The Daily Ittefaq
ঢাকা, সোমবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১২, ১৭ পৌষ ১৪১৯, ১৭ সফর ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ রাজধানীতে বর্ষবরণে নাশকতা ঠেকাতে মাঠে নেমেছে ৮টি ভ্রাম্যমাণ আদালত | নতুন বছরে খালেদা জিয়ার শুভেচ্ছা | নতুন বছরে আন্দোলনে ভেসে যাবে সরকার: তরিকুল ইসলাম | দক্ষিণ এশিয়ায় সাংবাদিক হত্যার শীর্ষে পাকিস্তান | ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন নীল ৮, সাদা ৭ পদে জয়ী | জোর করে ক্ষমতায় থাকতে চাইলে ৭৫ এর মতো পরিণতি হবে: খন্দকার মোশাররফ | দুর্নীতিবাজদের ভোট দেবেন না : দুদক চেয়ারম্যান | ট্রেনের ধাক্কায় ৫ হাতির মৃত্যু | এখন বাবা-মাকে বই নিয়ে চিন্তা করতে হয় না : প্রধানমন্ত্রী | আপাতত পাকিস্তান সফর করছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল | মিরপুরে ঢাবি অধ্যাপকের স্ত্রীকে গলাটিপে হত্যা | তাজরীনে আগুন পরিকল্পিত: বিজিএমইএ | ১৩ জানুয়ারি থেকে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার নিবন্ধন | সমস্যা সমাধানে আলোচনার বিকল্প নেই : সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম

নির্বাচন নিয়ে ভাবনা

ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না

চাই একটি নিরপেক্ষ,

স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য

নির্বাচন

২০১৩ সালের শেষের দিকে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর আমাদের দেশে ইতোমধ্যে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঘটছে নানা রকমের ঘটনা। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নির্বাচন নিয়ে চলছে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি। প্রশ্ন উঠেছে তত্ত্বাবধায়ক না দলীয় সরকার না অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে? কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে যে, সর্বপ্রথম একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের কোন বিকল্প নেই।

প্রধান বিরোধী দল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় অনড় ভূমিকা পালন করলেও ক্ষমতাসীন দল তা মানতে চায় না। এতে করে একটি স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া নিয়ে শঙ্কা দেখা দিচ্ছে। একটি বিষয় দেশের সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে বিশ্বাস করতে হবে। যদি একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় তাহলে কোন না কোন দলকে ছাড় দিতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে হবে। আমাদের দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এতটা ঘোলাটে হয়ে উঠেছে যে, নিবার্চন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করা প্রশ্ন সাপেক্ষ হয়ে উঠেছে। আর এই নির্বাচনকে ইস্যু করে যদি কোন দল কোন দুষ্টু খেলায় মাততে চায় তাহলে সাধারণ জনগণের জন্য তা খুবই ভয়াবহ হয়ে উঠবে। তাই দেশের সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান দেশের স্বার্থে ও দেশের জনগণের স্বার্থে সংঘাত মুক্ত একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সংঘটনের জন্য কাজ করুন।

এমতাবস্থায় দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে এক সাথে কাজ করতে হবে। দেশের জনগণ নির্বাচন পূর্ব কোন সহিংসতা দেখতে চায় না। চাই উভয় দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। জয়-পরাজয় যাই হোক না কেন, কোন অভিযোগ ছাড়া নির্বাচনের ফলাফল সবাই মেনে নেবে। সর্বোপরি সকলের সাথে ঐকমত্যে এসে একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ, গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেশের জনগণকে উপহার দেবে।

সনেট দেব

বি.এস.এস. (সম্মান) ৩য় বর্ষ,

অর্থনীতি বিভাগ, চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম

আগামী নির্বাচন হোক

অবাধ, নিরপেক্ষ

ও সুষ্ঠু

১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলার আকাশে উদিত হলো গণতন্ত্রের লাল রক্তিম স্বাধীন সূর্য। আর এই গণতন্ত্র এমন একটি শাসন ব্যবস্থা যে শাসন ব্যবস্থায় ক্ষমতা থাকে জনগণের হাতে। তবে আমাদের দেশের মত পরোক্ষ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক অধিকার। এই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য চাই অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হোক বা না হোক নির্বাচন তখনই সুষ্ঠু হবে যখন নির্বাচন কমিশন থাকবে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ। জনগণের জাতীয় নির্বাচন-২০১৩ অনুষ্ঠিত হবে বলে কি আশা রাখতে পারি? তবে, সকল রাজনৈতিক দলের নেতাদের মনে রাখা উচিত যে, নির্বাচনের আগে তাদের যে নির্বাচনী ইশতেহার থাকে তা যেন ক্ষমতালাভের পর ভুলে না যান। নির্বাচনী ইশতেহার সম্পূরণের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত থেকে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০১৩ এর মধ্য দিয়ে এমন সরকার আসা উচিত যা কোন নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর না হয়ে সাধারণ জনগণের সরকার হবে।

ফারজানা নাজনীন ফ্লোরা

২য় বর্ষ, শিশু বিকাশ ও সামাজিক সম্পর্ক,

গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)।

প্রয়োজন দু'প্রধান

দলের সমঝোতামূলক

মনোভাবের

নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এলেও বিরোধী দলের এক রোখা তত্ত্বাবধায়ক ইস্যু এবং সরকারের কট্টর মনোভাব আচরণ ২০১৩ সালের নির্বাচনকে অনিশ্চিত করে তুলেছে। বিরোধী দলের লক্ষ্য তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া হলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার কাদের দ্বারা গঠিত হবে সেটিতে যেমন রয়েছে ধোঁয়াশা অন্যদিকে সংবিধান অনুযায়ী দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার ঘোরে যেন সরকার নিবিড়ভাবে আচ্ছন্ন। নির্বাচনের ব্যাপারে সমঝোতামূলক মনোভাব ও সিদ্ধান্তে আসার ব্যাপারে বিরোধী দল সংসদে গিয়ে সরকারকে যৌক্তিক বিষয়গুলোকে চাপ না দিয়ে রাজপথে হরতালের মাধ্যমে আল্টিমেটাম দেয়ার যে সংস্কৃতি বেছে নিয়েছে তা কোনোভাবেই সামনে যে নির্বাচন হবে তার ন্যূনতম সম্ভাবনা প্রদর্শন করে না। বরাবরই সরকার বিরোধী দলকে সংসদে এসে তাদের দাবি উত্থাপনের কথা বললেও এমন কোন অবস্থার সৃষ্টি করতে আগ্রহী হয়নি যে বিরোধী দল তাদের অবস্থান পরিবর্তনে চিন্তিত হবে। অন্যদিকে এটা অজানা নয় যে নির্বাচন ব্যাহত হলে স্বভাবতই জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার আবারো ওয়ান ইলেভেনের সম্মুখীন হবে যা পুনরায় রাজনৈতিক দলগুলোসহ জনগণকে চরমভাবে ভোগাবে। এখনো সময় আছে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাব পরিবর্তনের এবং নির্বাচন যাতে নির্দিষ্ট সময়ই হয় সে বিষয়ে কার্যকরি পদক্ষেপ নিয়ে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার।

মো. ফিরোজ সোহাগ

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ,

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

দেশ ও জাতির উন্নয়নে সুশিক্ষিত নেতার নেতৃত্ব অপরিহার্য

হাঁটি হাঁটি পা পা করে স্বাধীনতার ৪১ বছর পদার্পণ করছে। তবু আমরা কি প্রকৃত স্বাধীনতা পেয়েছি? যদি স্বাধীনতা পেয়ে থাকি তাহলে আজ রাজপথ রক্তে ভেজা লাল কেন, কেন এই বিশ্বজিত্-এর ন্যায় নিরীহ পথচারী দিন-দুপুরে হয় খুন, কেন এ জ্বালাও-পোড়াও, হানাহানি, হাঙ্গামা রাজনীতি, কেন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ সর্বস্তরে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজমান, কেন এই বৃদ্ধ জননীর চোখে ঘুম নেই, কেন আজ আমাদের দেশ দরিদ্র, সন্ত্রাসী ও স্বজনপ্রীতিতে জর্জরিত। তৃণমূল হতে চূড়া পর্যন্ত দুর্নীতিতে লিপ্ত। ফলে দেশ ও জাতি দিন দিন ধ্বংসের পথে অগ্রসর হচ্ছে। আমি আজ তাদের বলছি, যারা সমাজের রাঘব বোয়াল, আপনাদের ভিতরে কতটুকু নৈতিকতা আছে, আছে কি সুশিক্ষা? যা দেশের মানুষ কতই না সহজ-সরল কাকডাকা ভোরে এই কনকনে তীব্র শীতে আপনাদের খাবার যোগাতে লাঙ্গল নিয়ে বেরিয়ে যায় মাঠে। অথচ আপনারাই দিন দিন ফসলের দাম কমিয়ে করা হয় তাদের উপর জুলুম-অত্যাচার। নেই কেন তাদের মুখে প্রতিবাদের শব্দ, যেন তারা চিনির বোঝা বহন করে খাইতে শিখেনি। আমার ন্যায় এ দেশের প্রত্যেক মানুষের মনে এখন একটি কল্পনার রাজ্য বিরাজমান। যে স্বপ্ন আমরা প্রকৃত স্বাধীনতা ফিরে পাব, পাব প্রতিটি সেক্টরে সুশিক্ষিত লোকের নেতৃত্ব। সেদিন দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও সন্ত্রাস থাকবে না। সেদিন আমরা আমাদের দেশ মনের মত করে গড়ে নেব। সেদিন উন্নত দেশগুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে উন্নতির শিখরে আরোহণ করব। আমাদের কল্পনার রাজ্য আসবে ফিরে এই বাংলার বুকে।

এস.এম. জালাল উদ্দিন সরকার (তুষার)

আই.এস.সি (সম্মান) ২য় বর্ষ,

সার্জেন্ট জহুরুল হক হল,

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

font
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। সাবেক উপদেষ্টা আকবর আলি খানের এই আশঙ্কা যথার্থ বলে মনে করেন?
7 + 4 =  
ফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
সেপ্টেম্বর - ২০
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫৩
আসর৪:১৬
মাগরিব৬:০১
এশা৭:১৩
সূর্যোদয় - ৫:৪৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৬
archive
বছর : মাস :
The Daily Ittefaq
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: তাসমিমা হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে তারিন হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, e-mail: [email protected], সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। www.ittefaq.com.bd, e-mail: [email protected]
Copyright The Daily Ittefaq © 2014 Developed By :