The Daily Ittefaq
শুক্রবার ১৫ আগস্ট ২০১৪, ৩১ শ্রাবণ ১৪২১, ১৮ শাওয়াল ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ শাহ আমানতে যাত্রীর ফ্লাস্ক থেকে ৪০ লাখ টাকার সোনা উদ্ধার | ধর্ষণের ঘটনা ভারতের জন্য লজ্জার: মোদি | শোক দিবসে সারাদেশে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা | লঞ্চ পিনাক-৬ এর মালিকের ছেলে ওমর ফারুকও গ্রেফতার

¬বিশ্বনেতাদের চোখেব ঙ্গ ব ন্ধু

জীবদ্দশায় বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাংলাদেশসহ বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিতদের জনপ্রিয় নেতাদের মতো একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। যাঁর খ্যাতি ও পরিচিতি পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে বাঙালির মরণপণ লড়াইয়ের সময় বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাঁকে অপছন্দ করতো এমন দেশ ও মানুষও কম ছিল না। কিন্তু বাঙালির রক্তেধোয়া বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের পর অপছন্দের 'অ' লোপ পায়। বঙ্গবন্ধু জীবিতকালে এবং পঁচাত্তরে শাহাদাত বরণের পর সারাবিশ্বের খ্যাতিমান ব্যক্তিরা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে নানা বক্তব্য। কবি-সাহিত্যিকবৃন্দ লিখেছেন গল্প, উপন্যাস, নাটক, কবিতা ছড়া ও গান। এসব অভিমত, বক্তব্য ও রচনায় নানা দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। এখানে প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুনের সংকলিত ও সম্পাদিত 'খ্যাতিমানদের চোখে বঙ্গবন্ধু' শীর্ষক গ্রন্থটি থেকে কিছু মতামত সংকলন করা হলো।



গ্রন্থনা করেছেন খালেক বিন জয়েনউদদীন

১.

বঙ্গবন্ধুকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন কখনো পছন্দ করেনি। তবুও তারা কী চোখে দেখতো বঙ্গবন্ধুকে তার একটি উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। এটি একটি রিপোর্ট, ১৯৭০ সালে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল যুক্তরাষ্ট্রে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিলে। সেখানে তারাও সামগ্রিকভাবে তাঁর প্রশংসা না করে পারেনি। রিপোর্টটিতে লেখা হয়েছিল—

'মুজিব সারাজীবনই একজন রাজনীতিবিদ। ১৯৪৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১০ বছর তিনি কাটিয়েছেন পাকিস্তানি জেলে, যার চূড়ান্ত পরিচয় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। এই মামলা পূর্ব পাকিস্তানীবাসীর কাছে তাঁকে শহীদ করে তোলে এবং তাঁর ক্ষমতার ভিত্তি তৈরি করে। মানুষ মুজিবকে ছাঁচে ফেল কঠিন। ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় তিনি আত্মবিশ্বাসী, শান্ত, চমত্কার। বেশ ঘুরেছেন তিনি এবং শাহরিক। মঞ্চে তিনি জ্বালাময়ী বক্তা। মুষলধারায় বৃষ্টির মধ্যেও তাঁর বক্তৃতা সাধারণকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখতে পারে। দলীয় নেতা হিসেবে কঠিন এবং কর্তৃত্বপরায়ণ, অনেকসময় একগুঁয়ে। বাঙালিদের অভিযোগের কথা বলতে গেলে তিনি হয়ে পড়েন স্বতস্ফূর্ত এবং আবেগপ্রবণ।

Roedad Khan (ed), American Paper, Karachi, 1999

২.

আলজিয়ার্সে ফিদেল ক্যাস্ট্রোর সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর সাক্ষাত্ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। দু'জনই বিশ্বপরিচিতি অর্জন করেছেন যোদ্ধা হিসেবে। ক্যাস্ট্রো বঙ্গবন্ধুকে সিআইএ বা মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার বিভিন্ন তত্পরতার বিরুদ্ধে বলেছিলেন। তারপর একসময় বললেন, 'সিআইএ থেকে সাবধান সুযোগ পেলেই ওরা আপনার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে।'

'পরিণতি যা-ই হোক', বললেন বঙ্গবন্ধু, 'আমি আপোস করবো না'

বলা হয়ে থাকে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে সিআইএ জড়িত ছিল।

ড. এম.এ ওয়াজেদ মিয়া, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা ও বাংলাদেশ, ঢাকা, ১৯৯৭।

৩.

১৯৭১ সাল। বঙ্গবন্ধু বন্দি পাকিস্তানের কারাগারে। ৫ এপ্রিল প্রকাশিক হয় যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত সাময়িকী নিউজ উইক। লোরেন জেনিকন্স ছিলেন পত্রিকাটির সম্পাদক। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের বক্তৃতা, মার্চের অসহযোগ আন্দোলন সবকিছু দেখে, পর্যালোচনা করে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে লিখেছিলেন ৫ তারিখের সংখ্যায়— 'দীর্ঘদেহী একজন বাঙালি (তাঁর উচ্চতা ৫ ফিট ১১ ইঞ্চি), একরাশ কাঁচাপাকা চুল, ঝোঁপসদৃশ গোঁফ এবং সতর্ক কালো চোখের অধিকারী মুজিব দশ লক্ষ শ্রোতার সমাবেশে আবেগপূর্ণ বাগ্মিতার উত্তাল ঢেউয়ের মাধ্যমে তাদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখতে সক্ষম। জনৈক কূটনৈতিক প্রতিনিধি বলেন :'এমনকি তাঁর সঙ্গে একলা আলাপ-আলোচনাকালে তিনি যেন ৬০ হাজার শ্রোতার সমাবেশে বক্তৃতা করছেন বলে মনে হবে। পাকিস্তানের তিনটি ভাষা—উর্দু, বাংলা ও ইংরেজিতে পারদর্শী মুজিব একজন মৌলিক চিন্তাবিদ বলে ভান করেন না, তিনি একজন রাজনীতির কবি, ইঞ্জিনিয়ার নন; কিন্তু বাঙালি কারিগরিবিদ্যা বিশারদের পরিবর্তে শিল্পীমনের অধিকারী বলে পরিচিত এবং তাঁর চিন্তা ও কর্মপদ্ধতি সম্ভবত এই এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী ও সব আদর্শের অনুসারীদের একতাবদ্ধ করার সহায়ক বলে প্রমাণিত হয়।'

আবদুল মতিন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব :কয়েকটি ঐতিহাসিক দলিল, লন্ডন, ২০০৮।

৪.

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস একটি প্রতিবেদন ছেপেছিল ২ মে, ১৯৭১, তার কিছু অংশ—'...মার্চে শাসনতান্ত্রিক এই সংকট যখন সৃষ্টি হয় তখন শেখ মুজিবের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। সাধারণ বাঙালির কাছে তাঁর কাপড় স্পর্শ করা ছিল তাবিজে শুভ ফল পাওয়ার মতো। তাঁর বাক্যই হয়ে উঠেছিল আইন। ধানমন্ডিতে তাঁর বাসা থেকে তিনি সব করছিলেন, সবার সঙ্গেই ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, তাঁর কাছে যাওয়ায় কোনো বাধা ছিল না। প্রতিদিন দেখা করতেন অজস্র লোকের সঙ্গে।' '...সম্পদ বা পদমর্যাদার দিকে তাঁর কোনো নজর ছিল না, সম্পূর্ণভাবে আন্তরিক ছিলেন জনগণের প্রতি। প্রতিটি বাঙালি, তিনি যত তুচ্ছ বা গরিবই হোন না কেন, তিনি তাকে মানুষের মর্যাদা ও সম্মান দিয়েই বিবেচনা করতেন, সাহায্য করতেন। তাঁর নাম তাঁর পরিবারের অবস্থা কখনো ভুলতেন না, প্রতিদানে বাঙালির তাঁকে বিশ্বাস করতেন, তাঁর সততা, আত্মত্যাগ, সাহস ও তাদের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও বিশ্বাস করতেন।'

এ কে এম আব্দুল মোমেন, 'বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ', '১৯৭১-এর স্মৃতিচারণ।

৫.

১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে স্বদেশে ফেরার পথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিল্লির পালাম বিমানবন্দরের যাত্রাবিরতির করেন। তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি.ভি. গিরি ও প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে ইন্দিরা গান্ধী বলেন—'শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর জনগণের নিকট স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং তিনি তাঁদের তা এনে দিয়েছেন। ভারত অঙ্গীকার করেছিল বাংলাদেশকে মুক্ত করবে, মুজিবকে মুক্ত করবে এবং সবশেষে শরণার্থীদের তাদের ভিটেমাটিতে পাঠিয়ে দেবে।' তিনি বলেন, 'আমাদের প্রতিশ্রুতিও আমরা পালন করেছি।'

The Indian Express, New Delhi, ১১.১.১৯৭২।

৬.

১৭ মার্চ, ১৯৭২ সালে ভারত বাংলাদেশ থেকে সৈন্য প্রত্যাহার শুরু করে। এ উপলক্ষে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দরা গান্ধী এসেছিলেন ঢাকায়। ১৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক জনসভায় তিনি বলেন—'আজকের দিনটি বিশেষ তাত্পর্যপূর্ণ ও সুখের দিন বটে। কারণ আজ শেখ মুজিবের জন্মদিন। তিনি হলেন এদেশের মুক্তিদাতা।...শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের বন্ধু।'

দৈনিক বাংলা, ১৮.৩.১৯৭২।

৭.

বঙ্গবন্ধুর মুক্তির জন্য ১৯৭১ সালে ভারতের সর্বোদয় নেতা জয়প্রকাশ নারায়ণ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। শেখ মুজিব যখন স্বদেশে ফেরার পথে দিল্লিতে যাত্রাবিরতি করেন, তখন সর্বোদয় নেতা ছিলেন অসুস্থ। কিন্তু পালাম বিমানবন্দরে তিনি বঙ্গবন্ধুর জন্য শুভেচ্ছা বার্তাসহ ফুলের মালা পাঠিয়েছিলেন। তিনি বলেন, 'এ যুগের সবচেয়ে বড় অহিংস গান্ধীবাদী নেতা হলেন শেখ মুজিবুর রহমান।'

ড. এম.এ ওয়াজেদ মিয়া, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা ও বাংলাদেশ, ঢাকা, ১৯৯৭।

৮.

জানুয়ারি মাসে, ১৯৭২ সালে সে সময়কার বিখ্যাত টিভি সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্ট ঢাকায় এসে বঙ্গবন্ধুর সাক্ষাত্কার নেন। দীর্ঘ সাক্ষাত্কার শেষে ফ্রস্ট বলেন, 'জয় বাংলা! আমি বিশ্বাস করি, বিশ্বাবাসী আপনার পাশে এসে দাঁড়াবে। আপনাদের পাশে এসে আমাদের দাঁড়াতে হবে। নয়তো ঈশ্বর আমাদের কোনো দিন ক্ষমা করবেন না।'

১৯৭৩ সালের মে মাসে, বিশ্বশান্তি পরিষদ ঢাকায় দু'দিনব্যাপী এক সম্মেলনের আয়োজন করে। এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে শান্তি পরিষদের মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুকে 'জুলিও কুরি শান্তি পদক' প্রদানকালে বলেন—

'শেখ মুজিব শুধু বঙ্গবন্ধু নন, আজ থেকে তিনি বিশ্ববন্ধুও বটে।'

৯.

১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু প্রথম জাপান সফরে গেলে জাপানের তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী কাকুই তানাকা মন্তব্য করেছিলেন, 'আধুনিক জাপানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিরোবুমি ইতোর সঙ্গে তাঁর মিল আছে।' ফরাসি লেখক আঁদ্রে মালরোকে ১৯৭৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান করেছিল। মালরো এসেছিলেন এবং তাঁর বক্তৃতায় বলেছিলেন, 'জগত্ মনে হয় বুঝতে চায়নি আপনাদের নিঃসঙ্গ সংগ্রামের মর্মকথা, কেবল ভারত ছাড়া, যে ভারত কবলিত হয়নি কোনো সামূহিকতাবাদী একনায়কত্বের কবলে। স্টালিন নয়, হিটলার নয়, মাও নয়—গান্ধী ও শেখ মুজিবুর রহমান। যদি জগত্ এখনো না বুঝে থাকে এঁদের মতের মর্মবাণী, তবে সময় এসেছে এ বিষয়ে দৃষ্টি উন্মোচনের। আর আমি হতে চাচ্ছি এই কর্মেরই শরীক।'

(অনুবাদ :খান সারওয়ার মুরশিদ, 'মালরো, মুক্তিযুদ্ধ, মুজিব ও কতিপয় নায়ক', এম. নজরুল ইসলাম সম্পাদিত, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মারকগ্রন্থ, ঢাকা ২০০৭।)

১০.

সেই আলজিয়ার্সেই লিবিয়ার বর্তমানে নিহত তত্কালীন রাষ্ট্রপতি মুয়াম্মার গাদ্দাফীর সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর দেখা। সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি ক্ষমতায় এসেছেন। ১৮৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে সমর্থন করেননি। ফয়সল বঙ্গবন্ধুকে যা বলেছিলেন, গাদ্দাফীও তাই বললেন। তিনি পরামর্শ দিয়ে বললেন, 'আপনার সঙ্গে আন্তরিকতাপূর্ণ বন্ধুত্ব করতে চাই। অবশ্য এর জন্য প্রথমেই আমি অনুরোধ করব, আপনার দেশের নাম বদলে ইসলামিক রিপাবলিক অব বাংলাদেশ রাখার জন্য।' উত্তরে বঙ্গবন্ধু বলেন, 'বাংলাদেশের জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে, তথা স্বাধীনতা যুদ্ধে মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ সকলেই ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করেছে। তা ছাড়া সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যগত দিক দিয়ে বাংলাদেশের জনগণের একটি ভিন্নধর্মী চিন্তা-চেতনা, মানসিকতা ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার এক-ষষ্ঠাংশ অমুসলিম। সর্বোপরি আল্লাহ্তালা তো শুধু মুসলমানদের আল্লাহ্ নন। তিনি রাব্বুল আলামীন, সবকিছুরই স্রষ্টা, মহান। সুতরাং, আপনার প্রস্তাব কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়।'

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, 'জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা নিয়ে টিআইবি'র বক্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক।' আপনিও কি তাই মনে করেন?
7 + 6 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
সেপ্টেম্বর - ৩০
ফজর৪:৩৪
যোহর১১:৪৯
আসর৪:০৮
মাগরিব৫:৫১
এশা৭:০৩
সূর্যোদয় - ৫:৪৯সূর্যাস্ত - ০৫:৪৬
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :