The Daily Ittefaq
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১২, ১১ পৌষ ১৪১৯, ১১ সফর ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ উত্তর প্রদেশে পুলিশের কাছে গিয়ে ফের ধর্ষিত | সাংবাদিক নির্মল সেন লাইফ সাপোর্টে | হলমার্ক জালিয়াতি:ঋণের নথি জব্দে সোনালী ব্যাংকে দুদকের অভিযান | ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে ৯৭ কিলোমিটার জুড়ে যানজট | রোহিঙ্গাদের স্বীকৃতি দিন: মিয়ানমারকে জাতিসংঘ | বিশ্বজিত্ হত্যাকাণ্ড: এমদাদুল ৭ দিনের রিমান্ডে | গণসংযোগে সহযোগিতা করবে সরকার :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | স্বাধীনতার পাশাপাশি গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীলও হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী | গণসংযোগে বাধা দেবে না আওয়ামী লীগ : সাজেদা চৌধুরী | চট্টগ্রামে কোটি টাকার হেরোইন উদ্ধার | সম্পর্ক উন্নয়নে ভারত-পাকিস্তান সিরিজ শুরু আজ | জনসংযোগে বাধা দিলে কঠোর কর্মসূচি: বিএনপি

পুরাতন আখে ফলন কম

পাঁচ বছরেও নতুন জাতের আখ চাষ হয়নি

নাটোর সংবাদদাতা

গত পাঁচ বছর নতুন জাতের কোন আখ চাষ হয়নি। চাষিরা পুরনো জাতের আখ প্রাচীন পদ্ধতিতে চাষ করে আসছে। ফলে আখের ফলন বৃদ্ধির পরিবর্তে কিছুটা কমেছে বলে তাদের অভিযোগ।

আখ বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল। দেশের চিনি ও গুড়ের চাহিদা মেটাতে প্রতি বছর প্রায় চার লাখ একর জমিতে আখ চাষ হয়। দেশের প্রায় ৬ লাখ আখচাষি পরিবার প্রত্যক্ষভাবে চিনিকলগুলোর ওপর নির্ভরশীল। আখ বিক্রি করে প্রতি বছর চাষিরা পায় প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হয় প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

আখ একটি লাভজনক ফসল হলেও দীর্ঘ মেয়াদের কারণে চাষিদের কাছে তেমন গুরুত্ব পায় না। বাংলাদেশে আখের ফলনও কম। হেক্টর প্রতি গড়ে মাত্র ৪৫ টন। চিনিকল এলাকায় আখের ফলন প্রতি হেক্টরে প্রায় ৫০টন। অপরদিকে চিনিকলবহির্ভূত গুড় উত্পাদন এলাকায় আখের ফলন মাত্র ৩৫জন। যদিও ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত সর্বশেষ জাতের আখের হেক্টর প্রতি ফলন ১৩৯ টন। কিন্তু বিএসআরআই নামের ঐ জাতের আখের বীজ এখনও চাষিদের কাছে আসেনি। এছাড়াও তারা ২০০৬ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ঈশ্বরদী-৩৭, ৩৮, ৩৯ ও ৪০সহ প্রায় অর্ধশত জাতের আখ উদ্ভাবন করেছে। উল্লেখিত জাতের আখের হেক্টর প্রতি ফলন ১০০ টনের ওপরে। কিন্তু সেগুলোর বীজ চাষিরা এখনও পায়নি।

বাংলাদেশ ইক্ষু ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা যায়, ১৯৩৩ সালে ভারতীয় কৃষি বিষয়ক ইমপেরিয়াল কাউন্সিলের আওতায় ঢাকার মণিপুরি ফার্মে ইক্ষু চারা পরীক্ষাগার প্রতিষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এর নাম হয় 'ইক্ষু গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট'। ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনা হয়। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট অধ্যাদেশ পাস হয় এবং ইক্ষুর পাশাপাশি মিষ্টি জাতীয় ফসলের উপর গবেষণার ম্যান্ডেট প্রদান করা হয়।

এই পাতার আরো খবর -
font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
সংসদীয় আসনের সীমানা পুন:নির্ধারণে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের আপত্তি যৌক্তিক বলে মনে করেন?
8 + 2 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
নভেম্বর - ৫
ফজর৫:০৬
যোহর১১:৪৯
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:২৬সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :