The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৩, ২৮ আশ্বিন ১৪২০, ০৭ জেলহজ্জ, ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ ড্র হল বাংলাদেশ- নিউজিল্যান্ড প্রথম টেস্ট ম্যাচ | আগামীকাল পবিত্র হজ্ব | আন্দোলন দমাতে 'টর্চার স্কোয়াড' গঠন করছে সরকার: বিএনপি | ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন দুই নেত্রী | ২৫৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে বাংলাদেশ | হ্যাটট্রিক করলেন সোহাগ গাজী | যুক্তরাজ্যকে ইরানের সাথে নতুন করে সম্পর্ক না করার আহ্বান ইসরাইলের | ঘূর্ণিঝড় পাইলিনে নিহত ৭

'অতীত নিয়ে খুব একটা ভাবতে চাই না'

সাকিব আল হাসানকে নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। ভক্তদের কাছে তিনি যেমন নায়ক তেমনি সমালোচকদের দৃষ্টিতে এক দাম্ভিক পুরুষ। তবে এসব অভিযোগের বিপরীতে সাকিব হেসে বলছেন সবকিছুই ভিত্তিহীন, একেবারেই মাটির মানুষ তিনি। কিছুদিন আগে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট লীগ 'সিপিএল' মাতিয়ে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশিরও। জুন মাসে দেশ ছেড়েছিলেন আমেরিকায় শ্বশুর বাড়ির উদ্দেশে। সেখান থেকে ইংল্যান্ডে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলতে যান। এরপর ক্যারিবিয়ান টি-টিয়েন্টি লীগে অংশ নিয়ে দেশে ফেরেন। বর্তমানে নিউজিল্যান্ডের সাথে টেস্ট সিরিজে খেলছেন তারকা এই ক্রিকেটার। টেস্ট সিরিজ শুরুর পূর্বে ঢাকা ছাড়ার অল্প ক'দিন আগে তিনি ইত্তেফাকের সাথে কথা বলেছেন নিউজিল্যান্ড সিরিজ, সিপিএল, প্রিমিয়ার লীগের দলবদল এবং ব্যক্তিগত নানান বিষয় নিয়ে। বিশেষ এই সাক্ষাত্কারটি নিয়েছেন রুদ্র মাহফুজ

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের সাফল্যের বিষয়ে আপনি কতটা আশাবাদী?

আশাবাদী তো বটেই। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি একটি ম্যাচ জেতার মতো সামর্থ্য আমাদের রয়েছে। পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে আমরা কতটা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি। প্রথম টেস্ট যদি ভালো খেলতে পারি (সেটা ড্র কিংবা খুব ভালো খেলে হারা) তাহলে আত্মবিশ্বাসের পাল্লাটা ভারি হবে পরবর্তী ম্যাচে আরও ভালো করার। এক্ষেত্রে আমাদের দুই ইনিংস মিলিয়ে পাঁচ থেকে ছয় শ রান করতে হবে। পাশাপাশি জেতার জন্য ওদের ২০টি ইউকেট নেওয়ার ছাড়া অন্যকোনো বিকল্প আছে বলে আমার জানা নেই। তবে এক্ষেত্রে আমাদের স্পিনারদের ভূমিকাটাই অগ্রণী হতে হবে।

এর আগে নিউজিল্যান্ড যখন সফরে এসেছিল, তখন বাংলাদেশ ওয়ানডেতে সাফল্য পেয়েছিল। এবারও কী তার পুনরাবৃত্তি ঘটবে?

টেস্ট ক্রিকেট থেকে ওয়ানডেতে আমাদের সাফল্য তুলনামূলক বেশি। আমরা ওয়ানডেতে ভালোও করেছি। তবে আগেই বলেছি পুনরাবৃত্তি কতটা ঘটবে তা নির্ধারিত হবে টেস্ট সিরিজে আমরা কতটা ভালো খেলতে পেরেছি। কারণ একটি সাফল্য পরবর্তী সাফল্য অর্জন করতে অনুপ্রাণিত করে।

চট্টগ্রাম তো আপনার জন্য 'লাকি গ্রাউন্ড'। এখানেই আপনার টেস্ট অভিষেক ও বাঁ-হাতি স্পিনার হিসেবে ৭ উইকেট নেওয়ার মতো ঘটনাও রয়েছে। স্মৃতি তাড়িত হবেন কী কিছুটা?

ওসব আমার একদমই মনে থাকে না। অবিশ্বাস্য শোনালেও এটাই সত্যি। প্রথম টেস্টে কারা কারা সতীর্থ ছিল, কোন দলের সাথে কী রকম খেলেছিলাম—কিছুই মনে নেই। তবে চট্টগ্রামে আমার বোলিংটা বরাবরই ভালো হয়েছে। কিন্তু বোলিংয়ের সাফল্য যে ঢাকাতেও নেই, তা কিন্তু নয়। আমি আসলে অতীত নিয়ে খুব একটা ভাবতে চাই না। যা চলে গেছে তা চলেই গেছে। আগামী দিনগুলোকে কী করে আরও অর্থবহ করা যায় সেটাই ভাবা উচিত এবং আমি তাই করি।

অনেকেই বলেন নিউজিল্যান্ডের সাথে যখনই বাংলাদেশের খেলা হয় তখন ভেট্টোরি থাকে আপনার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। এবারের সিরিজে সে নেই। বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন?

আমি তো মনে করি তার না থাকাটা বাংলাদেশের জন্য প্লাস পয়েন্ট। তাদের সাথে গত সিরিজটাতেও ভেট্টোরি ভালো খেলেছে। এটাকে বাড়তি অ্যাডভানটেজ বলতে পারেন। ভেট্টোরি না থাকার সুযোগটা আমাদের মুঠোবন্দী করতে হবে। যাতে করে আমরা অ্যাডভানটেজটা নিতে পারি। সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমাদের জিততে হবে। আর সেটা সম্ভব খুব ভালো ক্রিকেট খেলে।

ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট লীগ 'সিপিএল' খেলতে কেমন লাগল?

তারা খুব অর্গানাইজড ছিল। মাঠের ক্রিকেট, পাশাপাশি আয়োজনের দিক থেকে ভালো ছিল। ওরা বেশ ভালোভাবেই টুর্নামেন্টটা শেষ করেছে। আমার কাছে সবকিছু খুবই ভালো লাগছে। অর্গানাইজড হওয়ায় অনেক বিষয়াদি ক্রিকেটারদের জন্য সহজ হয়েছে।

ব্যাটিংয়ে আপনার ধারাবাহিকতা পূর্বের তুলনায় কী কম ছিল না?

দেখুন, বল হাতে সিপিএলে ১১টি উইকেট আমি দখল করেছি। তবে বলতে দ্বিধা নেই, আসলে বোলিংটা তুলনামূলক ভালো হয়েছে। সেই অর্থে ব্যাটিংটা ভালো হয়নি। তবে এটা নিয়ে তেমন ভাবছি না। আসলে এর কারণটাও তেমন কিছু নয়। ইংল্যান্ড থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গিয়েছি। সবই খুব তাড়াতাড়ি হয়েছে।

এবার অন্য প্রসঙ্গে আসি, বিয়ের পর প্রথম শ্বশুরবাড়ি গেলেন। অভিজ্ঞতা কেমন?

মূলত ব্যস্ততা থেকে কিছুটা মুক্তি পেতেই আমেরিকায় যাওয়া। একটু বিনোদন প্রয়োজন ছিল জীবনে, ছুটিটাও ছিল হাতের নাগালে, তাই গিয়েছিলাম। তবে আমেরিকায় প্রথম গেলাম, এটাকে নতুন অভিজ্ঞতা বলতে পারেন। আর শ্বশুরবাড়ির সময়টা বেশ উপভোগ করেছি এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।

বিয়ের পর ধীর-স্থির দেখায় আপনাকে। শিশিরের প্রভাব নিশ্চয়ই?

না, আমার কাছে মনে হয়, এটা বয়সের একটা কারণ। আমি যখন ২২-২৩ বছর বয়সে খেলতাম, ক্যাপ্টেনও ছিলাম তখন একরকম ছিলাম। এখন দুনিয়াটাকে আরও ভালোভাবে বুঝতে শিখেছি। আর মানুষের বয়সের সঙ্গে সঙ্গে সবকিছুর পরিবর্তন হয়, এটাও তারই একটা কারণ।

বিয়ের আগে এবং পরে কোনো পার্থক্য?

এখন পরিচিত মানুষের সঙ্গে দেখা হলে জানতে চায় বৌ কেমন আছে। আগে জিজ্ঞেস করত না। আরেকটা হতে পারে মেয়ে ভক্তের সংখ্যা কমে গেছে (হাসি)। এ ছাড়া তো আমি আর কোনো পার্থক্য দেখি না।

উম্মে আহমেদ শিশির আমেরিকায় বড় হয়েছেন। বাঙালি সংস্কৃতি তার ভেতরে কতটা আছে। আপনাদের মধ্যে কথা হয় বাংলা না ইংরেজিতে?

আমি যতটুকু ভেবেছিলাম তারচেয়ে বেশিই আছে। বাসায় থাকলে ইংলিশে কথা হয় না। যখন এমন কাউকে দেখে যার সঙ্গে ইংলিশে বলা দরকার তখন তার সঙ্গে বলে। এ ছাড়া ইংলিশ বলা হয় না। সে একেবারেই বাঙালি।

মানুষ আপনাকে অহংকারী ভাবে। তাদের এই ভাবনার মূলে কিছুটা দায় কী আপনার উপর বর্তায় না?

বাইরে থেকে মানুষকে এক রকম লাগতে পারে, ভেতরে গেলে অন্যরকম মনে হবে। আমার সঙ্গে যারা মেশে তারা এমন কিছু বলবে না। যারা মেশেনি, দূর থেকে দেখেছে, তাদের এমনটা মনে হতেই পারে।

দলের ভেতরে কোন সমস্যা দেখা দিলে আপনার এবং তামিমের নাম জড়িয়ে যায় কেন?

এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে আমাকে অহংকারী মনে করবে অনেকে। কিন্তু দেখুন, দলের ভেতরে দুই বড় স্টারকে নিয়ে কথা বললে নিউজ জমে, একজন নতুন সদস্যকে নিয়ে সেটা হবে না। এ কারণে নিউজ করার সময় নাম চলে আসতে পারে। সংবাদমাধ্যমের এটা পলিসিও হতে পারে।

টাকা ছাড়া কিছু বোঝেন না, এমন প্রশ্নের উত্তরে কী বলবেন?

কেউ এই জিনিসটা ছাড়া অন্য কিছু বোঝে বলে আমার মনে হয় না। খেলছি এবং টাকা আছে বলে একরকম চিন্তাভাবনা, টাকা না থাকলে অন্যরকম চিন্তাভাবনা থাকত। এতই যদি টাকার পেছনে ছুটতাম, তাহলে আইপিএল-এ মিস গেল তিন কোটি টাকা, বিপিএলে এখন সব মিলে পাই এক-দেড় কোটি টাকা। টাকার কথাই যদি বেশি ভাবতাম তাহলে অবস্থা খারাপ হয়ে যেত। চিন্তা করেন একটা জীবন থেকে তিন কোটি টাকা চলে যাচ্ছে সেকেন্ডের ভেতরে। কোনো উচ্চবাচ্য না করে সেটা মেনে নেওয়া কম না। আমার তো মনে হয় না এ নিয়ে কোনো কথা বলেছি মিডিয়ায়, আমি খুব আপসেট, এখানে খেলতে চাই না। যারা এমন ধারণা করে তাদের বোঝার একটু ভুল আছে।

টাকার অহংকারে আপনি পরিচিতদের সঙ্গেও আগের মতো মেশেন না, এমন অভিযোগও তো শোনা যায়?

আমি যেভাবে চলি, মনে হয় না যে এত নরমালভাবে কেউ চলাফেরা করে। আসলে আমি চাইলেও অনেক সময় কিছু করতে পারি না। সেটা আমার পক্ষে দেখানো সম্ভব হয় না। এটা নিয়ে কেউ ভুল ধারণা করলে কী করার আছে। আর যারা জানে, বোঝে এবং উপলব্ধি করে, আমার ধারণা তারা কেউ-ই এই চিন্তা করবে না।

খ্যাতি পেয়েছেন, প্রাচুর্যও আছে, উচ্চতর শিক্ষা থাকলে জীবনে পূর্ণতা আসে—তাই নয় কি?

অবশ্যই ইচ্ছা ছিল। এখন ওটা করতে গেলে খুবই কষ্টকর একটা জিনিস হবে। জানি না এটা করতে পারব কিনা। কিন্তু এখনও আমার ইচ্ছে আছে উচ্চতর শিক্ষা শেষ করার। তবে আমি খুবই সন্দিহান এটা করা নিয়ে।

অধিনায়কত্ব কেড়ে নেওয়ায় এখনও কী কষ্ট পান?

একটু তো খারাপ লাগতেই পারে। কিন্তু ওরকম কিছু না। আলটিমেটলি ক্যাপ্টেন্সি যাওয়ার পর আমি অনেক ভালো আছি, টেনশনমুক্ত। কারণ অধিনায়ক থাকলে সব সময় দল নিয়ে চিন্তা করতে হতো। এখন চিন্তা করলেও অধিনায়ক থাকাবস্থায় যেভাবে চিন্তা করতাম সেভাবে করি না। এটা কেউ করতেও পারে না। ওই চাপটা নেই বলে আমি এখন অনেক স্বাধীন। প্লাস আমি নতুন জীবন শুরু করেছি। অধিনায়কত্ব না থাকাটা আমার জন্য প্লাস পয়েন্ট। আমি সব সময় চিন্তা করি আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন। এটা নিয়ে কোনো আফসোস নেই।

অধিনায়ক হিসেবে আপনি খুব একরোখা ছিলেন। এটা কি সত্যি?

বলতে পারেন আক্রমণাত্মক ছিলাম। অনেক ডিমান্ডিং ছিলাম বেশকিছু ক্ষেত্রে। অত অল্প বয়সে অধিনায়ক হলে এসব থাকে। এখন যদি অধিনায়ক হতাম, তাহলে অন্যরকম চিন্তাভাবনা থাকত। ওই সময় বয়সের কারণে এবং পরিস্থিতির জন্য একটা ভিন্নরকম মুড ছিল।

পারিবারিকভাবে প্রাচুর্য ছিল না। এখন সেটা এসেছে, উপলব্ধিটা কেমন?

আসলে কোনোদিন ধরে দেখিনি টাকাগুলো। যখনই টাকা আসে অ্যাকাউন্টে থাকে। যখন যতটুকু প্রয়োজন হয় খরচ করি। তবে আমার কাছে মনে হয়, আমি যখন আয় করতাম না, স্কুল থেকে বিকেএসপিতে পড়তাম তখন যত মজা করেছি, এখনও ওরকমই মজা করি। একেক জায়গায় মজা একেকরকম। আমার আনন্দ, আরাম কখনও কমেনি।

সাধারণ জীবনযাপন করতে পারেন না, কোনো হতাশা?

খুব একটা খারাপ লাগে না। কারণ আমার ওরকম ঘোরাফেরার অভ্যাস কোনো সময়ই ছিল না। বিকেএসপিতে পড়ার কারণে আলাদাভাবে থাকার একটা অভ্যাস হয়ে গেছে। বিকেএসপিতে গিয়ে আরামে ঘুরতে পারি। মাগুরায় গিয়ে আরামে ঘুরতে পারি কোনো টেনশন ছাড়া। এশিয়ার বাইরে গেলে আরামে চলাফেরা করা যায়।

মিডিয়ায় নানা রকমের খবর আসে—ইতিবাচক-নেতিবাচক, এগুলোকে কীভাবে নেন আপনি?

পজিটিভ লিখলে ভালো লাগে। খুব বেশি নেগেটিভ হলে ভাবি যেটা আমি করিনি সেটা কেন লিখল। আর ইতিবাচক সমালোচনা করলে খারাপ লাগে না। পরে উপলব্ধি করি, সে ঠিক ছিল আমি ভুল ছিলাম। এটা প্রকাশ করি না কখনও। কিন্তু খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারি।

তারকার ব্যক্তিগত জীবন বলে কিছু থাকে না। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কোনো সমস্যা?

আমার পেশাদার লাইফ নিয়ে ওর কোনো চিন্তাও নেই, টেনশনও নেই। এই কয়দিনে আমি এটা বুঝতে পেরেছি। ঝামেলা হওয়ার কোনো সুযোগও দেখি না। প্লাস ও যে সংস্কৃতিতে বড় হয়েছে তাতে সবকিছু বুঝবে। আমার পছন্দই হচ্ছে যারা ক্রিকেট একটু কম বোঝে, ক্রিকেট নিয়ে কম কথা বলে তাদের সঙ্গে মেশা। আমি যদি কোনোদিন বলি আজকে এটা করেছি। আজকে ম্যাচ সেরা হয়েছি, তাহলে বলবে, 'ও আচ্ছা' এই এতটুকুই। এ ছাড়া ওর সঙ্গে আমার ক্রিকেট নিয়ে কথা

হয় না।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন- '২৫ অক্টোবরের পর ঢাকায় বিএনপিকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।' আপনি কি তাই মনে করেন?
9 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুন - ২৭
ফজর৩:৪৫
যোহর১২:০২
আসর৪:৪২
মাগরিব৬:৫২
এশা৮:১৭
সূর্যোদয় - ৫:১৩সূর্যাস্ত - ০৬:৪৭
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :