The Daily Ittefaq
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১২, ১১ পৌষ ১৪১৯, ১১ সফর ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ উত্তর প্রদেশে পুলিশের কাছে গিয়ে ফের ধর্ষিত | সাংবাদিক নির্মল সেন লাইফ সাপোর্টে | হলমার্ক জালিয়াতি:ঋণের নথি জব্দে সোনালী ব্যাংকে দুদকের অভিযান | ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে ৯৭ কিলোমিটার জুড়ে যানজট | রোহিঙ্গাদের স্বীকৃতি দিন: মিয়ানমারকে জাতিসংঘ | বিশ্বজিত্ হত্যাকাণ্ড: এমদাদুল ৭ দিনের রিমান্ডে | গণসংযোগে সহযোগিতা করবে সরকার :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | স্বাধীনতার পাশাপাশি গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীলও হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী | গণসংযোগে বাধা দেবে না আওয়ামী লীগ : সাজেদা চৌধুরী | চট্টগ্রামে কোটি টাকার হেরোইন উদ্ধার | সম্পর্ক উন্নয়নে ভারত-পাকিস্তান সিরিজ শুরু আজ | জনসংযোগে বাধা দিলে কঠোর কর্মসূচি: বিএনপি

রাজউকের ৫ হাজার কোটি টাকার শতাধিক বাড়ি ও প্লট বেহাত

মোহাম্মদ আবু তালেব

রাজধানীতে ৪০ বছরে রাজউকের পাঁচ হাজার কোটি টাকার শতাধিক বাড়ি ও প্লট বেহাত হয়ে গেছে। জালিয়াতির মাধ্যমে রাজউকের আরো ৩৮টি বাড়ি আত্মসাতের চেষ্টা করছে সংঘবদ্ধ সরকারি ভূমি দখলকারী সিন্ডিকেট। চক্রটি অতিসমপ্রতি শত কোটি টাকা মূল্যের ধানমন্ডি ১ নম্বর সড়কের ১৩৯/১(এ) নম্বরের একটি সরকারি বাড়ি হাতিয়ে নিয়েছে। রাজউক এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এসব বাড়ি রক্ষায় তেমন কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। রাজউক ও মন্ত্রণালয়ের এক শ্রেণীর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা বরং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সরকারি বাড়ি দখলকারীদের নানাভাবে সহায়তা করছে । কিন্তু রাজউক ও মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে, প্রতিটি বাড়ি রক্ষায় কর্তৃপক্ষ আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ভূমি জালিয়াত চক্র ভুয়া দলিলপত্র বানিয়ে আদালতের শরণাপন্ন নিয়ে আইনি জটিলতা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নূরুল হুদা ইত্তেফাককে বলেছেন, 'সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারে আইনি লড়াই চলছে। ইতিমধ্যে শত কোটি টাকা মূল্যের পাঁচটি সরকারি বাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। বেহাত হওয়া অন্যান্য সরকারি সম্পদ রক্ষার প্রাণপণ চেষ্টা চলছে।'

গুলশান, বনানী, বারিধারা, মতিঝিল, মহাখালী, দিলকুশা ও উত্তরার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রাজউকের মূল্যবান সম্পত্তি জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে দখল করে নেয়া হয়েছে। দখলকৃত প্লটে বাড়িঘর করে বসবাসও চলছে। এসব প্লট ও বাড়ির আয়তন দুই বিঘা পর্যন্ত। রাজউক এবং গৃহায়ণ এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন থেকেই এসব তথ্য জানা গেছে। বেহাত হওয়া সরকারি প্লটগুলো উদ্ধারে রাজউকের পক্ষ থেকে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউকের যৌথ উদ্যোগে উচ্চ পর্যায়ের একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানা গেছে, বেহাত হওয়া প্লটগুলোর অধিকাংশই এককালে পাকিস্তানি নাগরিকদের নামে বরাদ্দ দিয়েছিল তত্কালীন ডিআইটি।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেলে প্লটগুলো বেদখল হয়ে যায়। এরকম শতাধিক প্লট ও বাড়ির তালিকা করে রাজউক সেগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দখলকারীরা অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় রাজউক তাদের সঙ্গে পেরে উঠছে না। সংঘবদ্ধ ভূমি জালিয়াত চক্র মামলা-মোকদ্দমা ফেঁদে দখল স্থায়ী করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। রাজউক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান বাজারে এসব বেহাত হওয়া প্লট ও বাড়ির মূল্য পাঁচ হাজার কোটি টাকারও অধিক।

রাজউকের চলমান উদ্ধার তালিকায় ৩৮টি প্লট ও বাড়ির নাম রয়েছে যার বর্তমান বাজার মূল্য আড়াই হাজার কোটি টাকারও অধিক। গত ৪০ বছরে রাজউকের আরো ১০৮টি বাড়ি ও প্লট হাতছাড়া হয়ে গেছে। সেগুলো উদ্ধারে এক রকম হাল ছেড়েই দিয়েছে রাজউক।

রাজউকের একাধিক সূত্র জানায়, বরাদ্দপ্রাপ্তরা দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর একেকটি প্লটের মালিকানা দাবি করে একই নামের একাধিক ব্যক্তি রাজউকের শরণাপন্ন হয়। জাল দলিলপত্র তৈরি করে তারা মালিকানা দাবি করছেন। অনেকে আদালতের একতরফা রায় কিংবা ভুয়া রায়ের কপি দেখিয়েও সরকারি প্লট আত্মসাত্ করেছে। কিন্তু রাজউক তাদের নামে প্লট ও বাড়িগুলোর নামজারি করেনি। এক পর্যায়ে পেশি শক্তির মাধ্যমে প্রভাবশালীরা দখল নিশ্চিত করে। রাজউকের কিছু সংখ্যক অসাধু কর্মকর্তাকে হাত করে রাখায় দখলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না।

রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নূরুল হুদা ইত্তেফাককে বলেন, সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। সে মোতাবেক রাজউক সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, গুলশান, বনানী ও বারিধারায় এ ধরনের বেশ কিছু প্লট ও বাড়ি রাজউকের রয়েছে। কিন্তু সেগুলো সম্পূর্ণ রাজউকের দখলে আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। আইনি জটিলতার কারণে এসব প্লট ও বাড়ি নিলামে বিক্রি করে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য আপাতত রাজউকের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বাড়িগুলো নিয়ে এমন কিছু না করার জন্য যাতে করে দখলদাররা সুবিধা পায়। তবে বাড়িগুলো উদ্ধারে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। যেকোন মূল্যে সরকারের এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি রক্ষা করা হবে।

রাজউক চেয়ারম্যান আরো বলেন, একই নামের একাধিক ব্যক্তি এসে একটি প্লটের মালিকানা দাবি করেন। অথচ আমরা বুঝতে পারি, তাদের কেউই ওই প্লটের মালিক নন। এ ধরনের কিছু প্লট বেহাতও হয়ে গেছে। সেগুলো এখন আর উদ্ধার করা হয়তো সম্ভব নয়। অবশিষ্ট প্লটগুলো কিভাবে রক্ষা করা যায়, সে চেষ্টাই করছে রাজউক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজউকের এক কর্মকর্তা ইত্তেফাককে বলেন, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে এ ধরনের ১৮টি প্লট ও বাড়ি পানির দামে রাজউক বিক্রি করে দেয়। এ ঘটনায় মামলা হলে রাজউকের তত্কালীন চেয়ারম্যান শহিদ আলমসহ ডজনখানেক কর্মকর্তা জেলে যান। এরপরও রাজউকের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী জাল দলিলকারীদের সহযোগিতা করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। সরকারের উচ্চ মহল থেকেও এ ব্যাপারে তদবির আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গুলশানের ১৪ নম্বর রোডের ৪ নম্বর বাড়িটি প্রায় দুই বিঘা আয়তনের। এ প্লটের পশ্চিম অংশে রয়েছে একটি তিনতলা আবাসিক ভবন। সামনে এক বিঘার মতো জায়গা ফাঁকা। সেখানে শিশুদের জন্য পার্কের আঙ্গিকে খেলার উপকরণ। আশপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বাহারি ফুল ও ফলের গাছ। বাড়ির চারপাশে উঁচু সীমানা প্রাচীর। তত্কালীন ডিআইটি এ প্লটটি ফাতেমা জোহরাকে বরাদ্দ দিয়েছিল। রাজউকের নথিতেও জাল দলিল করে দখলদার হিসেবে ফাতেমা জোহরার নামটি আছে। তবে বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী আকরাম জানান, বাড়িটি রংপুর এলাকার জাতীয় পার্টির নেতা করিম উদ্দিন ভরসার। তার পরিবার-পরিজন দীর্ঘদিন ধরে এখানেই বাস করছেন।

গুলশানের ১০৯ নম্বর রোডের ৪ নম্বর বাড়িটি প্রায় দুই বিঘার প্লটে ছিমছাম একটি ডুপ্লেক্স ভবন। সামনে ফুলের বাগান। ফটকের পাশের দেয়ালে লেখা দারুল ইমাম। রাজউকের নথিতে এ প্লটের আগের বরাদ্দপ্রাপ্ত ও দখলকারী হিসাবে মো. শাহাবুদ্দিনের নাম রয়েছে।

গুলশানের ১১ নম্বর রোডের ৩ নম্বর প্লটের আয়তন অন্তত এক বিঘা। ভেতরে কিছু ঘরবাড়ি। আর বেশকিছু প্রাইভেট কার পরিত্যক্ত পড়ে আছে। ঘরবাড়িতে বসবাস করছেন শাহজাহান বেপারীসহ চার-পাঁচজন। শাহজাহান বেপারী ইত্তেফাককে বলেন, বাড়িটি সরকারি। কিন্তু সরকারের দখলে নেই। অন্য লোকেরা দেখাশোনা করার জন্য তাকে চাকরি ও থাকতে দিয়েছেন। আর গুলশান থানায় গাড়ি রাখার জায়গা নেই বলে আটক করা গাড়িগুলো এখানে রাখা হয়েছে। রাজউকের নথিতে জায়গাটির মালিক ও জাল দলিলকারীর নাম সৈয়দ আহমেদ হাসমী।

বনানীর ব্লক জি-৩, রোড-৭, বাড়ি ৩১-এ গিয়ে দেখা যায়, চারপাশে সীমানা প্রাচীর দেয়া বাড়িটির ফটকের একাংশের সামনে ইয়াকুব নামের এক ব্যক্তি পান-চা-সিগারেটের দোকান বসিয়েছেন। ভেতরে টিনশেড একটি ঘরে মমতাজ মিয়া সপরিবারে বসবাস করেন। আরেক অংশ ভাড়া দেয়া হয়েছে একটি পানীয় কোম্পানির কাছে। তারা সেখানে বোতল রাখার গুদাম বানিয়েছে। ইয়াকুব জানান, বাড়ির মালিক একজন সুফি। তিনি এখানে খানকা শরিফ বানাবেন। তার হয়ে দেখাশোনা করেন মমতাজ মিয়া। তিনি ইত্তেফাককে বলেন, অনেকদিন আগে মাওলানা শামসুল হকের মাধ্যমে জায়গাটা কেনা হয়েছিল খানকা শরিফ নির্মাণের জন্য। শিগগিরই ওই জায়গায় খানকা শরিফের নির্মাণ কাজ শুরু হবে। রাজউকের তালিকায় এ জায়গাটির মালিক ও জাল দলিলকারী হিসাবে নাম আছে সাইদ নূরুল গনির।

রাজউকের তালিকা

রাজউকের তৈরি গুলশান-বনানী ও বিভিন্ন এলাকার বিতর্কিত নথির তালিকায় আছে গুলশানের ৯৩ রোডের ১৫/সি প্লটটি। এটি জাল দলিল করে দখল করেছেন এম এম জলিল খান, ৯৬/৯৩ রোডের ১৯ নম্বর প্লট দখল করেছেন মো. ওহীদুল নবী। একইভাবে রোড ১০১/১০৩, প্লট ১৩ নেছার মোহাম্মদ খান, রোড ১০৮, প্লট ১৪ টি এ খান, রোড ১০৮/১১২, প্লট ১ আরিফুল হাসান, রোড ১০৯, প্লট ৪ মো. শাহাবুদ্দিন, রোড ১১৫, প্লট ১০ হারুন নেছা, রোড ১১৬, প্লট ৯ বিলকিস বানু, রোড ১১৭/গ, প্লট ৮০ নীঘাত পারভিন, রোড ৪৯/ক প্লট ১ আসাদুজ্জামান ও শওকত আলী চৌধুরী, রোড ৪৯ প্লট ১ এস এম এ তাকী ও শাহীন কোরাইশী, রোড ৪৭/৪৮, প্লট ২ রৌশন আরা বেগম, রোড ৪১, প্লট ৬ হাবিব সুলতানা জায়েদী, রোড ৪৪, প্লট ৩০/এ মোক্তার আহম্মদ আনসারী, রোড ৪৪/গ, প্লট ৩০/এ হোসনে আরা বেগম, রোড ৪৫/গ, প্লট ১১৩ এস কে রেজা চৌধুরী, রোড গ, প্লট ১০৫ মুস্তারী বেগম, রোড গ, প্লট ৭৯ আবদুল্লাহ ভাই, রোড ১৬/২১, প্লট ৬ শামসুল হক, রোড ৩, প্লট ৭২ মো. কেরামত আলী, রোড ৭১/৭৪, প্লট ৯ ইউসুফ আলী খান, রোড ৮৭, প্লট ৪ নম্বর এম এ ছাত্তার, রোড ৫৯, প্লট ১৯ হাফিজা বেগম, রোড ৫৪, প্লট ১৩ আবদুল মালেক, রোড ৫৩, প্লট ১২ মাহবুব আনাম, রোড ৫০, প্লট ১৯ মোস্তফা হায়দার, রোড গ-১১, প্লট ৩৫ আফসার উদ্দিন, রোড ১১, প্লট ৩ সৈয়দ আহমেদ হাসমী, রোড ১৪, প্লট ৪ নম্বর ফাতেমা জোহরা, রোড ২/১, প্লট ২ রওশন আরা বেগম গং ও রোড ৪৬/৫২, প্লট ২৭ নম্বর মো. নাঈম জাল দলিল করে দখল করেছেন।

বনানীর সি-ব্লকের ৬ নম্বর সড়কের ৬ নম্বর বাড়ি জাল দলিল করে দখল করেছেন মো. নেহাল উদ্দিন। ডি-ব্লকের ১৩ নম্বর রোডের ২৫ নম্বর বাড়ি জাল দলিল করে দখল করেছেন আবসার আলম ওসমানী, ই-ব্লকের ১৭/এ, ১২ নম্বর সড়কের ১২ নম্বর বাড়ি মো. আইয়ুব আনসারী, আই-ব্লকের ৩ নম্বর রোডের ২৮ নম্বর বাড়ি ওয়াহিদুর রহমান, জি-ব্লকের ৭ নম্বর রোডের ৩১ নম্বর বাড়ি সাইদ নূরুল গনি।

এছাড়া ২২ দিলকুশার প্লট জাল দলিল করে দখল করেছেন আবদুল জলিল ও ৫৪ মহাখালীর প্লটটি জাল দলিল করে দখলে রেখেছে ইউনাইটেড ট্রেডিং করপোরেশন। একইভাবে দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায় ১ বিঘা ১৭ কাঠা আয়তন বিশিষ্ট ৩৭ নং প্লটটি হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে একটি চক্র। রাজউকের এ তালিকার শেষে বিশেষ দ্রষ্টব্য দিয়ে লেখা উপরোক্ত প্লটগুলোর লিজ গ্রহীতারা পাকিস্তানের নাগরিক। বর্তমানে বিভিন্ন ব্যক্তি উক্ত নাম ধারণ করে প্লটগুলো হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে।

রাজউকের বেহাত হওয়া অন্যান্য প্লট হচ্ছে সিইএন (এ) ১৫/সি, রোড ৯৩, পরিমাণ ৬ কাঠা, সিইএন (বি) ১৭, রোড-৯৯, পরিমাণ ১৮ কাঠা ১২ ছটাক, সিইএন (ডি) ২০, রোড ১০১/১০৩, পরিমাণ ২০ কাঠা ১০ ছটাক, সিইএন (জি) ১৬/বি, রোড-১০৮/১১২, পরিমাণ ১৫ কাঠা ১০ ছটাক, সিইএন (এইচ) ৪, রোড ১০৯, পরিমাণ ১৩ কাঠা ৬ ছটাক, সিইএন (এইচ) ৩২, রোড ১১৫, পরিমাণ-১৪ কাঠা ১ ছটাক, সিইএস (এ) ৪৭, রোড ১১৬, পরিমাণ ১৩ কাঠা ১০ ছটাক, সিইএস (এফ) ২ রোড বি/এ গুলশান এভিনিউ, পরিমাণ ১৯ কাঠা ৮ ছটাক, সিডব্লিউএন (এ) ০১ রোড ৪৯/কেএ পরিমাণ ২৭ কাঠা ৮ ছটাক, সিডব্লিউএন (এ) ২, রোড-৪৯, পরিমাণ ২১ কাঠা ৯ ছটাক, সিডব্লিউএন (এ) ১৮/৬/৫, রোড ৪৭/৪৮, পরিমাণ ১৯ কাঠা ১৩ ছটাক, সিডব্লিউএন (এ) ৪৩, রোড ৪১, পরিমাণ ১৭ কাঠা ১২ ছটাক, সিডব্লিউএন (বি) ৬, রোড ৪৪, পরিমাণ ৯ কাঠা ১৫ ছটাক, সিডব্লিউএন (বি) ২৮, রোড ৪৪, গুলশান এভিনিউ, পরিমাণ ১৩ কাঠা, সিডব্লিউএন (বি) ৩৪, রোড-গুলশান এভিনিউ, পরিমাণ ১৯ কাঠা ৪ ছটাক, সিডব্লিউএন (সি) ৩, রোড-গুলশান এভিনিউ, পরিমাণ ১৮ কাঠা ১২ ছটাক, সিডব্লিউএন (এ) ৮, রোড-গুলশান এভিনিউ, পরিমাণ ১৯ কাঠা ৮ ছটাক, সিডব্লিউএন (সি) ৫, রোড ১৬/২১, পরিমাণ ২৫ কাঠা, এনই (বি) ১/এ, রোড ৭১/৭৪, পরিমাণ ৩৯ কাঠা ৩ ছটাক, এনই (এস) ৪, রোড ৮৭, পরিমাণ ৮ কাঠা ১২ ছটাক, এনডব্লিউ (ই) ২ রোড ৫৯, পরিমাণ ১৭ কাঠা ১২ ছটাক, (এনডব্লিউআই) ৩ রোড ৫৩, পরিমাণ ২৪ কাঠা ৮ ছটাক, এনডব্লিউ (কে) ১১ রোড ৫০, পরিমাণ ১৮ কাঠা ১২ ছটাক, এসডব্লিউ (এ) ২৯, রোড ১১, গুলশান এভিনিউ, পরিমাণ ১৭ কাঠা ৮ ছটাক, এসডব্লিউ (এ) ৩০, রোড-১১, গুলশান এভিনিউ, পরিমাণ ১১ কাঠা ১২ ছটাক, এসডব্লিউ (সি) ১৩, রোড ১৪, পরিমাণ ১২ কাঠা ৩ ছটাক, এসডব্লিউ (এইচ) ৭, রোড ২/১, পরিমাণ ২০ কাঠা ১০ ছটাক, জিএনসি (এ) ৪৫, রোড ৪৬/৫২, পরিমাণ ৬ কাঠা ১৪ ছটাক, সিএনডব্লিউ (বি) ৩৪, পরিমাণ ১৪ কাঠা, এসডব্লিউ (সি) ১৩, পরিমাণ ১২ কাঠা ৯ ছটাক, এনডব্লিউ (স) ১ বিঘা ১ ছটাক, সিডব্লিউএন (বি) ৩, পরিমাণ ১১ কাঠা ২ ছটাক, সিডব্লিউএন (এ) ১, পরিমাণ ১ বিঘা ২ ছটাক, সিইএস (এ) ৪৭, পরিমাণ ১৭ কাঠা ১১ শতাংশ, সিডব্লিউএন (সি) ৩, পরিমাণ ১ বিঘা ২ শতাংশ, সিডব্লিউএন (বি) ১-এ, পরিমাণ ১ বিঘা ১৯ শতাংশ, সিডব্লিউএন (এ) ২, পরিমাণ ১ বিঘা ২ শতাংশ।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
সংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আপত্তি যৌক্তিক বলে মনে করেন?
6 + 7 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ৩
ফজর৫:০৪
যোহর১১:৪৮
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:২৪সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :