The Daily Ittefaq
ঢাকা, সোমবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১২, ১৭ পৌষ ১৪১৯, ১৭ সফর ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ রাজধানীতে বর্ষবরণে নাশকতা ঠেকাতে মাঠে নেমেছে ৮টি ভ্রাম্যমাণ আদালত | নতুন বছরে খালেদা জিয়ার শুভেচ্ছা | নতুন বছরে আন্দোলনে ভেসে যাবে সরকার: তরিকুল ইসলাম | দক্ষিণ এশিয়ায় সাংবাদিক হত্যার শীর্ষে পাকিস্তান | ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন নীল ৮, সাদা ৭ পদে জয়ী | জোর করে ক্ষমতায় থাকতে চাইলে ৭৫ এর মতো পরিণতি হবে: খন্দকার মোশাররফ | দুর্নীতিবাজদের ভোট দেবেন না : দুদক চেয়ারম্যান | ট্রেনের ধাক্কায় ৫ হাতির মৃত্যু | এখন বাবা-মাকে বই নিয়ে চিন্তা করতে হয় না : প্রধানমন্ত্রী | আপাতত পাকিস্তান সফর করছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল | মিরপুরে ঢাবি অধ্যাপকের স্ত্রীকে গলাটিপে হত্যা | তাজরীনে আগুন পরিকল্পিত: বিজিএমইএ | ১৩ জানুয়ারি থেকে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার নিবন্ধন | সমস্যা সমাধানে আলোচনার বিকল্প নেই : সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম

বা রা ক ও বা মা

আস্থার নাম

খোন্দকার মুহম্মদ খালেদ

বিশ্বের প্রায় সবগুলো দেশে একটি দল জিতলে রাষ্ট্রপ্রধান কে হবেন তা প্রায় সঠিক অনুমান করা যায় নির্বাচনের বছর কয়েক আগেই। কারণ, দলগুলোর শীর্ষনেতারা তাদের পদের মেয়াদ টানতে টানতে যতটা সম্ভব লম্বা করতে থাকেন। যত বছর পরে নির্বাচন হোক না কেন, দল জিতলে তিনিই প্রধানমন্ত্রী কিংবা প্রেসিডেন্ট। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি দেশ যেখানে নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগেও জানা কঠিন অমুক দল জিতলে কে প্রেসিডেন্ট হবেন। কারণ, সেখানে দলীয় কাণ্ডারি হয়ে নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতা বাগানোর চিন্তা দিবাস্বপ্ন ছাড়া আর কিছু নয়। দলীয় সভাপতি, প্রেসিডেন্ট কিংবা চেয়ারপারসন বলে কোনো জিনিস নেই। প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে গেলে ককাস ও প্রাইমারি নামের প্রার্থী বাছাই অগ্নিপরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। সেই পরীক্ষায় প্রথম হলে তবেই প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াই। শতভাগ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপ্রধান হবার মল্লযুদ্ধের যোগ্যতা অর্জন। এমনও হতে পারে, প্রার্থী বাছাই ভোটযুদ্ধে এমন একজন উত্তীর্ণ হলেন যার নাম বাকি দুনিয়া তো দূরের কথা, খোদ আমেরিকার বেশিরভাগ মানুষই শোনেনি। তাই দৃশ্যপটে যখন নাম না জানা এক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী এসে হাজির হন তখন চোখ কপালে ওঠার জোগাড় হয় অনেকের।

যুক্তরাষ্ট্রে নিকট অতীতে এমন ঘটনা ঘটেছিল ২০০৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে। ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে বিল ক্লিনটনের সেলিব্রেটি স্ত্রী (ফার্স্টলেডি হওয়ার সুবাদে) হিলারি ক্লিনটন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী বাছাই নির্বাচনে অংশ নেন। বিশ্বজুড়ে এমন ধারণা তৈরি হয়েছিল যে হিলারিই এবার ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হচ্ছেন। কিন্তু তাকে চ্যালেঞ্জ করে বসেন মধ্যবয়সী এক কৃষ্ণাঙ্গ। নাম তার বারাক হুসেইন ওবামা। মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিযোগিতার প্রার্থী বাছাই ভোটপর্ব ছিল সেটি। বাছাইযুদ্ধে সামান্য ব্যবধানে হিলারিকে হারিয়ে দলীয় মনোনয়ন ছিনিয়ে নেন ওবামা। কেবল তখনই বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে জানাজানি হয় এই কৃষাঙ্গ রাজনীতিকের নাম। জর্জ ডব্লিউ বুশের 'মারকুটে' শাসনে যারা অতিষ্ঠ ছিলেন তারা চেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতার পালাবদল হোক, রিপাবলিকানের বদলে ডেমোক্রেট আসুক। যুদ্ধ ডুবে গিয়ে শান্তি ভাসুক। সেই সাথে যোগ হয়েছিল আরেকটা চাওয়া—হোয়াইট হাউসে প্রথমবার একজন কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্টের অভিষেক ঘটুক।

মার্কিনীদের এবং বিশ্ববাসীর সেই চাওয়া পূর্ণ হয়েছিল। রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী জন ম্যাককেইনকে বিরাট ব্যবধানে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ওবামা। লেখা হয় নতুন ইতিহাস। যুক্তরাষ্ট্রের আশা পূরণের অভিভাবক হয়ে যান একজন অশ্বেতাঙ্গ। ওবামা সেবার পপুলার ভোট পেয়েছিলেন ৫২ দশমিক ৯ শতাংশ। তার ঢের পেছনে ছিলেন জন ম্যাককেইন। তিনি পেয়েছিলেন ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট। ২০০৯ সালের ২০ জানুয়ারি শপথ পাঠ করে তিনি হয়ে যান ৪৪তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেতার আগে ওবামার নাম খুব কম লোকেই শুনেছিল। কারণ জাতীয় পর্যায়ে তেমন গুরুত্বপূর্ণ কোনো ব্যক্তি তিনি ছিলেন না। তিনি ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তিনবার ইলিনয় রাজ্য সিনেটে প্রতিনিধিত্ব করেন। ২০০০ সালে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে নির্বাচন করে পরাজিত হন। বুশের ইরাক যুদ্ধনীতির ঘোর বিরোধী ছিলেন ওবামা। ২০০৩ সালে ইলিনয়ে ইরাক যুদ্ধের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি বড় বড় মিছিল হয়। এসব মিছিলের সামনে থাকতেন ওবামা। তখনই মূলত এই ডেমোক্রেট তার রাজ্যবাসীর কাছে একটু একটু করে পরিচিত হতে শুরু করেন। ২০০৪ সালে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে ইলিনয় থেকে জাতীয় সিনেটর পদে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থিতা জিতে নেন এবং নির্বাচনেও জয়লাভ করেন। সিনেটর পদে জেতার পর ওবামার উচ্চাকাঙ্ক্ষা আরও বেড়ে যায়। হিলারি ক্লিনটনের জনপ্রিয়তার কথা জানা সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে তিনি প্রেসিডেন্ট পদের প্রার্থিতা লাভের যুদ্ধে নামার ঘোষণা দেন। ২০০৮ সালে সেই প্রার্থিতা জিতে নেন। নির্বাচনী স্লোগান করেন 'চেঞ্জ :ইয়েস উই ক্যান'। অর্থাত্ আমেরিকাকে বদলে দেওয়ার ক্ষমতা তার দলের আছে। এই স্লোগানে আস্থা রেখে শান্তিপ্রিয় ভোটাররা ডেমোক্রেট প্রতীকে সিল মারে। পরের গল্প তো সবার জানা।

ওবামা শান্তির স্বপ্ন দেখিয়ে ভোটারদের মন জয় করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরের বছর ওবামা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, যদিও এই নোবেল নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্ববিখ্যাত সাপ্তাহিক টাইম ম্যাগাজিন ২০১১ সালে ৩২ জন ব্যক্তিত্বকে 'পার্সন অব দ্য ইয়ার' হিসেবে মনোনীত করে। এ তালিকায় ছিল বারাক ওবামার নাম। ২০১২ সালেও তিনি দ্বিতীয়বারের মতো টাইম ম্যাগাজিনের 'পার্সন অব দ্য ইয়ার' মনোনীত হন। তার আগে গত ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ী হন তিনি।

কালো বর্ণের একজন আফ্রিকান-আমেরিকান যে হোয়াইট হাউসের অধিকর্তা হতে পারেন তা ওবামার জয়ের আগে কেউ কল্পনাও করতে পারতেন না। ওবামা একজন সংগ্রামী জীবনের প্রতিমূর্তি। ১৯৬১ সালের ৪ আগস্ট জন্মগ্রহণের পর থেকেই তিনি নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে পার করেছেন প্রতিটি দিন। জন্মদাতা বাবার আদর-ভালোবাসা কখনও পাননি তিনি। কারণ তার জন্মের পর কয়েক মাস যেতে না যেতেই মা-বাবার দাম্পত্য জীবনে শুরু হয় টানাপোড়েন। আলাদা বসবাস শুরু করেন তারা। ১৯৬৪ সালের মার্চ মাসে ওবামার বয়স যখন মাত্র দুই বছর তখন তার বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। ১৯৮৮ সালে ওবামা হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে আইন বিভাগে ভর্তি হন। এর এক বছর পর শিকাগোর একটি ল' ফার্মে তিনি ইন্টার্নশিপ করতে যান। সেখানে তার সঙ্গে পরিচয় হয় মিশেলের। ১৯৯২ সালের ৩ অক্টোবর তারা বিয়ে করেন। মালিয়া ও সাশা নামে দুই কন্যা সন্তান আছে তাদের।

ওবামা এমন একসময় যুক্তরাষ্ট্রের হাল ধরেছিলেন যখন আমেরিকাসহ গোটা বিশ্বের ঘাড়ে সওয়ার হয়েছিল অর্থনৈতিক মহা মন্দা। অসংখ্য আমেরিকান বেকার হয়ে গিয়েছিল সেই মন্দার কবলে। প্রতিদিন অগুনতি লোক চাকরি হারাচ্ছিল। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যবসা লাটে উঠছিল। একের পর এক বড় বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে ব্যবসা বন্ধ করে দিচ্ছিল। সঞ্চয়ের লগ্নি করা টাকা কমে যাচ্ছিল প্রতিদিন, মানুষ হারাচ্ছিল তাদের গাড়ি-বাড়ি-সঞ্চয়। জর্জ ডব্লিউ বুশের কট্টোরপন্থী বিদেশনীতি এবং যুদ্ধংদেহী মনোভাবের কারণে আমেরিকা হারাচ্ছিল বন্ধু। আমেরিকার প্রতি তার বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা যাচ্ছিল উবে। আমেরিকানরা এমন একজনকে খুঁজছিলেন যিনি হবেন 'সর্ব রোগের চিকিত্সক', যিনি অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের সাথে হারানো বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধাকে যথাস্থানে ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

এমন পরিস্থিতির মাঝেই ওবামা মানুষকে শোনাতে পেরেছিলেন আশার বাণী। তিনি আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেছিলেন, ইয়েস উই ক্যান—হ্যাঁ আমরা পারি। ব্যস্ এতেই আস্থা আনে মার্কিনীরা। তারা ভোট দিয়ে ক্ষমতার চেয়ারে বসায় তাকে। দায়িত্ব নিয়েই ওবামা সাধ্যমতো চেষ্টা করেন আমেরিকার অর্থনীতিকে আবার নিজের পায়ে দাঁড় করাতে। দেউলিয়াত্বের মুখে পড়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে 'স্যালাইন' দিয়ে বাঁচিয়ে তুলতে, যাতে চাকরি হারানো লোকগুলো আবার কাজে ফিরে যেতে পারে, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে যাতে আবার তেজি ভাব ফিরে আসে। এসব করতে গিয়ে তিনি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়েছিলেন। এই প্রণোদনা কৌশলের সমালোচনা হয়েছিল বিস্তর। কিন্তু ওবামার সামনে বিকল্প ছিল না।

ওবামা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন দেশবাসীকে সুশাসন উপহার দিতে। সফলতার খাতায় অনেক কিছু যোগ হয়েছে কিন্তু ব্যর্থতার খাতার পাতার সংখ্যাও কম নয়। গত নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ও অর্থনীতি বেশ ভঙ্গুর ছিল। রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মন্দা এখনও কাটেনি। আমেরিকা মুসলিম দেশগুলোর আস্থা এখনও পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি। মোট কথা দেশবাসীর হাতে ওবামা জাদুকরি কোনো উপহার তুলে দিতে পারেননি। তা সত্ত্বেও তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে জনগণের কাছে ভোট চান। তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, যে কাজগুলো অসমাপ্ত রয়েছে আবার ভোটে জিতে ক্ষমতায় এলে সেগুলো শেষ করবেন তিনি। তিনি আরেকবার সুযোগ চেয়েছিলেন। মার্কিনীরা তার উপর আস্থা রেখে সত্যি সত্যিই আরেকবার সুযোগ দিল। গত ৬ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বড় ব্যবধানে তিনি হারিয়ে দেন রিপাবলিকান মিট রমনিকে।

মার্কিন রাজনীতি এবং ভোটারদের সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তফাত্টা এখানেই। অন্যান্য দেশের ভোটাররা সরকারের এক মেয়াদেই জাদুকরি পরিবর্তন চেয়ে বসে। না পারলে বিদায় করার জন্য উঠে পড়ে লাগে। তার উপর আর আস্থা রাখতে পারে না। কিন্তু মার্কিনীরা ভিন্ন। ওবামা তার দেশবাসীর হাতে আলাউদ্দিনের আশ্চর্য প্রদীপ তুলে দিতে পারেননি। কিংবা সুখ-শান্তির বানে তাদের ভাসিয়ে দিতে পারেননি। এখনও বেকারত্ব ৮ শতাংশের উপরে। কাজের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছে অনেকে। তার সই করা অনেক আইন চরম বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তা সত্ত্বেও তিনি আরেকবার ভোট চেয়েছেন, পেয়েছেন এবং প্রেসিডেন্ট হয়েছেন।

ওবামার আগে জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং তার আগে বিল ক্লিনটনকেও মার্কিনীরা পরপর দুইবার ক্ষমতায় এনেছিল। আগামী ২০ জানুয়ারি ওবামা দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। ২০১৬ সালে নতুন প্রেসিডেন্টের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়ার আগ পর্যন্ত সময়টা মার্কিনীদের এবং বিশ্ববাসীর প্রত্যাশা ওবামা কতটা পূরণ করতে পারেন সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

লেখক : বার্তা সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাক।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। সাবেক উপদেষ্টা আকবর আলি খানের এই আশঙ্কা যথার্থ বলে মনে করেন?
6 + 3 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
আগষ্ট - ২৩
ফজর৪:১৮
যোহর১২:০২
আসর৪:৩৫
মাগরিব৬:২৯
এশা৭:৪৪
সূর্যোদয় - ৫:৩৭সূর্যাস্ত - ০৬:২৪
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :