The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২৪ ভাদ্র ১৪২০ এবং ১ জিলক্বদ ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ থ্রিজির নিলাম সম্পন্ন: প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের দাম ২ কোটি ১০ লাখ ডলার | জামালপুরের নিজ বাড়িতে দম্পতি খুন | সিরিয়ায় সামরিক অভিযান প্রশ্নে সমর্থন বাড়ছে: যুক্তরাষ্ট্র | প্রধানমন্ত্রীর মাথা খারাপ, তার চিকিত্সার সুপারিশ করছি: খালেদা জিয়া

হজ্বের যাবতীয় আরকান ও আহকাম

জাকির হোসাইন আজাদী

সম্মানিত হজ্বযাত্রীগণের অবশ্যই কিছু বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যার মাধ্যমে তার হজ্ব কবুল যোগ্যতার স্তরে উন্নীত হবে। আর তা হলো—হজ্বের আরকান ও আহকাম। যেমন—

হজ্বের ফরজ চারটি :১. ইহরাম বাঁধা। হজ্বে ক্বিরান বা হজ্বে ইফরাদ বা হজ্বে তামাত্তুর উমরাহ্ বা শুধু উমরাহর জন্য। এ চারটির মধ্যে যেকোন একটির ইহরামের নিয়্যত করা। ২. তালবিয়া পাঠ করা। ৩. আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা। অর্থাত্, ৯ যিলহজ্ব দ্বিপ্রহর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যেকোন সময় এক মুহূর্তের জন্য হলেও আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা (সীমানার ভেতরে)। ৪. তাওয়াকে যিয়ারত করা। অর্থাত্, ১০ যিলহজ্বের ভোর থেকে ১২ যিলহজ্বের সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বাইতুল্লাহ্ শরীফে তাওয়াক করা, কিন্তু ১০ তারিখ করা উত্তম।

হজ্বের ওয়াজিবসমূহ: ১. নির্দিষ্ট জায়গা তথা মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধা। ২. সা'য়ী করা। অর্থাত্, সাফা ও মারওয়ার মধ্যে দৌঁড়ানো। ৩. সাফা হতে সায়ী করা। ৪. তাওয়াফের পর সায়ী করা। ৫. সূর্যাস্ত পর্যন্ত উকুফে আরাফা করা। ৬. মুযদালিফায় অবস্থান করা। ৭. মাগরিব এবং এশার নামাজ মুযদালিফায় এসে একত্রে পড়া। ৮. ১০ তারিখ শুধু যামরাতুল আকাবায় (মানে বড় শয়তানকে) এবং ১১ ও ১২ তারিখে তিন যামরায় রামি (কংকর) নিক্ষেপ করা। ৯. যামরাতুল আকাবার (বড় শয়তানকে) রামি বা কংকর নিক্ষেপের কাজটি ১০ তারিখে হলক তথা মস্তক মুণ্ডনের আগে করা। ১০. কুরবানির পর মাথা কামান কিংবা চুল ছাঁটা। ১১. ক্বিরান এবং তামাত্তু হজ্ব পালনকারীর জন্য কুরবানি করা। ১২. তাওয়াফ হাতীমের বাহির দিক দিয়ে করা। ১৩. তাওয়াফ ডান দিক থেকে করা। ১৪. বিশেষ অসুবিধা না থাকলে পায়ে হেঁটে তাওয়াক করা। ১৫. ওযুর সঙ্গে তাওয়াক করা। ১৬. তাওয়াফের পর দু'রাক'আত নামাজ পড়া। ১৭. তাওয়াফের সময় সতর ঢাকা থাকা। ১৮. কংকর নিক্ষেপ করা ও কুরবানি করা, মাথা মুন্ডানো এবং তাওয়াফ করার মধ্যে তারতীব বা ক্রমধারা বজায় রাখা। ১৯. মীক্বাতের বাইরে অবস্থানকারীদের বিদায়ী তাওয়াফ করা। ২০. ইহরামের নিষিদ্ধ কাজগুলো না করা।

হজ্বের সুন্নাতসমূহ: ১. তাওয়াফে কুদুম (ক্বিরান ও ইফরাদ হজ্ব পালনকারীদের জন্য)। তাওয়াফ হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করা। যে তাওয়াফের পর সায়ী আছে সে তাওয়াফে রমল এবং ইযতিবা করা। সাফা এবং মারওয়ার মধ্যে যে দু'টো সবুজ স্তম্ভ আছে, তার মধ্যবর্তী স্থান দৌঁড়ে অতিক্রম করা; তবে মহিলাদের জন্য তা প্রযোজ্য নয়। ২. তাওয়াফে কুদুমে রমল করা। ৩. ৭ তারিখ হেরেমে, ৯ তারিখ আরাফায় এবং ১১ তারিখ মিনার মাঠে ইমামের ৩টি খুত্বা শুনা। ৪. ৮ তারিখে মিনাতে অবস্থান এবং মিনায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া (যোহর, আছর, মাগরিব, এশা এবং পরের দিনের ফজর) ৫. নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে মাথা মুন্ডালে বা চুল ছাঁটলে 'দম' দিতে হবে। ৬. একটি উকুন বা পোকা মারলে একটি রুটির টুক্রা, তিনটি পর্যন্ত মারলে এক মুঠো গম আর এর বেশি মারলে সদকা কতে হবে। ৭. ওযর ছাড়া সুগন্ধি ব্যবহার করলে 'দম' দিতে হবে। ওযরবশত: ব্যবহার করলে কুরবানি বা তিনটি রোযা বা ছয়জন মিস্কীনকে সদকা ফিতেরর পরিমাণ অর্থাত্ পৌনে দু'সের (১ কেজি ৬৫০ গ্রাম) গম বা তার মূল্য প্রদান এ তিনটির যেকোন একটি করতে হবে। ৮. সেলাই করা কাপড় যদি একদিন এক রাতসহ পুরো একদিন পরিধানে থাকে, তবে 'দম' আর এর কম পরিমাণ সময় হলে সদকা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম গম বা তার মূল্য আদায় করতে হবে। ৯. স্বীয় স্ত্রীকে যৌন কামনাসহ চুমু খেলে কিংবা আলিঙ্গন করলে 'দম' দিতে হবে। ইহরামের ত্রুটিসমূহ :১. কোন কোন ইহরাম অবস্থায় সেলাইযুক্ত চাদর অথবা লেপ ব্যবহার করাকে সেলাইযুক্ত হওয়ার কারণে নাজায়েয মনে করেন এবং বলেন, ইহরামের অবস্থায় পুরুষের জন্য সেলাইযুক্ত কাপড় পরিধান করা জায়েয নয়। এটি অবশ্য ঠিক কথা যে, ইহরামের অবস্থায় পুরুষের জন্য সেলাইযুক্ত কাপড় পরিধান করা নিষিদ্ধ। ইহরামের অবস্থায় এমন সেলাই করা কাপড় পরিধান করা নিষিদ্ধ যা শরীরের মাপমত কেটে সেলাই করা হয়ে থাকে। যেমন: কোর্তা, পায়জামা, আচকান, ওয়াসেকাট, গেঞ্জি প্রভৃতি-এর অর্থ এই নয় যে, যে কাপড়েই সেলাই থাকবে তার ব্যবহারই নাজায়েয হবে। ২. ইহরামের নিয়ত করার পূর্বে যে নফল নামাজ পড়া হয়, তা কেউ কেউ মস্তক অনাবৃত অবস্থায় পড়েন। বিনা ওযরে মস্তক অনাবৃত করে নামাজ পড়া মাক্রূহ। এজন্য ইহরামের নিয়ত করার পূর্বে মাথা আবৃত করে নামাজ আদায় করা উচিত। অবশ্য ইহরামের নিয়ত করার পর মাথা আবৃত করে নামাজ পড়া নিষিদ্ধ।

হাজরে আসওয়াদ ও তাওয়াফের ত্রুটিসমূহ :১. অধিকাংশ তাওয়াফ পরিচালক এবং সাধারণভাবে হাজী সাহেবরা হাজরে আস্ওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানীর মাঝখানে দাঁড়িয়ে তাওয়াফের নিয়ত করে থাকেন। এভাবে নিয়ত করা নিষিদ্ধ; বরং তাওয়াফের নিয়ত এভাবে দাঁড়িয়ে করা উচিত যে, নিয়তকারীর ডান কাঁধ হাজরে আসওয়াদের বাম কিনারার সামনে থাকবে। যদি কেউ এভাবে দাঁড়িয়ে নিয়ত না করেন; বরং সেখান থেকে সামনে এগিয়ে নিয়ত করেন; তাহলে কারও কারও মতে শেষ তাওয়াফের মধ্যে অতিরিক্ত এক চক্কর কেটে তাওয়াফ সম্পন্ন করা মুস্তাহাব এবং কারও কারও মতে ওয়াজিব হবে। আরাফাতের ময়দানেও পুরুষ এবং মহিলাদের খুব বেশি মিশ্রণ ঘটে যায়। এ মিশ্রণ হতে উভয়কেই বেঁচে থাকতে হবে।

অকুফে মুযদালিফার ত্রুটিসমূহ :মুযদালিফায় এশার নামাজ পড়ে সুবহে সাদিক পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। সুবহে সাদিকের পর সামান্য সময়ের জন্য হলেও মুযদালিফায় অবস্থান করা ওয়াজিব। কিন্তু সুন্নত প্রক্রিয়া হলো, আউয়াল ওয়াক্তে অন্ধকারের মধ্যে ফজরের নামাজ পড়ে অকুফ করবেন এবং যখন সূর্যোদয়ের দু'রাক'আত পরিমাণ সময় অবশিষ্ট থাকবে, তখন মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে যাবেন। মুযদালিফায় অকুফের ওয়াক্ত সুবহে সাদিকের পর আরম্ভ হয় এবং সূর্যোদয় পর্যন্ত থাকে। কোন কোন লোক এ অকুফের প্রতি বড় একটা গুরুত্ব আরোপ করেন না। সুবহে সাদিকের পূর্বে অকুফের কোন মূল্য নেই। যদি কোন ব্যক্তি সুবহে সাদিকের পূর্বেই মুযদালিফা হতে বের হয়ে যান, তাহলে দম ওয়াজিব হবে। অবশ্য যদি কোন মহিলা ভিড়ের ভয়ে পূর্বাহে চলে যান, তাহলে তার ওপর দম ওয়াজিব হবে না। এমনিভাবে যদি কোন অসুস্থ, দুর্বল এবং শিশু আগে চলে যায়, তাহলেও দম ওয়াজিব হবে না। ১. মিনায় তিন জায়গায় এক পুরুষ পরিমাণ উঁচু খুঁটি তৈরি করে চারদিকে চিহ্ন লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। এ তিন জায়গাকে জামায়াত অথবা জেমার বলা হয়। সাধারণভাবে মানুষ এ খুঁটিত্রয়কে জেমার মনে করে থাকেন এবং এগুলোর উপরেই কংকর নিক্ষেপ করেন। প্রকৃতপক্ষে জেমার বা কংকর নিক্ষেপ করার জায়গা হচ্ছে খুঁটিসমূহের নিচে এবং চিহ্নের অভ্যন্তরস্থ ভূমিসমূহ। এজন্য খুঁটিসমূহের উপরে কংকর নিক্ষেপ করা উচিত নয়; বরং ঐ স্থানেই কংকর নিক্ষেপ করবেন; যেখানে কংকরসমূহ জমা হয়। যদি কেউ খুঁটির উপরে নিক্ষেপ করেন; আর তা গড়িয়ে নিচে পড়ে, তাহলে রামি শুদ্ধ হয়ে যাবে। ২. বাইতুল্লাহর ভেতরে প্রবেশ করা মুস্তাহাব; হজ্বের রুকন অথবা ওয়াজিব নয়। যদি সহজ উপায়ে প্রবেশের সুযোগ পাওয়া যায়, তাহলেই প্রবেশ করা উচিত। ৩. বাইতুল্লাহ শরীফের ভেতরে প্রবেশের ব্যাপারে এক বিরাট অনিষ্ট এ পরিলক্ষিত হয় যে, মহিলারাও প্রবেশ করে থাকেন এবং চাবি রক্ষক অথবা তার খাদেম মহিলাদের হাত ধরে সিঁড়ির উপরে উঠিয়ে থাকে। এছাড়াও বেগানা পুরুষদের সাথে একত্রিত হওয়ার পর্যায় এসে যায়। অতএব শরীয়তসম্মতভাবে যদি প্রবেশ করা সম্ভব না হয়, তাহলে হাতীমের ভেতরে নামাজ পড়ে নিলেই চলবে। হাতীমও বাইতুল্লাহ-এরই অংশ। হাদীস শরীফে এসেছে, হযরত আয়েশা (রা.) মান্নত করেছিলেন যে, যদি আল্লাহপাক রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য পবিত্র মক্কা জয় করিয়ে দেন, তাহলে বাইতুল্লাহর ভেতরেই দু'রাক'আত নামাজ আদায় করবেন। যখন আল্লাহপাক মক্কা বিজয় করিয়ে দিলেন, তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আয়েশাকে হাতীমে প্রবেশ করিয়ে বললেন, এখানেই নামাজ পড়ে নাও, হাতীমও বাইতুল্লাহরই অংশ। কেননা, কোরাইশদের নিকট নির্মাণ সামগ্রীর অভাব থাকায় এ পরিমাণ জায়গা তারা ছেড়ে দিয়েছিল। কিন্তু শুধু হাতীমের দিকে মুখ করে নামাজ পড়া জায়েয নয়; বরং নামাযের মধ্যে বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করা শর্ত। ৪. বাইতুল্লাহর মাঝখানে একটি পেরেক তথা কিলক রয়েছে। সাধারণ লোকেরা তাকে 'সুররাতুদ দুনইয়া' বা দুনিয়ার নাভি বলে থাকে। তারা এর উপরে নিজেরদের নাভি স্থাপন করে। সামনের দেয়ালে একটি শিকল আছে। তাকে 'উরওয়াতুল উস্তা' বলা হয়। এ সমস্তই একান্ত ভিত্তিহীন কথা। তা হতে বিরত থাকা কর্তব্য। যদি প্রবেশ করার সুযোগ এসে যায়, তাহলে প্রবেশ করার যাবতীয় আদাব বজায় রাখা উচিত। ৫. যে পশু কোন কাফফরা হিসেবে যবেহ করা হবে, তা হতে নিজে ভক্ষণ করা অথবা কোন মালদার ব্যক্তিকে খাওয়ানো জায়েয নয়। তা ফকীরদের হক। কোন কোন লোক নিজেরাও খেয়ে ফেলেন। যদি কেউ ভুলক্রমে খেয়ে ফেলেন, তাহলে যতটুকু খেয়েছেন তার মূল্য সদকা করা ওয়াজিব। ৬. কোন কোন লোক হযরত ইসমাঈল (আ.)-এর যবেহের জায়গায় পাথরের উপরে পাথর রাখেন এবং মনে করেন যে, এর দ্বারা হায়াত বৃদ্ধি পাবে। এটি অত্যন্ত ভুল এবং ভিত্তিহীন ধারণা। ৭. যমযম কূপের চতুর্দিকস্থ ভূমি মসজিদে হারামের অংশ। তার হুকুম মসজিদের অনুরূপ। তাতে থুথু কিংবা নাকের শ্লেষ্মা নিক্ষেপণ, নাপাক লোকজনদের সেখানে গমন এবং বে-ওজু লোকদের সেখানে ওজু করা জায়েয নয়। তাবাররুকের জন্য সেখানে গায়ে পানি ঢালতে কোন দোষ নেই। এ জায়গায় অধিকাংশ লোক খুবই অসতর্কভাবে চলাফেরা করেন, কফ ও থুথু ফেলেন, ওজু করেন্ল এসব অত্যন্ত পাপের কাজ। ৮. মসজিদে হারামের ভেতরে যমযমের পানি ক্রয়-বিক্রয় জায়েয নয়। মসজিদে হারামে বহু লোক পানি পান করায়। পানি পান করানো খুবই ভাল কাজ। কিন্তু যারা পানি পান করায় তাদের অধিকাংশই শুধু এ কারণে পানি পান করায় যে, তার বিনিময়ে কিছু অর্জন করবে। বর্তমানে তা সাধারণ নিয়মে পরিণত হয়ে গেছে যে, পানি পান করিয়ে বিনিময় দাবি করে থাকে। এমনকি কেউ কেউ পয়সা না দিলে গাল-মন্দ পর্যন্ত করে থাকে। পানকারীরাও পয়সা দিতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন এবং এটি সম্পূর্ণ বাইয়ে ত্বা'আতীর আকার ধারণ করে ফেলেছে। এ ধরনের লোকদেরকে পানি পান করানো এবং তাদের নিকট হতে এভাবে পানি পান করা হতে বিরত থাকবেন। ৯. কোন কোন লোকের উপরে হজ্ব ফরয নয়। অথচ উত্সাহের বশবর্তী হয়ে হজ্বে গমন করেন এবং যেহেতু আল্লাহর উপরে ভরসা আর অন্তরের বলিষ্ঠতাও তাদের থাকে না, তাই মানুষের কাছে ভিক্ষা করতে শুরু করে দেন। এভাবে নিজেও কষ্ট করেন এবং অন্যকেও কষ্ট দেন। এভাবে ভিক্ষা করে হজ্ব করা জরুরি নয়।

রওযা মোবারকে সালাম পাঠকারীদের ত্রুটিসমূহ :১. কোন কোন লোক রওযা মোবারকের যিয়ারতের সময় রওয়ার জালিসমূহে হাত লাগিয়ে থাকেন এবং তাতে চুম্বন দেন। এসব করা নাজায়েয এবং সম্মানের পরিপন্থি। এমন ধরনের কাজ রাসূলে পাক ছল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র দরবারে করা আদব নয়। কোন কোন অজ্ঞ লোক সিজদা পর্যন্ত করে ফেলেন। আল্লাহ পাক ব্যতীত অপর কাউকেও সিজদা করা শিরক। নবী করীম ছল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সম্মান ও মর্যাদা বজায় রেখে সালাম পাঠ করা উচিত এবং খেয়াল রাখা কর্তব্য, যাতে কোন অনিয়ম সংঘটিত না হয়। —লেখক :সাংবাদিক

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
ফেলানী হত্যার বিচারকে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান 'তামাশা' বলে মন্তব্য করেছেন। আপনিও কি তাই মনে করেন?
4 + 6 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ৬
ফজর৫:০৭
যোহর১১:৫০
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:২৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :