The Daily Ittefaq
ঢাকা, শুক্রবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১২, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪১৯, ২৮ মহররম ১৪৩৪

১৫তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী ২০১২

একুশ শতকের সৃষ্টির আঙ্গিক

মোবাশ্বির আলম মজুমদার

শিল্পীর মানসলোকের প্রতিফলন হচ্ছে তাঁর সৃষ্টিকর্ম। দৃশ্যলোককে শিল্পী রূপদান করেন, তাই শিল্পকর্মে দৃশ্যমান অভিজ্ঞতা হয়। শিল্পকলার ভাষা বিশ্বজনীন। দেশ থেকে দেশে, নগর থেকে নগরে মানুষে মানুষে যে বন্ধন তৈরি হয় তা শুধু শিল্পকর্ম দিয়েই সম্ভব।

এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলের ৩৪টি দেশের ভাষা সংস্কৃতি জীবনবোধের রূপ আস্বাদনের সুযোগ করে দিয়েছে ১৫তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী। গত তিন দশকের আন্তঃদেশীয় শিল্পভাবনা বিনিময়ের এই প্লাটফর্ম বাংলাদেশের শিল্পী, দর্শক, বোদ্ধাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দ্বিমাত্রিক তলে ব্যকরণসিদ্ধ শিল্প নির্মাণের প্রক্রিয়া থেকে উত্তরণ ঘটেছে ইউরোপীয় শিল্পকলায় গত শতাব্দীতে। শিল্পের মৌলিক বিষয় রং, রূপ, রস, ছন্দ নিয়ে চর্চায় মগ্ন না থেকে বিষয় ও মাধ্যমে পরিবর্তন আসতে শুরু করে বিশ্বশিল্পকলায়। প্রযুক্তিনির্ভর ভিডিও আর্ট, আলোকচিত্রে বৈচিত্র্যপূর্ণ আমেজ, স্থাপনাশিল্পের মাধ্যমে উপকরণে যুক্ত হয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে আকাশযান, নৌযান পর্যন্ত।

বাংলাদেশে শিল্প-আন্দোলনের ৬৪ বছর অতিবাহিত হলো। ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর সূচনা হয়। এবারের প্রদর্শনীটি ১৫তম আয়োজন। গত ৩০ বছরে এর ধারাবাহিকতায় বিশ্বশিল্পকলার পরিবর্তিত প্রেক্ষিত আমরা দেখতে পাই। শুরুতে এ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেছিলেন এশীয় শিল্পীরা। ক্রমে এর ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়ে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশের শিল্পীদের মাঝে। এবারের প্রদর্শনীতে ৩৪টি দেশের শিল্পীদের তেলরং, জলরং, মিশ্রমাধ্যম, ছাপচিত্র এবং বিভিন্ন মাধ্যমের ভাস্কর্য, আলোকচিত্র, ভিডিও-চিত্র ও স্থাপনাশিল্পসহ শিল্পীদের চিন্তা প্রকাশের নানামাত্রিক সৃষ্টি দেখা যাবে। বিশ্বের শিল্পকলা বলতে বিশ শতক পেরিয়ে একুশ শতকের এই দশকে সৃষ্ট শিল্পকলার নির্মাণ মাধ্যম, পরিবর্তন আমাদের মাঝে এক নতুন ভাবনা তৈরি করে। ৩৪টি দেশের শিল্পকর্মে স্ব-স্ব অঞ্চলের ঐতিহ্য সমাজ-ভাবনা, পরিবেশ, প্রকৃতি সম্পর্কে আমরা স্বচ্ছ ধারণা পাই। এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর এই আয়োজন দেশগুলোর মাঝে এক সাংস্কৃতিক ও আত্মিক মেলবন্ধন তৈরি করে।

১৫তম আয়োজনে দ্বিমাত্রিক চিত্রতলে রং-রেখায় রচনাশৈলীর পাশাপাশি যুক্ত হওয়া নতুন মাধ্যম আলোকচিত্র, দৈনন্দিন ব্যবহার্য সামগ্রী, চেনা-অচেনা দ্রব্যের যুক্তকরণে নির্মিত স্থাপনাশিল্পকে উপস্থাপন শিল্পের ভাবনাকে বিস্তৃত করে দেয়। গ্র্যান্ড প্রাইজ পাওয়া প্যালেস্টাইনের শিল্পী বাশার আল হারুব আলোকচিত্রে প্রকাশ করেছেন একজন মানুষের শরীরী ভঙ্গির আবছা অনুভূতি। শিল্পকর্মের শিরোনাম দিয়েছেন 'আউট অব দ্য ফ্রেম'। বাশারের আলোকচিত্রের ব্যতিক্রমী দিক হলো মানুষের অবয়বের সরাসরি আলোকচিত্র ক্যামেরায় বন্দী করার পূর্বে ছবির বিষয় মানব দেহভঙ্গির সামনে স্বচ্ছ পর্দার উপস্থিতি। স্বচ্ছ পর্দা ভেদ করে ক্যামেরায় বন্দী হয় মানুষের মুখভঙ্গি, দেহভঙ্গি ও অভিব্যক্তি। গ্র্যান্ড প্রাইজপ্রাপ্ত জাপানের শিল্পী মেরিয়ো কোইজুমি 'থিয়েটার ড্রিমস অব অ্যা বিউটিফুল আফটারনুন' শিরোনামের ভিডিও আর্টে ছয়টি পর্যায়ে কর্মব্যস্ত দৈনন্দিন জাপানি জীবনযাত্রার একটি মুহূর্তকে তুলে ধরেছেন। চলন্ত ট্রেনে বাড়িফেরার মুহূর্তগুলি কীভাবে মানুষ পার করেন সে ব্যস্ত অবস্থা এই ভিডিও আর্টে দেখিয়েছেন। জাপানের ঐতিহ্য ও ইতিহাস নিয়ে কাজ করেন মেরিয়ো কোইজুমি। সমকালীন মেরিয়োর শিল্পসৃষ্টির বিষয়। বাংলাদেশের শিল্পী কাজী সালাউদ্দিন আহমেদ নগরায়ণ নিয়ে ছবি আঁকেন। এ প্রদর্শনীর গ্র্যান্ড প্রাইজপ্রাপ্ত শিল্পকর্ম 'শিয়ার ক্যাওস-২৫' এঁকেছেন অ্যাক্রেলিক রংয়ে ক্যানভাস ও সংবাদপত্রের ইমেজ যুক্ত করেছেন। সালাউদ্দিন আহমেদ নগরায়ণকে দেখেন অগ্রগতি হিসেবে। কিন্তু পরিকল্পনাহীন স্থাপনা নগরে সুস্থতাকে বিঘ্নিত করে। সংবাদপত্রের সাথে সালাউদ্দিন আহমেদের নগর স্থাপনার জ্যামিতিক আকৃতি যোগ হয়ে তৈরি হয় নগররের প্রতিচ্ছবি। ১৫তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর সম্মানসূচক পুরস্কার পেয়েছেন ৬ জন। বাংলাদেশের শিল্পীরা হলেন জিহান করিম, ইয়াসমিন জাহান নূপুর, সিরিয়ার শিল্পী নৌশিন বোখারি, নেপালের রাজন কাফলে, অস্ট্রেলিয়ার শিল্পী টড ফুলার। আলোকচিত্র ও ভিডিও-চিত্র মাধ্যমে সমকালীন জীবনবোধকে প্রকাশ করেছেন শিল্পীরা। মাধ্যমের নতুন নতুন নিরীক্ষায় ভাবনার অংশবিশেষ শিল্পসৃষ্টির বিষয় হয়ে ওঠে। এবারের প্রদর্শনী তারই আভাস দেয়। অংশগ্রহণকারী দেশ আফগানিস্তানের শিল্পী মোহাম্মদ ইউসুফ আসিফি 'শিরোনামহীন' ছবির সাহায্যে আফগান মরুর বুকে ঘোড়দৌড়ের মুহূর্তকে তুলে ধরেছেন তেলরংয়ে।

সমকালীন অস্ট্রেলীয় শিল্প ইতিহাসনির্ভর। দেশটির ভৌগোলিক সংস্কৃতির ধারক প্রদর্শনীর তিনটি শিল্পকর্ম। স্থাপনাশিল্পের ইমেজ 'ওয়ান অ্যান্ড অনলি' শিল্পকর্মের শিল্পী টড ফুলার সাদাকালো রেখাচিত্রে মঞ্চে নৃত্যরত মানব-মানবীর ভঙ্গি উপস্থাপন করেছেন। ইডা লরেন্স তেলরংয়ে ক্যানভাসে এঁকেছেন 'লুকিং' শিরোনামের রেখাচিত্র। স্কেচধর্মী শিল্পকর্মে একজন মানুষের চোখে পরিয়ে দেওয়া চশমাকে দেখার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন শিল্পী। বাহরাইনের শিল্পীরা প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন তাঁদের ঐতিহ্যবাহী ক্যালিগ্রাফিক নির্ভর চিত্রকর্ম দিয়ে। আলী আলমাহমেদ ও আদনান মানুষ ও জ্যামিতির রূপবন্ধ তৈরি করেছেন গাঢ় উজ্জ্বল রংয়ে। হিমায়লগ্ন প্রাচীন যোগসূত্রে আবদ্ধ ভূটানের শিল্পীদের কাজে ঐতিহ্যলগ্ন আমেজ স্পষ্ট। ৫ জন শিল্পীর ১৫টি কাজে অ্যাক্রিলিক মাধ্যমের আধিক্য রয়েছে। বাস্তবরীতির চিত্র নির্মাণপদ্ধতির সাথে যুক্ত হয়েছে পশ্চিমা ধারা। ব্রুনাইয়ের স্বল্প জনসংখ্যার শান্তিপূর্ণ দেশের স্বস্তির আভাস দেয় তাঁদের শিল্পকর্ম। বাস্তবধর্মী শিল্পকর্ম সৃষ্টির প্রতি আগ্রহ বেশি দেখা গেলেও রিজওয়ান বিন হাজি জামেয়াহ ও শিল্পী সিতি নুরবাজিলাহ জুলাকিফিলির কাজে সরল অংকনরীতি দেখা যায়। প্রযুক্তিগত উদ্ভাসনের স্থান দখলে নিয়েছে চীন। প্রথাগত চৈনিক শিল্পকর্মের ছায়া খুঁজে পেলেও শিল্পীদের নির্মাণে নতুন এক প্রেক্ষিত তৈরি হয়েছে। চীনের আধুনিক শিল্পকর্ম বিশ্বব্যাপী এক গুরুত্ব তৈরি করেছে। এ প্রদর্শনীতে আমরা প্রথম দেখতে পাচ্ছি একটি নবীন রাষ্ট্র পূর্ব তিমুরের শিল্পীদের কাজ। সে দেশের তাঁতের কাজ ও কাঠের কাজের ঐতিহ্য থাকলেও তনি আমারাল উপস্থাপন করেছেন ক্যানভাসে মিশ্র মাধ্যমের কাজ। ভারত ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বের সম্পর্কের প্রকাশ আমরা দেখতে পাই প্রদর্শনীর শিল্পকর্মে। ভারতের ১৯ জন শিল্পীর কাজে বিষয় হিসেবে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সংযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। ভিডিও আর্ট, রেখাচিত্র, এচিং, কাগজের কোলাজ মাধ্যমে ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্রের সমকাল বিবৃত করেছেন। জাপানি শিল্পীদের অংশগ্রহণ এ প্রদর্শনীর ব্যাপ্তিতে আভিজাত্য এনে দেয়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর জাপানের অর্থনৈতিক-সামাজিক অবস্থায় টানাপোড়েন তৈরি হয়। শিল্পী মেরিয়ো কোইজুমি 'থিয়েটার ড্রিমস অব অ্যা বিউটিফুল আফটারনুন' বা 'একটি চমত্কার অপরাহ্নে স্বপ্নময় নাটক' শিল্পকর্মে সাংস্কৃতিক মনোজাগতিক, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন। শিল্পী উজিনো স্থাপনাশিল্পের মাধ্যমে যুক্ত করেছেন যন্ত্রচালিত যান, বাই সাইকেলের যন্ত্রাংশ, ঘূর্ণমান টেবিল, স্পিকার ও আসবাবপত্র। ঢাকার অতি চেনা যানবাহন রিকশার অর্ধেক অংশ ব্যবহার করে প্রযুক্তি ও মানুষের সহাবস্থানে ভবিষ্যতের ঢাকাকে উপস্থাপন করা হয়েছে।

নেপালের শিল্পীদের কাজে সে দেশের ঐতিহ্যের ছোঁয়া স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ভারতীয় শিল্পকর্মের পাশাপাশি ইউরোপীয় শিল্পকর্মের ছায়া নেপালের শিল্পকর্মে দেখা যায়। আলোকচিত্র, ধাতব দ্রব্য, অ্যাক্রিলিক মাধ্যমে গড়া শিল্পকর্মে ব্যক্তিগত বোধ, সমাজরূপকলা, প্রকৃতির বন্দনা গুরুত্ব পেয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়ার ১২ জন শিল্পী আলাদা মাধ্যমের কাজ নিয়ে এসেছেন। প্রকৃতি, নগরায়ণ, প্রযুক্তির উত্কর্ষ, ব্যক্তিগত অনুভূতির কাব্যিক উপস্থাপনায় সমৃদ্ধ কোরিয়ান শিল্পীদের কাজ।

চল্লিশের দশকে শুরু হওয়া এ দেশের শিল্প-আন্দোলনের ফসল ৩০ বছর ধরে চলতে থাকা এ বৃহত্ আয়োজন। শুরুতে এটি ঢাকার কয়েকটি গ্যালারিতে বিস্তৃত থাকলেও এবারের প্রদর্শনী নতুন মাত্রা পেয়েছে শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় চিত্রশালার বিস্তৃত পরিসরের আয়োজনে। একজন দর্শক একসাথে দেখতে পাবেন ৩৪টি দেশের শিল্পসম্ভার গত দুই দশকে শিল্পকর্মের দর্শকদের কাছে বিচিত্র শিল্পনির্মাণের প্রক্রিয়া অভিনব মনে হলেও প্রযুক্তির উত্কর্ষ আর বিশ্বসংস্কৃতির সাথে সংযোগ এ ধারণাকে পাল্টে দিয়েছে। স্থাপনাশিল্প ও ভিডিও-শিল্পকর্ম প্রথাগত শিল্পকর্মের সংজ্ঞাকে পাল্টে দিয়ে শিল্পকর্মকে নিয়ে গেছে বিশ্বশিল্পকর্মের দ্বারে।

শিল্পে দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রতি বিরূপ হয়েই স্থাপনাশিল্পের জন্ম। শিল্পকর্মের শুধু বিষয়-ভাবনা ও করণকৌশলের উত্কর্ষ প্রদর্শন করবে না শুধু মনোভূমি অনুভূতিকে কেন্দ্র করে স্থাপন করা যাবে স্থাপনাশিল্প। নবীন শিল্পীদের কাজের মধ্যে ভাবপ্রধান আয়োজন লক্ষণীয়। বাংলাদেশের শিল্প-আন্দোলনের ৬ দশকেরও অধিককালে সৃষ্ট শিল্পে অগ্রসরমান অবস্থার প্রতিফলন এ প্রদর্শনী। দ্বিমাত্রিক চিত্রকর্মে মোস্তফা জামিল আকবর শামীম, আকলিমা ইকবাল, আনিসুজ্জামান সোহেল, আতিয়া ইসলাম অ্যানি, বিশ্বজিত্ গোস্বামী, ইমরান হোসেন পিপলু, জাভেদ জলিল, শরফুদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী, কামালুদ্দিন, কাজী সালাউদ্দিন আহমেদ, কাজী সাঈদ আহমেদ, মাকসুদা ইকবাল নীপা, মো. আলপ্তগীন, মুসলিম মিয়া, নিয়ামুল বারী, রফি হক প্রমুখ শিল্পীরা স্ব-স্ব প্রক্রিয়ায় শিল্পসৃষ্টি করেছেন। ভাস্কর্যে সাবিয়া ফেরদৌসির 'নিমতলী ট্র্যাজেডি', সাইয়েদ তারেক রহমানের 'ইন কোয়েস্ট অব সাবসয়েল-৪', ময়নুল ইসলাম পলের 'মাটির কথা-৮', মারুফা এ চৌধুরীর 'সাঁওতাল ভিলেজ-১' কাজগুলি উল্লেখযোগ্য। স্থাপনাশিল্পে গোঁসাই পাহ্লভীর 'ডায়ালগ উইথ দ্য ব্রেকফাস্ট অবজেক্ট-২১', গুলশান হোসেনের 'ইন রিমেমব্রান্স অব টরমেন্টেড ওমেন ১৯৭১', মোহাম্মদ হাসানুর রহমানের 'লাইফ স্টাইল', সব্যসাচী হাজরার 'মিসিং', তৈয়বা বেগম লিপির 'লাভ বেড', উত্তম কুমার রায়ের 'ডায়েরি (৩৬৬+৭)' শিরোনামের শিল্পকর্মে নবতর ধারার যোগ হয়েছে। ১৫তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর বাংলাদেশের ১০০ জন শিল্পীর কাজে মাধ্যমের পরিবর্তন বিশেষভাবে লক্ষণীয়। ইউরোপীয় ধারায় যুক্ত হয়ে দেশীয় ঐতিহ্যের সংশ্লিষ্টতা হরাস পেয়েছে। নবতর মাধ্যমের নিরীক্ষাপ্রবণ বিশ্বশিল্পকলায় যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের শিল্পকলা কিন্তু; ঐতিহ্যলগ্নতাকে বাদ দিয়ে তৈরি সৃষ্টিকর্মে যেন আমাদের বাংলাদেশকে হারাই। সমকালীন বাংলাদেশের শিল্পকলায় প্রতিভাত হোক দেশজ সংস্কৃতি, লোকপুরাণ, ঐতিহ্যিক মিশ্রণে বিশ্বশিল্পের ধারা। বর্ণাঢ্য এ আয়োজন শেষ হবে ৩১ ডিসেম্বর।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
সংবিধানের আরেকটি সংশোধনী ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। নাগরিক ঐক্যের সভায় ড. কামালের এই বক্তব্য আপনি সমর্থন করেন?
5 + 8 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুন - ৬
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৭
আসর৪:৩৭
মাগরিব৬:৪৬
এশা৮:১০
সূর্যোদয় - ৫:১০সূর্যাস্ত - ০৬:৪১
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :