The Daily Ittefaq
ঢাকা, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৩, ০১ পৌষ ১৪২০, ১১ সফর ১৪৩৫
সর্বশেষ সংবাদ ভিকারুন নিসা নূন স্কুলের ভর্তি লটারি ২০, ২১ ও ২২ ডিসেম্বর | জয়পুরহাটে সংঘর্ষে নিহত ৩ | ভোট হচ্ছে ১৪৬ আসনে, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৩৮৭ জন | সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী | লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা | নির্বাচন নিয়ে তামাশা নজীরবিহীন : কাজী জাফর | ব্যারিস্টার আনিসুলের বাড়িতে ককটেল হামলা | ১৬ ডিসেম্বরের পর থেকে পাল্টা আঘাত : হানিফ | বিএনপি আসলে এপ্রিলে নির্বাচন : আনন্দবাজার পত্রিকা | সিলেটের কানাইঘটে যুবলীগ নেতা খুন | মিরপুরে পুলিশ খুন, স্ত্রী গ্রেফতার | লালমনিরহাটে সংঘর্ষে উপজেলা শিবির সভাপতিসহ নিহত ৪

৪২ বছরেও কেউ খোঁজ রাখেনি ফুলগাজীর ৩০ শহীদের

পরশুরাম (ফেনী) সংবাদদাতা

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার মুন্সিরহাট জামমুড়া গ্রামের গণকবরে শুয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধের সময় নিহত ৩০ জন শহীদ। স্বাধীনতার ৪২ বছর পরও কেউ তাদের খোঁজ রাখেনি। শহীদদের স্মরণে নির্মিত হয়নি কোন স্মৃতি সৌধ। স্বাধীনতা বা বিজয় দিবসে কেউ তাদের কবরে ফুল দেয় না, জানায় না শ্রদ্ধাঞ্জলি। জানা যায়, জামমুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হাজী আনা মিয়ার বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধের সময় অসংখ্য শরণার্থী আশ্রয় নেয়। মে মাসের শেষের দিকে অবসর প্রাপ্ত লেঃ কর্নেল জাফর ইমামের নেতৃত্বে ওই এলাকায় টানা ১৭ দিন যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে ৭০ জন পাকসেনা নিহত হয়। ১৯৭১ সালের ১৬ জুন হাজী আনা মিয়ার বাড়ির পুকুর পাড় থেকে মুক্তিযোদ্ধারা পাকবাহিনীর ঘাঁটি লক্ষ্য করে আর্টিলারি হামলা করে। এর পরের দিন রাত ১৭ জুন পাক হানাদার বাহিনী পাল্টা হামলা চালালে আনা মিয়ার বাড়িতে আর্টিলারি সেল পড়ে। এতে একই পরিবারের ১১ জন সদস্যসহ মোট ৩০ জন শহীদ হন।

ওই দিন হাজী আনা মিয়ার মৃত্যুর চতুর্থ দিন মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বহু আত্মীয়-স্বজন বাড়িতে আসে। আত্মীয়-স্বজন ও শরণার্থীসহ ৪০/৫০ জন পাশাপাশি দুটি বড় ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। গভীর রাতে পাকসেনারা পরপর তিনটি আর্টিলারি সেল নিক্ষেপ করলে ৩০ জনের দেহ ছিন্ন বিছিন্ন হয়ে যায়। সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যান সহকারী শিক্ষক কামাল উদ্দিন মাহমুদের মা জমিলা খাতুন ও জেঠাতো বোনের ছেলে শহীদ উল্লা।

তারা দু'জন ওই ঘটনায় ৩০ শহীদকে কাফনের কাপড় ছাড়া ৫টি গর্তে গণকবর দেয়া হয়। সেই স্মৃৃতি আজো ভুলতে পারেনি জামমুড়া গ্রামের লোকজন।

জামমুড়া গ্রামবাসী ৩০ শহীদের স্মরণে স্মৃতি সৌধসহ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে।

ধামইরহাট গণকবরগুলো আজও অবহেলিত

ধামইরহাট (নওগাঁ) সংবাদদাতা স্বাধীনতার ৪২ বছর পরও পাক-হানাদার বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে নিহত স্বাধীনতাকামী মানুষের গণকবর ও বধ্যভূমিগুলো আজও অবহেলিত। নওগাঁ জেলা সদর থেকে ৫৬ কিলোমিটার উত্তরে ভারতের কোল ঘেঁষে নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার অবস্থান। স্বাধীনতা যুদ্ধে জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে পাকবাহিনী, রাজাকার, আলবদর বাহিনীর হাতে নির্যাতন ও নিরীহ মানুষ হত্যার ফলে এলাকার লোকজন দলে দলে প্রাণ ভয়ে ধামইরহাট উপজেলার সীমান্ত পথ দিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়।

ফার্শিপাড়া গ্রামের দক্ষিণ ধারে দু'টি এবং উত্তরে বেশ কয়টি গণকবর রয়েছে। অন্যদিকে উপজেলার সীমান্তবর্তী কুলফত্পুর গ্রামের ১৪ জনকে একই দিনে কুলফত্পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করা হয়। গণকবর ও বধ্যভূমিগুলো আজ গোচারণে পরিণত হয়েছে। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪২ বছরেও এগুলোর স্মৃতি ধরে রাখার জন্য এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি সরকারিভাবে।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
দলের পক্ষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, 'নাটক করার জন্যই আওয়ামী লীগ সংলাপ চালিয়ে যাচ্ছে'। আপনিও কি তাই মনে করেন?
9 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
জুলাই - ২৩
ফজর৩:৫৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১০
সূর্যোদয় - ৫:২৪সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :