The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৩, ০১ পৌষ ১৪২০, ১১ সফর ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ ভিকারুন নিসা নূন স্কুলের ভর্তি লটারি ২০, ২১ ও ২২ ডিসেম্বর | জয়পুরহাটে সংঘর্ষে নিহত ৩ | ভোট হচ্ছে ১৪৬ আসনে, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৩৮৭ জন | সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী | লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা | নির্বাচন নিয়ে তামাশা নজীরবিহীন : কাজী জাফর | ব্যারিস্টার আনিসুলের বাড়িতে ককটেল হামলা | ১৬ ডিসেম্বরের পর থেকে পাল্টা আঘাত : হানিফ | বিএনপি আসলে এপ্রিলে নির্বাচন : আনন্দবাজার পত্রিকা | সিলেটের কানাইঘটে যুবলীগ নেতা খুন | মিরপুরে পুলিশ খুন, স্ত্রী গ্রেফতার | লালমনিরহাটে সংঘর্ষে উপজেলা শিবির সভাপতিসহ নিহত ৪

[ রা জ নী তি ]

রাজনীতিতে ডিগবাজি:একটি মনস্তাত্ত্বিক পর্যালোচনা

ড. মোহিত কামাল

'রাজনীতি'একটি মহান শব্দ। এই নীতির মাধ্যমে মানুষের কল্যাণ, দেশের উন্নতি এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করার জন্য রাজনীতিবিদরা নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে থাকেন। প্রকৃত রাজনীতির সঙ্গে সহিংসতার কোনো যোগসূত্র নেই। সুতরাং 'সহিংসতার' মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করতে গিয়ে সচেতনভাবে 'রাজনীতি' শব্দটিকে আলাদা করে রাখতে চাই। সাম্প্রতিক সময়ে জীবন্ত মানুষ পোড়ানোর দৃশ্য টেলিভিশনে দেখে, খবরের কাগজে পড়ে বিশ্ববাসী হতবাক হয়ে গেছে। এই ধরনের নৃশংস, অমানবিক হত্যাযজ্ঞ, নাশকতামূলক ধ্বংসযজ্ঞকে রাজনীতির অংশ হিসেবে ভাবার কোনো সুযোগ নেই সচেতন বিশ্ববাসীর। যারা এ ধরনের হত্যাযজ্ঞের সঙ্গে জড়িত তাদেরকে রাজনীতিবিদ বা রাজনৈতিক কর্মী ভাবতে কষ্ট হবে সাধারণ জনগোষ্ঠির। এরা আসলে আইনের চোখে খুনী, অপরাধী বা ক্রিমিনাল। দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় তাদের আনা না গেলে দেশে সহিংসতা কমবে বলে বিশ্বাস করার কোনো উপায় নেই। অপরাধীরা শাস্তি না পেলে, পুরস্কৃত হলে বাড়তেই থাকবে অপরাধ। কোনো সরকারই তখন সুস্থভাবে দেশ পরিচালনা করতে পারবে বলে ভাবার উপায় নেই। তাই 'হত্যাকারী'কে দেখতে হবে 'খুনী' হিসেবে। বিচারের মাধ্যমে সাজা নিশ্চিত করতে হবে, নইলে বর্তমান বা ভবিষ্যতে কোনো সরকারই দেশের উন্নতি ঘটাতে পারবে না। এটাই হচ্ছে মনস্তত্ত্বের ভাষা। মনে রাখতে হবে 'A behaviour is consequence of another behaviour।' কেউ অশুভ আচরণ করে পুরস্কৃত হলে বার বার ঘটতে থাকবে সেরকম নির্মম আচরণ, আর আইনগতভাবে যৌক্তিক সাজা পেলে কমে আসবে পাষণ্ড আচরণের মাত্রা। ভালো আচরণ বা শুভ কাজের জন্য পুরস্কৃত হলে শুভ কাজের প্রবণতা বেড়ে যাবে সমাজে। এভাবেই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। এটাও মনস্তত্ত্বের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক। 'সেই বুদ্ধিমান যে নিজেকে সমালোচনা করতে পারে'— নবীজির এই ধর্মীয় অনুশাসনটি মনস্তত্ত্ব ও দর্শনে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়েছে। নিজের দোষ-ত্রুটি চোখে দেখে না কেউ। সবসময় অন্যের দোষ খোঁজার চেষ্টা করে মানুষ। ফলে পারস্পরিক সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়, দ্বন্দ্ব বাড়ে, চূড়ান্ত সংঘাতের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে তারা। অনিবার্যভাবে তখন ছারখার হয়ে যায় আন্তঃসম্পর্কের উন্নয়ন। এ কারণেই নিজেকে সমালোচনা করে নিজের ভুল-ত্রুটি ধরতে পারার মহত্ গুণ রপ্ত করার নির্দেশ রয়েছে ধর্মীয় অনুশাসন, মূল্যবোধ ও চিন্তা-চেতনায়। 'নিজেকে জানো'—দর্শনের এই তাত্ত্বিক কথাটিও মানুষের কল্যাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নিজেকে জানা বা বোঝার অর্থ হচ্ছে নিজের যোগ্যতা, সামর্থ্য এবং ঘাটতি উপলব্ধি করা। একই সঙ্গে নিজের ভুল কিংবা দোষ ধরা। নিজের ঘাটতি ও ভুল চিন্তা-চেতনা আবিষ্কার করে মোকাবিলা করা সম্ভব যেকোনো সংকট। অন্যের ভুল বা দোষ ধরতে গেলে কখনোই নিজের সংশোধন সম্ভব নয়। এই অসংশোধিত ভুল থেকে ক্রমাগতভাবে ভুল পথে ছুটতে থাকবে মানুষ, ঘটতে থাকবে ধ্বংসের পর ধ্বংস। মনস্তাত্ত্বিক ইস্যুতে ঘটমান ঘটনাকেও পুনর্মূল্যায়নের ব্যাপারে উত্সাহিত করা (reappraisal of event of life) হয়েছে, পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে মানুষ ঘটনার কেন্দ্রে বসে দেখতে পায় নিজের প্রকৃত অবস্থান, ঠাণ্ডা মাথায় ধৈর্যের সঙ্গে মূল্যায়ন করতে পারে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নিজের দায়-দায়িত্ব, আবেগ-অনুভূতি, চিন্তা-ভাবনা। এই নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও উপলব্ধি পরবর্তী সময়ে সমস্যার সমাধানে সঠিক 'কিউ' বা সংকেত ধরিয়ে দিবে তাকে। এভাবেই উদ্ভূত চাপ, পারস্পরিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত কমিয়ে আনতে পারে যে-কেউ, নিতে পারে সঠিক সিদ্ধান্ত। যেকোনো বিপর্যয় কিংবা জটিল সংকটও সমাধান সম্ভব যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে। এজন্য প্রয়োজন যথাযথ কমিউনিকেশন বা প্রাণখোলা সংলাপ। 'You statement'-এর পরিবর্তে 'I statement' দিয়ে কথা বলতে পারলে সংকট উত্তরণের পথে উভয়পক্ষকে অনেকদূর এগিয়ে নেবে বলে মনস্তাত্ত্বিকভাবে স্বীকৃত। 'আমি কী ভাবছি', 'আমি কী করছি', 'এটা আমার মতামত', 'এটা গ্রহণ করতে পারব',— এ ধরনের গঠনমূলক 'কমিউনিকেশন স্কিল' ব্যক্তি জীবনের দ্বন্দ্ব মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে তো বটেই রাজনৈতিক সংকট উত্তরণের পথেও নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মনস্তাত্ত্বিকভাবে এই কমিউনিকেশন স্কিলের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। অন্যের দোষ ধরার প্রবণতা (blaming attitude) দেখা যাচ্ছে অতিমাত্রায়। একপক্ষ আরেক পক্ষকে ঘায়েল করছে দোষী সাব্যস্ত করে। ফলে রাজনৈতিক সহিংসতাও উসকে উঠছে দেশে। এ আগ্রাসী মনোভাব ও অ্যাগ্রেসিভ আচরণের আড়ালে সক্রিয় রয়েছে পারস্পরিক ব্লেমিং অ্যাটিটিউট (অ্যাটিচুড), হতাশা। এ ধরনের মনোভাবের চলমান ঘূর্ণি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে রাজনীতিবিদদের। নিজেদের মতামত প্রকাশের সময় হতে হবে assertive— অর্থ হলো অন্যের মতামত গুরুত্ব ও সম্মানের সঙ্গে বিবেচনা ও মূল্যায়ন করে নিজের মতামত দৃঢ়তার সঙ্গে প্রকাশ করা। এ সময় শব্দচয়ন, কণ্ঠস্বর (tone of voice) এমনভাবে ব্যবহার করতে হবে যেন বিপক্ষের মতামতকে অশ্রদ্ধা বা আঘাত করা না হয়। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে অপরের মতামতকে শ্রদ্ধা জানানোর রীতি প্রচলিত থাকলেও পারস্পরিক যোগাযোগের সময় কথাটি মনে রাখতে পারেন না রাজনীতিবিদরা। অপরকে সম্মান জানানোর এই সতর্কতা ও সচেতনতা একজন রাজনীতিবিদকে আদর্শবান ব্যক্তিত্বে পরিণত করতে পারে। ভুলে গেলে চলবে না তাঁদের।

মতামত প্রকাশের assertive response-এর উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- জনাব বা জনাবা, আমি বা আমরা জানি দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আপনার বা আপনাদের কর্মসূচি দেওয়ার প্রয়োজন থাকতে পারে। কিন্তু এই বিশেষ সীমাবদ্ধতা ও বাস্তবতার কারণে আপনাদের নেয়া পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে পারছি না ইত্যাদি। সরাসরি প্রত্যাখ্যান না করে, দাবি না মেনেও সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করলে আন্তঃসম্পর্কের উন্নয়ন সম্ভব। আর যৌক্তিক দাবি মেনে নিলে তো হয়েই যাবে সংকটের সমাধান। মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি মহান একটি খেলার মতো। বুদ্ধিমত্তা ও হিসেবের যোগ-বিয়োগ দিয়ে এই খেলায় কেউ জিতবে এবং কেউ হারবে। কিন্তু বিদগ্ধজনরা মনে করছেন আমাদের রাজনীতির বাস্তবতা হচ্ছে ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির লড়াই, এক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অন্যদলের রাজনীতির লড়াই ততো মুখ্য বিষয় নয়। প্রত্যেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে তাদের নিজস্ব ব্যক্তিসত্তা এবং দলীয় সত্তার মধ্যে বিভেদ টানা জরুরি। তাহলে রাজনীতির সঙ্গে রাজনীতির লড়াই থাকলেও পারস্পরিক ব্যক্তিবর্গের মাঝে কখনো অসম্মান, অশ্রদ্ধা এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব তৈরি হবে না।

মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যায় displacement বলে একটা concept আছে যা সিগমুন্ড ফ্রয়েডের ego defense mechanism-এর অংশ। এই ধারণার মূল বিষয় হচ্ছে সমপর্যায়ের কারো সঙ্গে ব্যক্তিগত মতামত বা আবেগ প্রকাশে ব্যর্থ হয়ে তারচেয়ে কম শক্তিধর অন্য কারো ওপর জমে থাকা আবেগ, রাগ বা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটানো। সহিংসতার মাঠে সাধারণ খেটে খাওয়া সহজ-সরল মানুষের ওপর তার বাস্তব নৃশংস চিত্র দেখা যাচ্ছে— সন্ত্রাসীদের ক্ষোভ-রাগের অন্তর্নিহিত চাপ উপশমের বস্তুতে পরিণত হয়েছেন সাধারণ জনগোষ্ঠী। এই নির্মম-নিষ্ঠুর আচরণ প্রতিবাদের ভাষা হতে পারে না। বর্তমান অস্থির সময়ে যে-সকল মূল্যবান প্রাণ হারিয়ে গেছে তা সাধারণ জনগণের কাছে মূল্যবান হলেও সন্ত্রাসী খুনীদের কাছে শুধু object বা বস্তু হিসেবে পরিণত হয়েছে যার ওপর তারা ঝেড়েছে নিজেদের রাগ, ক্ষোভ। পাষণ্ড উপায় অবলম্বন করে হিংসার উপশম ঘটিয়েছে সহিংস সন্ত্রাসীরা।

প্রবাদ আছে 'ভাবিয়া করিও কাজ' 'করিয়া ভাবিও না'— সুস্থ রাজনীতির পরিচর্যার জন্যও প্রয়োজন ভেবে-চিন্তে ঘটনা পুনর্মূল্যায়ন করে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা, অপরপক্ষকে অসম্মান বা আঘাত না করে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা। ঘন ঘন সিদ্ধান্ত পাল্টালে কিংবা সিদ্ধান্তে ডিগবাজি খেলে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নেতৃত্বের অবস্থান হাস্যকর হয়ে উঠতে পারে। রাজনীতির অঙ্গনে নতুন নতুন সংকট তৈরি করতে পারে। এই ধরনের রাজনীতি কখনো মানুষের কল্যাণ বয়ে আনতে পারবে না। যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পরও জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনকল্যাণে সমঝোতা বা কম্প্রোমাইজ করার প্রয়োজন হতে পারে। নিজের গৃহীত সিদ্ধান্তে নমনীয় হওয়ারও প্রয়োজন হতে পারে। অনড় বা inflexible থাকলে উদ্ভূত সংকট থেকে সমাধান টানার পথ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তবে সিদ্ধান্তে 'ইউ টার্ন' নিলে সমস্যা মোকাবিলার পথ খুঁজে পাওয়া দুরূহ হয়ে যেতে পারে। অতি উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা কিংবা বিষণ্নতা ইত্যাদি মানসিক সমস্যায় ভুগলে সিদ্ধান্তে দোদুল্যমানতা আসতে পারে। বার বার রাজনীতিবিদদের সিদ্ধান্তহীনতা দেশের জন্য ক্ষতি ছাড়া ভালো কিছু উপহার দিবে না। বয়সের একটি স্তর পেরিয়ে গেলে অনেক সময় স্মৃতিশক্তি ঠিকমতো কাজ করে না। কিছুক্ষণ আগে কী বলা হয়েছে, কিছুক্ষণ পর কী করা হলো তার মধ্যে সামঞ্জস্যহীনতা তৈরি হতে পারে স্মৃতিলোপের কারণে। 'ওয়ার্কিং মেমোরি'র এই ঘাটতি নানা সংকট তৈরি করতে পারে। কিন্তু 'ওল্ড ইজ গোল্ড'— এই কথার গুরুত্ব অপরিসীম। এক্ষেত্রে বয়োবৃদ্ধদের জীবনের গঠনমূলক অভিজ্ঞতাকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য উত্তরসূরীরা কাজে লাগাতে পারে। যে সকল বয়োবৃদ্ধ নেতৃত্বের স্মৃতিশক্তিতে ঘাটতি তৈরি হয়েছে তাদের ওপর জটিল সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়-দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়া বা অর্পণ করার ব্যাপারে সচেতন হতে হবে তরুণ নেতৃত্বকে। তবে শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট আছে এমন বয়স্ক ব্যক্তির মতামতের গুরুত্ব রয়েছে যেকোনো সমস্যা মোকাবিলায়— একথাটিও মনে রাখতে হবে উত্তরসূরীদের।

সহিংসতার একটি বড় কারণ হতাশাবোধ—'frustration always leads to aggression' and that 'aggression is always a consequence of frustration' (Dollard, 1939)। হতাশাজনক পরিস্থিতিতে ধ্বংসাত্মক প্রবৃত্তি উসকে উঠতে পারে অনিয়ন্ত্রিত ব্যক্তিত্বের আচরণে। প্রফেশনাল সন্ত্রাসীদের সহিংসতায় নিয়োজিত করলে সেটি হবে পরিকল্পিত সন্ত্রাস, পরিকল্পিত অপরাধ। আইনের ভাষায় ছাড় দেয়া যাবে না এ ধরনের অপরাধমূলক ধ্বংসযজ্ঞ, হত্যা ও নাশকতা। সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে চাই সহনশীল, ধৈর্যশীল আত্মবিশ্বাসী রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক অঙ্গন।

লেখক : মনোচিকিত্সক ও কথাসাহিত্যিক

[email protected]

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
দলের পক্ষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, 'নাটক করার জন্যই আওয়ামী লীগ সংলাপ চালিয়ে যাচ্ছে'। আপনিও কি তাই মনে করেন?
9 + 3 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ১৮
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৫সূর্যাস্ত - ০৫:১০
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :