উপস্থিত থেকে নানা বিষয় করেও মানুষের মনে স্থান পায় না। নিজেরা অনুষ্ঠান করে নিজেদের চ্যানেলে নিজের ঢোল নিজেই বাজাতে থাকেন, এমনকি খবরেও। আর আপনাকে বছরে মাত্র পাঁচ-ছয়বার টিভি পর্দায় দেখা যায়, তারপরও আপনার গ্রহণযোগ্যতা তুঙ্গে। ফেসবুক পেজেস স্ট্যাটিটিকস্ (Statistics)-এ আপনিই সবচেয়ে এগিয়ে। অর্থাত্ বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের কাছেও আপনার জনপ্রিয়তা মিডিয়ার সবার চাইতে বেশি। এর নেপথ্যে রহস্য কী?

ভালোবাসা এবং ভালোবাসা। আমি দর্শকদের নিয়ে, দর্শকদের জন্যই অনুষ্ঠান করি এবং দর্শকদের নিয়েই সেই অনুষ্ঠান উপভোগ

করি। দর্শকের রায়ই আমাদের কাছে চূড়ান্ত। অনুষ্ঠান নির্মাণে আমাদের সততা ও আন্তরিকতা হয়তো দর্শকরা বুঝতে পারেন। আর সেজন্যই আমাকে ভালোবাসেন, 'ইত্যাদি'কে ভালোবাসেন, ভালোবাসেন 'ইত্যাদি' পরিবারকে। আর দর্শকদের এই ভালোবাসায় ধন্য হয়েই 'ইত্যাদি' পাড়ি দিয়েছে এই দীর্ঘ পথ।

আপনি স্টুডিওর চার দেয়াল থেকে টিভি অনুষ্ঠানকে খোলা আকাশের নিচে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু অনেকেই নিজে না ভেবে 'ইত্যাদি'কে অনুকরণ করে অনুষ্ঠান বানাচ্ছেন। লোকেশন থেকে শুরু করে বিষয় পর্যন্ত কোনো কিছুই বাদ যায় না। বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন আপনি?

প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে আমরা যে ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরার চেষ্টা করছি কেউ যদি অনুপ্রাণিত হয়ে তা অনুসরণ করে তাতে খারাপ কিছু দেখি না। তবে অনুসরণ আর অনুকরণের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। অনুসরণ করাটা খারাপ না। তবে অনুকরণ করাটা ঠিক নয়। কারণ অনুকরণ করা আর নকল করা একই জিনিস। আমরা আমাদের অনুষ্ঠান নির্মাণে কতটা আন্তরিক, কতটা শ্রম দিই, অনুষ্ঠান দেখলে দর্শকরা সেটা বোঝেন। কিন্তু অন্য অনুষ্ঠানে যখন আমরা আমাদের বিষয়গুলোকে অনুকরণ করতে দেখি, তখন করুণা হয়; কারণ অনেকে অনুকরণটাও ঠিকভাবে করতে পারে না। বিষয়টিকে নষ্ট করে ফেলে।

আমাদের দেশে এত ভালো ভালো নির্মাতা, দক্ষ কারিগর, মেধাবী লেখক থাকার পরেও এক শ্রেণীর চ্যানেল এবং নির্মাতারা পার্শ্ববর্তী দেশে গিয়ে অনুষ্ঠান নির্মাণ করেন। অথচ কেউ কোনো প্রতিবাদ করছে না। না সরকার, না চ্যানেল মালিক, না মিডিয়াকর্মী।

এটা অত্যন্ত দুভার্গ্যের বিষয় যে, পৃথিবীর অনেক দেশে বাংলাদেশের চ্যানেলগুলো দেখা গেলেও আমাদের বন্ধু দেশে দেখা যায় না। আপনার মতো এ প্রশ্নটি আমাকেও পীড়া দেয়। অর্থাত্ এ দেশে ভারতীয় চ্যানেলের দরজা খোলা থাকলেও সেদেশে আমাদের চ্যানেলের দরজা কড়াকড়িভাবে বন্ধ। অথচ সেখানকার দর্শকদের কাছে আমাদের অনুষ্ঠান খুবই প্রিয়। এ নিয়ে সরকার, চ্যানেল মালিক, মিডিয়াকর্মী কেউ কিছু বলছে না কেন? ওখানকার নির্মাতারা, ক্রুরা এখানে এসে অনুষ্ঠান বানান। আমাদের কিছু কিছু চ্যানেল গর্বের সঙ্গে সেগুলো চালান। আবার বলেন বিদেশি কারিগর দ্বারা নির্মিত। বাঃ! দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে সিরিজ নাটক চলে, চলে রিয়েলিটি শো। তারপরও আমাদের চ্যানেল ওখানে বন্ধ কেন? কেন এ ব্যাপারে এখানে কেউ কিছু বলছে না? বিষয়টি ভাবনার। তবে কিছু মিডিয়াকর্মী অবশ্য ওখানকার গল্প, নির্মাতা, নির্মাণ কৌশল, এমনকি মিউজিক পর্যন্ত অনুকরণ করে অনুষ্ঠান বানিয়ে বিভিন্ন চ্যানেলে চালাচ্ছেন। সুতরাং তাদের প্রতিবাদ না করারই কথা।

কিছু কিছু চ্যানেল নির্মাতা, গায়ক-গায়িকা ওখানে গিয়ে পুরস্কৃত হন। সেটা আবার ঘটা করে এখানে প্রচারও করেন।

এসব পুরস্কার সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই ধারণা আছে। আগে কেউ এ ধরনের পুরস্কার পেলে সবাই তার প্রতিভার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতো, আর এখন অলক্ষ্যে হাসে। শোনা যায়, এসব পুরস্কার পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতি আছে। কেউ কেউ আছেন অনুষ্ঠান ভালো করার চাইতে এসব পুরস্কার পাওয়ার জন্য বেশ শ্রম দেন।

এবারে ঈদের 'ইত্যাদি' প্রসঙ্গ। ঈদ অনুষ্ঠানে বিদেশিদের পর্বটির জন্য সবাই অপেক্ষা করেন। এই আইডিয়াটি মাথায় এল কিভাবে? এত বিদেশি জোগাড় করেন কিভাবে?

আসলে প্রায় দুই যুগ ধরে বিদেশি নাগরিকদের দিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের বিষয় উপস্থাপন করছি। আমরা পর্বটি শুরু করেছিলাম গ্রামীণ খেলাধুলা দিয়ে। যেমন গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী লাঠিলেখা, হা-ডু-ডু, ফুটবল, ডাংগুলি, বাঁশের সাঁকো পার হওয়া, নদীতে সাঁতার কাটা, দ্রুত গাছে উঠা—এসব গ্রামীণ খেলা। বিদেশিরা যখন এইসব গ্রামীণ খেলায় অংশ নেয় বিষয়টি সবাইকে অবাক করে। বিদেশি হয়েও তাদের জন্য প্রায় অসম্ভব এসব খেলায় যখন তারা অংশগ্রহণ করেন তখন দর্শকরা যেমন বিস্মিত হন, তেমনি আনন্দও পান। আর বিদেশিদের পেতে বা জোগাড় করতে আমাদের কষ্ট হয় না। কারণ দর্শকদের মতো ঢাকায় বসবাসরত বিদেশিরাও 'ইত্যাদি'কে খুব ভালোবাসেন। শুধু তাই নয়, ঢাকার বিদেশি পাড়ায় 'ইত্যাদি' একটি জনপ্রিয় নাম। বছরের এই সময়টাতে বিদেশিদের ছুটি থাকে বলে তাদের পাওয়া খুবই কঠিন। তারপরও অনেকেই 'ইত্যাদি'তে অংশগ্রহণ করার জন্য ছুটি ভোগ করেন না। তারা মনে করেন, এটি তাদের জীবনে একটি নতুন অভিজ্ঞতা ও আনন্দ। তাই তারা স্বতস্ফূর্তভাবে এই পর্বটিতে অংশগ্রহণ করেন। আমার বিশ্বাস প্রতিবারের মতো এবারও বিদেশিদের এই পর্বটি দর্শকদের বাড়তি আনন্দ দেবে।

শুরু থেকে আজ পর্যন্ত 'ইত্যাদি' বাংলাদেশ টেলিভিশনেই প্রচার হচ্ছে, যদিও বিটিভির অনুষ্ঠানমালা নিয়ে শোনা যায় নানা প্রশ্ন। এ বিষয়ে যদি কিছু বলেন।

আসলে এর উত্তর জানতে চাইলে আমাকে চলে যেতে হবে আরও পেছনে। অন্তত দুই বছর পেছনে ফিরে যেতে হবে। ২০১১ সালে বিবিসি বাংলাদেশ জরিপের ফলে দেখা গেছে, দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৫৮ শতাংশ বিটিভি দেখে। আর আমার 'ইত্যাদি'র জনপ্রিয়তার হার শতকরা ৭৫ ভাগ। স্বীকার করছি বিটিভি কিছুটা দর্শক হারিয়েছে। তারপরও স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলো এখনও শহরকেন্দ্রিক। তবে বিটিভি দেখা যায় একবারে নিভৃত পল্লীতেও। সেসব জায়গায় এখনও স্যাটেলাইটের ছোঁয়া লাগেনি। কাজেই সব দর্শক যাতে করে 'ইত্যাদি' দেখতে পারে তার জন্যই বিটিভিতে অনুষ্ঠান করছি। আশা করছি যতদিন 'ইত্যাদি' প্রচার করব, বিটিভিতেই করব।

ওই সময়ের কোনো স্মৃতি কিংবা অভিজ্ঞতা শেয়ার করতেন যদি।

প্রথম যেকোনো কিছু তৈরির অভিজ্ঞতা একেক জনের কাছে একেক রকম। সব কিছুর পরও 'ইত্যাদি'র মতো জটিল ও কঠিন অনুষ্ঠান নির্মাণ করতাম, সেজন্য নাটক পরিচালনায় সেভাবে বেগ পেতে হয়নি আমার। ভয়টা ছিল নাট্যকার হিসেবে দর্শকরা আমাকে গ্রহণ করবেন কি না। কতটাইবা গ্রহণ করবেন। প্রচার হওয়ার পর তো দর্শকদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাই। নাটকটি প্রচার হওয়ার সময়কার একটি স্মৃতির কথা শেয়ার করছি। খ্যাতিমান কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ সে সময় আমাকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। ওই চিঠিটা আমি তার স্মৃতি রক্ষার্থে আমার কাছে খুব যত্ন করে রেখে দিয়েছি।

পাঠকদের জন্য কিছু বলুন।

পরিশেষে একটি কথাই বলব, শিকড় ছাড়া যেমন গাছ বাঁচে না, তেমনি শিকড় না চিনলে বাঁচে না মানুষের সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়। আমাদের বর্তমান প্রজন্ম ও আগামী প্রজন্ম এই প্রেরণায় নিজেকে সমৃদ্ধ করবে—এই প্রত্যাশা করছি। আপনাদের সবার ঈদ হোক আনন্দময়। ঈদ মোবারক।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, 'জামায়াতকে নিষিদ্ধের কোন পরিকল্পনা সরকারের নেই।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
2 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ৬
ফজর৫:০৭
যোহর১১:৫০
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:২৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :