The Daily Ittefaq
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৩, ০৯ কার্তিক ১৪২০, ১৮ জেলহজ্জ ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ শর্ত সাপেক্ষে কাল ঢাকায় সমাবেশের অনুমোতি পেয়েছে বিএনপি | চট্টগ্রামে নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে নোমানের নেতৃত্বে মিছিল | মমিনুলের শতকে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ | এবার খুলনায়ও সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ | চলে গেলেন মান্না দে | কাল রাজধানীতে আওয়ামী লীগের সমাবেশ না করার সিদ্ধান্ত | তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত এই সরকার নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করবে: তথ্যমন্ত্রী | নির্বাচনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত, সময় মতো তফসিল:সিইসি

আগামীকালের সমাবেশ নিয়ে শঙ্কা ও উত্কণ্ঠা

যে কোন মূল্যে সমাবেশ হবেই :বিএনপি

ইত্তেফাক রিপোর্ট

যে কোন পরিস্থিতিতে আগামীকাল নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নেতৃত্বে ১৮ দলীয় জোট। এদিকে পুলিশ কর্মকর্তারাও বলছেন, রাজধানীতে সভা-সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে কাউকেই কোন ধরনের সমাবেশ করতে দেয়া হবে না। কেউ আইন ভাঙার চেষ্টা করলে কঠোর হস্তে তা দমন করা হবে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগও বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে সমাবেশ করতে চেয়েছিল। পাল্টাপাল্টি সমাবেশ আর বাধার মধ্যেই সমাবেশ নিয়ে জনমনে তৈরি হয়েছে শঙ্কা আর উত্কণ্ঠা। কী হবে আগামীকাল? আবারও কী রাজনৈতিক নেতাদের বাকযুদ্ধ শেষ পর্যন্ত রাজপথের যুদ্ধে পরিণত হতে যাচ্ছে? গোটা দেশজুড়ে এখন চলছে এসব আলোচনা আর সমালোচনা।

সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোনভাবেই সাধারণ মানুষ সংঘাত চান না। রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমেই একটা সমাধান খুঁজে বের করার তাগিদ তাদের। জান-মালের ক্ষতি, সাধারণ মানুষের গাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ দেখে রাজনীতির উপরই বিরক্ত হচ্ছেন তারা। তারপরও মানুষের বিশ্বাস, রাজনৈতিক নেতারাই খুঁজে বের করবেন একটা সমাধান। হরতাল-অবরোধের বেড়াজালে পড়তে হবে না দেশবাসীকে।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট বলেছে, আগামীকাল ২৫ অক্টোবর যে কোন পরিস্থিতিতেই রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করবে তারা। তাই রাজনৈতিক সংলাপের জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করতে সভা-সমাবেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে এ জন্য সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন জোটের নেতারা। গতকাল বুধবার গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে ১৮ দলীয় জোটের মহাসচিব পর্যায়ে বৈঠক শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

১৮ দলের ঢাকার সমাবেশে নাশকতা সৃষ্টি হতে পারে বলে সরকারের মন্ত্রীরা যে বক্তব্য দিয়েছেন, সে বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, নাশকতা সৃষ্টির মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের ইচ্ছা আমাদের নেই। আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনে বিশ্বাসী। মির্জা আলমগীর বলেন, ২৫ তারিখ বেলা ২টায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চাই। আমরা আশা করবো, সরকার এ ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া দেবে। মির্জা আলমগীর বলেন, সরকার সারা দেশে গণগ্রেফতার চালিয়েছে। গত কয়েকদিনে কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় ১৮ দলের কয়েকশ' নেতা-কর্মীকে আটক করেছে। এছাড়া বিভিন্ন মাদ্রাসা ও ছাত্রাবাসে তল্লাশি চালিয়ে হয়রানি করছে পুলিশ। এসব করে জনগণের সংগ্রাম স্তিমিত করা যাবে না।

গত ২১ অক্টোবর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিরোধী দলীয় নেতার গাড়ি বহরে পুলিশি হামলার ঘটনায় বৈঠক থেকে নিন্দা জানানো হয়। মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন নির্বাচনকালীন সরকার গঠন নিয়ে যে রূপরেখা দিয়েছেন, ১৮ দলের মহাসচিব পর্যায়ের বৈঠক থেকে তা স্বাগত জানানো হয় এবং প্রস্তাবের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জোট নেতারা। বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টাদের নিয়ে সরকার গঠনের যে প্রস্তাব দিয়েছেন তার ওপর ভিত্তি করে আলোচনা হতে পারে বলে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে বৈঠকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, ইসলামী ঐক্যজোটের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মোহাম্মদ তৈয়ব, কল্যাণপার্টির মহাসচিব আব্দুল মালেক চৌধুরী, এনডিপির মহাসচিব আলমগীর মজুমদার, এনপিপির মহাসচিব ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবারপার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব অধ্যাপক ড. আহমেদ আব্দুল কাদের, জাগপা মহাসচিব খন্দকার লুত্ফর রহমান, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব শাহিনুর পাশা চৌধুরী, মুসলীম লীগের মহাসচিব আতিকুল ইসলাম, ভাসানী ন্যাপের খালেদ শাহরিয়ার উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম মহানগরীতে সভা-সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা

চট্টগ্রাম অফিস জানায়, ২৫ অক্টোবরকে ঘিরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মাঠ দখলের রণ প্রস্তুতিতে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে সকল ধরনের সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে সিএমপি থেকে জানানো হয়। ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম মহানগরীর ঐতিহাসিক লালদীঘিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি'র নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট জনসভা অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেয়।

উভয় সংগঠনের কাউকে পুলিশের পক্ষ থেকে ২৫ অক্টোবর লালদীঘি মাঠ ব্যবহারের অনুমতি না দেয়া সত্ত্বেও তারা উক্ত স্থানে সমাবেশ করার জন্য অনঢ় অবস্থান নেয়। একইভাবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নগরীর আরো বেশ কয়েকটি পয়েন্টে আজ বৃহস্পতিবার থেকে সভা-সমাবেশ করার কর্মসূচি ঘোষণা করে। তবে মূলতঃ লালদীঘি ময়দানে উভয় সংগঠন একইদিন জনসভা করার ঘোষণা দিলেও সিএমপির পক্ষ থেকে পুরো মহানগরীতে সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। স্থানীয় বিএনপির এক যৌথ সভায় গতকাল রাতে বলা হয়, বিএনপি যে কোনো মূল্যে আগামীকাল লালদীঘি ময়দানে সমাবেশ করবে।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন বাবুল জানান, তারা সভা করে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাবেন। অপরদিকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, তাদের গণতান্ত্রিক কর্মসূচিসমূহ যথারীতি চলবে। তিনি বলেছেন, সরকার জনগণের আন্দোলনে ভীত হয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে যে মুহূর্তে আলাপ আলোচনা শুরু হচ্ছে সে মুহূর্তে এ ধরনের সিদ্ধান্ত সরকারের জনবিচ্ছিন্ন অবস্থার পরিচায়ক। এর মাধ্যমে সরকার আরো জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। তিনি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান। নগর বিএনপির সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, একদিকে সরকার সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ করছে। অপরদিকে সংবিধানের দোহাই দিয়ে নির্বাচনের কথা চলছে। তাদের দ্বিমুখী ও স্বৈরাচারি আচরণের মধ্যেই বুঝা যাচ্ছে, তারা ভোট চুরির জন্যই সবকিছু করছে। তিনি জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ১৮ দলের সভায় পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।

এদিকে চট্টগ্রাম মহানগরীতে সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে মিছিল ও সমাবেশ করেছে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন। গতকাল বুধবার বিকালে নগরীর কাজীর দেউড়ি মোড়ে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন।

বরিশালেও সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

বরিশাল অফিস জানায়, ২৫ অক্টোবর নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউনহলস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে মহানগর বিএনপি সমাবেশের অনুমতি চাওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে আওয়ামী লীগ পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ঘোষণা দিলে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দিয়েছে পুলিশ। বিএমপি'র উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) টিএম মুজাহিদুল ইসলাম এখন পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা জারির কথা অস্বীকার করে ইত্তেফাককে জানান, ২৫ অক্টোবর একই সময়ে কাছাকাছি স্থানে অনুমতি চায় প্রধান দুইটি রাজনৈতিক দল। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুইটি রাজনৈতিক দলের সাথেই আলোচনা করে কর্মসূচী প্রত্যাহার করার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হচ্ছে। যদি রাজী না হয় তাহলে আজ বৃহস্পতিবার পুলিশ কমিশনার তার ক্ষমতাবলে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও নগরীর আইন শৃংখলা স্বাভাবিক রাখতে মেট্রোপলিটন আইনের ৩০, ৩১ ও ৩৪ ধারা অনুযায়ী ২৪ অক্টোবর রাত ১২ টা থেকে নগরীতে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করবেন। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে পুলিশের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার মহানগর বিএনপি'র প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর জিয়া উদ্দিন সিকদার সকাল ১০টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের জন্য অনুমতি চেয়ে পুলিশ কমিশনারের কাছে আবেদন করেন। গতকাল বুধবার নগরীর সোহেল চত্বরস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার জন্য মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আফজালুল করিম আবেদন করলে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণার বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কমিশনার সকল উপ-পুলিশ কমিশনারকে নিয়ে বৈঠক করেন। এখন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা শুধু সময়ের ব্যাপার বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

খুলনার মাঠ দখলে প্রস্তুত আওয়ামী লীগ- বিএনপি

খুলনা অফিস জানায়, ২৫ অক্টোবর খুলনার রাজপথ দখলে নিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮দলীয় জোটকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আগামীকাল শনিবার সকাল থেকেই খুলনা মহানগরীসহ জেলার নয় উপজেলায় সভা-সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে। এই কর্মসূচি সফল করতে নগরীর ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সভা-সমাবেশের মাধ্যমে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এছাড়া যেকোন মূল্যে রাজপথ নিজেদের দখলে রাখতে দলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণে দলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এদিকে, ২৫ অক্টোবরকে সামনে রেখে নিরবে প্রস্তুতি নিয়েছে খুলনা মহানগর বিএনপি। ঈদের ছুটির রেশ কাটতে না কাটতেই জরুরি ভিত্তিতে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করা হয়েছে। এই বৈঠকে রাজপথ দখল করতে যুবদল ও ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের নগরীর ৫টি থানা ও প্রত্যেক ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ৫টি থানায় পৃথকভাবে গঠন করা হয়েছে সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি। মহানগর বিএনপির একাধিক সূত্র এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
সংসদে খালেদা জিয়ার নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে বিএনপি, আপনি কি মনে করেন সংসদ তার প্রস্তাব বিবেচনা করবে?
8 + 9 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ২০
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৫সূর্যাস্ত - ০৫:১০
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :