The Daily Ittefaq
বুধবার, ১৩ আগস্ট ২০১৪, ২৯ শ্রাবণ ১৪২১, ১৬ শাওয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৭৮.৩৩ শতাংশ | প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রভাব ফলাফলে পড়েনি: শিক্ষামন্ত্রী | পাসের হারে মেয়েরা, জিপিএ-৫-এ ছেলেরা এগিয়ে

ভারতীয় চায়ে ক্ষতিকর কীটনাশকের দাবি গ্রিনপিসের

অনলাইন ডেস্ক

পৃথিবীর অন্য যে কোন দেশের লোকদের চাইতে ভারতীয়রা বেশি চা পান করেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিনপিস বলছে, ভারতের উৎপাদিত এবং সেখানকার বাজারে বিক্রি হয় এমন চায়ের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ওপর পরীা চালিয়ে তারা এর মধ্যে 'অগ্রহণযোগ্য মাত্রায়' বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ পেয়েছে। মঙ্গলবার বিবিসির অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

গ্রিনপিসের ভারতীয় শাখা সোমবার এক রিপোর্টে অভিযোগ করেছে, যে সমস্ত কীটনাশক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উচ্চ এবং মধ্যমমাত্রার তিকর বলে চিহ্নিত করেছে, তার উপস্থিতি পাওয়া গেছে ভারতের বিভিন্ন প্রথম সারির ব্রান্ডের চায়ে। এর মধ্যে আছে হিন্দুস্তান ইউনিলেভার এবং টাটা গ্লোবাল বেভারেজ লিমিটেড - যারা লিপটন এবং টেটলি চা তৈরি করে। কোন কোন েেত্র এতে এমন কীটনাশক পাওয়া গেছে যা চা চাষে ব্যবহারের অনুমোদন নেই।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ২০১৩ সালের জুন থেকে এই বছর মে মাস পর্যন্ত সময়কালের মধ্যে তারা ভারতের প্রধান ১১টি কোম্পানির মধ্যে আটটি কোম্পানির উৎপাদিত চায়ের নমুনা পরীা করেছে।

গ্রিনপিস ইন্ডিয়া বলছে, তাদের পরীা করা ৬০ শতাংশ নমুনাতে ডিডিটি পাওয়া গেছে - যা ১৯৮৯ সালেই ভারতে কৃষিকাজে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। রিপোর্টে অবশ্য এটা উল্লেখ করা হয় নি যে, ঠিক কোন কোম্পানি এটা ব্যবহার করেছে।

গ্রিনপিসের নেহা সায়গল বলছেন, তাদের প্রতিষ্ঠান এটা স্বীকার করে যে ভারতীয় চা অত্যন্ত উচ্চমানের এবং তা জাতীয় গর্বের বিষয়। কিন্তু কীটনাশক ব্যবহারের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিক্রিয়া নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।

গ্রিনপিস ইন্ডিয়া বলছে, তারা ভোক্তাদের ভয় পাইয়ে দিতে চান না বা লোককে চা পান না করার পরামর্শও দিতে চান না। তারা উৎপাদনকারীদের সাথে কাজ করছে যেন চা চাষে তিকর কীটনাশক ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দেয়া হয়।

গ্রিনপিসের জরিপে যে চা নমুনা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে তা ভারতের বাজার থেকেই নেয়া এবং তাদের এটা জানা নেই যে এই একই চা বিদেশে রফতানি করা হয় কিনা।

ভারতের চা উৎপাদনকারীরা বলছেন, তারা কীটনাশক ব্যবহার করেন। তবে তা অবৈধ নয়।

সাউদার্ন টি প্যান্টার্স এসোসিয়েশনের মি. রাধাকৃষ্ণানের ভাষ্যে, চা প্রক্রিয়াজাত করার ফলে তা পানের জন্য নিরাপদই থাকে।

গ্রিনপিস বলছে, তারা তাদের জরিপে যেসব কোম্পানির নাম বলেছেন, তাদের মধ্যে ইউনিলেভার এবং টাটা গ্লোবালসহ অধিকাংশ কোম্পানিই এই জরিপের ব্যাপারে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

তারা বলছে, ইউনিলেভার জানিয়েছে তারা কীটনাশকমুক্ত ব্যবস্থাপনার লে বড় আকারো বৈজ্ঞানিক গবেষণা হাতে নিতে যাচ্ছে। তবে টাটা এখনও সনাতনী পদ্ধতিই অনুসরণ করছে যাতে জৈব এবং রাসায়নিক উভয়ধরণের নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিরই সমন্বয় করা হয়েছে।

চা উৎপাদন ও রফতানি সংক্রান্ত ভারতের সরকারি প্রতিষ্ঠান টি বোর্ড অব ইন্ডিয়া এক বিবৃতিতে গ্রিনপিসের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

তারা বলেছে, আমরা গ্রিনপিসের এই রিপোর্ট পর্যালোচনা করেছি এবং নিশ্চিত করছি যে সবধরণের নমুনা পরীাই ভারতের আইন ও বিধির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ - যার ল্য হচ্ছে ভোক্তাদের সুরা।

টি বোর্ড অব ইন্ডিয়ার বিবৃতিতে বলা হয়, কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে তৈরি ভারতের চা সারা বিশ্বেই সম্পূর্ণ নিরাপদ বলে বিবেচনা করা হয়।

সর্বশেষ আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, 'জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালায় কারো নৈতিক অধিকার খর্ব করা হয়নি।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
8 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
অক্টোবর - ১৪
ফজর৪:৩৯
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৫৫
মাগরিব৫:৩৭
এশা৬:৪৮
সূর্যোদয় - ৫:৫৫সূর্যাস্ত - ০৫:৩২
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :