The Daily Ittefaq
ঢাকা, সোমবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১২, ১৭ পৌষ ১৪১৯, ১৭ সফর ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ রাজধানীতে বর্ষবরণে নাশকতা ঠেকাতে মাঠে নেমেছে ৮টি ভ্রাম্যমাণ আদালত | নতুন বছরে খালেদা জিয়ার শুভেচ্ছা | নতুন বছরে আন্দোলনে ভেসে যাবে সরকার: তরিকুল ইসলাম | দক্ষিণ এশিয়ায় সাংবাদিক হত্যার শীর্ষে পাকিস্তান | ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন নীল ৮, সাদা ৭ পদে জয়ী | জোর করে ক্ষমতায় থাকতে চাইলে ৭৫ এর মতো পরিণতি হবে: খন্দকার মোশাররফ | দুর্নীতিবাজদের ভোট দেবেন না : দুদক চেয়ারম্যান | ট্রেনের ধাক্কায় ৫ হাতির মৃত্যু | এখন বাবা-মাকে বই নিয়ে চিন্তা করতে হয় না : প্রধানমন্ত্রী | আপাতত পাকিস্তান সফর করছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল | মিরপুরে ঢাবি অধ্যাপকের স্ত্রীকে গলাটিপে হত্যা | তাজরীনে আগুন পরিকল্পিত: বিজিএমইএ | ১৩ জানুয়ারি থেকে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার নিবন্ধন | সমস্যা সমাধানে আলোচনার বিকল্প নেই : সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত

সেই কালো বিড়াল

সাইদুল ইসলাম

৯ এপ্রিল, রাত ১১টা। রাজধানীর জিগাতলা মোড়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদর দপ্তরের মূল ফটক দিয়ে হঠাত্ ঢুকে পড়ল একটি টয়োটা গাড়ি। ফটকে দায়িত্ব পালন করা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই গাড়িটি ভেতরের দিকে চলে গেল কিছুদূর। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই গাড়ি থেকে আওয়াজ আসে। 'আমার কাছে টাকা আছে, অনেক টাকা, দুর্নীতির টাকা'। নিরাপত্তারক্ষীরা অস্ত্র তাক করে গাড়ির দিকে ছুটে গিয়ে দেখেন ভেতরে কয়েকজন বেসামরিক লোক বসে আছে। গাড়ির ড্রাইভার তখনও সজোরে চিত্কার করে বলছেন, গাড়ির মধ্যে দুর্নীতির অনেক টাকা আছে। নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়িতে তল্লশি করে উদ্ধার করেন ৭০ লাখ টাকা। সাথে আটক করেন চালকসহ গাড়িতে থাকা আরও তিনজনকে। এরা হলেন সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএস ওমর ফারুক ও রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাপরিচালক ইউসুফ আলী মৃধা ও কমান্ডেন্ট এনামুল হক। সকালে সাংবাদিকদের কল্যাণে মুহূর্তে তা জেনে যায় জাতি। ২০১২ সালজুড়ে এ ঘটনাটি ছিল সবার মুখে মুখে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, ব্লগসহ অন্য মাধ্যমগুলোতেও উঠে ঝড়।

২০১১ সালের ২৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের আলো ঝলমলে পরিবেশে শপথ নিতে যাওয়া কয়েকজনের মুখ বেশ উজ্জ্বল। কিছুক্ষণ পরে শপথ অনুষ্ঠান। দরবার হলের অপেক্ষা শেষ করে রাষ্ট্রপতি নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের শপথ পড়াচ্ছেন। এ শপথের বাইরেও নবনিযুক্ত রেলমন্ত্রী একটু আগ বাড়িয়ে সাংবাদিকদের বললেন, রেলওয়েতে দুর্নীতির কালো বিড়াল ঢুকেছে। আমার প্রথম কাজ হবে এ কালো বিড়ালকে তাড়ানো। দেশবাসী আশ্বস্ত হয়েছিল তার কথায়। কারণ রেলেওয়ে নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে নানা রকম দুর্নীতির খবর প্রকাশ হয়েছে। রেলওয়ের জমি দখল, টেন্ডারবাজি, নিয়োগ বাণিজ্য এসব শুনতে শুনতে দেশবাসীর কান ঝালাপালা। সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের কথায় দেশবাসী আশ্বস্ত হয়েছিল এই ভেবে যে, দীর্ঘ ক্যারিয়ারের এই রাজনীতিক অন্তত রেলওয়েকে কালো বিড়ালের হাত থেকে বাঁচাবেন। কিন্তু সে আশায় গুঁড়েবালি। এতদিন সংস্থাটিতে আড়ালে আবড়ালে দুর্নীতি হলেও সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএস-এর কল্যাণে দেশবাসীর কাছে সে দুর্নীতি স্পষ্ট হয়েছে।

৯ এপ্রিল ঘটনা ঘটলেও এরপর চলতে থাকে নানা নাটক। বিরোধী পক্ষ থেকে সমালোচনার ঝড় উঠে। বিরোধী পক্ষ সরকারকে আক্রমণ করে বক্তব্য দিতে থাকে। সুরঞ্জিতসহ সরকারের পদত্যাগ দাবি করা হয় নানা পক্ষ থেকে। প্রধানমন্ত্রী গণভবনে ডেকে কথা বলেন, তার মন্ত্রিপরিষদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সাথে। জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে বলেছিলেন, বিজিবি সদর দপ্তরে আটক করা টাকা যে আপনার নয়, তা আপনি প্রমাণ করেন। নানা ঘটনা ঘাত-প্রতিঘাতের পর অবশেষে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ১৬ এপ্রিল পদত্যাগ করেন। অবশ্য তাকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়েছে।

রেলের নিয়োগ বাণিজ্য :চলছে দীর্ঘদিন

রেলওয়েতে তৃতীয় শ্রেণী ও চতুর্থ শ্রেণীর বিভিন্ন পদে দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ বন্ধ ছিল। লোকবল সংকটের কারণে স্বাভাবিক কাজকর্ম বিঘ্নিত হচ্ছিল। শূন্যপদ পূরণের জন্য রেলওয়ের পক্ষ থেকে অনেক আগেই যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। ২০১১ সালের গোড়ার দিকে অর্থ ও সংস্থাপন মন্ত্রণালয় কমবেশি সাড়ে সাত হাজার পদ পূরণের অনুমোদন দেয়। কিন্তু আবুল হোসেন যোগাযোগ মন্ত্রী থাকা অবস্থায় এসব পদে লোক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েও পিছিয়ে যান। কারণ, মন্ত্রী-এমপি ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের এত বেশি তদবির ছিল যে, তিনি কার তদবির রেখে কারটা শুনবেন—এ জন্য তিনি নিয়োগ বন্ধ রাখেন। কিন্তু নতুন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই শূন্য পদগুলোতে লোক নিয়োগের তোড়জোড় শুরু করেন। ওয়েম্যান, খালাসি, এপ্রেন্টিস, এ এল এম (এসিস্ট্যান্ট লোকোমোটিভ মাস্টার) এবং এসিস্ট্যান্ট স্টেশন মাস্টার পদে লোক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরুকরা হয়। এরমধ্যে এপ্রেন্টিস পদে প্রায় ১ হাজার লোক নিয়োগও করা হয়েছে। রেলওয়ের একটি সূত্র বলছে, প্রতিটি পদে নিয়োগ পেতে অন্তত চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ লেনদেন হয়েছে।

এদিকে, পূর্বাঞ্চল রেলের ১৯ ক্যাটাগরির নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে তিন সদস্যবিশিষ্ট মোট ছয় সদস্যের দুইটি তদন্ত কমিটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন। দুদকের উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে গঠন করা তিন সদস্যের মধ্যে আছেন এডি হাফিজ উদ্দিন ও ডিএডি রাশেদুর রেজা। আর অপর কমিটির প্রধান করা হয়েছে শেখ ফায়েজ আলমকে। তার সঙ্গে আছেন এডি রাশেদুর রেজা এবং ডিএডি নাজিম উদ্দিন। মূলত বিপুল টাকাসহ সুরঞ্জিতের এপিএস বিজিবির হাতে আটক হবার পর রেলের নিয়োগ বাণিজ্যের ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠে। এরপর পূর্বাঞ্চল রেলের নিয়োগ দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন। অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে সব কয়টি ক্যাটাগরিতে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায় রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জিএম ইউসুফ আলী মৃধা এসব অনিয়মের হোতা। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে রেলের বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

কালো বিড়ালের বহনকারী

গাড়িচালক কোথায়?

রেলমন্ত্রীর এপিএসকে ৭০ লাখ টাকাসহ ধরিয়ে দেয়া সেই গাড়ি চালক আলী আজম এখনও লাপাত্তা রয়েছেন। অনেকে মনে করছেন, সে ড্রাইভারকে খুঁজে পেলে অনেক রহস্যের জট খুলবে। মাঝে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে তাকে সাক্ষাত্কার দিতে দেখা গেলেও এখনও পর্যন্ত পুলিশ বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ তাকে হাজির করাতে পারেননি। টিভিতে সাক্ষাত্কার নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে নানা রহস্যের। আলী আজম যখন সাক্ষাত্কার দিচ্ছেন তখন তার পেছনে যে ফুল দেখা গিয়েছে তা নিয়েও বিতর্ক হয়েছে। পদত্যাগী মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, যে সময়ে আলী আজম সাক্ষাত্কার দিয়েছেন তখন কৃষ্ণচূড়া ফুল ফোটার কথা নয়। সুতরাং সাক্ষাত্কারটি সাজানো। তবে একজন পুষ্প গবেষক বলেছেন, এটি আসলে কৃষ্ণচূড়া নয়, এটি হবে রাধাচূড়া। ফুলের পরিচয় পাওয়া গেলেও পাওয়া যায়নি গাড়ি চালক আলী আজমকে। তবে, তবে গাড়ি চালক আজম খান বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে যে বক্তব্য দিয়েছেন সে বিষয়ে বর্তমান দফতরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, 'এসব ফালতু কথা। বোগাস স্টোরি। এগুলো মিডিয়ার কারবার।' সুরঞ্জিত দাবি করেন, এসব তাকে ফাঁসানোর জন্য করা হচ্ছে। তিনি বলেন, 'এত দিন যেসব প্রসেস হয়েছে, সেসব প্রসেসের মধ্য দিয়ে আজম যায়নি কেন? এখন কোথা থেকে সে এসব বলছে?' সাংবাদিকরাও কম লেগে থাকেননি। আজমের পরিবারও নানা আকুতি জানিয়েছে সরকারের কাছে। কিন্তু আজম রহস্যের কুলকিনারা হয়নি। দুদকের চেয়ারম্যান গোলাম রহমানও বলেছেন, আজমকে পাওয়া গেলে অনেক রহস্যের কুলকিনারা হতো। আইনজীবীরা বলছেন, এত বড় একটি ঘটনার পর ঘটনার মূল নায়ক নিখোঁজ হলে পুলিশের বসে থাকার কোনো উপায় নেই। তা ছাড়া চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ স্বপ্রণোদিত উদ্যোগ নেবে, এটা রাষ্ট্রের নাগরিকের অধিকার।

এপিএস ফারুক যা বললেন..

টাকা উদ্ধারের বিষয়ে সাবেক রেলমন্ত্রীর এপিএস ফারুক তালুকদার গণমাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা এরকম—রাত ১১ টার দিকে তিনি মন্ত্রীর জিগাতলার বাসায় যাচ্ছিলেন। তিনি সায়েন্স ল্যাবরেটরির কাছে পৌঁছালে ধানমন্ডি ৩ নম্বর সড়ক থেকে রেলওয়ের মহা পরিচালক (পূর্ব) ইউসুফ আলী মৃধা ফোন করেন। এরপর তিনি সেখান থেকে রেলওয়ের মহা পরিচালক (পূর্ব) ইউসুফ আলী মৃধা ও এনামুল হক নামে রেলওয়ের একজন কমান্ডেন্ট তার গাড়িতে ওঠেন। এরপর তাদের গাড়ি রাইফেল স্কয়ারের দিকে রওনা হয়। তাদের গাড়ি বিজিবি'র গেটের কাছে পৌঁছালে গাড়ি চালক আজম গাড়িটিকে বিজিবির সদর দফতরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। এসময় তারা চালককে বকা দিলে চালক বলেন, 'আপনারা গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে যান, না হলে এই টাকাসহ আমি আপনাদের বিজিবির কাছে ধরিয়ে দেবো।' এরপর তিনি চালক আজমকে ধমক দিলে আজম চিত্কার শুরু করে। পরে বিজিবির সদস্যরা এসে তাদেরকে আটক করে। রাতে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা সদর দফতরে না থাকায় তাদেরকে বিজিবি কার্যলয়ে আটক রাখা হয়। সকাল ১১টার দিকে বিজিবির মহাপরিচালক এসে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেন। গাড়িতে কত টাকা ছিল এমন প্রশ্নে ফারুক তালুকদার বলেন, তার কাছে তার শ্যালকের দেওয়া ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা ছিল। এই টাকা রাতে কোথা থেকে আনলেন বা টাকার উত্স কী? জানতে চাইলে তিনি আর কোনো কথা বলেননি।

অবশেষে দুদকের মামলা..

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের একান্ত সহকারী সচিব (এপিএস) ওমর ফারুক তালুকদার এবং পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের (বরখাস্তকৃত) সাবেক মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ইউসুফ আলী মৃধার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রাজধানীর রমনা থানায় দু'টি মামলা দায়ের করা হয়। ফারুকের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে দুদকের সহকারী পরিচালক এসএম রাশেদুর রেজা ও মৃধার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. রেজাউল হাসান তরফদার। দুদক সূত্র জানায়, ফারুকের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩ লাখ ৯৭ হাজার টাকা এবং মৃধার ৪০ লাখ ৯ হাজার ৯শ' ১০ টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক। হাইকোর্ট থেকে জামিন নিলেও দুদকের মামলায় এখন ওমর ফারুক তালকদারের ঠিকানা হয়েছে জেলখানায়।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। সাবেক উপদেষ্টা আকবর আলি খানের এই আশঙ্কা যথার্থ বলে মনে করেন?
3 + 1 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
অক্টোবর - ১৯
ফজর৪:৪২
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫২
মাগরিব৫:৩৩
এশা৬:৪৪
সূর্যোদয় - ৫:৫৭সূর্যাস্ত - ০৫:২৮
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :